'বুলডোজার' থেকে 'আদানিকে স্কুল বিক্রি'! যেভাবে বারবার এক্তিয়ার ভেঙেছেন 'বিচারপতি' অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

Abhijit Ganguly: কিছুদিন আগেই পাঞ্জাবির বিজ্ঞাপন করে ব্যাপক বিতর্কের মুখে পড়েছিলেন অভিজিৎ। এমনকী বিচারপতির পদে থেকে একাধিক সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকারও দিতে দেখা গিয়েছিল অভিজিৎবাবুকে।

Sohini Das
৩ মিনিট
'বুলডোজার' থেকে 'আদানিকে স্কুল বিক্রি'! যেভাবে বারবার এক্তিয়ার ভেঙেছেন 'বিচারপতি' অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, বিচারপতির ভূমিকায় যিনি ক্রমশ হয়ে উঠেছিলেন 'মসিহা'। দুর্নীতিতে মজে থাকা রাজ্যে কীভাবে যেন তিনিই হয়ে উঠেছিলেন আস্ত ন্যায়দণ্ড। সেই 'মসিহা' অবশ্য বিচারপতির ভূমিকা শেষ করে সংসদীয় রাজনীতিতেই বেশি আস্থা দেখাতে চেয়েছেন এবার। মঙ্গলবারই বিচারপতি হিসেবে তাঁর শেষ দিন। এদিনই বিচারপতি হিসেবে ইস্তফা দিয়ে এসেছেন। তারপর সাংবাদিক বৈঠক করে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেছেন। আসন্ন লোকসভা ভোটে তমলুক কেন্দ্র থেকে প্রার্থীও হতে চলেছেন বলে শোনা যাচ্ছে কথাবার্তা।

নিয়োগ-দুর্নীতি মামলায় অ্যাদ্দিন জান-প্রাণ দিয়ে লড়েছেন অভিজিৎবাবু। অন্তত তেমনটাই ঠাওর হয়েছে। তবে সেই বিচারের ন্যায়দণ্ড নামিয়ে রেখে এবার রাজনীতির ময়দানে নামছেন তিনি। জানিয়েছেন, অবসরের নাকি আর বেশি দেরি নেই তাঁর। তাই স্বেচ্ছাবসর নিয়ে ভোটে লড়তে চান। ইতিমধ্যেই কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, বিচারপতি হিসেবে তাঁর নিরপেক্ষতা নিয়ে। অনেকেই বলেছেন, গোড়া থেকেই গেরুয়া শিবিরের দিকেই নাকি খানিক ঝুঁকে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সেই উদাহরণ ঝুড়ি ঝুড়ি রয়েছে বলেই দাবি নিন্দুকদের।

শিক্ষায় দুর্নীতি মামলায় একের পর এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্তের কথা শোনা গিয়েছে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। তার প্রতাপের সামনে কার্যত কোণঠাসা হয়েছিল তৃণমূল সরকার। সেই অভিজিতের বিজেপি-যোগের কথা সামনে আসতেই সব হিসেব-নিকেশ গেছে গুলিয়ে। অনেকেই মনে করেছিলেন, বাম-ঘনিষ্ঠ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় কোনওদিনও রাজনীতির রাস্তায় গেলে বামেদের পথই তার কাছে খোলা। কিন্তু সেই সমস্ত হিসেব নিকেশ গুলিয়ে গেরুয়া শিবিরের প্রতিই আস্থা দেখিয়েছেন অভিজিৎ।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
'তালপাতার সেপাই'! অভিষেকে এত কেন ক্ষুব্ধ 'বিজেপি'র অভিজিৎ?

Abhijt Ganguly vs Abishek Banerjee: দুষ্কৃতীর বেশি কিছু মনে করি না'— নাম না করেই কার্যত অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়কে এই ভাষাতেই আক্রমণ করেছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

বিচারপতি জীবনেও বহু বার এক্তিয়ারের বাইরে বেরিয়ে কথা বলতে দেখা গিয়েছে। কিছুদিন আগেই পাঞ্জাবির বিজ্ঞাপন করে ব্যাপক বিতর্কের মুখে পড়েছিলেন অভিজিৎ। এমনকী বিচারপতির পদে থেকে একাধিক সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকারও দিতে দেখা গিয়েছিল অভিজিৎবাবুকে। প্রশ্ন উঠেছিল, আদৌ একজন বিচারপতি হিসেবে তেমনটা করা সাজে কিনা তার। এজলাসে বিচারপতির চেয়ারে বসেও কম আলটপকা মন্তব্য করেননি অভিজিৎ গাঙ্গুলি।

কখনও তৃণমূলের সেকন্ড ইন কম্যান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাজনৈতিক বলে মানতেই অস্বীকার করেছেন তিনি। এমনকী এই নামটি তিনি শুনতে বা উচ্চারণ করতে পর্যন্ত নারাজ বলে দাবি করেছেন। যদিও বরাবরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূয়সী প্রশংসা করে এসেছেন তিনি। তাঁর মতে, মমতার মতো ‘সিজনড পলিটিশিয়ান’বা ‘দায়িত্বশীল রাজনীতিবিদ’ কমই রয়েছেন। মমতাকে ভালো বললেও অভিষেককে কোনওদিনই পছন্দ করতে পারেননি অভিজিৎ।

শুধু অভিষেক প্রসঙ্গেই নয়, একাধিক বার তাঁর বক্তব্যে বিজেপি সরকার ও বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির কথা এসেছে। গত বছর জুলাই মাসে স্কুলের জীর্ণ দশা নিয়ে ভরা আদালতে ইস্টার্ন কোলফিল্ডকে তীব্র ভর্ৎসনা করেছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। ইস্টার্ন কোলফিল্ডের উদ্দেশে ক্ষুব্ধ বিচারপতির প্রশ্ন করেছিলেন, 'দেশে স্বাধীনতার অমৃত মহোৎসব পালন করা হচ্ছে আর শিক্ষকদের এই অবস্থা? কোনও সভ্য নাগরিক এটা সহ্য করতে পারে?'। এখানেই শেষ নয়, ওই শুনানিতে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ে বলে বসেন, 'স্কুল না চালাতে পারলে আদানিকে বেচে দিন।' মোদি ও তার বিজেপির আদানি-ঘনিষ্ঠতা কারওর অজানিত নয়। এ নিয়ে নানা চর্চাও রয়েছে নানা মহলে। ইতিমধ্যেই একাধিক সরকারি প্রতিষ্ঠান আদানির হাতে তুলে দিয়েছেন মোদি সরকার। সরকারি প্রতিষ্ঠানের বেসরকারিকরণের বিরুদ্ধে সরব সব মহল। এই পরিস্থিতিতে প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এ হেন বক্তব্য় সেই বেসরকারিকরণেরই সমর্থন বলেই মনে করেছিলেন অনেকে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ঘনিষ্ঠতা সত্ত্বেও কেন সিপিএম বা কংগ্রেসে নয়? যা জানালেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

Abhijit Gangopadhyay: না বাম, না কংগ্রেস, মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলন করে অভিজিৎ সাফ জানিয়ে দিলেন, শেষপর্যন্ত বিজেপিতেই যাচ্ছেন তিনি।

বিচারপতি হিসেবে বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে দেখা গিয়েছিল অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে। কলকাতা পুরসভাকে বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলে বসেন, “দরকার পড়লে যোগী আদিত্যনাথের থেকে কিছু বুলডোজার ভাড়া করুন।” যোগী-রাজ্যে বুলডোজার নীতি নিয়ে সমালোচনা চারদিকে। বিচারপতি হিসেবে সেই বিষয়টিকে সমর্থন করা কতটা যথাযথ, সেসময়ই প্রশ্ন উঠেছিল তা নিয়ে।

বিচারপতির আসনে থাকাকালীন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলিকে একাধিক বার আক্রমণ করেছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। একবার তো নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সিবিআইয়ের কাজে ক্ষুব্ধ এ তিতিবিরক্ত হয়ে তাদের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে নালিশ করার কথাও এজলাসে বসে বলে ফেলেছিলেন। যে ইডি-সিবিআইয়ের কার্যপদ্ধতি নিয়ে এতদিন প্রশ্ন তুলতেন প্রাক্তন বিচারপতি, আজ সেই সব ইতিহাস পিছনে ঠেলে আজ নিজেই বিজেপিতে।

গেরুয়া-প্রীতি কি দেখাননি তিনি বিচারপতির আসনে থেকেও। বারবার রাজ্যের প্রধান বিরোধী নেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীকে ক্লিনচিট দেওয়ার চেষ্টা করে গিয়েছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সেই চেষ্টার অবশ্য় ত্রুটি দেখা গেল না মঙ্গলবারের সাংবাদিক বৈঠকেও। নাম না করেই নারদা কাণ্ড গোটাটাই অভিষেকের 'ষড়যন্ত্র' বলে দাগিয়ে দিলেন তিনি। শুভেন্দু যে কোনওকালেই কোনও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নন বা তিনি যে কস্মিনকালেও টাকা নেননি, বিচারপতির এক্তিয়ার থেকে বেরিয়ে তা-ও বলতে শোনা গিয়েছে তাঁকে কোনও রকম তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই।

আদালতের কাছে এক এবং একমাত্র বিবেচ্য তথ্যপ্রমাণ। বিচারপতির আসনে বসে নিজের এক্তিয়ার ভেঙে বহু সময়েই তথ্যপ্রমাণ ছাড়া কথা বলে বসেছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, এমন দাবি করেছেন অনেকেই। বরাবরই যে কোনও মামলাতেই খোলাখুলি ভাবে নিজের পর্যবেক্ষণ সকলের সামনে রাখতে পছন্দ করেছেন। এবার অবশ্য সেই বিচারপতির ছড়ি তাঁর হাতে আর নেই। ফলে নিরপেক্ষ মন্তব্যের দায়ও যে আর তাঁর নেই, তা কার্যত পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে মঙ্গলবারের সাংবাদিক বৈঠকেই। তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে সন্দেশখালি, বিভিন্ন বিষয়েই খোলামেলা মন্তব্য রেখে নিজের জায়গাটা এদিন পরিষ্কার বুঝিয়ে দিয়েছেন প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।