প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ইচ্ছা কি আবার কোনও মায়ার খেলা?

tiasa gupta
৪ মিনিট
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ইচ্ছা কি আবার কোনও মায়ার খেলা?

উত্তরপ্রদেশে কার্যত ফাঁকা মাঠে গোল করেছেন যোগী আদিত্যনাথ। সেইসময় বিরোধী ঐক্য দানা বাঁধেনি। আর সেই সুযোগ কাজে লাগাতে দ্বিধা করেনি গেরুয়া ব্রিগেড। রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন শোনা গেছিল, মায়াবতী নাকি তলেতলে বিজেপিকে সাহায্য করেছেন। বিজেপি তার পুরস্কার দেবে না তা হয় নাকি! যদিও রাষ্ট্রপতি হওয়ার সম্ভাবনা আগেই উড়িয়ে দিয়েছেন মায়া নিজেই। কিন্তু এই নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। আগুনে আবার ঘি ঢেলেছেন অখিলেশ যাদব। এর জবাব দিতে দেরি করেননি বিএসপি সুপ্রিমো। কী বললেন?

সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিতে ভোট হস্তান্তরের অভিযোগে মাইনপুরিতে মায়াবতীকে আক্রমণ করে বলেছিলেন, এখন দেখার বিষয় যে বিজেপি তাঁকে দেশের রাষ্ট্রপতি করে কি না। এরই পাল্টা মায়াবতী বলেন, `সমাজবাদী পার্টির আমাকে রাষ্ট্রপতি করে রাজনীতি থেকে সন্ন্যাস নেওয়ার স্বপ্ন ভুলে যাওয়া উচিত। তারা এসব করতে চায় যাতে উত্তরপ্রদেশে তাদের ক্ষমতায় বসার পথ পরিষ্কার হয়। আমি কখনই রাষ্ট্রপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখব না কারণ আমি আরামের জীবন চাই না, সংগ্রামের জীবন চাই। আমি আবার উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখি এবং দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ারও স্বপ্ন দেখি।'

সাংবাদিক সম্মেলনে মায়াবতী আরও বলেন, 'আমাদের সরকারের আমলে তৈরি স্মৃতিস্তম্ভগুলি সপা এবং বিজেপি উভয় সরকারই অবহেলিত হয়েছে, হচ্ছে! এই বিষয়েই রাজ্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে এস সি মিশ্রের নেতৃত্বে বিএসপির একটি প্রতিনিধি দল যোগীজির সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিল। যদিও অখিলেশ যাদব সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের সময় বিএসপিকে তার ভোটারদের ভোট বিজেপিতে স্থানান্তর করার অভিযোগ করেছেন! পাল্টা মায়াবতী সপাকে আক্রমণ করে বলেছেন যে ওরাই (সমাজবাদী পার্টি) নির্বাচনকে হিন্দু-মুসলিম ভেঙে বিজেপির সঙ্গে যোগসাজশ করেছে এবং বিজেপির প্রত্যাবর্তনের দায়ভার ওদেরই! তিনি বলেন রাজ্যে মুসলিম এবং অন্যদের বিরুদ্ধে যে সমস্ত নৃশংসতা ঘটছে তার জন্য সপা-ই দায়ী।

২০২৪-এ বিজেপিকে ঠেকাতে বিরোধী ঐক্যের পরিসর তৈরি করার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে জাতীয় রাজনীতিতে। তবে ২০২৪ এর আগে সবথেকে বড় পরীক্ষা ছিল ২০২২-এ উত্তরপ্রদেশ। এখানে যোগীর গদি নড়াতে পারলে দিল্লি কেঁপে উঠত, তা একপ্রকার নিশ্চিত। তবে উত্তরপ্রদেশে বিজেপিকে ঠেকাতে ঐক্যবদ্ধ হতে পারেনি বিরোধীরা। বিএসপি নেত্রী অনেক আগেই জানিয়েছিলেন, তিনি জোটে যাবেন না। তিনি বলেছিলেন, পাঞ্জাব ছাড়া উত্তরপ্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডে বিধানসভা নির্বাচনে তাঁর দল কারও সঙ্গে জোট বেঁধে লড়বে না। এই সুযোগে ফাঁকা মাঠে গোল দিয়ে বেরিয়ে যান যোগী। এখন সামনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। মায়াবতীকে নিয়ে কম জল্পনা হয়নি।

ভারতের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কি হতে চলেছেন মায়াবতী? সম্প্রতি এমনই জল্পনা ছড়িয়েছে ভারতের রাজনৈতিক মহলে। তবে এই ‘সম্ভাবনাকে’ রটনা বলে উড়িয়ে দিলেন মায়াবতী স্বয়ং। বহুজন সমাজ পার্টির প্রধান মায়াবতী বলেন যে, তিনি কোনও দলের তরফেই রাষ্ট্রপতি পদের প্রস্তাব গ্রহণ করবেন না। উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এর প্রেক্ষিতে ভারতীয় জনতা পার্টি এবং রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারের অভিযোগ তুলে বলেন, গেরুয়া শিবির উত্তরপ্রদেশ নির্বাচনের প্রচারে মিথ্যা বলেছিল যে তারা উত্তরপ্রদেশে জয়ী হলে আমাকে রাষ্ট্রপতি করা হবে।

উল্লেখ্য, রাষ্ট্রপতি হিসেবে রামনাথ কোবিন্দের মেয়াদ ২৪ জুলাই শেষ হবে এবং তার আগে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন শেষ হতে হবে। পাঁচ রাজ্যের ভোট মিটে যাওয়ার পর তাই এখন সব রাজনৈতিক দলেরই নজর সেদিকে। দিল্লির রাজনৈতিক মহলে এখন শুধু দু’টো প্রশ্ন, বিজেপি কাকে রাষ্ট্রপতি পদের জন্য প্রার্থী করবে? বিরোধীরা কাকে রাষ্ট্রপতি পদের জন্য প্রার্থী করবে?

একাধিক রাজনৈতিক দল চাইছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সামনে রেখে শক্তিশালী বিরোধী জোট তৈরি করতে। কারণ বিজেপিকে ঠেকাতে বিরোধী মুখ তিনিই। আর তার মহড়া হতে পারে আগামী জুলাই মাসের রাষ্ট্রপতি এবং উপ–রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মধ্য দিয়েই। ইতিমধ্যে সেই বার্তা এসে পৌঁছেছে কালীঘাটে। তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও (কেসিআর) চাইছেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী নির্বাচন করুন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই। বিজেপি বিরোধী লড়াইয়ের সেই প্রার্থীকে সমর্থন দেবে বিরোধী দলগুলি। সূত্রের খবর, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে, এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ার, ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন, সমাজবাদী পার্টি প্রধান অখিলেশ যাদব, আম আদমি পার্টির সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং বিজেডির নবীন পট্টনায়েক–এর সঙ্গে হালকা কথা হয়েই রয়েছে। সেই ঢেউ আছড়ে পড়বে নয়াদিল্লিতে বলে মনে করা হচ্ছে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ঘিরে ক্রমেই রাজনৈতিক পারদ চড়ছে। বিজেপি এবং তাদের শরিক দলের প্রস্তাবিত প্রার্থীর রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়া প্রায় নিশ্চিত হলেও এখনও প্রয়োজনীয় সংখ্যা জোগাড় করতে পারেনি বিজেপি। এদিকে বিজেপিকে ঠেকাতে বিরোধীরা ঐক্যবদ্ধ হওয়ার চেষ্টা করছে। বিজেপির কাছে যে পর্যাপ্ত সংখ্যা নেই, তা জানেন বিরোধীরা। আর তাই সম্মিলিত ভাবে একজনকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করিয়ে তাঁকে জেতাতে চাইছে কংগ্রেস, তৃণমূল, এনসিপির মতো দলগুলি। এই আবহে এবার বিজেপির কৌশল গ্রহণের দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের কৌশল ঠিক করার অঙ্কে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংও। দলের তরফে অন্য দলের সঙ্গে যোগাযোগ, সংলাপ এবং সমন্বয়ের সম্মুখভাগে থাকছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং।

আগামী জুনের মাঝামাঝি সময় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই এ নিয়ে কৌশল তৈরি করতে শুরু করেছে বিজেপি নেতৃত্ব। প্রার্থীদের নাম নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। একই সময়ে, নন-এনডিএ দলকে খুঁজে বের করার কাজও চলছে যারা বিজেপিকে সাহায্য করতে প্রস্তুত হবে। মে মাস থেকে এসব দলের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সংলাপ ও যোগাযোগের কাজ শুরু হবে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে গোল দিতে বিজেপি যে মরিয়া চেষ্টা চালাবে, তা বলাই বাহুল্য।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে সরগরম দিল্লি। মায়ার নাম নিয়ে জল্পনা। এই অবস্থায় মায়াবতী পরিষ্কার করে দিয়েছেন, উত্তরপ্রদেশের চেনা পিচ ছেড়ে তিনি নড়বেন না। তাও শেষপর্যন্ত মায়ার খেলা- কোনদিকে গড়ায়, তা সময়ই বলবে। নজর থাকবে।

লিখেছেন
tiasa gupta
tiasa gupta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।