ধর্ম আর রাজনীতির ককটেলে মোক্ষ নয় ‘মৃত্যুফাঁদ' মোদির ভারত!

Maha Kumbh 2025: কুম্ভমেলার পদপিষ্টের ঘটনায় সে রাজ্যের ভিআইপি কালচারের দিকে আঙুল উঠছে। প্রতিপক্ষ অভিযোগ করছে, ভিআইপিদের জায়গা করে দিতেই নাকি সাধারণ মানুষের জীবন বাজি রাখল যোগী সরকার।

Akash Chatterjee
৩ মিনিট
ধর্ম আর রাজনীতির ককটেলে মোক্ষ নয় ‘মৃত্যুফাঁদ' মোদির ভারত!

সাংবাদিকতার পেশায় মাঝেমধ্যে নানা রেস্তোরাঁয় যেতে হয়। আপ্যায়ন করার সময় মাঝেমধ্যেই নিজেদের বারে তৈরি বিশেষ ককটেল অফার করেন কর্তৃপক্ষ। নানারকম উপাদানে তৈরি সেই ককটেলের স্বাদ অতীব চমৎকার। তার থেকেও চমৎকার হলো, সেই ককটেল তৈরির পদ্ধতি। প্রতিটি উপাদানের সঠিক মিশ্রণ না হলে ককটেল তৈরি হয় না।

আজকের ভারতবর্ষের জনতাও সম্ভবত, অজান্তেই এক দুর্ধর্ষ ককটেলের নেশায় ডুবে যাচ্ছে। ধর্ম আর অর্থনীতি দু'হাতে যারা মিশিয়ে দিচ্ছেন, তাঁরা অবশ্য পেশায় মিক্সোলজিস্ট নন। বরং রাজনীতিবিদ। আরও নির্দিষ্ট করে বললে, ভারতীয় জনতা পার্টির রাজনীতিবিদরা। আর ধর্মটি এক্ষেত্রে অবশ্যই ‘সনাতন’ হিন্দু ধর্ম।

একটু খোলসা করে বলা যাক। ভারতবর্ষে চাকরি নেই। কাতারে কাতারে মানুষ দেশ ছাড়ছেন। বাজেটের আগে বেশ অনেকগুলো সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, কীভাবে মানুষের খরচ করার মতো টাকা আস্তে আস্তে কমে আসছে। বাজেটে করছাড়ও সেই কারণে। উপভোক্তা যাতে বাজারে সামান্য কিছু হলেও খরচ করতে পারেন। হাতে টাকা না থাকার কারণ কী? আগেই বলেছি, পর্যাপ্ত চাকরির সুযোগ না তৈরি করতে পারা।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বিজ্ঞানমনস্কতা তৈরিতে নয়, কুম্ভ আয়োজনে বেশি টাকা দেওয়াই বিজেপির লক্ষ্য

Maha Kumbh 2025: কেন্দ্রের তরফে এবারের মহাকুম্ভ আয়োজন করতে ২১০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। উত্তরপ্রদেশ সরকারও ৫৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে মহাকুম্ভ আয়োজনের উদ্দেশ্যে।

অথচ, সেই সমস্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা অত্যন্ত সামান্য। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ধর্ম। বা আরও নির্দিষ্ট করে বললে, উৎসব। ২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি আলোচনার উৎসমুখ ছিল রামমন্দির। আর এই বছরে কুম্ভমেলা। দু'টির মধ্যেই কয়েকটি সাযুজ্য রয়েছে। দু'টিই উত্তরপ্রদেশে এবং দুটোতেই সুনিপুণভাবে মিশে গিয়েছে অর্থনীতির প্রশ্নটি।

রামমন্দির স্রেফ হিন্দু ধর্মের তীর্থক্ষেত্রে আটকে থাকেনি। বিশ্বায়নের দাবি মেনে তার সঙ্গে মিশেছে অর্থনীতির প্রশ্নটি। রামমন্দির হবে পর্যটনক্ষেত্র। মন্দির-ট্যুরিজমের চমৎকার ‘ককটেলে’ হোটেলের পর হোটেল তৈরি হয় অযোধ্যায়। সারা বিশ্ব থেকে পর্যটকেরা আসবেন, থাকবেন, তাঁদের জনসমাগমে অযোধ্যা হয়ে উঠবে হিন্দুদের ‘ভ্যাটিকান।’

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
পদপিষ্ট গরিবরাই! উচ্চবিত্তদের জন্য মহাকুম্ভে কী আয়োজন? চমকে দেবে বিলাসের বহর

Maha Kumbh 2025: উচ্চবিত্তদের কুম্ভ! বাথটাব, রেইন শাওয়ার, গরম এবং ঠান্ডা জলের বাথরুম, হিটারের উত্তাপ, বিনামূল্যে ওয়াইফাই – পাঁচতারা হোটেলে যা থাকে সব আছে সেখানে!

চলতি বছরেও কুম্ভমেলা নিয়ে ঠিক একই উত্তেজনা। ১৪৪ বছরে নাকি প্রথম মহাকুম্ভ। মিডিয়ায় হাইপ তৈরি করতে কোনওরকম খুঁত রাখেনি যোগী সরকার। ৬,৯০০ কোটি টাকার অফিসিয়াল বাজেটে তৈরি এই কুম্ভমেলায় হাজার হাজার কোটির টেন্ডার দেওয়া হয় বিভিন্ন কোম্পানিকে। যেমন, ব্রিজেশ এবং অশ্বিন থাক্করের RR Hospitality Private Limited। কুম্ভমেলা উপলক্ষ্যে এই কোম্পানি প্রায় ১৩ কোটি টাকা খরচ করে প্রাঙ্গণজুড়ে খাবারের স্টল দিতে। প্রায় ১.২৩ কোটি টাকা খরচ করে নিলামে স্টলের টেন্ডার জিতে নিয়েছিল ওই সংস্থা। খোদ উত্তরপ্রদেশ সরকারের তরফ থেকে আশা করা হয়েছিল, কুম্ভমেলা প্রায় ২ লাখ কোটি টাকার রেভিনিউ প্রদান করবে।

অথচ এত খরচের পরেও ভাঁড়ার শূন্য। কুম্ভমেলা এবং রামমন্দির দু'টিই তার প্রাথমিক জৌলুস হারিয়েছে। মন্দিরের ছাদ ফুটো হয়ে জল পড়ছে। আর, কুম্ভমেলায় যা হয়েছে, তা নারকীয়। পদপিষ্ট হয়ে মারা গিয়েছেন প্রায় ৪০-এর কাছাকাছি মানুষ। মেলা ফেরত অজস্র মানুষের বয়ানে উঠে আসছে, কীভাবে লাশের পাহাড় গোনা হয়েছে। প্রিয়জনকে হারিয়ে সরকারের দফতরে দফতরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন মানুষ, সামান্য ক্ষতিপূরণের আশায়।

কুম্ভমেলার পদপিষ্টের ঘটনায়, নানা ন্যারেটিভ সামনে আসছে। সবথেকে বেশি করে যা সামনে আসছে তা হলো, রাজ্যের ভিআইপি কালচার। প্রতিপক্ষ অভিযোগ করছে, ভিআইপিদের জায়গা করে দিতেই নাকি সাধারণ মানুষের জীবন বাজি রাখল যোগী সরকার। অস্বীকার করা যায় না। রামমন্দিরের সাফল্যের জন্যে গোটা দেশের VIP, VVIP-দের নিমন্ত্রণ করা হয়েছিল। স্বাভাবিকভাবেই, যেখানে বড় সংখ্যায় সেলিব্রিটিরা আসছেন, সেখানে সাধারণ মানুষের স্বার্থ বিঘ্নিত হবেই। অথচ নতুন ভারতে কেন্দ্র এবং বিভিন্ন রাজ্য, যেখানে বিজেপির সরকার রয়েছে তাদের লক্ষ্য এটাই। এক কর্পোরেট হিন্দুরাষ্ট্র তৈরি, যেখানে পুঁজির সহায়তায় কোটি কোটি টাকা খরচ করে গ্লোবাল হিন্দু ন্যারেটিভ তৈরি করা হবে। সেই ন্যারেটিভকে ভারতীয়ত্বের নামে তুলে ধরা হবে সারা পৃথিবীর কাছে। সারা পৃথিবীর মানুষ আসবেন, দেখবেন, অথচ তাঁদের মনে গেঁথে যাবে না এদেশের আর্তপীড়িতের চিৎকার।

কিন্তু কেন গেঁথে যাবে না? তার কারণ, গেঁথে দেওয়ার দায়িত্ব যাদের, তাঁরা কর্তব্য থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন বহুদিন আগেই। আজকের ভারতবর্ষের টেলিভিশন চ্যানেলে চাকরি সংক্রান্ত কোনও আলোচনা হয় না। যে টেলিভিশন চ্যানেল কংগ্রেস জমানার শেষদিকে একের পর এক প্রশ্নবানে বিদ্ধ করত তৎকালীন মনমোহন সিংয়ের সরকারকে, তারা আজ এক্কেবারে চুপ। যোগী আদিত্যনাথের যে কোনও পুরনো ইন্টারভিউ দেখলে শোনা যায়, তিনি বারংবার বলছেন উত্তরপ্রদেশকে তিনি কেরল বা পশ্চিমবঙ্গ হয়ে উঠতে দিতে চান না। অথচ, কথাটা বলার সময়ে সঞ্চালক বা সঞ্চালিকা একবারও পালটা প্রশ্ন করেন না, ‘কেরল বা পশ্চিমবঙ্গ হয়ে উঠলে ক্ষতি কী? সামাজিক সূচকে তো দুই রাজ্যই অনেকটা এগিয়ে।’

আসলে ২০১৪ পরবর্তী সময়ে ভারতীয় রাজনীতির অগ্রাধিকার ব্যাপক বদলে গিয়েছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অধিকারের প্রশ্নগুলোর জায়গায়, মিডিয়ার দায়িত্ব সরে গিয়েছে ধর্মের গুণগান করার দিকে। হাজার হাজার পডকাস্ট স্পিরিচুয়ালিটির নাম করে বিজ্ঞানবিরোধী কথাবার্তা বলে চলেছে। ফলত, মোক্ষ নয়, নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ২০১৪ পরবর্তী ভারতবর্ষ হয়ে উঠেছে একটি মৃত্যুফাঁদ। সেই ফাঁদ রচনা করছে রাজনৈতিক ও কর্পোরেট শিল্পপতিদের একাংশ।

লিখেছেন
Akash Chatterjee
Akash Chatterjee
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।