ভোরবেলা পুলিশের হানা, ১০ পড়ুয়াকে আটক! যা চলছে জামিয়া মিলিয়াতে

Delhi Jamia Millia Islamia University Protest: ভোরবেলা ক্যাম্পাসে ঢোকে পুলিশ। ভোর ৪টে নাগাদ, অন্ধকারের মধ্যেই ১০ জনেরও বেশি পড়ুয়াকে তাঁরা সরিয়ে নিয়ে গিয়ে আটক করেন।

inscript
৩ মিনিট
ভোরবেলা পুলিশের হানা, ১০ পড়ুয়াকে আটক! যা চলছে জামিয়া মিলিয়াতে

দুই পিএইচডি গবেষকের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছিল। অভিযোগ এই দুই গবেষক বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি বিক্ষোভের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। দুই গবেষককেই এমন প্রতিবাদ আয়োজনে নেতৃত্ব দেওয়ার কারণ দর্শাতে বলে বিজ্ঞপ্তি ধরানো হয়। গত ১০ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ করেন দিল্লির জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের একাংশ। বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ১০ জনেরও বেশি পড়ুয়াকে দিল্লি পুলিশ আটক করেছে। সোমবার অর্থাৎ ১০ ফেব্রুয়ারি পড়ুয়ারা বিক্ষোভ দেখান মূলত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যেভাবে অতিসক্রিয় হয়ে ছাত্রদের উপর দমনপীড়ন চালাচ্ছে তার নিন্দা জানিয়ে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, আন্দোলনরত পড়ুয়ারা কেন্দ্রীয় ক্যান্টিনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পত্তি ভাংচুর করেছে এবং নিরাপত্তা উপদেষ্টার কার্যালয়ের দরজা ভেঙেছে। ফলে এই বিক্ষোভকারীদের আটক করে প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতেই হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, জামিয়া মিলিয়ার অন্দরে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পড়ুয়াদের বিক্ষোভস্থল থেকে সরিয়ে দিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষই পুলিশের হস্তক্ষেপ চায়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছ থেকে অনুরধ আসার পরেই ভোরবেলা ক্যাম্পাসে ঢোকে পুলিশ। ভোর ৪টে নাগাদ, অন্ধকারের মধ্যেই ১০ জনেরও বেশি পড়ুয়াকে তাঁরা সরিয়ে নিয়ে গিয়ে আটক করে। ক্যাম্পাসের বাইরে বিশাল পুলিশ মোতায়েন করে দেওয়া হয়। বিক্ষোভকারী পড়ুয়াদের একাংশের দাবি, পুলিশ ক্যাম্পাসে ঢোকার পর থেকে ২০ জন পড়ুয়া নিখোঁজ। এমনকী বাকিদের আটক করে পুলিশ কোথায় রেখেছে তাও জানানো হচ্ছে না।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার খেসারত হিসেবে জামিয়া মিলিয়া প্রশাসন অনেক পড়ুয়াকে বরখাস্তও করছে বলে অভিযোগ। এক পড়ুয়া জানাচ্ছেন, তাঁর কাছে সাসপেনশন লেটার এসেছে। ওই চিঠিতে বলা আছে, “১০ ফেব্রুয়ারি, আপনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পত্তি ভাংচুর করা একটি বিক্ষুব্ধ দলের নেতৃত্বে হিসাবে চিহ্নিত হয়েছেন। পাশাপাশি, ১১ ফেব্রুয়ারি, আপনি আবার জেএমআই ক্যাম্পাসের মধ্যে একটি অননুমোদিত এবং বেআইনি বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন যা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত করেছে এবং ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে হট্টগোল সৃষ্টি করেছে এবং এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষক, ছাত্রদের ক্ষতি হয়েছে। এই চিঠির মাধ্যমে আপনাকে জানানো হচ্ছে যে আপনাকে জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া (জেএমআই) থেকে অবিলম্বে বরখাস্ত করা হয়েছে ভাংচুর, অননুমোদিত এবং বেআইনি প্রতিবাদ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মানহানির কাজে জড়িত থাকার কারণে যা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশের গুরুতর লঙ্ঘনের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও শৃঙ্খলারও অবমাননা।"

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কতজন ভারতের নাগরিকত্ব পেলেন সিএএ-তে? যে জবাব দিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক

Citizenship (Amendment) Act, 2019: যদি লক্ষ লক্ষ মানুষ নাগরিকত্ব না পেয়ে থাকতেন, অন্য দেশ থেকে অত্যাচারিত হয়ে এদেশে আসতেন তাহলে লম্বা লাইন পড়ার কথা আবেদন করার জন্য!

In Solidarity with Jamia.

जामिया मिलिया इस्लामिया कैंपस में पिछले तीन दिनों से लगातार प्रशासन के खिलाफ प्रदर्शन हो रहा था। प्रशासन हर छोटी-बड़ी बात पर शोकॉज नोटिस भेज रही थी और अनुशासनात्मक कार्रवाई कर रही थी। आज सुबह करीब 5 बजे, प्रशासन ने पुलिस बुलाकर छात्रों को हिरासत में…

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মোদি জামানায় তুঙ্গে ধর্মের বিদ্বেষ! যেভাবে বেড়েছে হাড়হিম করা অপরাধ

Crimes in Modi Govt: বিজেপি শাসিত রাজ্যে দাঙ্গা তো হয়ই, খোদ প্রশাসনই ধর্মীয় সংঘাতগুলিকে উস্কেও দেয়। চোখের সামনে রয়েছে, মণিপুর এবং হরিয়ানার নুহ'র ঘটনা।

— Dr. Maskoor Usmani (@MaskoorUsmani)

একটি বিবৃতিতে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, মুষ্টিমেয় পড়ুয়া ১০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা থেকে আকাডেমিক ব্লকে বেআইনিভাবে জড়ো হয়ে বিক্ষোভের ডাক দেয়। এরপর থেকে শান্তিপূর্ণভাবে ক্লাস চলাতে ব্যাঘাত ঘটিয়েছে পড়ুয়ারা, অন্য ছাত্রদের সেন্ট্রাল লাইব্রেরিতে প্রবেশ করতে দেয়নি এবং ক্লাসেও যেতে বাধা দিয়েছে। এদিকে শিয়রে মিড-সেমিস্টার। জামিয়া মিলিয়া কর্তৃপক্ষ আরও জানাচ্ছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম লঙ্ঘন করা, আপত্তিকর নিষিদ্ধ জিনিসপত্র আনা, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পত্তির ক্ষতি, দেওয়ালের বিকৃতি এবং ক্লাসে বাধা দেওয়ার মতো একাধিক কারণেই কড়া হতে বাধ্য হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অভিযোগ, একটি কমিটির মাধ্যমে বিক্ষুব্ধ পড়ুয়ার দাবি নিয়ে আলোচনা করার প্রস্তাব দেওয়া হলেও, পড়ুয়ারা সুপারভাইজার, হেড এবং ডিন সহ প্রশাসনের সঙ্গে বসতেই অস্বীকার করেছে।

এই বিক্ষোভের অন্যতম নেত্রী সোনাক্ষী বলছেন, বিক্ষোভকারীদের চারটি মূল দাবি রয়েছে: দুই পিএইচডি গবেষককে জারি করা শো-কজ নোটিশ প্রত্যাহার করতে হবে, ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ দেখানো নিয়ে ২০২২ সালে যে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে তা বাতিল করতে হবে, গ্রাফিতি এবং পোস্টারের জন্য ৫০,০০০ টাকা জরিমানা বাতিল করতে হবে এবং প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার জন্য ভবিষ্যতে পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে যাতে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়া হয় তা নিশ্চিত করতে হবে।

জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর "জামিয়া প্রতিরোধ দিবস" আয়োজনে দুই পিএইচডি ছাত্রের ভূমিকা পর্যালোচনা করার জন্য শৃঙ্খলা কমিটি ২৫ ফেব্রুয়ারি বৈঠকে বসবে। উল্লেখ্য, ১৫ ডিসেম্বর হচ্ছে ২০১৯ সালের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) বিরোধী বিক্ষোভের বার্ষিকী। ২০১৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর দিল্লি পুলিশ CAA-বিরোধী বিক্ষোভের সময় 'বহিরাগতদের' খুঁজতে জামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ঢোকে এবং লাইব্রেরির ভিতরে ছাত্রদের লাঠিচার্জ করার অভিযোগ ওঠে। যা নিয়ে সারা দেশ উত্তাল হয়েছিল সেই সময়।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।