কিনেছিলেন এক হাজার টাকার বন্ড! যেভাবে দুর্নীতির পর্দা ফাঁস করলেন সাংবাদিক পুনম

Electoral Bond: পুনম জানিয়েছিলেন, তিনি দিল্লির একটি এসবিআই শাখায় গিয়েছিলেন ইলেক্টোরাল বন্ড কেনার জন্য। বন্ড বিক্রি করার আগে তাঁর কাছ থেকে সমস্ত কেওয়াইসি নেওয়া হয়।

Sohini Das
৫ মিনিট
কিনেছিলেন এক হাজার টাকার বন্ড! যেভাবে দুর্নীতির পর্দা ফাঁস করলেন সাংবাদিক পুনম

লোকসভা ভোটের আর দেরি নেই। ঘোষণা সারা, প্রার্থীতালিকা তৈরি। অযোধ্যায় রামজন্মভূমি দিয়ে ইনিংসের শুরুটা একেবারে ঠিকঠাক হয়েছিল বিজেপির। তবে গোল বাঁধালো এই ইলেক্টোরাল বন্ড দুর্নীতি মামলা। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি তারিখে বিজেপি সরকারের এই প্রকল্পকে বেআইনি ঘোষণা করে সুপ্রিম কোর্ট। স্বাভাবিক ভাবে লোকসভা ভোটের ঠিক আগে বন্ড কেলেঙ্কারি বেশ অস্বস্তিতে ফেলেছে বিজেপিকে। সাত তাড়াতাড়ি সিটিজেনশিপ অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট (CAA) কার্যকর করে জনগণের মাথা ঘোরানোর চেষ্টা করেছিল বটে বিজেপি সরকার, তবে কাজের কাজ কিছু হয়নি। সুপ্রিম কোর্টের কড়াকড়ির মুখে এসবিআই বাধ্য হয়েছে ইলেক্টোরাল বন্ড সম্পর্ক সমস্ত তথ্য এবং নথি সামনে আনতে। সেসব উঠেছে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটেও। হাজার হাজার কোটি টাকার খেলা জনগণের সামনে পরিষ্কার। তবুও যেটুকু ধোঁয়াশা রয়ে গিয়েছে,তার উপর থেকেও পর্দা সরাতে চায় শীর্ষ আদালত। কোন কোন ব্যবসায়িক সংস্থা বা ব্যক্তিবিশেষের কাছ থেকে উপকৃত হয়েছে কোন কোন রাজনৈতিক দল, তার খতিয়ানও স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ার কাছ থেকে চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যেই সামনে আসার কথা সেই তথ্যের।

বিজেপির এই ইলেক্টোরাল বন্ড প্রকল্প যে দুর্নীতির শর্টকাট এমনটা অনেকদিন ধরেই দাবি করে আসছিলেন সাংবাদিকদের একটি অংশ। তবে লোকসভা ভোটের আগে এই দুর্নীতিকে প্রকাশ্যে আনার নেপথ্যে যে সাংবাদিকের প্রত্যক্ষ হাত ছিল, তিনি পুনম আগরওয়াল। 'দ্য কুইন্ট' নামে একটি স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের 'ইনভেস্টেগেটিভ জার্নালিস্ট' হিসেবে কাজ করতেন পুনম। ২০১৮ সাল নাগাদ একটি প্রতিবেদনের জন্য এক হাজার টাকা দামের দু'টি ইলেক্টোরাল বন্ড নিজেই কিনে বসেন পুনম। তার পর রাজনীতির নদীতে বয়ে গিয়েছে বহু জল। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয় এসবিআই-কে ইলেক্টোরাল বন্ড সংক্রান্ত সমস্ত নথিপত্র প্রকাশ করতে। নানা টালবাহানার পর অবশেষে সেই নথি প্রকাশ করেছে এসবিআই। ইলেকশন কমিশনের ওয়েবসাইটে তুলে দেওয়া হয়েছে সেই নথি। মোট দু'টি নথি প্রকাশ করেছে এসবিআই। তার মধ্যে একটি তালিকায় রয়েছে বন্ডের মাধ্যমে রাজনৈতিক অনুদানকারীদের নাম, অনুদানের পরিমাণ ও বন্ড কেনার তারিখ। দ্বিতীয় তালিকায় রয়েছে, কোন দল ইলেক্টোরাল বন্ড থেকে কত টাকা পেয়েছে তার হিসেব।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
SBI-এর কাছে সমস্ত বন্ডের আলফা-নিউমারিক নম্বর চাইল সুপ্রিম কোর্ট, কী এই ইউনিক কোড?

Electoral Bonds Case: শীর্ষ আদালত এসবিআইকে বলেছে, নির্বাচনী বন্ডের বিশদ বিবরণ-সহ সমস্ত তথ্য প্রকাশ করতে হবে তাদের। যার মধ্যে থাকতে হবে আলফা-নিউমেরিক্যাল একটি ইউনিক নম্বর।

সেই তালিকায় দেখা যাচ্ছে, ক্রেতাদের তালিকায় নাম রয়েছে পুনম আগরওয়ালের। তবে তার নামের পাশে উল্লেখ করা হয়েছে ২০২০ সালের ২০ অক্টোবর তারিখটিকে। অথচ পুনম বন্ডটি কিনেছিলেন ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে। একই অঙ্কের বন্ড, একই নাম অথচ তারিখের এই অসঙ্গতিকে তুলে ধরে এসবিআইয়ের রিপোর্টের সত্যতা সম্পর্কে প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন পুনম। এসবিআইয়ের রিপোর্ট সামনে আসার পরেই ওই অসঙ্গতির কথা তুলে ধরে মাইক্রোব্লগিং সাইট এক্সে পুনম জানান, খুবই কাকতালীয় ব্যাপার না হলে এমনটা হওয়া সম্ভব নয়। অর্থের পরিমাণ এক, ক্রেতার নাম এক, কিন্তু তারিখের ক্ষেত্রে এত বড় অসঙ্গতি কীভাবে সম্ভব। যদি না একই নামে অন্য কোনও ক্রেতা ওই একই পরিমাণ অর্থের বন্ড না কিনে থাকেন। যেহেতু স্টেট ব্যাঙ্ক বন্ডের উপর থাকা ওই ইউনিক আলফা নিউমারিক নাম্বারটি প্রকাশ্যে আনেনি, ফলে এই অসঙ্গতি যাচাইয়ের কোনও উপায় নেই বলেও জানান পুনম।

সোমবার সুপ্রিম কোর্ট স্টেট ব্যাঙ্ককে ওই ইউনিক আলফা নিউমারিক নম্বরটিই প্রকাশ্যে আনতে বলেছে। আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে এসবিআইকে। তার মধ্যেই ওই ডেটা প্রকাশ করতে হবে ভারতীয় স্টেট ব্যাঙ্ককে। ওই নথি হাতে আসার সঙ্গে সঙ্গে তা নির্বাচন কমিশনকে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে এসবিআই জানিয়েছিল, ওই নম্বরটির নথি তারা রেকর্ডে রাখেনি। পরে অবশ্য সুপ্রিম-তোপের মুখে সেই নথি রাখার কথা মেনে নেয় স্টেট ব্যাঙ্ক। পুনম একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, কীভাবে তিনি বন্ডের উপর ওই ইউনিক নম্বরটি আবিষ্কার করেন। আসলে প্রতিটি বন্ডের উপরেই ওই আলফা-নিউমেরিক্যাল নাম্বার থাকে, যা প্রতিটি বন্ডের ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা। সেই ইউনিক কোড একমাত্র অতিবেগুনি রশ্মির সামনেই ফুটে ওঠে। ওই নম্বরের মাধ্যমেই একমাত্র জানা সম্ভব যে ইলেক্টোরাল বন্ডের মাধ্যমে কোন দলকে কে অনুদান দিয়েছে তা জানা। এমনকী তাঁর কেনা ইলেক্টোরাল বন্ডে যেমন অসঙ্গতি ধরা পড়েছে, তেমন আরও কোনও অসঙ্গতি রয়েছে কিনা, তা-ও জানা যাবে ওই তথ্য সামনে এলে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
নির্বাচনী বন্ডের নামে কীভাবে তোলাবাজি চক্র চালাচ্ছিল মোদি-শাহের বিজেপি?

Electoral Bond Donation Scam: মেঘা ইঞ্জিনিয়ারিং, সীমান্তে সড়ক এবং পরিকাঠামো তৈরির বরাত পাওয়া এই সংস্থার সঙ্গে আবার টিভি ৯ বলে একটি সংবাদ মাধ্যমের যোগসাজশ রয়েছে।

পুনম জানিয়েছিলেন, তিনি দিল্লির একটি এসবিআই শাখায় গিয়েছিলেন ইলেক্টোরাল বন্ড কেনার জন্য। দিল্লির একমাত্র ওই শাখাটিতেই ইলেক্টোরাল বন্ড বিক্রি করা হচ্ছিল। দেশের নাগরিক হিসেবেই ওই বন্ড কিনতে গিয়েছিলেন পুনম। ব্যাঙ্কের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, কেন এই বন্ড তিনি কিনতে চান? পুনম জানান, রাজনৈতিক দলগুলিকে বন্ডের মাধ্য়মে অনুদান দিতে চান তিনি। বন্ড বিক্রি করার আগে তাঁর কাছ থেকে সমস্ত কেওয়াইসি নেওয়া হয়। কোথা থেকে তিনি বন্ডের কথা জানতে পারলেন, তা-ও জিজ্ঞেস করা হয়েছিল ব্যাঙ্ককর্তাদের তরফে। তারপরেই পুনমের কাছ থেকে এক হাজার টাকার চেকটি নেওয়া হয়।

পরবর্তীকালে কৌতূহলের বশবর্তী হয়েই ওই বন্ডটি ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠান পুনম। সেখান থেকেই তিনি জানতে পারেন, ওই এক হাজার টাকার বন্ডটির উপরে একটি লুকানো ইউনিক নম্বর রয়েছে, যা একমাত্র ইউভি রশ্মির সামনে ফেললেই দেখা যাবে। সেই নম্বরটি ইউনিক, তার প্রমাণ পাওয়ার জন্য এরপর আরও একটি এক হাজার টাকার বন্ড কেনেন পুনম। স্বাভাবিক ভাবেই সেটিরও ফরেন্সিক পরীক্ষা করেন পুনম। দেখা যায়, দু'টি বন্ডের উপর ছাপা নম্বর একে অপরের থেকে আলাদা। বুঝতে পারেন, প্রতিটি বন্ডের উপরেই রয়েছে এমন একটি করে ইউনিক আলফা নিউমারিক্যাল নম্বর। তথ্য় জানার অধিকার আইনে প্রশ্ন করা হলে, এসবিআই স্বীকার করেছে, এই ইউনিক নম্বরগুলি রেকর্ডে রেখেছিল এসবিআই। অবং তা অডিটের ব্যবহার হওয়ার কথা। অর্থ মন্ত্রক অবশ্য জানায়, ইলেক্টোরাল বন্ডের একটি সিকিওরিটি ফিচার ওই ইউনিক আলফা নিউমারিক্যাল নম্বর।

সাংবাদিক হিসেবে পুনম অতদিন আগে যে তথ্য এবং সত্য খুঁজে বের করে এনেছিলেন ফরেন্সিক পরীক্ষার মাধ্যমে, তা অবশেষে সকলের সামনে আসতে চলেছে। সুপ্রিম কোর্ট সোমবারই জানিয়ে দিয়েছে, বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটার মধ্যে ওই ইউনিক নম্বর-সহ বাকি সমস্ত তথ্য প্রকাশ করতে হবে এসবিআই-কে। এমনকী হলফনামা দিয়ে এ-ও জানাতে হবে যে তারা এই সংক্রান্ত আর কোনও তথ্য গোপন করেনি। হাজার হাজার কোটি টাকার খেলা হয়েছে এই ইলেক্টোরাল বন্ডের মাধ্যমে। যার ৪৮ শতাংশই গিয়েছে বিজেপির কোষাগারে। তার পরে তালিকায় রয়েছে তৃণমূল ও কংগ্রেস। যথাক্রমে ১২ ও ১১ শতাংশেরও বেশি অর্থ কোষাগারে পুরেছেন তারা এই বন্ড প্রকল্পের মাধ্যমে। নামী-বেনামী বহু সংস্থা ও ব্যক্তি কোটি কোটি টাকার ইলেক্টোরাল বন্ড কিনেছেন। কোথা থেকে এসেছে এই টাকা? কালো টাকা দমনে উদগ্রীব বিজেপি সরকার আদতে কি ইলেক্টোরাল বন্ডের মাধ্যমে কালা টাকার কারাবারিদের কাছেই নোট ফর্সা করার একটা উপায় করে দিয়েছিলেন? এত কোটি কোটি টাকার বিনিময়ে তারাই বা কোন কোন সুবিধা নিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলির কাছ থেকে। স্বাভাবিক ভাবেই এই সব প্রশ্নের উত্তর মিলতে চলেছে খুব শিগগিরই। সাংবাদিক হিসেবে একদিন যে প্রশ্নগুলি তুলে দিয়েছিলেন দুনিয়ার সামনে, সেই প্রশ্নগুলি লোকসভা ভোটের আগে আদৌ কতটা বিপাকে ফেলতে চলেছে কেন্দ্রে ক্ষমতায় থাকা বিজেপি সরকারকে? সেটাই এখন দেখার।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।