কাকে ভোট দিচ্ছেন তার নেপথ্যেও আছে বিজ্ঞান! জানেন, কোন অঙ্ক মেনে চলে গণতন্ত্র?

Science of Election: প্রায়ই আমাদের চোখে পড়ে, সর্বসাকুল্যে ৫০%-এর কম ভোট পেয়েও জয়ী হচ্ছেন প্রার্থী। এটি এই 'এফ পি টি পি' পদ্ধতির আরেক সমস্যা।

Shamim Haque Mondal
৫ মিনিট
কাকে ভোট দিচ্ছেন তার নেপথ্যেও আছে বিজ্ঞান! জানেন, কোন অঙ্ক মেনে চলে গণতন্ত্র?

দুনিয়ার সর্ববৃহৎ গণতন্ত্রের উৎসবের উদযাপন চলছে দেশজুড়ে। একে একে পেরোচ্ছে নির্বাচনী দফা। আমজনতার কাছে নির্বাচন এক উচ্ছ্বাস, নিজের পছন্দের রাজাকে মনোনীত করার উদযাপন! কিন্তু কীভাবে ঠিক হলো বর্তমান নির্বাচন পদ্ধতি? এই পদ্ধতিও কি সবক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য? সবচেয়ে যোগ্য প্রার্থীকে কি আমরা সবসময়ই সত্যিই নির্বাচন করতে পারি? ভোটের উত্তেজনা, দামামা, কাদা ছোড়াছুড়ি এক পাশে সরিয়ে রেখে নির্বাচনের পিছনে থাকা বিভিন্ন গাণিতিক সম্ভাবনার কথা নিয়ে আলোচনা করা যাক।

আজ থেকে প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে নির্বাচনের ধরনটা ছিল অদ্ভুত। কয়েকজন যোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে একজনকে বেছে নেওয়া হতো। সেখানে নির্বাচনের প্রচার, দলীয় প্রভাব, অর্থ-বিত্ত কোনও কিছুই বিশেষ গুরুত্ব পেত না। যাঁর কপালে শিকে ছিঁড়ত, সেই-ই রাজা। আমাদের দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ুতে নাকি আরেক অদ্ভুত নির্বাচন পদ্ধতি চালুছিল। যার নাম ছিল 'কুদাভোলাই'। চোল লিপি থেকে জানা যায়, আজ থেকে প্রায় হাজার বছর আগে সেখানে তালপাতায় যোগ্য প্রার্থীদের নাম লেখা হতো। স্থানীয় ভাষায় সেগুলিকে বলা হতো 'ভোলাই'। তারপর সেই পাতাগুলোকে মাটির হাঁড়িতে রেখে এলোমেলো করে দেওয়া হতো। খানিক ওই টিকিট ঝালিয়ে নেওয়ার মতো আর কী। মাটির হাঁড়িগুলোকে বলা হতো 'কুদা'। তারপর সেখান থেকে একজন কিশোর খেয়ালখুশি মতো একটি পাতা তুলতো, যাঁর নাম আসতো সেই-ই নেতা।

উপরের কোনও পদ্ধতিই যুৎসই নয়। মানে ব্যাপারখানা এমন, "যাও একজন নেতা নির্বাচন করো"। আধুনিক যুগে এরকম যে চলবে না তা বলাই বাহুল্য। আমেরিকা, ব্রিটেন, ভারতসহ বিশ্বের প্রায় সব গণতান্ত্রিক দেশে এখন চালু আছে ' ফার্স্ট পাস্ট দ্য পোস্ট সিস্টেম' বা 'এফ পি টি পি'। বেশ কিছু গণ্ডগোল এখানেও রয়েছে। যেমন, আমার আপনার মতো আম-আদমির ইচ্ছার যে খুব গুরুত্ব আছে তা কিন্তু নয়। গণতন্ত্রে জনতাই জনার্দন, সেখানে গুরুত্ব নেই কী করে সম্ভব? অনেকসময় আমরা দেখি, বেগুনি দলের গ্রহণযোগ্যতা দেশের মানুষের কাছে মোটামুটি ৪৮% কিন্তু ফল ঘোষণার পর দেখা গেল মাত্র ৪% আসনে বেগুনি পতাকা তুলতে পেরেছে, ওদিকে নীল পার্টির গ্রহণযোগ্যতা ৫০% হলেও জয়ের নিরিখে বাজিমাত করেছে ওরা। নির্বাচনের নেপথ্যে মিশে থাকা অঙ্ক বিষয়টা আরও জটিল। সূক্ষ্মভাবে বললে একে বলা যায় অ্যালগরিদম। ২০১৫ সালে দিল্লির নির্বাচনের দিকে খেয়াল করলে এর বাস্তব রূপ আরও পরিষ্কার হবে। মোদ্দা কথা, ভোট শেয়ার ও আসন শেয়ারের ভেতর সমতা নেই। এই সিস্টেম মূলত ফার্স্ট প্রেফারেন্স টাইপ সিস্টেম। মানে যাকে আপনার পছন্দ তাকে ভোট দিলেন কিন্তু যাকে একটু কম পছন্দ, মনে হয় সেই প্রার্থী জিতলেও মন্দ হয় না তাঁকে অল্প ভোট দেওয়ার কোনও পদ্ধতি এখানে নেই। সমাজবিজ্ঞানীরা মনে করেন, একটা 'প্রেফারেন্স লিস্ট' থাকলে বোধহয় ভালোই হতো। প্রায়ই আমাদের চোখে পড়ে, সর্বসাকুল্যে ৫০%-এর কম ভোট পেয়েও জয়ী হচ্ছেন প্রার্থী। এটি এই 'এফ পি টি পি' পদ্ধতির আরেক সমস্যা। এসবের জন্য সমাজবিজ্ঞানীরা বরাবর এই পদ্ধতির বিপক্ষে। গণিতজ্ঞরা যদিও মনে করেন, নির্ভুল নির্বাচন পদ্ধতি তৈরি করা একপ্রকার অসম্ভব।

আর কি কোনও উপায় আছে নির্বাচনের? ত্রয়োদশ শতকে র‍্যা মন লুল নামে এক ধর্মতত্ত্ববিদ, 'দে আর্টে ইলেকশন' নামে একটি বইতে চার্চের আধিকারিক নির্বাচনের জন্য একটা পন্থা বলেন, যেখানে বিজেতা সব সময়ই ৫০% ভোট পাবেন। তবে একটু জটিল হওয়ায়, ছোটখাট কোনও সংস্থার মাথা নির্বাচন করতে এটি ব্যবহার করা হয়, কোনও দেশের গণতন্ত্রের নির্বাচনে এখনও ব্যবহার হয়নি। বহুবছর পর অষ্টাদশ শতকে ফরাসি গণিতজ্ঞ কনডোরেক্ট স্বতন্ত্রভাবে এই নিয়ম বের করেন। সেই থেকে এই নিয়ম ‘কনডোরেক্ট পদ্ধতি' নামে পরিচিত।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
২৬ ফুট লম্বা দৈত্যাকার সবুজ সাপ! আমাজন বৃষ্টি-অরণ্যের যে খোঁজ তাক লাগিয়েছে বিজ্ঞানীদের

Biggest Snake Species in the World: এর আগে এমন বিরাট আকারের অ্যানাকোন্ডা অন্তত আমাজনে মেলেনি বলেই দাবি বিজ্ঞানীদের। অনেকেই একে জায়েন্ট অ্যানাকোন্ডা বলে দাবি করেছেন।

এছাড়াও সমসাময়িক সময়ে আর একজন বিখ্যাত ফরাসি গণিতজ্ঞ বর্ডা র‍্যাঙ্কভিত্তিক একটি নির্বাচন পদ্ধতি চালু করেন। এটা অনেকটা হালের আইপিএল পয়েন্ট টেবিলের মতো। ব্যালট পেপারে থাকা সমস্ত প্রার্থীদের নামের পাশে ভোটদাতা পছন্দ অনুযায়ী একটা করে ক্রমিক নম্বর বসান। তারপর সেই পছন্দের ভিত্তিতে বিজেতা ঠিক হয়। এই পদ্ধতিতে বিজেতাকে ৫০% ভোট পেতেই হয়। এখানে মূলত ভোটের রিডিস্ট্রিবিউশন হয়। আমাদের দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এই পদ্ধতি অনুসারে হয়। ভি ভি গিরি যখন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন, প্রথম পছন্দের ভিত্তিতে তিনি ৫০% ভোট পাননি। পরে দ্বিতীয় পছন্দকে গণনায় ধরে তিনি বিজয়ী হন। কনডোরেক্ট পদ্ধতির মতো এটিও বেশ জটিল, সেজন্য সর্বজনীন নির্বাচনে এখনও প্রয়োগ করা হয়নি।

যদিও গণিতজ্ঞরা এই পদ্ধতিতেও খুশি নন। বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে আমেরিকান গণিতজ্ঞ অ্যারো প্রমাণ করেন যে, এই র‍্যাঙ্কভিত্তিক নির্বাচনও সমালোচনার ঊর্ধ্বে নয়। অনেক সময়, সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রার্থীও বিজয়ী হতে পারেন না। একটা ছোট্ট গাণিতিক সমস্যার দিকে তাকালে ব্যাপারটা আরও পরিষ্কার হয়। ধরা যাক, এক সমিতিতে নেতা নির্বাচন হবে। প্রার্থী তিনজন - 'ক', 'খ' এবং 'গ'। মোট ভোটার আছেন ৯ জন। সব ভোটার তাঁদের পছন্দ অনুযায়ী প্রত্যেক প্রার্থীকে একটা ক্রমিক নম্বর দিতে পারেন। ধরা যাক, বিন্যাসগুলো এইরকম - সমিতির চারজন সদস্য 'গ'-এর চেয়ে 'খ'-কে পছন্দ করেন, এবং 'খ' ও 'গ' এর চেয়ে 'ক'-কে বেশি পছন্দ করেন। গাণিতিকভাবে সাজালে ব্যাপারটা এমন দেখায়-

ক > খ> গ (৪)

অন্য সম্ভাব্য নির্বাচনগুলো এইরকম

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ইভিএমের সঙ্গে মেলানো হবে ভিভিপ্যাট স্লিপ? লোকসভা ভোটের মধ্যেই যে বড় সিদ্ধান্ত জানাল সুপ্রিম কোর্ট

EVM-VVPAT case: সেই মামলাটি শুক্রবার সরাসরি খারিজই করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। জানিয়ে দিয়েছে ইভিএমের ভোটের সঙ্গে ভিভিপ্যাটের স্লিপ একশো শতাংশ মিলিয়ে দেখা সম্ভব নয়।

খ> গ> ক (৩)

গ>ক>খ (২)

প্রথম সম্ভাব্য নির্বাচন থেকে আমরা দেখতে পাচ্ছি, সমিতির বেশিরভাগ সদস্যরই 'ক' প্রার্থীকে পছন্দ, আর 'গ'-এর জনপ্রিয়তা সবচাইতে কম। এবার 'খ' যদি তার মনোনয়ন তুলে নেন তখন কিন্তু নির্বাচনের ফলাফল পুরো ঘুরে যাবে। এবং 'গ' বিজয়ী হবেন।

আগে যে কনডোরেক্ট পদ্ধতির কথা বললাম, সেক্ষেত্রে ভোটারদের পছন্দের প্রার্থীদের জোড় হিসাবে বিশ্লেষণ করা হয়। যেমন, তিনজন প্রার্থীর একটি সম্ভাব্য নির্বাচন 'গ ক খ' হলে এটি নির্দেশ করে, 'গ'-এর জনপ্রিয়তা 'ক'-এর থেকে বেশি, 'ক' আবার 'খ'-এর থেকে জনপ্রিয়, আর 'গ' তো 'ক'-এর চেয়ে অনেক বেশি জনপ্রিয়। এই ঘটনাগুলিকে আমরা জোড় ভিত্তিক 'গ ক', 'ক খ', এবং 'গ খ' হিসাবে গণ্য করতে পারি। অন্য ভোটাররা আবার উল্টো জোড় পছন্দ করতে পারেন, অর্থাৎ 'ক গ', 'খ ক', 'খ গ'। অর্থাৎ সর্বসাকুল্যে ছ'টি সম্ভাব্য জোড় হতে পারে। সমস্ত সম্ভাবনা বিশ্লেষণ করে প্রত্যেক প্রার্থীকে অপর দু'জনের বিপক্ষে দাঁড় করিয়ে দেখা যায়, 'ক খ' এর ঝুলিতে ৬ নম্বর, 'গ ক' এর ঝুলিতে ৫ নম্বর। এভাবে দেখতে পাওয়া যায় 'ক' বিজেতা। অ্যারোর উপপাদ্য আমাদেরকে জানায়, র‍্যাঙ্ক ভিত্তিক নির্বাচন পদ্ধতিতে এরকম অবাঞ্ছিত ফলাফল আসতেই পারে। গণিতের এইরকম জনমুখী প্রয়োগের জন্য অ্যারো ১৯৭২ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পান।

গুটিকতক ভোটার ও হাতেগোনা কয়েকজন নেতার নির্বাচনের পিছনে থাকা গণিতকে হয়তো হিসেব করা সোজা, সমস্যাগুলোও চোখে পড়ে। অনেক বড় পরিসরে উপরোক্ত সমস্যা কিছুটা প্রশমিত হয়। যেমন, একটা বেলুনের মধ্যে অসংখ্য গ্যাসের অণু বিদ্যমান থাকে, যারা একে অপরের দিকে ইতস্তত বিক্ষিপ্তভাবে ছোটাছুটি করে, এমনকী একটি অণু আরেকজনের ঘাড়ে এসে ধাক্কা খাচ্ছে, অহরহ অণুগুলি বেলুনের গায়ে এসে ধাক্কা খাচ্ছে। গ্যাসের গতীয় তত্ত্ব থেকে জানা যায়, এই ধাক্কাধাক্কি বেলুনের একটা ধ্রুবক চাপ ধরে রাখার জন্য। অর্থাৎ ক্ষুদ্র পরিসরের টালমাটাল অবস্থা থাকলেও বৃহৎ পরিসরে অনেকটা শান্ত পরিস্থিতি বিরাজ করে। এটাই পরিসংখ্যান পদার্থবিদ্যার মূলনীতি।

নির্বাচনকে ঘিরে দেশজুড়ে এত বিশৃঙ্খলা, হানাহানির মাঝে কীভাবে পক্ষপাতহীন নির্বাচন করা যায় সেটাই বিজ্ঞানী ও গণিতজ্ঞদের কাছে এক বড় চ্যালেঞ্জ। গণিতজ্ঞরা চেষ্টা করছেন কীভাবে নির্বাচনের পিছনে থাকা অ্যালগরিদমকে আরও নিশ্ছিদ্র বানাতে পারেন, আর তত্ত্বীয় পদার্থবিদরা মত্ত আছেন নির্বাচনকে ঘিরে এত ঝামেলার পরেও কী করে সুষ্ঠ নির্বাচন করা যায় সেই চিন্তায়। গণতন্ত্রে সাধারণ মানুষের কাছে নির্বাচনই একমাত্র ভরসা।

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।