এন বীরেন সিংয়ের পদত্যাগ! কেন মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রীর হাত ছাড়ল বিজেপি?

Manipur CM N Biren Singh resigns: রবিবার শাহ এবং নাড্ডার সঙ্গে দেখা করেন মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী। দু'ঘণ্টা আলোচনার পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে বীরেন সিংকে পদত্যাগ করতে হবে।

inscript
৪ মিনিট
এন বীরেন সিংয়ের পদত্যাগ! কেন মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রীর হাত ছাড়ল বিজেপি?

২০২৩ সালের মে মাস থেকে উত্তপ্ত মণিপুর। দুই জাতিগত সম্প্রদায়ের মধ্যে হিংসা, ধর্ষণ, অস্ত্রের লাগামহীন ব্যবহার, উদ্বাস্তু শিবিরে উপচে পড়া ভিড় আর ভয় এখন মণিপুরের সংজ্ঞা নির্ধারিত করে দেয়। বহুবার অভিযোগ উঠেছে, বিজেপি শাসিত এই রাজ্যে হিংসায় সরাসরি মদত জুগিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং। বহুকাল থেকেই রাজ্যের বিরোধীরা পদত্যাগ দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রীর। কুকি-জো নেতাদের টানা ২১ মাসের বিরোধিতার পরে, অবশেষে পদত্যাগ করেছেন এন বীরেন সিং। তিনি নিজে মেইতেই সম্প্রদায়ের মানুষ হলেও মেইতেই-সংখ্যাগরিষ্ঠ ইম্ফল উপত্যকায় বীরেন সিংয়ের জনপ্রিয়তা হ্রাস পাচ্ছিল ক্রমেই। সহকর্মীদের চাপে, অবস্থা ক্রমে খারাপ হতে থাকায় ৯ ফেব্রুয়ারি মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে এন বীরেন সিং পদত্যাগ করলেন।

কুকি-জো গোষ্ঠী এবং এই সম্প্রদায়ের ১০ জন বিধায়ক - এর মধ্যে সাতজন বিজেপি বিধায়ক, যাদের মধ্যে দু'জন আবার মন্ত্রী - ২০২৩ সালের ৩ মে থেকে মণিপুরে শুরু হওয়া জাতিগত সংঘাতের জন্য বীরেন সিংকেই দায়ী করেছেন। গত বছর থেকেই চাপ বাড়তে থাকে বীরেন সিংয়ের উপর। এমনকী খোদ নিজের দলের মধ্যে থেকেই! উপত্যকার বিজেপি বিধায়করা মুখ্যমন্ত্রীর অপসারণ চেয়ে ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সহ দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে বারেবারে আর্জি জানিয়েছেন। বিজেপি নেতৃত্ব অবশ্য বীরেন সিংকে সমর্থন করা জারি রেখেছিল। অবশেষে মণিপুর বিধানসভার বাজেট অধিবেশনকে সামনে এনে চরম পদক্ষেপের পথে এগোন এই অসন্তুষ্ট বিধায়করা। মুখ্যমন্ত্রীকে সরানোর আবেদনে সাড়া না দেওয়াতে অসন্তুষ্ট বিধায়করা অধিবেশন চলাকালীন একটি অনাস্থা প্রস্তাব পেশের পথে হাঁটেন।

মণিপুর বিধানসভার স্পিকার থকচম সত্যব্রত সিং নিজেই মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিংয়ের অন্যতম সমালোচক। গত সপ্তাহে নয়াদিল্লি গিয়ে বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডার সঙ্গে দেখা করে আসেন তিনি। সূত্রের খবর, সত্যব্রত সিং নাড্ডাকে অনাস্থা প্রস্তাবের কথা জানান। নাড্ডা যখন তাঁকে জিজ্ঞাসা করেন যে অনাস্থা প্রস্তাব এড়ানো যায় কিনা, স্পিকার স্পষ্ট বলে দেন, তিনি তা করতে অপারগ।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মণিপুরের দুর্দশার জন্য দায়ি মোদিই? যা বলছেন আরএসএসের মোহন ভাগবত...

Mohan Bhagwat on Manipur: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রধান বলছেন, একজন সত্যিকারের 'সেবক' অহংকার করেন না, অন্যকে আঘাত করেন না।

গত ৩ ফেব্রুয়ারি বীরেন সিংয়ের আরেক সমালোচক, মণিপুরের গ্রামীণ উন্নয়ন ও পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রী ইউমনাম খেমচাঁদ সিং নয়াদিল্লি যান। জানা গিয়েছে, তিনি বিজেপি নেতৃত্বকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে মুখ্যমন্ত্রীকে না সরানো হলে সরকার পড়ে যেতে পারে। রাজ্যপাল এ কে ভাল্লা গত ৪ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেন, সমস্ত বিষয়টা জানান। ৫ ফেব্রুয়ারি, বীরেন সিং নয়াদিল্লিতে যান। জানা গেছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে পারেননি তিনি। এরপরে, তিনি এবং তাঁর অনুগত কিছু মন্ত্রী প্রয়াগরাজের মহাকুম্ভ মেলায় যান। বীরেন সিং শনিবার আবার নয়াদিল্লি যান। রবিবার শাহ এবং নাড্ডার সঙ্গে দেখা করেন। দু'ঘণ্টা আলোচনার পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে বীরেন সিংকে পদত্যাগ করতে হবে।

“প্রত্যেক জিনিসেরই একটা স্থান, কাল এবং পরিস্থিতি থাকে। আমরা দীর্ঘদিন ধরে পদত্যাগের চাপ দিয়ে আসছিলাম ঠিকই কিন্তু বিধায়করা আর অপেক্ষা না করার সিদ্ধান্তই নিয়েছে। বিজেপি, এনপিএফ (নাগা পিপলস ফ্রন্ট) এবং এনপিপি (ন্যাশনাল পিপলস পার্টি) থেকে আমাদের পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়ক রয়েছেন,” বলেছেন বীরেন সিংয়ের পদত্যাগের জন্য চাপ দেওয়া বিজেপি বিধায়কদের একজন। এখানে উল্লেখ্য এনপিপি এবং এনপিএফ হচ্ছে বিজেপির শরিক।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মেইতেই-কুকি হিংসার আড়ালে খোদ মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী? কী বলছে বিস্ফোরক অডিও ক্লিপ?

Manipur Tapes Biren Singh: ওই রেকর্ডিংটিতে মুখ্যমন্ত্রী বীরেনকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে উপহাস করতে শোনা যায়। রাজ্যে 'বোমা' ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করছেন তিনি।

বিজেপির হেড কোয়ার্টার বলছে, কেন্দ্র সম্প্রতি সীমান্তের নিরাপত্তা বাড়াতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে একাধিক পদক্ষেপ শুরু করেছে। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব এ কে ভাল্লাকে রাজ্যপাল হিসেবে মণিপুরে নিযুক্ত করা এবং আমলাতন্ত্রের সম্পূর্ণ সংশোধন সেই প্রচেষ্টারই অংশ ছিল। এমতাবস্থায় অনাস্থা প্রস্তাব আনলে এবং সরকারের পড়ে গেলে এই প্রচেষ্টাগুলি নষ্ট হবে। জাতীয় নেতৃত্বও চায়নি যে এই প্রচেষ্টাগুলি আবার থেমে যাক। বিশেষ করে দিল্লিতে আপ-কে হারিয়ে দুর্দান্ত জয়ের পর আর 'রিস্ক' নিতে চায়নি বিজেপি।

উল্লেখ্য, মণিপুরের হিংসা বিষয়ে একাধিক অডিও টেপ ভাইরাল হয়ে যায়। ওই অডিওগুলিতে বীরেন সিংয়ের গলা ছিল বলে দাবি করা হয়। সেই অডিওতে মণিপুরের হিংসা, অস্ত্র জোগানে বীরেন সিংয়ের সরাসরি মদত ধরা পড়ে যায়। সেন্ট্রাল ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরি থেকে এই মণিপুর টেপ সংক্রান্ত রিপোর্ট চায় সুপ্রিম কোর্ট। এই অডিও টেপের উপর ভিত্তি করে পিটিশন দায়েরকারী, কুকি অর্গানাইজেশন ফর হিউম্যান রাইটস ট্রাস্ট, মণিপুরের হিংসায় ২০০ জনেরও বেশি মানুষ মারা যাওয়ার নেপথ্যে বীরেন সিংয়ের ভূমিকা বিষয়ে তদন্তও চেয়েছে।

বিজেপি নেতৃত্ব বীরেন সিংকে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে ক্ষমতায় রেখে দেওয়া নিয়ে উচ্চবাচ্য করেনি প্রায় দু'বছর। চারদিক থেকে এত অভিযোগ, বিজেপির মধ্যে থেকে অভিযোগ, মামলা ইত্যাদির পরেও বীরেন সিং ছিলেন শাসকের নয়নের মণি। তবে বীরেন সিংকে বাঁচানোর এই প্রয়াসে মণিপুরে বিজেপি সরকারের প্রতি আস্থা ক্রমেই কমতে থাকে মানুষের। গত বছর লোকসভা নির্বাচনেই তার ছাপ পড়ে। এনডিএ মণিপুরের দু'টি আসনে হেরে যায়। ওই আসনে জেতে কংগ্রেস। গত নভেম্বরে অসন্তোষ আরও তীব্র হয়ে ওঠে ছয়জন মেইতেই মহিলা ও শিশুকে অপহরণ এবং হত্যার ঘটনায়। সেই সময় বিক্ষুব্ধ জনতা বীরেন সিং সহ বিধায়ক এবং মন্ত্রীদের বাড়িতে ভাংচুর চালায়।

সেই সময়ে এনপিপি সভাপতি কনরাড সাংমা ঘোষণা করেছিলেন যে তাঁর দল বীরেন সিং সরকারকে আর সমর্থন করবে না। উল্লেখ্য, তখন সাতজন বিধায়ক ছিল এনপিপি-র। তারপর থেকে লাগাতার বিরোধীদের সরকার ফেলে দেওয়ার ভয় তাড়া করে বেড়ায় বিজেপিকে। গত ৭ ফেব্রুয়ারি, মণিপুর কংগ্রেস ঘোষণা করে যে তারা ১০ ফেব্রুয়ারি বীরেন সিং সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব পেশ করবে। ৮ ফেব্রুয়ারি, বীরেন সিং ক্ষমতাসীন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্সের (এনডিএ) বিধায়কদের সঙ্গে একটি বৈঠক করেন, যার মধ্যে ছিল নাগা পিপলস ফ্রন্ট এবং জনতা দল (ইউনাইটেড)। জোটের ৪৬ জন বিধায়কের মধ্যে মাত্র ২০ জন ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

আগে, গত ১৭ নভেম্বর, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) ৭ জন বিধায়ক বীরেন সিংয়ের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করে নেয়। মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী এবং এনপিপি জাতীয় সভাপতি কনরাড সাংমা সমর্থন প্রত্যাহার করার ঘোষণা করে বিজেপির জাতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাকে একটি চিঠি দেন। ২২ জানুয়ারি জনতা দলও (ইউনাইটেড) বিজেপি সরকারের প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করে। এর আগে ২০২৩ সালের ৬ অগাস্ট কুকি পিপলস অ্যালায়েন্স (কেপিএ) বীরেন সিং সরকারের প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করে। মুখরক্ষা করতেই প্রায় ২ বছর ধরে বীরেন সিংকে রক্ষা করেও, অবশেষে ২ ঘণ্টার বৈঠকে তাঁকে পদত্যাগ করতে নির্দেশ দেয় বিজেপি সরকার।

বীরেন সিংয়ের শাসনামলে মেইতেই এবং কুকি-জোমি সম্প্রদায়ের মধ্যে জাতিগত হিংসায় ২০২৩ সালের মে মাস কমপক্ষে ২৫৮ জন নিহত হয়েছেন এবং ৫৯,০০০-এরও বেশি মানুষ ভিটেমাটিহারা। নিখোঁজ ৩৯ জন। ১১ হাজার ১৩৩টি বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং বিভিন্ন থানায় ১১ হাজার ৮৯২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ৫,৫৫৪ জন কৃষকের কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের জীবিকা এখন সঙ্কটে।

লিখেছেন
inscript
inscript
17 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

পিস বন্ড কী, কেন দিতে হয়? নেহা বোরার আপত্তিতে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ঔপনিবেশিক আমলের আইন

Peace Bond: শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করলেই কি দিতে হবে পিস বন্ড? AISA-র জাতীয় সভাপতি নেহা বোরার আপত্তিতে নতুন করে বিতর্কে ঔপনিবেশিক আমলের প্রতিরোধমূলক আইন। ব্রিটিশ আমল থেকে স্বাধীন ভারত, CrPC থেকে BNSS—কীভাবে বদলেছে এই আইনি ব্যবস্থা? কেন কাউকে ১০ হাজার টাকার মুচলেকা দিতে বলা হয়? কী বলছে আইন?

রামলীলা ময়দানের সভায় ভিড় দেখাতে এআই ছবি? কতটা সত্যি?

Ramlila Maidan AI image controversy: দিল্লির রামলীলা ময়দানে ১ নভেম্বরের ‘ইন্ডিয়া’ জোটের সমাবেশে ভিড় ও এআই ছবি ব্যবহার নিয়ে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে বিতর্ক তুঙ্গে। ভাইরাল ছবিগুলোর সত্যতা কী?

আবের কাওয়াস: প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান মুসলিম মহিলা নিউ ইয়র্কের সিনেটে

Aber Kawas: নিউ ইয়র্কের ১২ নম্বর সিনেট ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন আবের কাওয়াস। নিউ ইয়র্ক স্টেট আইনসভায় তিনি প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান এবং প্রথম হিজাব পরিহিত মুসলিম মহিলা প্রতিনিধি।

প্রতিবেশীর ধর্ম দেখব না! গির্জায় হামলায় যা বলছে বাসন্তী

Basanti church: গির্জার সদস্য প্রদীপ মণ্ডল ইনস্ক্রিপ্টকে জানিয়েছেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ চার্চ অফ নর্থ ইন্ডিয়ার (CNI) বিশপ সুব্রত চক্রবর্তী পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকটি গির্জার যাজকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা করে নারায়ণতলার নবনির্মিত গির্জায় পৌঁছন। তাঁদের স্বাগত জানাতে গির্জার ভিতরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগে ৩০-৩৫ জনের একটি দল জোর করে গির্জায় ঢুকে পড়ে বলে দাবি তাঁর।

পাঁচ খুনের 'বদলা'? এবার গুয়াহাটিতে এনকাউন্টার পুলিশের

Guwahati Encounter: গুয়াহাটিতে হোটেলে ঢুকে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগে ধৃত ঘনকান্ত গগৈ পুলিশের গুলিতে নিহত। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালিয়ে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। একই সময়ে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস ও ভোপালে পৃথক এনকাউন্টারে তিন অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কয়েক দিন আগেই বাংলায় গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে দুই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছিল।

আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর, ট্রাম্পের ইসলামবিদ্বেষী প্রচারকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন আবদুল এল-সায়েদ

Abdul El-Sayed: নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর দলের একাধিক নেতা এল-সায়েদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ইসলামবিদ্বেষী প্রচার চালিয়েছিলেন। তাঁর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে তাঁকে আমেরিকার নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল।

কেন মিডটার্ম নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

US Midterm Elections 2026: মার্কিন মিডটার্ম নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধাক্কা। কেন ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

মিডটার্ম নির্বাচন: সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেতে চলেছে ট্রাম্পের বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা

US Midterm Elections 2026: ভোটের লড়াইয়ে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে শুরু করেছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা।