নির্বাচনী বন্ডের চেয়েও ভয়াবহ! ১২০০০ কোটি টাকার দুর্নীতি PM CARES ফান্ডে?

PM CARES Fund Scam: বিরোধীদের অভিযোগ, চিনের বেশ কয়েকটি সংস্থা PM CARES তহবিলে দান করেছে।

inscript
৪ মিনিট
নির্বাচনী বন্ডের চেয়েও ভয়াবহ! ১২০০০ কোটি টাকার দুর্নীতি PM CARES ফান্ডে?

মহামারী দেখার জন্য প্রস্তুত ছিল না দেশ। হঠাৎ চলে আসা মহামারী রুখতে ঠিক কী কী করা উচিত তা বোঝার আগেভাগেই দেশ জুড়ে লকডাউন। সময় যত পেরিয়েছে কোভিড আক্রান্ত দেশ প্রতিনিয়ত লাশ গুনেছে, প্রতিনিয়ত অক্সিজেনের অভাবে ধুঁকেছে, গণচিতার ধোঁয়াতে গণতন্ত্রের আকাশ কালো হয়ে এসেছে। ঠিক এই দুর্ভোগের সময়ই কোভিড-১৯ মহামারীর যেকোনও সমস্যা মোকাবিলার লক্ষ্যে, "প্রধানমন্ত্রীর নাগরিক সহায়তা এবং জরুরি পরিস্থিতির ত্রাণ তহবিল" নামে একটি পাবলিক চ্যারিটেবল ট্রাস্ট গঠন করে। গোটা বিষয়টা পিএমকেয়ার্স ফান্ড নামেই বেশি পরিচিত হয়। মনে রাখতে হবে, দেশে কিন্তু আপদ-বিপদ-দুর্যোগ মোকাবিলায় দুইখানি এমন তহবিল আগে থেকেই ছিল। প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিল (PMNRF) এবং জাতীয় প্রতিরক্ষা তহবিল। এই দুই তহবিলের দেখভাল করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বা PMO। পিএম কেয়ার্সের দায়িত্ব নেয় এই কার্যালয়ই। এই তহবিলে কে টাকা দিল, কত টাকা দিল জানা যাবে না। প্রশ্ন ওঠে, PMNRF যেখানে আছেই, সেখানে আরও একটি তহবিলের দরকার কী?

PM CARES আর PMNRF একই ধাঁচের হলেও এর উদ্দেশ্যগুলি আলাদা। PMNRF বর্তমানে দাঙ্গা, দুর্ঘটনা এবং চিকিৎসা বিভ্রাট, প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকারদের সহায়তায় কাজ করে। অন্যদিকে, PM CARES জনস্বাস্থ্য সংকটের জন্য তহবিল তোলার জন্যই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। যেমন কোভিড-১৯ মহামারীকালীন দুর্ভোগ, এই সময়কালে স্বাস্থ্যসেবা ও ওষুধপত্রকে আরও মানুষের কাছে পৌঁছনো এবং এই সংক্রান্ত গবেষণার জন্যও টাকা দেওয়ার কাজে পিএম কেয়ার্স ফান্ড ব্যবহৃত হবে। দুই তহবিলই সুবিধা অনুযায়ী পরিবর্তন করা যায়।

দেশের কেন্দ্র সরকারের বিরোধীরা বলছেন নির্বাচনী বন্ড কেলেঙ্কারির মতোই পিএম কেয়ার্স ফান্ড বিজেপির আরেকটি বড় দুর্নীতি। কে কত টাকা দিয়েছে তা জানানো যাবে না, এইটুকুতেই স্পষ্ট এর মধ্যে বড়সড় সমস্যা আছে, বিষয়টি অস্বচ্ছ। বিরোধীদের দাবি, PM CARES তহবিলে প্রাপ্ত মোট তহবিলের পরিমাণ কমপক্ষে ১২,৭০০ কোটি টাকার কাছাকাছি। কিছু কিছু ব্যক্তি ও সংস্থা অবশ্য প্রকাশ্যেই অনুদানের কথা জানিয়েছিল, যেমন রিলায়েন্স গ্রুপ (৫০০ কোটি টাকা), আদানি গ্রুপ (১০০ কোটি টাকা), পেটিএম (৫০০ কোটি টাকা), জেএসডব্লিউ গ্রুপ (১০০ কোটি টাকা)।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বন্ডে ১,৩৬৮ কোটি টাকার অনুদান কেবল একজনেরই! কী এই ফিউচার গেমিং কোম্পানি?

Future Gaming Electoral Bond Donor: ফিউচার গেমিং সিকিম এবং নাগাল্যান্ডে সংগঠিত লটারির একমাত্র পরিবেশক।

পিএম কেয়ার্স ফান্ডে টাকা দিলে তা আয়কর আইনের ধারা ৮০জি এর অধীনে ১০০% কর ছাড় পাবে। বিরোধীদের অভিযোগ, চিনের বেশ কয়েকটি সংস্থা PM CARES তহবিলে দান করেছে। TikTok দাবি করেছিল তারা ৩০ কোটি টাকা দান করেছে, Xiaomi ১০ কোটি টাকা, Huawei ৭ কোটি টাকা এবং OnePlus ১ কোটি টাকা দান করেছে বলে জানা যায়। চিন যখন লাদাখ এবং অরুণাচল প্রদেশের ভারতীয় ভূখণ্ড দখলের প্রক্তিয়া চালাচ্ছে, চিন-ভারত সম্পর্ক যখন এতই জটিল তাহলে কেন এই সংস্থাগুলি টাকা দিচ্ছে দেশের সরকারকে?

সাধারণত কোনও পাবলিক চ্যারিটেবল ফান্ডের জন্য কোম্পানি আইন, ২০১৩ অনুযায়ী ইচ্ছুক ব্যক্তি বা সংস্থার কাছ থেকে অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে অনুদান সংগ্রহ করা হয়, CSR বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটিরর অংশ হিসেবে সংস্থার থেকে তহবিল নেওয়া যায়। তবে, এখানেও প্রশ্নচিহ্ন আছে। অভিযোগ ওঠে, সরকারি কর্মচারীদের তাঁদের বেতনের একটি অংশ বাধ্যতামূলকভাবে পিএম কেয়ার্স তহবিলে দিতে বাধ্য করা হচ্ছে।

খুব স্বাভাবিকভাবেই এই জোর করে অনুদান সংগ্রহ বিষয়টি মজুরি নিরাপত্তার অধিকারকে লঙ্ঘন করে। পাশাপাশি বিদেশ থেকে অনুদান পাওয়ার বিষয়টিও এতে যুক্ত আছে, এই বিষয়টি দেখে FCRA। এই অনুদান দিতে গেলে FCRA-র অধীনে রেজিস্ট্রেশনের জন্যও ৩ বছরের অডিট বিবৃতি প্রয়োজন। তবে PM CARES-এ টাকা দিতে চাইলে এই অডিট মকুব! অন্য সমস্ত তহবিল বা এনজিওর উপর যে নিয়ম আরোপিত আছে, কেন তার ঠিক বিপরীতে রাখা হলো পিএম কেয়ার্স ফান্ডকে?

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ইলেক্টোরাল বন্ড মারফৎ জোড়া ফুলেরও বিপুল লক্ষ্মীলাভ! তৃণমূলকে টাকা দিল কারা?

Electoral Bond: কিন্তু মুখে যা-ই বলুন না কেন, বিজেপির তৈরি প্রকল্প ইলেক্টোরাল বন্ড থেকে ভালোই লাভবান হয়েছে তৃণমূল। শুধু কলকাতারই নয়, দেশের বহু সংস্থার থেকেই মোটা অঙ্কের অনুদান ঢুকেছে তৃণমূলের কোষাগারে।

সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো, রাষ্ট্রপতি কর্তৃক গৃহীত অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, PM CARES CAG-এর আওতায় পড়ে না। এর অডিট করবে স্বাধীন অডিটররা। এত বড় একটি ফান্ডের দায়িত্বে বেসরকারি অডিটররা? কেন? দুর্নীতি ও অস্বচ্ছতার ব্যাপক সুযোগ কি জেনে বুঝেই তৈরি করা হয়েছে?

ভারতীয় ট্রাস্ট অ্যাক্ট, ১৮৮২-এর ১৯ নম্বর ধারার অধীনে দাতব্য তহবিল হিসাবে PM CARES-কে তৈরি করা হয়েছে। অর্থাৎ এই ট্রাস্ট তার সম্পত্তির একটি সঠিক হিসাব দিতে বাধ্য প্রাপককে।

PM CARES একটি পাবলিক চ্যারিটেবল ট্রাস্ট, এটি বেসরকারি সংস্থাগুলি থেকে অনুদান নেয়। কম্পট্রোলার এবং অডিটর জেনারেল (CAG) তাই এর অডিট করতে পারবে না। তবে PMNRF আর PM CARES এই দু'টি তহবিলই তৈরি করা হয়েছে ভারতীয় সংবিধানের ২৬৬, ২৮৩ এবং ২৮৪ অনুচ্ছেদকে মাথায় রেখে করা হয়নি। অনুচ্ছেদ ২৬৬(২) বলে, ভারত সরকারের পক্ষ থেকে সংগ্রহ করা, কনসলিডেটেড এবং কন্টিনজেন্সি ফান্ড ব্যতীত অন্যান্য সমস্ত তহবিলই পাবলিক অ্যাকাউন্টের অন্তর্গত।

ধারা ২৮৩(১) বলে, কনসলিডেটেড এবং কন্টিনজেন্সি ফান্ডের হেফাজত, এই জাতীয় তহবিলে অর্থ প্রদান, সেখান থেকে টাকা তোলা, ভারতের পাবলিক অ্যাকাউন্টে টাকা দেওয়া এবং এই জাতীয় অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলা সবকিছুই সংসদ প্রণীত আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে, আইনে বিধি না থাকা পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত বিধি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে। পিএম কেয়ার্স ফান্দ কিন্তু সংসদীয় তত্ত্বাবধানে নেই।

তথ্যের অধিকার (আরটিআই) আইনের অধীনে ২০২০ সালের ২১ এপ্রিল, পিএমও থেকে এই ফান্ডে টাকা দেওয়া ব্যক্তি বা সংস্থার বিশদ তথ্য চেয়ে একটি আবেদন দায়ের করা হয়েছিল। পিএমও তথ্য দিতে অস্বীকার করে। অথচ আরটিআই আইন অনুসারে পিএমও আরটিআইয়ের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করতে পারে না কারণ পিএমও সরকারি সংস্থা। কিন্তু পিএমও জানায়, তথ্যের অধিকার আইনের অধীনে সরকারি কর্তৃপক্ষের সংজ্ঞার আওতায় পড়ে না এটি। তাই কে কত টাকা দিল জানানো যাবে না। এত রাখঢাক করে আসলে কি বড় দুর্নীতিকেই ধামাচাপা দিচ্ছে না বিজেপি?

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।