বামেরা কি বিজেপির প্রতি 'দুর্বল'? জেলাস্তরে যে উত্তর খুঁজছে সিপিএম

CPIM: সত্যিই কি যাহা বাম, তাহাই রাম? সিপিএমের ভোটেই কি এই রাজ্যে দ্বিতীয় দল হিসেবে জায়গা করে নিল বিজেপি?

inscript
৪ মিনিট
বামেরা কি বিজেপির প্রতি 'দুর্বল'? জেলাস্তরে যে উত্তর খুঁজছে সিপিএম

যাহা বাম, তাহাই রাম। এই মর্মে রাজ্যের শাসকদল ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে জোর প্রচার করেছিল। লক্ষ্য স্পষ্ট। বিরোধী শিবিরে ভোট ভাগ হয়ে যাওয়া আটকানো, আর সিপিএম বলে যে কিছু নেই, তা জনমানসে প্রমাণ করে দেওয়া। সিপিএম যে আসলে বিজেপি, তা মানুষকে বোঝাতে চেয়েছিল শাসকদল তৃণমূল। কারণ গেরুয়া আর লাল এই দুই শিবিরই সবুজ শিবিরের বিপরীত। বিপরীত শিবিরে যারা আছে তারা আসলে একই গোত্রীয়, বিশ্বাস করাতে চেয়েছিলেন নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। নৈতিকভাবে সিপিএম আর বিজেপি দুই মেরুতে। কিন্তু শত্রুর শত্রু যেহেতু সখা হয়েও যায়, তাই এই রাজ্যে অন্তত তৃণমূলকে আটকাতে বিজেপির হাত শক্ত করতে পারে সিপিএম- এমন ধারণাও অমূলক ছিল না। অমূলক যে ছিল না তার প্রমাণও রয়েছে ঢের। বিধায়ক থেকে শুরু করে স্থানীয় নেতা, বহু কমিউনিস্ট নেতানেত্রী 'আগে রাম-পরে বাম' বলে মোদি বন্দনায় শামিল হয়েছেন। সত্যিই কি যাহা বাম, তাহাই রাম? সিপিএমের ভোটেই কি এই রাজ্যে দ্বিতীয় দল হিসেবে জায়গা করে নিল বিজেপি? সিঙ্গুরে হুগলি জেলা সিপিএমের জেলা সম্মেলনে যে রাজনৈতিক-সাংগঠনিক খসড়া প্রতিবেদন পেশ করা হয়েছে, তাতে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, দলের একাংশ কি বিজেপির প্রতি ‘নরম’ ও ‘দুর্বল’?

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকেই বিশ্লেষণ করেছেন, সিপিএমের (বিশেষ করে জেলা স্তরে) অনেকেই বিশ্বাস করেন, যতদিন তৃণমূল ক্ষমতায় আছে, বামেদের ক্ষমতার ধারে কাছে আসার সম্ভবনা শূন্য। আর এই মুহূর্তে তৃণমূলকে একমাত্র ঠেকানোর ক্ষমতা রাখে বিজেপি। তাই, আগে বিজেপিকে ক্ষমতায় আনতে হবে, তারপর বিজেপিকে সিপিএম ক্ষমতাচ্যুত করতে পারবে। যেহেতু তৃণমূল নীতিভিত্তিক দল নয়। তাই বিজেপি ক্ষমতায় এলে বড় সংখ্যক তৃণমূল নেতারা শিবির বদলেই নেবেন বলে ধারণা সিপিএমের জেলাস্তরের অনেকেরই। গত কয়েকবছরে লালঝান্ডাধারী বহু মানুষ যেভাবে রামভক্ত হয়েছেন, তাতে বোঝা যায় এই ভাবনা মোটেও অলীক নয়। এবার সেই ধারণাগুলিকে সামনে রেখে খানিক আত্মসমালোচনার সুরেই যেন জেলা সম্মেলনে বিষয়টিকে আলোচনার জায়গায় নিয়ে এসেছে বামেরা। ওই প্রতিবেদনের ১৮ নম্বর পাতায় লেখা হয়েছে, ‘আমাদের একটা অংশের ভিতরেও বিজেপির প্রতি নরম মনোভাব ও দুর্বলতা কাজ করছে না কি, ভেবে দেখা দরকার"।

বিধানসভা ভোটের চেয়ে বেশি হিংসা দেখেছে এই রাজ্য পঞ্চায়েত নির্বাচনে। সেই সময় জেলা ও গ্রামীণ স্তরে সিপিএম করার অপরাধে বহু বহু নেতা কর্মী অকথ্য অত্যাচারের শিকার হয়েছেন তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের হাতে। এই মানুষদের বাধ্য করা হয়েছে তৃণমূলে যোগ দিতে। বামেরা এতই দুর্বল হয়েছিল যে নিজের দলের কর্মীদের নিরাপত্তাও জোগাতে পারেনি। এমতাবস্থায় তৃণমূলের হাত থেকে বাঁচাতে আশ্রয় জুগিয়েছে গেরুয়া শিবিরই। ক্ষমতার বিপরীতে আরেক ক্ষমতা। সিপিএম পরে স্বীকারও করেছিল যে, তৃণমূলের অত্যাচার থেকে বাঁচতেই দলের অনেকে বিজেপি শিবিরে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
শূন্য শুধু শূন্য নয়, পরমতসহিষ্ণু হতে চাইছে সিপিআইএম

CPM: বামপন্থীদের কাছে লোকসভা- বিধানসভার আসনটাই একমাত্র বিবেচ্য বিষয় নয়। তাঁদের বিবেচ্য বিষয় হলো, মানুষের রুটিরুজির সংগ্রামকে আইনসভার ভেতরে যেমন, ঠিক তেমনিই, আইনসভার বাইরে রাজপথে প্রসারিত করা।

তবে সিপিএমের মাথাদের বরাবর বক্তব্য থেকেছে যে, "যাহা তৃণমূল, তাহাই বিজেপি"। দলের প্রচারে, ইশতেহারেও তৃণমূল-বিজেপি সেটিং তত্ত্বের কথাই বামেরা তুলে ধরেছে। তবে সে কথায় যে চিঁড়ে ভেজেনি তাও প্রমাণিত। সিপিএম বারবার বলেছে, বলছে তৃণমূল এত দুর্নীতি করেও পার পেয়ে যাচ্ছে একটিই কারণে। একের পর এক কেলেঙ্কারি-দুর্নীতির ক্ষেত্রে কেন্দ্রের সংস্থা ইডি-সিবিআই তদন্ত করলেও আখেরে তার পরিণতি দেখে স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে যে 'দিদি-মোদি' সেটিং আছে। যদিও তৃণমূলের প্রতি মানুষের ভোট প্রমাণ করে দিয়েছে, সিপিএমের তত্ত্বে বিশেষ আমল দিচ্ছেন না কেউই।

গ্রামীণস্তরে বিজেপির রমরমা ক্রমেই বাড়ছে। এর একমাত্র কারণ ব্যাপক পরিমাণে সাংগঠনিক কাজকর্ম। আরএসএস নীরবে বহুকাল ধরেই কাজ করে চলেছে এই বাংলায়। কোনও রাজনৈতিক ব্যানার ছাড়াই মানুষদের ক্রমে জোট বাঁধানোর খেলা চলছে। সিপিএম কি দেখেও অদেখা করছে? নাকি সিপিএম জানে, ঠেকানোর ক্ষমতাই নেই তাদের? জেলা সম্মেলনের খসড়া প্রতিবেদনে একাধিকবার দল স্বীকারও করেছে যে মানুষকে বিজেপি থেকে লালে ফেরানো যায়নি। মানুষ ক্রমেই একটি সাম্প্রদায়িক শক্তিকে মদত দিচ্ছেন। এককালে জঙ্গলমহলের মতো আদিবাসী এলাকা সিপিএমের গড় ছিল। সেখানে বিজেপির প্রাবল্য এখন নজর কাড়ে! তাহলে কি বিজেপির ক্ষেত্র আখেরে সিপিএমই প্রস্তুত করে দিয়েছে?

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
সিপিএমে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে সুজন চক্রবর্তী বনাম শমীক লাহিড়ী? যা ঘটছে দক্ষিণ ২৪ পরগনায়...

CPIM South 24 Pargana: রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সুজন শিবিরের লোকজন নাম প্রত্যাহার করে নেওয়াতে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা শমীক লাহিড়ীর দখলে থাকল।

একথা অনস্বীকার্য, সিপিএম কলকাতাকেন্দ্রিক দল হয়ে উঠছে ক্রমশ। ব্যাপকহারে ক্ষমতাহীন হচ্ছে জেলায়। সাংগঠনিক শক্তি সেখানে নেই বললেই চলে। পাড়ায় পাড়ায় কোনও ইস্যুভিত্তিক বৈঠক নেই, স্থানীয় মানুষের অভাব-অভিযোগ জানার চেষ্টাও নেই, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডও নগণ্য। কেবল ফেসবুকে সক্রিয়তা দিয়ে ময়দানের রাজনীতি যে করা যায় না একথা সিপিএম জানে, মানেও। তবে তা থেকে শিক্ষা নিয়ে সংগঠন মজবুত করার লক্ষ্যে কতখানি অগ্রসর হয় তাতে প্রশ্নচিহ্ন রয়েছে। জেলা সম্মেলনের ওই প্রতিবেদনে উল্লিখিত হয়েছে "মতাদর্শগত ভাবে উন্নত বাহিনী গড়ে তোলাই এই পরিবেশ থেকে বেরিয়ে আসার একমাত্র পথ।" কিন্তু বাহিনী গড়বে কে? জেলায় জেলায় দলীয় 'মাথাদের' দাদাগিরি নিয়ে বিস্তর অভিযোগ আছে। সেখানে তরুণ মুখ বা নতুনদের চিন্তাকে আমলই দেওয়া হয় না তেমন। নেতৃত্ব দেওয়ার মতো মুখই বা কই?

২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে এই রাজ্যে একটিও আসন জিতে পারেনি বামেরা। বামফ্রন্টের এই ভরাডুবিকালে একমাত্র মুর্শিদাবাদ আসনে দ্বিতীয় স্থানে ছিল সিপিএম। এবার ৩০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল বামফ্রন্ট, পেয়েছে মটে ৬.৩৩% ভোট। ২০১৯ সালে ৪০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৭.৪৪% ভোট পেয়েছিল। দল ভোটপরবর্তী আত্মসমালোচনায় বলেছিল, "ধর্মনিরপেক্ষ ভোটাররা, বিশেষ করে সংখ্যালঘুরা তৃণমূলের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছে।"

বিজেপি গতবারের থেকে এবার ৬টি আসন কম পেয়েছিল। ১৮টি আসন থেকে কমে ১২টি আসন আসে তাদের দখলে। তবে আসন কমলেও, ভোট শতাংশ তেমন কমেনি। এবার বিজেপির ভোট ভাগ মাত্র ১.৫১ শতাংশ কমেছে। ২০১৯ সালে বিজেপি পেয়েছিল ৪০.২৫ শতাংশ ভোট। ২০২৪ সালে তা কমে হয়েছে ৩৮.৭৪%৷ উল্টে ২০২১ সালের তুলনায় বিধানসভা নির্বাচনে ভোটের হার কিছুটা বেড়েছেও।

রাজ্য কমিটি পর্যালোচনা করে জানিয়েছিল, ১২ থেকে ১৪ শতাংশ বুথে কোনও পোলিং এজেন্টই ছিল না সিপিএমের। সংগঠনের দুর্বল অবস্থা বোঝার এর চেয়ে সহজ উদাহরণ আর নেই। ফলে খুব সহজেই অনুমেয়, শাসক তৃণমূল আর বিরোধী বিজেপি- এই বাইনারিতে বাঁধা পড়ে আছে বাংলার রাজনৈতিক চালচিত্র। সিপিএম আছে, তবে না থাকার মতোই। দীর্ঘদিন ধরে সিপিএমকে ভোট দেওয়া মানুষ যখন বিজেপির হয়ে গলা ফাটান তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে ৩৪ বছর ধরে শাসন করার পরেও যদি মানুষ বিজেপিকে বিকল্প ভাবে, তাহলে মানুষকে কীই বা বোঝাতে পারল নীতিবাদী এই দল? জেলা সম্মেলনে আত্মসমালোচনা করে কি এই ঘা শুকোবে কোনওদিন?

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।