ইলেক্টোরাল বন্ডের গোপন কোড কেন সংগ্রহ করেছিল SBI?

Electoral Bond: ইলেক্টোরাল বন্ড প্রকল্প আনার সময়ই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক একটি বিবৃতি প্রকাশ করে জানিয়েছিল, যে এই কোড একেবারেই লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত নয়। এমনকী এই কোডের সাহায্যে লেনদেন ট্র্যাক করা যাবে না বলেও জানানো হয়েছিল।

Sohini Das
৪ মিনিট
ইলেক্টোরাল বন্ডের গোপন কোড কেন সংগ্রহ করেছিল SBI?

লোকসভা ভোটের ঠিক আগে আগে প্রকাশ্যে এসেছে বিজেপি সরকারের ইলেক্টোরাল বন্ড দুর্নীতি। ইলেক্টোরাল বন্ড প্রকল্পের মাধ্যমে কীভাবে কয়েকশো কোটি টাকা কোষাগারে পুরেছে বিজেপি, তা ইতিমধ্যেই জেনে গিয়েছে দেশবাসী। কে টাকা দিয়েছে, কত টাকা দিয়েছে, পরিষ্কার সেই তথ্যও। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে শেষপর্যন্ত ইলেক্টোরাল বন্ডের ইউনিক আলফা নিউম্যারিক কোড প্রকাশ করতে বাধ্য হয়েছিল স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া। সেই নথি রয়েছে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে বিজেপি সরকারের এই ইলেক্টোরাল বন্ড প্রকল্পকে বেআইনি বলে ঘোষণা করেছিল দেশের শীর্ষ আদালত। স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়াকে ওই বন্ড সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য ও নথি প্রকাশ করারও নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। নানা টালবাহানার পরে সেই নথি সামনে আনে এসবিআই। তবে সেই নথিতেও সন্তুষ্ট হয়নি শীর্ষ কোর্ট। এর পরেই বন্ডের ওই আলফা নিউম্যারিক কোড সামনে আনতে বাধ্য হয় এসবিআই।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
নির্বাচনী বন্ডের চেয়েও ভয়াবহ! ১২০০০ কোটি টাকার দুর্নীতি PM CARES ফান্ডে?

PM CARES Fund Scam: বিরোধীদের অভিযোগ, চিনের বেশ কয়েকটি সংস্থা PM CARES তহবিলে দান করেছে।

প্রাথমিক ভাবে এসবিআই দাবি করেছিল, তারা ওই আলফা নিউম্যারিক কোড আদৌ সঞ্চয় করেনি। প্রথম দফায় দুটি নথি সামনে এনেছিল এসবিআই। তার একটির মধ্যে ছিল কোন সংস্থা বা ব্যক্তি ইলেক্টোরাল বন্ডের মাধ্যমে কত টাকা রাজনৈতিক অনুদান দিয়েছে, সেই তালিকা। দ্বিতীয় নথিতে ছিল কোন দল মোট কত টাকা পেয়েছে এই ইলেক্টোরাল বন্ড প্রকল্প থেকে, তার হিসেব। নরেন্দ্র মোদি সরকার যখন ইলেক্টোরাল বন্ড প্রকল্প এনেছিল, সেসময় এসবিআইকে ওই কোড নথিভুক্ত রাখার কোনও নির্দেশ সরকার দেয়নি। প্রশ্ন উঠেছে, তবে কেন ওই তথ্য় নিজেদের কাছে নথিভুক্ত করে রেখেছিল স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া?

সম্প্রতি স্বচ্ছতাকর্মী অঞ্জলি ভরদ্বাজ সম্প্রতি এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ইলেক্টোরাল বন্ড প্রকল্পের মূল কথা ছিল, এই বন্ডের মাধ্যমে যে কোনও সংস্থা বা ব্যক্তি রাজনৈতিক দলগুলিকে অনুদান দিতে পারবে। এসবিআইয়ের দেওয়া প্রাথমিক ইলেক্টোরাল বন্ড সংক্রান্ত নথি সামনে আসার পর কারা কারা টাকা দিয়েছে, তা পরিষ্কার হয়ে গেলেও, কোন কোন সংস্থা বা ব্যক্তি কোন রাজনৈতিক দলকে টাকা দিয়েছে, তা জানা যায়নি। যা জানার জন্যই ওই আলফা নিউম্যারিক কোড সামনে আনার নির্দেশ দিয়েছিল শীর্ষ কোর্ট। প্রতিটা ইলেক্টোরাল বন্ডেই একটি করে আলফা নিউম্যারিক কোড থাকে, যা একটি অন্যের থেকে আলাদা। এবং একমাত্র অতিবেগুনি রশ্মির সামনেই ওই কোড দৃশ্যমান। খালি চোখে ওই কোড দেখতে পাওয়ার কোনও সুযোগ নেই। ২০১৮ সালে নিজে এক হাজার টাকা করে দু'টি ইলেক্টোরাল বন্ড কিনে তার ফরেন্সিক পরীক্ষা করার সাংবাদিক পুনম আগরওয়াল। তার পরেই সামনে আসে ইউনিক আলফা নিউম্যারিক কোডের ব্যাপারটি। আর ওই কোডটিই একটি মাত্র সূত্র, যা অনুদান প্রদানকারী ও অনুদান গ্রহণকারীর মধ্যে একমাত্র সেতু। কে কোন রাজনৈতিক দলকে অনুদান দিচ্ছে, তা নিয়ে গোপনীয়তা রক্ষা করতেই ওই কোডকে ইলেক্টোরাল বন্ডের কাগজে খোলা জায়গায় দৃশ্যমান অবস্থায় রাখা হয়নি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কেজরিওয়ালের গ্রেফতারির নেপথ্যেও নির্বাচনী বন্ড! কীভাবে?

Arvind Kejriwal Arrest and Electoral Bond: পিনাকা শরৎ চন্দ্র রেড্ডি ইলেক্টোরাল বন্ডের মাধ্যমে ৬২ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছিলেন। যে অনুদানের ৪৪.৫ কোটি টাকাই পেয়েছে বিজেপি।

ইলেক্টোরাল বন্ড প্রকল্প আনার সময়ই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক একটি বিবৃতি প্রকাশ করে জানিয়েছিল, যে এই কোড একেবারেই লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত নয়। এমনকী এই কোডের সাহায্যে লেনদেন ট্র্যাক করা যাবে না বলেও জানানো হয়েছিল। বরং প্রতারণা রুখতে নিরাপত্তার প্রয়োজনেই ওই কোডগুলি বন্ডে সুপ্ত ভাবে রাখার চেষ্টা করা হয়েছিল। এদিকে, কোন সংস্থা বা ব্যক্তি কোন রাজনৈতিক দলকে অনুদান দিয়েছে, তা জানার জন্য সেই কোড প্রকাশ্যে আনার নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। নানা টালবাহানার পরে তা প্রকাশ করেও দিল এসবিআই। সরকারের তরফে দাবি করা হয়েছিল, এসবিআই তাদের কোনও নথিতে ওই কোডের উল্লেখ রাখেনি। বন্ডের ক্রেতা বা সেই অর্থের গ্রহীতার সঙ্গে ওই কোডের কোনও সম্পর্ক নেই বলেও দাবি করা হয়েছিল সরকারের তরফে। এই কোডের মাধ্যমে কোনও লেনদেন ট্র্যাক করা যাবে না বলেও সাফ জানায় বিজেপি সরকার। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল, সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সেই দাবি একেবারেই ভিত্তিহীন এবং মিথ্যা। সরকারের সেই বিবৃতিতে এ-ও জানানো হয়েছিল, সরকার এবং বন্ড ব্য়বহারকারী অর্থাৎ ক্রেতা, কারওর সঙ্গেই ওই ইউনিক নম্বরটি শেয়ার করবে না স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া।

সম্প্রতি অঞ্জলি ভরদ্বাজ নামে ওই আন্দোলনকারী সোশ্যাল মাইক্রোব্লগিং সাইট এক্সে একটি টুইট করেন এই সংক্রান্ত। এসবিআই কেন সরকারের নির্দেশ সত্ত্বেও ওই নম্বর তাদের রেকর্ডে রেখেছিল, প্রশ্ন তুলেছেন সে নিয়েও। এসবিআইয়ের দেওয়া তথ্যে দেখা গিয়েছে, বন্ডের ক্রেতা এবং বন্ড থেকে লাভবান রাজনৈতির দলের সম্পূর্ণ নথিই মিলেছে ওই নথি থেকে। জানা গিয়েছে, কোন দলকে কোন কোন সংস্থা বা ব্যক্তি অনুদান দিয়েছেন। এই সব উল্লেখ করে ইলেক্টোরাল বন্ড মামলার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি করেছেন তিনি।

লোকসভা ভোটের ঠিক আগে আগে ইলেক্টোরাল বন্ড সংক্রান্ত নথি সামনে আসায় যথেষ্ট অস্বস্তিতে বিজেপি সরকার। গোড়া থেকেই লোকসভা ভোট নিয়ে বেশ আত্মবিশ্বাস দেখিয়ে এসেছে বিজেপি। তবে সেই আত্মবিশ্বাস যেন খানিকটা হলেও টলেছে এই ইলেক্টোরাল বন্ড কেলেঙ্কারি সামনে আসায়। রাতারাতি সিটিজেনশিপ অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট (CAA) এনে দেশবাসীর নজর ঘোরানোর চেষ্টা করেছে বিজেপি সরকার। রামমন্দির তৈরি, উদ্বোধন উপলক্ষে এলাহি অনুষ্ঠান, হিন্দু রাষ্ট্রের হিরিক দিয়ে লোকসভা ভোট জয়ের যে রাস্তা বিজেপি তৈরি করেছিল, তাতে কি সামান্য হলেও অস্থিরতা তৈরি করেছে ইলেক্টোরাল বন্ড প্রকল্প? নাকি এ আসলে হিমশৈলের চূড়ামাত্র। এই ইলেক্টোরাল বন্ড দুর্নীতির নেপথ্যে রয়েছে আরও বড় দুর্নীতির গল্প। প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন সমাজকর্মী ও আন্দোলনকারী অঞ্জলি ভরদ্বাজ।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।