অন্তর্বর্তী সরকার গড়ে আপাতত চলবে দেশ, জাতির উদ্দেশে ভাষণে যে বার্তা বাংলাদেশের সেনাপ্রধানের

Bangladesh Unrest: শেখ হাসিনার  পদত্যাগের পরই সেনাপ্রধান জাতির উদ্দেশে ভাষণে জানিয়েছেন, বাংলাদেশে এই আন্দোলনে প্রতিটি হত্যার বিচার হবে।

Sohini Das
৩ মিনিট
অন্তর্বর্তী সরকার গড়ে আপাতত চলবে দেশ, জাতির উদ্দেশে ভাষণে যে বার্তা বাংলাদেশের সেনাপ্রধানের

বাংলাদেশের পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর। দেশ জুড়ে গণবিক্ষোভের মুখে পদ থেকে ইস্তফা দিতে বাধ্য হয়েছেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ইতিমধ্যেই বোনের সঙ্গে দেশ ছেড়েছেন শেখ হাসিনা। আপাতত সেনাবাহিনীর হাতে দেশ। তবে সেনাবাহিনীর প্রধান ওয়াকার-উজ-জামান জানান, অন্তর্বর্তী সরকার গড়ে আপাতত চালানো হবে দেশ। হাসিনা ঢাকা ছাড়ার আগেই বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর তরফে জানানো হয়, জাতীর উদ্দেশে ভাষণ দেবেন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান। এদিন হাসিনাকে পদত্যাগের সময় বেঁধে দিয়েছিল সেনাবাহিনী। সোমবার দুপুর আড়াইটে নাগাদ ঢাকার বাসভবন ছেড়ে বোনকে নিয়ে কপ্টারে রওনা হন হাসিনা। ইস্তফা দিয়েই দেশ ছাড়েন তিনি। যতদূর জানা গিয়েছে, তিনি আশ্রয় নিয়েছেন ভারতে।

সোমবার জাতির উদ্দেশে ভাষণের আগেই বাংলাদেশের বিশিষ্টজন ও রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন সেনাপ্রধান। জানা গিয়েছে, জামাত, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা ছিলেন সেই বৈঠকে। তাঁরা এক যোগে একসঙ্গে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করার। সেনাপ্রধান জানান, যেখানে হাজির ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুল ও জোনায়েত সাকিও। আসিফ এদিন সেনাপ্রধানের সামনেই ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশে একটি বার্তা দিয়েছেন। সেনাপ্রধান জানান, ওঁর কথা সবাই শোনে, শ্রদ্ধা করে। ছাত্রছাত্রীরা ওঁর কথা শুনেছেন। তাঁরা এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে চলে আসবে বলেই আশাবাদী তিনি। তবে সেনা প্রধান একই সঙ্গে জানিয়েছেন ওই বৈঠকে আওয়ামি লিগের কোনও প্রতিনিধি ছিলেন না। এ দিন সাংবাদিক-সহ দেশের সকলের সামনে হাজির হয়ে সামগ্রিক পরিস্থিতির কথা জানান সেনাপ্রধান। তিনি জানিয়েছেন, আপাতত অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করে দেশ চালানো হবে। একই সঙ্গে প্রতিটি হত্যার বিচারের আশ্বাসও দেন তিনি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
অবশেষে ইস্তফা হাসিনার! বাংলাদেশ ছেড়ে বোনের সঙ্গে কোন দেশে আশ্রয়?

Sheikh Hasina Resigns: হাসিনা নয়াদিল্লির সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। কিন্তু তাঁকে উদ্ধারের জন্য ভারত থেকে বাংলাদেশে বিমান পাঠানো হবে না বলে জানিয়ে দেয় নয়াদিল্লি।

কোটা বিরোধী বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে কিছুদিন আগেই উত্তাল হয়ে উঠেছিল গোটা বাংলা দেশ। ছাত্রআন্দোলন প্রশমিত করতে চরম দমন-পীড়ন নীতি নেন হাসিনা সরকার। অন্তত ২০০ জনের মৃত্যু হয়েছিল পুলিশ ও আওয়ামি লীগের গুন্ডাদের হাতে। সুপ্রিম কোর্টের রায় অবশ্য শেষপর্যন্ত সংরক্ষণের বিপক্ষেই যায়। তবে এত এত মৃত্যুর প্রতিবাদে সুবিচার চেয়ে ফের পথে নামে বাংলাদেশ। দু'দিন আগেই বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছিলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের জনগণের আস্থার প্রতীক। জনগণের স্বার্থে এবং রাষ্ট্রের যে কোনও প্রয়োজনে সেনাবাহিনী সব সময় জনগণের পাশে আছে এবং থাকবে। এরপর রবিবার বাংলাদেশ জুড়ে সহিংসতায় মৃত্যু হয়েছে প্রায় ১০০ জনের। তার পরেই সোমবার জনবিক্ষোভের মুখে টলে যায় সরকারের গদি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
হাসিনাশাহির অবসান চেয়ে ফের মৃত্যু! কোন পথে এগোচ্ছে ঢাকার লং মার্চ?

Bangladesh Long March: যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় ব্যাপক পুলিশ নেমেছে। সাঁজোয়া যানও দেখা গেছে। সেখানে সংঘর্ষে ইতিমধ্যেই ৩ জন মারা গেছেন।

শেখ হাসিনার পদত্যাগের পরই সেনাপ্রধান জাতির উদ্দেশে ভাষণে জানিয়েছেন, বাংলাদেশে এই আন্দোলনে প্রতিটি হত্যার বিচার হবে। তবে একই সঙ্গে তিনি জনগণকে অনুরোধ করেছেন হিংসার পথ ছেড়ে সংযত হওয়ার, দেশে শান্তি বজায় রাখার। একই সঙ্গে যে ভয়ঙ্কর হত্যালীলা ঘটেছে সাম্প্রতিক কালে বাংলাদেশে, তা যাতে ফের না ঘটে, সে জন্য সেনাবাহিনী ও পুলিশকে কোনও রকম গোলাগুলি না চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে জনগণের উদ্দেশে ওয়াকার-উজ-জামান জানান, তাঁরাও যাতে কোনও রকম ভাঙচুর না চালান। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে বহু ক্ষতি হয়েছে। পুনরায় যাতে কোনও ক্ষয়ক্ষতি না হয়, তা দেখার দায়িত্ব জনগণের বলেই জানান তিনি। বাংলাদেশের জনতার কাছে সেনাপ্রধানের আর্জি, ‘‘ভাঙচুর, মারামারি, সংঘর্ষ থেকে বিরত থাকুন। ধৈর্য হারাবেন না। আমি নিশ্চিত, আপনারা যদি আমাদের কথামতো চলেন, আমরা যদি একসঙ্গে কাজ করি, তা হলে আমরা একটা সুন্দর পরিণতির দিকে এগোতে পারব।’’

বাংলাদেশের সেনাপ্রধান এদিন জানিয়েছেন, ‘‘আমরা এর আগে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করেছি। বিশিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা রাষ্ট্রপতির কাছে যাব। তাঁর সঙ্গে আলোচনা করে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করে দেশ পরিচালনা করব। আপনারা সেনাবাহিনীর উপর আস্থা রাখুন। সশস্ত্র বাহিনীর উপর আস্থা রাখুন আমরা সমস্ত দায় দায়িত্ব নিচ্ছি।’’ গত কয়েকদিনে যে পরিস্থিতি দেখেছে বাংলাদেশ, তাতে বলাই বাহুল্য, মানুষের সরকার ও পুলিশের উপর আস্থা তলানিতে ঠেকেছে। এদিন সেনা প্রধান ওয়াকার-উজ-জামান জানান, ‘‘আমি কথা দিচ্ছি। আপনারা এখনই আশাহত হবেন না। আপনাদের যত দাবি আছে, তা আমরা পূরণ করব এবং দেশের শান্তি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনব।’’

ফলে এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জনতার সহায়তার দিকেই তাকিয়ে রয়েছে সে দেশের সেনাবাহিনী। একই সঙ্গে মানুষকে আশ্বস্ত করে সেনাপ্রধান পরামর্শ দিয়েছেন বাংলাদেশের জনতাকে সংঘাত থেকে বিরত থাকার। তাঁর মতে, ‘‘সংঘাতের মাধ্যমে আর নতুন কিছু আমরা পাব না। প্রতিটা হত্যার বিচার করা হবে। প্রতিটি অন্যায়ের বিচার হবে।’’ সমস্ত দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়ে এ দিন সেনাপ্রধান আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা করেছেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। আপনারা শান্তি-শৃঙ্খলার পথে ফিরে আসুন। কারণ তা না হলে আমাদের দেশের অনেক ক্ষতি হচ্ছে। অর্থনৈতিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি আমরা। মানুষ মারা যাচ্ছেন।’’ দেশ শান্তি হলে কার্ফুর প্রয়োজন নেই বলেও এদিন জানিয়েছেন তিনি।

সেনাপ্রধানের ভাষণ অনুযায়ী, আপাতত বাংলাদেশ চালনার দায়িত্ব সেনাবাহিনীর হাতেই। দেশবাসীর দাবিপূরণ করে শান্তিশৃঙ্খলা ফেরানোর কথা জানিয়েছেন তিনি। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের পরে কে পাকাপাকি ভাবে বসতে চলেছে বাংলাদেশের গদিতে, কী হতে চলেছে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ, সেদিকেই তাকিয়েই গোটা দুনিয়া।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।