ভারতের সঙ্গে কেমন সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ? যা বলছেন প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস

Muhammad Yunus: এক-এগারোর সময় ইউনূস বলেছিলেন তাঁর রাজনীতিতে আসা ভুল হয়েছে। এখন তিনি নিজে রাজনৈতিক পদেই আসীন! নিজের এই অবস্থান নিয়ে এখন তাঁর কী মূল্যায়ন?

Tanvia Barua
৩ মিনিট
ভারতের সঙ্গে কেমন সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ? যা বলছেন প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস

বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়েছে সাত মাস। এখন ক্ষমতায় রয়েছে মুহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করে বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন। ভারত সরকার হাসিনার এ দেশে থাকা নিয়ে সম্পূর্ণ গোপনীয়তা বজায় রেখেছে। গুরুত্বপূর্ণ হলো, বাংলাদেশ এবং ভারত দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধুত্বের সম্পর্কের কথা দাবি করে এসেছে। তবে হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে, ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে টানাপড়েন চলছে অন্তর্বর্তী সরকারের। সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের একটি বিশেষ সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বিবিসি বাংলার সম্পাদক মীর সাব্বির। সেই সাক্ষাৎকারে উঠে এসেছে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের অবনতির প্রসঙ্গও।

ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক প্রশ্নে প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, "(সম্পর্ক) খুবই ভালো। আমাদের সম্পর্কের কোনও অবনতি হয়নি। আমি যেভাবে ব্যাখ্যা করে এসেছি, আমাদের সম্পর্ক সব সময় ভালো থাকবে। এখনও ভালো আছে, ভবিষ্যতেও ভালো থাকবে। বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক ভালো না থেকে উপায় নেই। আমাদের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ, আমাদের পরস্পরের ওপর নির্ভরশীলতা এত বেশি এবং ঐতিহাসিকভাবে, রাজনৈতিকভাবে, অর্থনৈতিকভাবে আমাদের এত ক্লোজ সম্পর্ক, সেটা থেকে আমরা বিচ্যুত হতে পারব না। তবে মাঝখানে কিছু কিছু দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে, আমি বলেছি মেঘ দেখা দিয়েছে। এই মেঘগুলো মোটামুটি এসেছে অপপ্রচার থেকে। অপপ্রচারের সূত্র কারা, সেটা অন্যরা বিচার করবে। কিন্তু এই অপপ্রচারের ফলে আমাদের সঙ্গে একটা ভুল-বোঝাবুঝি হয়ে গেছে। সেই ভুল বোঝাবুঝি থেকে আমরা উত্তরণের চেষ্টা করছি।"

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ভাষা আর ধর্মের জাল থেকে কোনওদিন মুক্ত হতে পারবে বাংলাদেশ?

Bangladesh: ২০২৪ সালের অগাস্ট থেকে, মাহফুজ আলম নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন যে বাইনারি ভাঙার কথা মুখে বলা যত সোজা, কাজে করা ততোধিক কঠিন।

ভারত সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ প্রসঙ্গে ইউনূস জানিয়েছেন, ভারত সরকারের সঙ্গে সব সময় যোগাযোগ হচ্ছে। তাঁর কথায়, "তারা এখানে আসছেন, আমাদের লোকজন সেখানে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে আমার প্রথম সপ্তাহেই কথাবার্তা হয়ে গেছে।"

এলন মাস্কের সঙ্গে সাম্প্রতিক আলাপ ও যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে ইউনূস ওই সাক্ষাৎকারে বলেন, "এটা মূলত ছিল স্টারলিংক নিয়ে। ব্যবসায়িক একটা সম্পর্কের বিষয় ছিল। সে বিষয়ে আমরা আলাপ করেছি যে স্টারলিংকের কানেকশনটা আমরা নিতে চাই।"

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ভারত-পাকিস্তান উভয়ের অধীনতাই অস্বীকার করে নতুন বাংলাদেশ : মাহফুজ আলম

Mahfuj Alam Interview: বাংলাদেশ কি পাকিস্তানের দিকে ঝুঁকে? কেন দেখা যাচ্ছে আইসিস-এর পতাকা? প্রতিটি প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন মাহফুজ আলম।

সবশেষে জানতে চাওয়া হয়, এক-এগারোর সময় প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস যে রাজনৈতিক দল গঠন করেছিলেন, সেটা নিয়ে তিনি বলেছিলেন তাঁর রাজনীতিতে আসাটা ভুল হয়েছে। এখন তিনি নিজে রাজনৈতিক পদেই আসীন! তাহলে নিজের এই অবস্থান নিয়ে এখন তাঁর কী মূল্যায়ন? রাজনীতিতে আসা কি ঠিক হয়েছে? ইউনূস জানান, "প্রথম কথা, আমি রাজনৈতিক দল করিনি। গঠন করার কথা বলেছিলাম এবং দশ সপ্তাহ যাবৎ এই কথা জারি ছিল। দশ সপ্তাহ পর আমি বলেছি, না আমি রাজনীতিতে যাব না। আমি বলেছি যে, পলিটিক্স ইজ নট মাই কাপ অফ টি এবং ওটা ওখানেই সমাপ্ত। এরপর আমাকে রাজনীতির কাছে কেউ টানতে পারেনি। সবাই চেষ্টা করেছে দেশের নেতৃত্ব নেন, আপনি প্রধানমন্ত্রী হন। সবাই চেষ্টা করেছে। আমি ওটা চাইনি। আমি বলেছি, ওই চ্যাপ্টার শেষ। এই দশ সপ্তাহ- দ্যাটস এনাফ। কাজেই ওইভাবেই আছি এখন। এখানে আমি রাজনীতিতে যাওয়ার কোনও সম্ভাবনা নাই। রাজনীতি করিও না।"

বিবিস-র এই সাক্ষাৎকারে প্রধান উপদেষ্টা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সংস্কার ও নির্বাচন, ছাত্র নেতৃত্বের নতুন দল গঠন সহ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ঘটনা প্রবাহ নিয়েও কথা বলেছেন। প্রসঙ্গত, এতদিন অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে নির্বাচনের সময় নিয়ে নানারকম বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। চাপের মুখে পড়েই সরকারকে আশ্বাস দিতে হয়েছে বলেও আলোচনা হয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গনে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১০০ দিনের পূর্তিতেও প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস বলেছিলেন, "কখন নির্বাচন হবে, সেটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, এটা আমার সিদ্ধান্ত নয়।" সংবাদ সংস্থা এএফপিকে একটি সাক্ষাৎকারে নির্বাচন বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস বলেছিলেন, "এটি একটি প্রতিশ্রুতি, যা আমরা দিয়েছি। আমরা প্রস্তুত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নির্বাচন হবে।" এই সংস্কারপর্ব কতদিনে শেষ হবে সে নিয়ে কোনও স্পষ্ট বার্তা এখনও দেয়নি সরকার পক্ষ। তবে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের অনেকেই মনে করছেন, সংস্কার প্রক্রিয়াতে দেশবাসীর অংশগ্রহণ থাকা জরুরি। তাই দ্রুত জাতীয় নির্বাচন হওয়া দরকার। কবে দেশটির নির্বাচন-সহ বাকি প্রতিশ্রুতি পূরণ হবে, সেই উত্তর অবশ্য এখনও অধরা।

উল্লেখ্য, হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের নতুন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহম্মদ ইউনূসকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অভিনন্দন জানিয়ে বলেছিলেন, "আমরা আশা করছি দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসবে বাংলাদেশে এবং হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।" পিটিআইয়ের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফোনালাপে ইউনূস বলেছিলেন, হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সুরক্ষা ও নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তাঁর কথায়, "বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের উপর হামলা সাম্প্রদায়িকতার চেয়ে বেশি রাজনৈতিক।" উল্লেখ্য, মার্চের শুরু থেকেই পশ্চিমবঙ্গে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যের গঙ্গা চুক্তি নিয়ে যৌথ বিষয়ক বৈঠক শুরু হয়েছে। পাঁচ দিন ধরে এই বৈঠক চলবে। গত সোমবারই ১১ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল কলকাতা এসে পৌঁছেচ্ছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ঢাকা ও দিল্লির কূটনৈতিক সম্পর্কের বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই বৈঠকটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

লিখেছেন
Tanvia Barua
Tanvia Barua
7 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।