ইজরায়েলি বোমা কেড়েছে সদ্যোজাত দুই সন্তান, স্ত্রী! শূন্যতা আগলে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় ‘একা’ যুবক

Gaza-Israel War: দুই সদ্যোজাত সন্তান ও স্ত্রীর দেহাংশ নিয়ে যখন শেষকৃত্য করতে পৌঁছলেন, জানাজা করার আগে ইমাম বললেন, "খোদা যেন তোমাদের জন্নতে গিয়ে মিলিয়ে দেন।" সত্যি কি ওঁদের সঙ্গে দেখা হবে আর কুমসানের?

Sohini Das
৪ মিনিট
ইজরায়েলি বোমা কেড়েছে সদ্যোজাত দুই সন্তান, স্ত্রী! শূন্যতা আগলে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় ‘একা’ যুবক

মৃত্যুপুরী গাজা। ইজরায়েলি আগ্রাসনে গোটা শহরটাই একটা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। তবু তো তার পরেও মাটির বুকে ফোটে ফুল। জন্মায় সবুজ পাতার মতো শিশু। আর সেই সদ্য প্রাণ, স্বপ্ন সবকিছুকে ধ্বংস করে দিয়ে যায় একনিমেষে ইজরায়েলি সেনার হানা একেকটা রকেট, গুলি, বোমা। গাজায় বসবাস করা প্রতিটি ফিলিস্তিনি জানেন, তাঁদের ভবিষ্যৎ জুড়ে এখন শুধুই অন্ধকার, তার পরেও আলো খোঁজেন তাঁরা।

যেমন পেয়েছিলেন মহম্মদ আবু আল কুমসান। ২০২৩ সালের জুলাই মাসে কুমসানের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল পেশায় ফার্মাসিস্ট জুমানার। বিয়ের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করে 'টুগেদার ফরএভার' স্ট্যাটাসও দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেই একসঙ্গে চলার পথ যে এত সীমিত, এত কম, তা কি ঘুনাক্ষরেও ভেবেছিলেন কুমসান। জুলাই থেকে অক্টোবর, এই কয়েকটি মাস তাঁদের জন্য ছিল স্বপ্নের মতো। তার পরেই ইজরায়েলে ঢুকে হামলা চালাল হামাস। আর তার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই গাজার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে দিল ইজরায়েল। সেই তখন থেকেই খারাপ সময় শুরু হল গাজায় বসবাসকারী মানুষদের।

খবরটা শোনার পর সেন্ট্রাল গাজার আল আকসা হাসপাতালের সামনে দাঁড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন মহম্মদ আবু আল কুমসান। মাত্র কয়েকদিনই হয়েছে জুমানা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। যমজ সন্তান হয়েছে তাঁদের। একটি ছেলে, একটি মেয়ে। আদর করে একজনের নাম রেখেছেন আইজল, ছেলেটির নাম আসের। এত অন্ধকারের মধ্যেও পুতুলের মতো দু'টি সন্তানের মুখ যেন জীবনে বাঁচার নতুন আশা, নতুন স্বপ্ন দেখাতে শুরু করেছিল কুমসানদের।

স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা জানার পরেই তাঁর নিরাপত্তার কথা ভেবে দেইর আল-বালাহের একটি অ্যাপার্টমেন্টে নিয়ে এসেছিলেন জুমানাকে। ভেবেছিলেন, এই জায়গাটা অন্তত সুরক্ষিত ইজরায়েলি সেনার হাত থেকে। ভুলেই গিয়েছিলেন, এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে গাজায় সুরক্ষিত বলে কিছু নেই আর। গোটা শহরটাকেই শ্মশানে পরিণত করেছে ইজরায়েলি সেনা।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
নিরাপদ আল-জালা রাতারাতি যুদ্ধক্ষেত্র! ইজরায়েলের হুমকি পেয়ে খান ইউনিস ছাড়ছেন হাজার হাজার গাজাবাসী

Gaza: দিন কয়েক আগেই গাজার উত্তরে একটি স্কুল, যেটি বর্তমানে শরণার্থী শিবিরে পরিণত হয়েছে, সেখানে বিমান হামলা চালিয়েছিল ইজরায়েল। তার পরেই ফের নতুন করে সতর্কবার্তা এসেছে ইজরায়েলি সেনার তরফে।

সেই গত অক্টোবর থেকে গাজায় হামলার পরে হামলা চালিয়ে গিয়েছে ইজরায়েল। গুঁড়িয়ে দিয়েছে একের পর এক হাসপাতাল, স্কুল, ধর্মস্থান। এমনকী শরণার্থী শিবিরগুলিকেও ছাড়েনি ইজরায়েলি সেনা। গুঁড়িয়ে দিচ্ছে নাগরিকদের বাড়ি থেকে শুরু করে সমস্ত কিছু। যেমনটা হয়েছে কুমসানের সঙ্গে। সদ্যোজাত দু'টি শিশুর জন্মের শংসাপত্র সংগ্রহ করতে দেইর আল-বালাহের ওই অ্যাপার্টমেন্ট থেকে অল্পক্ষণের জন্য বেরিয়েছিলেন কুমসান। ঘরের ভিতরেই ছিলেন স্ত্রী ও দুটি সন্তান। কিছু দূর যেতে না যেতেই ফোন পান, ইজরায়েলি বোমা এসে আঘাত করেছে তাঁদের ওই অ্যাপার্টমেন্ট। আর মুহূর্তেই শেষ সব।

সেই হামলায় মারা যায় স্ত্রী জুমানা ও সদ্য জন্মানো দুটি যমজ শিশুরও। কুমসানের মনে পড়ে যায়, যেদিন আইজল আর আসের হয়, ডাক্তারদের কাছে কীভাবে পীড়াপীড়ি করেছিলেন, তাঁদের একঝলক দেখতে দেওয়ার জন্য। সেদিন বেরোনোর সময় একবারও কি ভেবেছিলেন, আর কোনও দিন দেখাই হবে সদ্যোজাত সন্তান দু'টির সঙ্গে, দেখা হবে না প্রিয়তম স্ত্রীর সঙ্গে আর।

আল আকসা হাসপাতালে তখন অজস্র স্বজনহারা মানুষের ভিড়। যার মধ্যে কুমসানও একজন। মাথা ঠিক রাখতে পারেননি কুমসান। সঙ্গ দেয়নি শরীরও। কাঁদতে কাঁদতে সংজ্ঞা হারান তিনি। দুই সদ্যোজাত সন্তান ও স্ত্রীর দেহাংশ নিয়ে যখন শেষকৃত্য করতে পৌঁছলেন, জানাজা করার আগে ইমাম বললেন, "খোদা যেন তোমাদের জন্নতে গিয়ে মিলিয়ে দেন।" সত্যি কি স্ত্রী-সন্তানের সঙ্গে আর এ জীবনে বা জীবনের পরে দেখা হবে কুমসানের! হাঁটু মুড়ে চোখের জলে ভেসে এ কথাই কি ভাবছিলেন হতভাগ্য এই বাবা-স্বামী।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
পৃথিবী আবার শান্ত হবে! গাজায় যুদ্ধবিধ্বস্ত কিশোরীদের স্বপ্ন দেখায় বক্সিং

Palestinian Girls Boxing: ইজরায়েলি সেনা ভেঙে দিয়েছে তাঁদের প্রশিক্ষণের জায়গাটি। একদিন যে বক্সিং ক্লাব তাঁদের হাতে গ্লাভস গলিয়ে নিতে শিখিয়েছিল, শিখিয়েছিল উঠে দাঁড়ানোর মন্ত্র, সেই ক্লাব আজ ধ্বংসস্তূপ।

সেদিনের সেই হামলায় অন্তত ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল গাজার দেইর আল-বালাহে। তার মধ্যে যেমন ছিল কুমসানের স্ত্রী ও সন্তান, তেমনই ছিল আরও শিশু। আর এটাই গাজার বাস্তব এই মুহূর্তে। ইজরায়েলের ছোড়া একের পর এক বোমা-গুলি-হামলায় অসংখ্য শিশুর মৃত্যু হচ্ছে, হয়েই চলছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রের খবর, ইজরায়েলের অক্লান্ত বোমাবর্ষণে সাম্প্রতিক কালে অন্তত ১১৫টি শিশু জন্মেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছে।

সন্তান জন্ম দেওয়ার পর সেই অভিজ্ঞতাকে এক অলৌকিক ঘটনা বলে বর্ণনা করে দু'দিন আগেই সোশ্য়াল মিডিয়ায় একটি পোস্ট দিয়েছিলেন জুমানা। অলৌকিকই বটে। এত মৃত্যু, এত ধ্বংসের মধ্যেও যে পাথরে ফুল ফোটে, তা তো অবাক কাণ্ড বটেই। কিন্তু ইজরায়েলি আগ্রাসন এসে বারবার এসে কেড়ে নেয় সেই সব ফোঁটা কুঁড়ি। মৃত্যুর, স্বজন হারানোর কালো ছায়া এসে ঢেকে দেয় কুমসানদের।

৭ অক্টোবর ইজরায়েলে হামলা চালিয়েছিল ফিলিস্তিনি জঙ্গিগোষ্ঠী হামাস। তার পর থেকে অক্লান্ত ভাবে গাজায় হামলা চালিয়ে গিয়েছে ইজরায়েল। হামাসকে না শেষ করে বিশ্রাম নেবেন না হুমকি দিয়েছেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তবে হামাস জঙ্গি কতজন খতম হয়েছে বলা কঠিন, শেষ হয়ে গিয়েছেন গাজার অসংখ্য সাধারণ মানুষ। ইতিমধ্যেই গাজায় মৃত্যু ছুয়েছে চল্লিশ হাজারের কোটা। আর তার মধ্যে ১৬ হাজারই শিশু। জখম এক লক্ষের কাছাকাছি। প্রথম থেকেই এ যুদ্ধের নিশানা যেন নিরীহ শিশুরাই। প্রায় এক বছরের কাছাকাছি সময় ধরে চলা যুদ্ধ জন্ম দিয়েছে দুর্ভীক্ষের। নেই ন্য়ূনতম চিকিৎসার সুবিধাটুকুও। ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তুদের জন্য রাষ্ট্রসঙ্ঘের সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ-র হিসেব বলছে, প্রায় ১৯ লক্ষেরও বেশি মানুষ গৃহহীন গাজায়। দুর্ভীক্ষ ও অসুস্থতার ঝুঁকিতে রয়েছেন অন্তত ২২ লক্ষ মানুষ। এখনও পর্যন্ত এ যুদ্ধে গাজায় ১৭ হাজারেরও শিশু পরিবারবিচ্ছিন্ন।

পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে, এখনও যাঁরা গাজায় বেঁচে রয়েছেন কোনও মতে, তাঁদের কাছে ন্যূনতম সুবিধাটুকুও নেই। গাজার শিশু বিশেষজ্ঞ লোবনা আল আজাইজার জানাচ্ছেন, পরিস্থিতি এমন গাজার মেয়েরা বাধ্য হচ্ছেন নিজেদের চুল কেটে ফেলতে। কারণ তাঁদের কাছে পর্যাপ্ত শ্যাম্পু, সাবান এমনকী চিরুনি পর্যন্ত নেই। নেই ঋতুস্রাবের সময়কার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রটুকুও। দশ মাস ধরে চলতে থাকা যুদ্ধে ভেঙে পড়েছে শহরের বর্জ্য নিষ্কাশন পরিকাঠামো। নোংরা, আবর্জনা, পুতিগন্ধময় জায়গায় গাদাগাদি করে রয়েছেন মানুষ। যার ফলে বিভিন্ন ধরনের রোগ দানা বাঁধছে তাঁদের শরীরে।

ইজরায়েলের হামলা ভেঙে দিয়েছে একের পর এক হাসপাতাল, ভেঙে পড়েছে শহরের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোরা। তবু চিকিৎসকেরা নিজের মতো করে চেষ্টা করছেন যেটুকু করা যায়। কেউ তাবুতেই ক্লিনিক বানিয়ে রোগীদের চিকিৎসা করছেন, কেউ বা হেঁটে হেঁটে পৌঁছে যাচ্ছেন দুঃস্থদের কাছে। বোমায় আঘাত পাওয়া মানুষের চিকিৎসায় সাধারণ জ্বালাপোড়ার ওষুধটুকু পর্যন্ত এখন অমিল গাজায়। এদিকে মিশর থেকে আসা সাহায্যকেও গাজার কাছে পৌঁছতে দিচ্ছে না ইজরায়েলি সেনা। তবু আশায় বুক করে বাঁচছেন, বেঁচে রয়েছেন বাসিন্দারা। একদিন ঝড় থেমে যাওয়ার আশায়, বেঁচে থাকার নতুন স্বপ্নকে বুকে নিয়ে মৃত্যুর উপত্যকায় জেগে রয়েছেন এত এত রাত্রি, দিন। আর কুমসানরা, যাঁদের থেকে যুদ্ধ ছিনিয়ে নিয়েছে সবটুকু, তাঁরা প্রতীক্ষা করছেন সেই জন্নতের, যেখানে গিয়ে ফের জুমানা আর সন্তানদের সঙ্গে দেখা হয়ে যাবে। আর কোনও বোমা, গুলি, যুদ্ধের লাল চোখ তাঁদের আলাদা করতে পারবে না তার পর।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।