ফলল কল্যাণের আপ্তবাক্য, ত্রিপুরায় রাজীবে ভরসার মাশুল গুণছে তৃণমূল

Tripura assembly by election : ত্রিপুরায় এমন অবস্থা হল কেন তৃণমূলের?

inscript
৫ মিনিট
ফলল কল্যাণের আপ্তবাক্য, ত্রিপুরায় রাজীবে ভরসার মাশুল গুণছে তৃণমূল

তারিখটা ছিল চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি৷

সেই দিনেই হক কথাটা বুঝতে পেরেছিলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ তিনি বলেছিলেন, "অভিষেক যদি ত্রিপুরা আর গোয়া জিতিয়ে দেখাতে পারেন, তাহলে ওঁকে নেতা বলে মেনে নেব"৷ বলার অপেক্ষা রাখে না এখানে অভিষেক বলতে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেই বুঝিয়েছিলেন সাংসদ কল্যাণ৷

এর পর গত ১৪ ফেব্রুয়ারি গোয়া বিধানসভার নির্বাচন হয়৷ ফল প্রকাশিত হয় প্রায় একমাস পর, ১০ মার্চ৷ তাতে দেখা যায়, তৃণমূলের সব প্রার্থী সম্মিলিতভাবে ভোট পেয়েছে ৪৯,৪৮০টি ভোট, শতাংশের হিসেবে ৫.২% ভোট৷ এই ভোট পেয়ে কোনও আসন পাওয়া অসম্ভব৷ তাই তৃণমূল কোনও আসনেই জিততে পারেনি৷

এর পর ত্রিপুরার ৪টি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন হয় গত ২৩ জুন৷ চারটি আসনেই প্রার্থী দেয় তৃণমূল কংগ্রেস৷ অভিষেক নিজে কয়েক দফায় ভোটপ্রচারে যান৷ এই নির্বাচন পরিচালনার জন্য দলের তরফে দায়িত্ব দেওয়া হয় বিজেপি-ফেরত প্রাক্তন তৃণমূলি মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে৷ 'ওয়ার রুম' খুলে তিনি ওখানেই ছিলেন৷

বাংলা থেকে দফায় দফায় একাধিক নেতা-মন্ত্রী ত্রিপুরায় ভোটপ্রচারে গিয়েছিলেন৷ তাঁদের বডি-ল্যাঙ্গুয়েজ ছিল, 'এই চারটি আসন তো জেতা হয়েই গিয়েছে৷ এর পর ২০২৩-এর বিধানসভা নির্বাচনে ত্রিপুরায় তৃণমূলের সরকার গড়া একশো ভাগ নিশ্চিত৷' কলকাতায় বসে তৃণমূল নেতা-কর্মীরাও এমনটাই বিশ্বাস করছিলেন৷

রবিবার ভোটের ফল প্রকাশিত হয়েছে৷ ৪ আসনেই তৃণমূল প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে৷ 'নোটা'-র সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে ৪ আসন মিলিয়ে তৃণমূল পেয়েছে মোট ৩৮৯৬টি ভোট৷ শতাংশের হিসেবে ২.৮%৷ ওদিকে ৪ আসনে নোটা-র প্রাপ্ত মোট ভোট ১৪৪৩টি৷ আগরতলা, টাউন বরদোয়ালি, সুরমা এবং যুবরাজনগর কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোট যথাক্রমে, ৮৩০, ৯৭৩, ১০২০ এবং ১০৭৩ ভোট৷ পাড়ার ক্লাবের ভোটেও প্রার্থীরা এর থেকে বেশি ভোট পেয়ে থাকেন৷ এই ভোট লড়তে তৃণমূল কংগ্রেস বিমানভাড়া-সহ মোট যত টাকা খরচ করেছে,তার সঙ্গে প্রাপ্ত মোট ভোট ভাগ করলে দেখা যাবে ভোটপিছু তৃণমূল খরচ করেছে কয়েক লক্ষ টাকা৷

এর আগে আগরতলা পুরভোটেও 'দাপট'-এর সঙ্গে লড়াই করেছিল তৃণমূল৷ সেবারও কয়েক দফায় ত্রিপুরা যান অভিষেক৷ সেবারও একটি আসনও তৃণমূলের কপালে জোটেনি৷ এই নিয়ে সাম্প্রতিককালে দু'বার খালি হাতে ফিরতে হয়েছে আগরতলা থেকে৷

এবার ফেরা যাক তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়৷ তিনি বলেছিলেন, "অভিষেক যদি ত্রিপুরা আর গোয়া জিতিয়ে দেখাতে পারেন, তাহলে ওঁকে নেতা বলে মেনে নেব"৷ গোয়া বা ত্রিপুরার কোনও আসনে জেতা তো দূরের কথা, জয়ের ধারেকাছেও যেতে পারেনি তৃণমূল৷ তাহলে ধরে নেওয়া যেতেই পারে এর পর 'এক কথার মানুষ' কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে দলের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে 'নেতা' মানা সম্ভব নয়৷ ভবিষ্যৎই বলবে কল্যাণ কী করবেন৷

আসলে এমনই তো হওয়ার ছিল৷ ত্রিপুরা পশ্চিমবঙ্গের কোনও জেলা নয়৷ তৃণমূল কংগ্রেসের ইচ্ছা বা পরিকল্পনা সফল করায় দায় ত্রিপুরা প্রশাসন বা পুলিশের নেই৷ তৃণমূলের জেতার একমাত্র পথ ছিল, যথেষ্ট সময় দিয়ে মজবুত সংগঠন গড়ে, মানুষের পাশে দাঁড়ানো৷ সে কাজ তৃণমূল করেনি৷ আকাশপথে ত্রিপুরায় নেমে স্টেজে মেরে দেওয়ার ছক কষেছিল৷ বাংলার যে কোনও ভোটে 'জয়ী' হতে হতে সম্ভবত তৃণমূলের ধারনা হয়েছে, শক্ত সংগঠন বা জনপ্রিয়তার কোনও প্রয়োজনই নেই, তৃণমূলের 'নাম হি কাফি হ্যায়'৷ ভিন রাজ্যে তা হয় না'কি !

মনে রাখা দরকার, আগরতলা পুরসভা ভোটে তৃণমূল তুলনামূলকভাবে ভালো ফল হয়েছিল। এবার তর্জন-গর্জন বেশি হলেও সেই ভোট ধরে রাখতে তৃণমূল নেতারা শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছে৷

কেন তা ধরে রাখা গেল না, দলীয় নেতৃত্বকে এর জবাব দিতে বাধ্য ত্রিপুরা ভোটে দলীয় পর্যবেক্ষক রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়৷ জানা নেই কিসের ভিত্তিতে দলের ধারনা হলো যে রাজীববাবু ভোট ভালো বোঝেন৷

পড়তে পারেন-ত্রিপুরায় রাজধানী থেকেই নিকেশ বিজেপি, চাণক্যের নাম সুদীপ রায় বর্মন

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি সামনে রেখে ২০১১ এবং ২০১৬-র নির্বাচনে হাওড়ার

ডোমজুড় থেকে জয়ী হয়েছিলেন রাজীব৷ ২০২১-এ বিজেপির প্রার্থী হওয়ামাত্রই তাঁর 'ভোট-দক্ষতা' ধরা পড়ে যায়৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি সামনে না থাকায় প্রায় ৫০ হাজার ভোটে রাজীব হারেন৷ বিরোধী দলকে কীভাবে ভোট করতে হয়, তার ন্যূনতম জ্ঞান-ই রাজীবের নেই৷ ত্রিপুরায় বিরোধী দল তৃণমূল৷ বিরোধী দলের যা ভোট-কৌশল থাকা দরকার, তা সাজাতেই ব্যর্থ হয়েছেন তৃণমূলের পর্যবেক্ষক ৷

প্রশ্ন উঠেছে, এই ভোট জিততে আদৌ কী সিরিয়াস ছিল তৃণমূল? কেন এ সব কথা উঠছে ? তৃণমূলে এমন অসংখ্য নেতা, মন্ত্রী রয়েছেন, যারা ভোট বোঝেন৷ তেমন কোনও নেতাকেই এবার ত্রিপুরায় পাঠানো হয়নি৷ শুধু মিছিল-মিটিং করেই ভোটে জেতা যায়না৷ গ্রাউণ্ড লেভেলে মেশিনারি সাজাতে হয়৷ এ সব কাজে দক্ষ এমন অসংখ্য রাজ্যনেতা বা বিধায়ক, এমনকী জেলাস্তরের নেতা থাকা সত্ত্বেও তাদের ত্রিপুরা পাঠানো হয়নি৷ ওখানে দলের তরফে আসা-যাওয়া করেছেন কিছু সেলিব্রেটি, নেতাদের পিছু পিছু যাওয়া কিছু কর্মী এবং বাংলায় দলের সুসময় আসার পর তৃণমূল করতে আসা হাঁকডাক করা কিছু চরিত্র৷ এদের না আছে ভোট-মেশিনারির জ্ঞান, না আছে রুখে দাঁড়ানোর ক্ষমতা৷ যেখানে সংগঠন দুর্বল, প্রায় না থাকার মতো, সেখানে এই ধরনের লোকজন দিয়ে ভোট হয় না'কি? ওই পর্যবেক্ষক এই সমস্যা সম্ভবত বুঝতেই পারেননি, অথবা দলকে বলেও কোনও সাহায্য পাননি৷

ভোটের এই ফল বলছে, ত্রিপুরায় কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই ফাঁকিবাজিতে ২০২৩ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও সাফল্য আসবে না৷ প্রাপ্ত ভোটসংখ্যাই বলছে, তৃণমূল ত্রিপুরার মানুষের মনে ১% জায়গাও করতে পারেনি৷ আরও পরিষ্কারভাবে বলা যায়, ত্রিপুরার মানুষের সমস্যাগুলিই বুঝতে পারেনি৷ মানুষের দরজাতেও পৌঁছাতে পারেনি৷

ফলে তা তুলে ধরাও যায়নি। দুর্বলতম ত্রিপুরা তৃণমূলের কাছে এর থেকে বেশি আশা করাও ঠিক হয়নি৷ বিশাল রাজ্য কমিটি হয়েছে৷ কমিটিতে যারা ঢুকেছেন তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ গলি-র নেতাও নন৷ এদের যোগ্যতা সীমিত৷

শুধুই কন্যাশ্রী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বা দুয়ারে সরকারের আশ্বাস দিয়ে বিরোধী রাজ্যে ভালো ফল আশা করা মূর্খামি৷ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে ময়দানে নামলেও গ্রাউণ্ড লেভেলের দায়িত্বে যারা ছিলেন, তারা স্রেফ ভুল বুঝিয়ে গিয়েছে তাঁকে৷ এ ভাবে ভোটে সাফল্য আসতে পারেনা৷ তাই চার প্রার্থীর জামানত জব্দ হওয়া আশ্চর্যজনক কিছু ফল নয়৷

২০২৩-এর নির্বাচনে লড়তে হলে তৃণমূল নেতৃত্বকে নতুন করে ভাবতে হবে৷ ভাবতে হবে কংগ্রেস এবং তিপ্রামোথার সঙ্গে জোট করে ভোটে যাওয়া যায় কি'না, সে কথাও৷ বাংলা থেকে ভোট বোঝেন, এমন অভিজ্ঞতাসম্পন্ন নেতাদের এখন থেকেই ত্রিপুরায় স্থায়িভাবে পাঠিয়ে দিতে হবে৷ বিরোধী দল হিসেবে শুধুই সন্ত্রাস-সন্ত্রাস করে চিৎকার করলে বা পরাজয়ের অজুহাত হিসেবে সন্ত্রাসকে খাড়া করলে শাসক দল কোন নজরে সেই আর্তনাদকে দেখে, তৃণমূল তো নিজেই সেই পথ তৈরি করেছে বাংলায়৷

হোম ওয়ার্ক না করে স্রেফ হালকাভাবে ভোটকে দেখার মাশুল দু-দুবার দিতে হলো তৃণমূলকে৷ এর ফলে জাতীয়স্তরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাবমূর্তিতে একটু হলেও আঘাত লেগেছে৷ আগামী দিনে আবারও দলের সুপ্রিমোর মর্যাদা ক্ষুন্ন করার ঝুঁকি তৃণমূল নেতারা নেবেন কি'না, সেটাই এখন বড়ভাবে দেখতে হবে৷

লিখেছেন
inscript
inscript
17 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

আবের কাওয়াস: প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান মুসলিম মহিলা নিউ ইয়র্কের সিনেটে

Aber Kawas: নিউ ইয়র্কের ১২ নম্বর সিনেট ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন আবের কাওয়াস। নিউ ইয়র্ক স্টেট আইনসভায় তিনি প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান এবং প্রথম হিজাব পরিহিত মুসলিম মহিলা প্রতিনিধি।

প্রতিবেশীর ধর্ম দেখব না! গির্জায় হামলায় যা বলছে বাসন্তী

Basanti church: গির্জার সদস্য প্রদীপ মণ্ডল ইনস্ক্রিপ্টকে জানিয়েছেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ চার্চ অফ নর্থ ইন্ডিয়ার (CNI) বিশপ সুব্রত চক্রবর্তী পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকটি গির্জার যাজকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা করে নারায়ণতলার নবনির্মিত গির্জায় পৌঁছন। তাঁদের স্বাগত জানাতে গির্জার ভিতরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগে ৩০-৩৫ জনের একটি দল জোর করে গির্জায় ঢুকে পড়ে বলে দাবি তাঁর।

পাঁচ খুনের 'বদলা'? এবার গুয়াহাটিতে এনকাউন্টার পুলিশের

Guwahati Encounter: গুয়াহাটিতে হোটেলে ঢুকে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগে ধৃত ঘনকান্ত গগৈ পুলিশের গুলিতে নিহত। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালিয়ে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। একই সময়ে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস ও ভোপালে পৃথক এনকাউন্টারে তিন অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কয়েক দিন আগেই বাংলায় গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে দুই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছিল।

আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর, ট্রাম্পের ইসলামবিদ্বেষী প্রচারকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন আবদুল এল-সায়েদ

Abdul El-Sayed: নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর দলের একাধিক নেতা এল-সায়েদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ইসলামবিদ্বেষী প্রচার চালিয়েছিলেন। তাঁর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে তাঁকে আমেরিকার নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল।

কেন মিডটার্ম নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

US Midterm Elections 2026: মার্কিন মিডটার্ম নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধাক্কা। কেন ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

মিডটার্ম নির্বাচন: সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেতে চলেছে ট্রাম্পের বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা

US Midterm Elections 2026: ভোটের লড়াইয়ে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে শুরু করেছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা।

রামলীলার পর কী? কী করবেন বিরোধীরা?

INDIA bloc Unity Under strain: ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ স্লোগানে ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ২১ দল একজোট হলেও মঞ্চ শেষেই ভেতরের টানাপোড়েন স্পষ্ট। বাম নেতাদের বক্তৃতায় প্রাধান্য, ‘ফ্যাসিবাদ’ বিরোধী সুর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘জাতীয় ভূমিকা’র সতর্কবার্তা। প্রিয়াঙ্কা, সুপ্রিয়া সুলে, সঞ্জয় রাউত বক্তৃতার সুযোগ না পাওয়ায় শরিক-অসন্তোষ।

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে বিপাকে ভারতীয়রা, মিডটার্ম নির্বাচনে কতটা প্রভাব পড়বে?

US Midterm Elections 2026: ২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ভোটারদের ৬২% ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে। ট্রাম্পের এইচ-১বি ভিসা কড়াকড়ি ও অর্থনৈতিক নীতির জেরে ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানাল কার্নেগির সমীক্ষা।