নির্বাচন নেই, হিংসা আছে! অন্তর্বর্তী সরকার আদৌ শান্তি চায়? যে প্রশ্ন তুলছে বিএনপি

Bangladesh BNP: দেশে নৈরাজ্যের প্রসার ঘটাতে তাহলে বিচ্ছিন্ন মদত থেকে যাচ্ছে ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের?

inscript
৩ মিনিট
নির্বাচন নেই, হিংসা আছে! অন্তর্বর্তী সরকার আদৌ শান্তি চায়? যে প্রশ্ন তুলছে বিএনপি

গণ অভ্যুত্থানের জেরে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার ঠিক ৬ মাসের মাথায় আবারও শেখ হাসিনা প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠলেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক মানচিত্রে। সৌজন্যে তাঁর একটি ভাষণ এবং ভাষণকালীন হামলা, মুজিবের বাড়িতে। গত ৫ ফেব্রুয়ারি হাসিনা বিদ্বেষী জনতা ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িটি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়। হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হয়ে ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বাড়িটিকে সংগ্রহশালা হিসেবে তৈরি করে দেন। এই বাড়িতেই ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট হত্যা করা হয় শেখ মুজিবকে, তাঁর পরিবারকে। হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে পালিয়ে আসেন। তারপর বাংলাদেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হন নোবেলজয়ী মহম্মদ ইউনূস, যাঁকে হাসিনা তাঁর শাসনামলে গ্রেফতার করেছিলেন দুর্নীতির অভিযোগে। ইউনূস বলেছিলেন, নতুন বাংলাদেশ গঠনের কাজ চলছে, রাষ্ট্র সংস্কার চলছে। এই রাষ্ট্র মেরামতির সময়, হঠাৎ ৬ মাস পরে কেন আবার মুজিবের বাড়িতে হামলা?

এই মুহূর্তে বাংলাদেশে নির্বাচন ও স্থায়ী সরকার গঠন সবচেয়ে জরুরি। যদিও অন্তর্বর্তী সরকার সেই নিয়ে কোনও সিদ্ধান্তেই আসতে পারছে না। ধানমন্ডির ওই বাড়িতে হামলার পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ বলছেন, "ফ্যাসিবাদের চিহ্ন বিলোপের সাথে সাথে খুনী হাসিনাসহ গণহত্যাকারীদের বিচার নিশ্চিত এবং আওয়ামীলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে।" নতুন বাংলাদেশে বিশ্বকে এই বার্তা দিতে সক্ষম হয়েছে যে 'পরিবারকেন্দ্রিক মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে' তারা মানে না। হাসিনাও দেশে নেই। ভারত থেকে তিনি ছাত্রলীগের সমাজমাধ্যমে কিছু বক্তব্য পেশ করেছেন। তাতে গুরুত্ব দিয়ে আবারও হিংসা ডেকে আনার পথে কেন গেল বাংলাদেশ? হাসিনার আওয়ামী লীগের প্রধান বিরোধী বিএনপিও এই হিংসার জন্য মূলত হাসিনাকেই দায়ী করেছে। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকার সমালোচনাও করেছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
৬ মাসেই ফের তোলপাড় বাংলাদেশ! ভাষণে ঠিক কী বলেছেন শেখ হাসিনা?

Sheikh Hasina Speech: বাংলাদেশের হাসিনাবিরোধী জনতা মনে করছে, ক্ষমতা হারিয়েও হাসিনা বদলাননি একটুও। স্বৈরাচারী, অত্যাচারী শাসক হাসিনা এখনও দেশের মানুষের উপরেই দায় চাপাচ্ছেন।

বিএনপি একটি বিবৃতিতে লিখেছে, “আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, হাজারও শহিদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে বিতাড়িত, পতিত, পরাজিত, পলাতক স্বৈরাচারী এবং তাঁর দোসরদের উস্কানিমূলক আচরণ, জুলাই-অগাস্টের রক্তক্ষয়ী ছাত্র গণঅভ্যুত্থান সম্পর্কে অশালীন এবং আপত্তিকর বক্তব্য মন্তব্য দেশের জনগণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ এবং ক্রোধের জন্ম দিয়েছে। এরই ফলশ্রুতিতে গতকাল, বুধবার ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পতিত স্বৈরাচারীর স্মৃতি, মূর্তি, স্থাপনা ও নামফলকসমূহ ভেঙে ফেলার মতো জনস্পৃহা দৃশ্যমান হয়েছে।" হাসিনা ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে বিপুল টাকার দুর্নীতির অভিযোগও রয়েছে। তাহলে গত ৬ মাসে তা নিয়ে কেন কোনও সদর্থক ভূমিকাই পালন করতে পারল না ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার?

বিএনপি বিবৃতিতে বলছে, "বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গত ৬ মাসেও পলাতক স্বৈরাচারী এবং তাদের দোসরদেরকে আইনের আওতায় আনতে যথেষ্ট কার্যকর পদক্ষেপ জনসম্মুখে দৃশ্যমান করতে সফল হয়নি বলে জনমনে প্রতিভাত হয়েছে, ফলে জনগণ আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার মতো বেআইনি কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত হচ্ছে। একটি সরকার বহাল থাকা অবস্থায় জনগণ এভাবে নিজের হাতে আইন তুলে নিলে দেশে-বিদেশে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হতে পারে। অথচ জুলাইয়ের ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্খা অনুযায়ী জনগণের প্রত্যাশা ছিল, দেশে আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে, যা বর্তমান সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হওয়া বাঞ্ছনীয় ছিল। বর্তমানে দেশে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ নানা ধরনের দাবিদাওয়া নিয়ে যখন তখন সড়কে ‘মব কালচারের’ মাধ্যমে জনদুর্ভোগের সৃষ্টি করছে যা সরকার যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণে মুন্সিয়ানা দেখাতে ব্যর্থ হচ্ছে"।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
নতুন করে হিংসা বাংলাদেশে! মুজিবের ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল কারা?

Bangladesh 32 Dhanmondi: হঠাৎ করে কেন ঠিক ৬ মাসের মাথায় নতুন করে এই ক্ষোভ প্রকাশ? ইউনূস একদিকে বলছেন নতুন বাংলাদেশ গড়ার কাজ চলছে। তাহলে কি গত ৬ মাসে একটুও এগোয়নি বাংলাদেশ?

বিএনপি এই ব্যর্থতার দায় সরাসরি চাপাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকারের উপরেই। তাদের অভিযোগ, জুলাই-অগাস্টের ছাত্র গণঅভ্যুত্থানের শহিদদের পরিবারদের রাষ্ট্র সেভাবে সহযোগিতা করতে ব্যর্থ হয়েছে। আহতদের যথাযথ চিকিৎসা ও পুনর্বাসনও সম্পূর্ণ সম্ভব হয়নি। পাশাপাশি, শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের অন্য নেতাদের বিচারও নিশ্চিত করতে পারেনি ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। বিএনপি বলছে, এখনও প্রশাসনে আওয়ামী লীগের নেতারা থেকে গেছেন। পুলিশ প্রশাসনে গণঅভ্যুত্থানবিরোধী সক্রিয় সদস্যরা এখনও কর্মরত। ফলে এই অবস্থায় সরকার জনআকাঙ্খা পূরণে কতখানি সফল হবে তা যথেষ্ট সন্দেহের।

বিএনপির অভিযোগ, বাজার সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করে জনগণের নিত্যদিনের দুর্দশা লাঘব করা এই মুহূর্তে জরুরি। অথ বাজারে দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধি লাগামহীন। ভ্যাট বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত দরিদ্রদের বিড়ম্বনায় ফেলেছে। এমনকী হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সকল শ্রেণি, সকল পেশার মানুষদের বিরুদ্ধে যে মিথ্যা মামলাগুলি দায়ের করা হয়েছিল তারও কোনও সুরাহা এখনও হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকার এই নিয়ে যথাযথ পদক্ষেপই করেনি।

নির্বাচন প্রসঙ্গ বিএনপি বলছে, নির্বাচনমুখী জরুরি সংস্কার সাধন করে দ্রুত নির্বাচনের আয়োজন করাই বর্তমান সরকারের প্রধানতম কাজ হওয়া উচিত। অথচ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নির্বাচনকে প্রাধান্য না দিয়ে অন্যান্য বিষয়ে অধিক মনোযোগী। বিএনপি-র উদ্বেগ, অন্তর্বর্তী অস্থায়ী সরকার উদ্ভুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে রাষ্ট্র ও সরকারের স্থিতিশীলতাই হুমকির মুখে পড়বে।

দেশে নৈরাজ্যের প্রসার ঘটাতে তাহলে বিচ্ছিন্ন মদত থেকে যাচ্ছে ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের? হিংসাকে কোনওভাবেই সহ্য করা হবে না বার্তা দিয়েছিলেন ইউনূস। তাহলে ধানমন্ডিতে যারা ভাঙচুর চালাল প্রকাশ্যে তাঁদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেওয়া হবে? সেই সময় কোথায় ছিল পুলিশ প্রশাসন? বাংলাদেশকে আদৌ স্থিতিশীল করতে চায় তো এই সরকার? প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।