পাওয়া গেল বিরল গ্যাসের ভান্ডার, কতটা উপকার হবে মানবসভ্যতার?

ট্রিটিয়াম দিয়ে তৈরি পরমাণু বোমাকে (Atomic Bomb) পরীক্ষা করে দেখার সময়, যথেচ্ছ পরিমাণে হিলিয়াম-৩ তৈরি হয়ে বাতাসে মেশে।

Madhurima Pattanayak
৪ মিনিট
পাওয়া গেল বিরল গ্যাসের ভান্ডার, কতটা উপকার হবে মানবসভ্যতার?

ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া, সান ডিয়েগোর ভূবিজ্ঞানী বেঞ্জামিন বার্নার (Benjamin Birner) পৃথিবীতে হিলিয়াম-৩ (Helium-3) নামের বিরল এক গ্যাসের বিপুল সম্ভারের সন্ধান পেয়েছেন খুব সম্প্রতি। এতদিন পৃথিবীতে এই গ্যাসের সার্বিক পরিমাণ যতটা হতে পারে বলে বিজ্ঞানীদের ধারণা ছিল, তার থেকে দশগুণ বেশি পরিমাণে এর সন্ধান পাওয়া গেছে। নেচার জিওসায়েন্স (Nature Geoscience) নামের বৈজ্ঞানিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে সেই গবেষণা।

কিন্তু এই বহুল পরিমাণ হিলিয়াম-৩-এর উৎস কী, তা বিজ্ঞানীদের কাছে এখনও অজানা। সভ্যতাকে চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি ও শক্তির ভান্ডার ক্রমশ ফুরোচ্ছে। ঠিক এই মুহূর্তে দেখতে গেলে কয়লা, পেট্রোলিয়ামের মতো অ-পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির (Non-renewable Energy) ভান্ডার তলানিতে ঠেকেছে। হিলিয়াম-৩-কে কিন্তু জ্বালানি ও শক্তির অবিরাম ভান্ডার হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। এই বিরল গ্যাসকে ব্যবহার করা যেতে পারে মানবসভ্যতার একটি গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হিসেবে।

শুধু তাই নয়, বিশ্ব উষ্ণায়ণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে, যখন পৃথিবী ধীরে ধীরে ধ্বংসের পথে এগোচ্ছে, তখন কিন্তু দূষণহীন শক্তির উৎস হিসেবে আশা দেখায় হিলিয়াম-৩। কারণ হিলিয়াম-৩-কে জ্বালানি বা শক্তির উৎস হিসেবে ব্যবহার করলেও, এই গ্যাস থেকে কোনওভাবেই কার্বন বা কার্বন ডাই-অক্সাইডের মতো গ্রিন হাউস গ্যাস তৈরি হয় না।

কিন্তু এযাবৎ হিলিয়াম -৩ আমাদের কাছে প্রায় অধরাই ছিল। কারণ এতদিন পর্যন্ত ধারণা ছিল, কেবল মহাজগতে, বিশেষ করে চাঁদে পাওয়া যায় হিলিয়াম-৩। একথা সত্যি যে, মহাকাশে বিপুল পরিমাণে হিলিয়াম-৩-এর মতো দূষণবিহীন শক্তির (Clean Energy) উৎস আছে, কিন্তু তা তো আর সহজে জোগাড় করা সম্ভব নয় মহাকাশ থেকে।

হিলিয়াম-৩, হিলিয়াম গ্যাসেরই একটি আইসোটোপ (Isotope)। দু'টি পরমাণুতে যখন সমান সংখ্যক প্রোটন (Proton) থাকে, কিন্তু তাদের নিউট্রনের (Neutron) সংখ্যা আলাদা হয়, তখন তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোপ বলে। কোনও কোনও পরমাণুর মধ্যে প্রাথমিক তিন প্রকার কণা থাকে। আর এই তিনটি কণা হল, প্রোটন (Proton), ইলেকট্রন (Electron), এবং নিউট্রন (Neutron)। পরমাণুর কেন্দ্রে থাকে নিউক্লিয়াস (Nucleus); আর এখানেই থাকে প্রোটন আর নিউট্রন। ইউরেনিয়াম-৩-এর নিউক্লিয়াস দু'টির মিলন ঘটালে সীমাহীন শক্তির উৎপত্তি হয়। আর সেই শক্তিকে কাজে লাগিয়ে সরাসরি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। এতে উপজাত দ্রব্য বা বাই-প্রোডাক্ট হিসেবে ক্ষতিকর নিউট্রনও তৈরি হয় না।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
চাঁদের মাটিতে গাছ, সম্ভব চাষবাসও? অসম্ভবকে সম্ভব করলেন বিজ্ঞানীরা

এই অংশে জলের উপস্থিতি সম্পর্কে নিশ্চিত হলে, পরবর্তীকালে চাঁদে পৌঁছে গবেষণা করা যাবে, সরাসরি চাঁদের মাটিতে চাষ করা যাচ্ছে কি না। কিংবা চাষের উপযুক্ত পরিবেশ চাঁদে আদৌ আছে কি না।

পৃথিবীর প্রতিটি পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্র, শক্তি উৎপাদনের জন্য পরমাণুর নিউক্লিয়াসের মধ্যে বিক্রিয়া (Nuclear Reaction) ঘটায়‌। বর্তমান পারমাণবিক শক্তিকেন্দ্রগুলিতে নিউক্লিয়ার রিয়্যাক্টরে, ইউরেনিয়াম-৩ পরমাণুর নিউক্লিয়াসকে ভেঙে ফেলা হয়, যার ফলে বিপুল পরিমাণে শক্তি তৈরি হয়।নিউক্লিয়াস ভেঙে ফেলার এই পদ্ধতিকে বলে নিউক্লিয়ার ফিশন (Nuclear Fission)। কিন্তু এর ফলে বিপুল শক্তি তৈরি হলেও, সঙ্গে অন্যান্য দূষিত (Radioactive) তেজষ্ক্রিয় পদার্থ তৈরি হয়।

বিজ্ঞানীরা বহুদিন ধরে পরমাণুর নিউক্লিয়াসকে মিলিত করে শক্তি উৎপাদনের চেষ্টা করেছেন। নিউক্লিয়াসকে মিলিত করার এই পদ্ধতিকে বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় নিউক্লিয়ার ফিউশন (Nuclear Fusion)। এর ফলে বিপুল পরিমাণ শক্তি তৈরি হলেও কিন্তু দূষিত তেজস্ক্রিয় পদার্থ তৈরি হয় না। তাই বর্তমানে বিজ্ঞানীরা ইউরেনিয়ামের নিউক্লিয়াস মিলিত করে, শক্তি উৎপাদনের দিকে নজর দিচ্ছেন।

বার্নার এবং তাঁর সহকর্মীরা কিন্তু প্রায় আকস্মিকভাবেই হিলিয়াম-৩-এর সন্ধান পেয়েছেন। হিলিয়াম-৩ খোঁজার কোনও পূর্ব পরিকল্পনা তাঁদের ছিল না। বরং তাঁরা নেমেছিলেন একটি অন্য সমস্যার সমাধানে। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল বায়ুমণ্ডলে সার্বিকভাবে কতটা হিলিয়াম গ্যাস বেড়েছে, তা পরিমাপ করা। বায়ুমণ্ডলে হিলিয়ামের পরিমাণ সাধারণত বাড়ে ফসিল ফ্যুয়েল বা জীবাশ্ম জ্বালানির দহনের ফলে।

বার্নার এবং তাঁর গবেষক-সহকর্মীরা সর্বপ্রথম একটি পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন; যেখানে হিলিয়ামের আরেকটি আইসোটোপ, হিলিয়াম-৪-কে (Helium-4) পরীক্ষা করে, মানুষের কার্যকলাপের ফলে বায়ুমণ্ডলে হিলিয়াম গ্যাস কতটা বৃদ্ধি পাচ্ছে, তার সম্পর্কে ধারণা করা যাবে। আর এই সেখান থেকেই তাঁরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন, পৃথিবীতে হিলিয়াম-৩-এর একটি অজানা উৎস রয়েছে।

তবে হিলিয়াম-৩ দূষণমুক্ত শক্তির অসীম উৎস হলেও, তা আদতে পারমাণবিক শক্তি। আদৌ তা বছরের পর বছর ব্যবহার করা যাবে কি না, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলের বিজ্ঞানীরা সন্দিহান।

সবথেকে বেশি হালকা গ্যাস হল হাইড্রোজেন (Hydrogen), বায়ুমণ্ডলে হাইড্রোজেন গ্যাস থাকেও সবচেয়ে বেশি পরিমাণে। আর ওজনের দিক থেকে দ্বিতীয় হালকা গ্যাস হিলিয়াম এবং বায়ুমণ্ডলে মোট পরিমাণের নিরিখে দেখলেও হাইড্রোজেন গ্যাসের পরেই এর অবস্থান।

হিলিয়ামকে বলা হয় নোবেল গ্যাস (Noble Gas), কারণ এরা চট করে অন্য কোনও গ্যাসের সঙ্গে বিক্রিয়া করে না। তাই এরা দূষক গ্যাস হলেও, ক্ষতিকর বলা যায় না এদের। বায়ুমণ্ডলে যে কোনও পদার্থ স্বাভাবিকের থেকে বেশি পরিমাণে থাকলেই, তাদেরকে দূষক-পদার্থ হিসেবে ধরা হয়। তবে বাতাসে হিলিয়াম গ্যাসের পরিমাণ বলে দেয়, ঠিক কী পরিমানে অন্যান্য ক্ষতিকর গ্যাস তৈরি হচ্ছে। আর সেই জন্যই বার্নার ও তাঁর সঙ্গীরা বাতাসে হিলিয়ামের পরিমাণ পরীক্ষা করতে শুরু করেন।

বার্নার বাতাসে এই পরিমাণ হিলিয়াম-৩-এর সন্ধান পেয়ে, এর উৎস নিয়ে সন্দিহান থাকলেও, তিনি জানাচ্ছেন, ট্রিটিয়ামের (Tritium) মতো তেজষ্ক্রিয় পরমাণু থেকে হিলিয়াম-৩ তৈরি হলেও হতে পারে। এবং ট্রিটিয়াম দিয়ে তৈরি পরমাণু বোমাকে (Atomic Bomb) পরীক্ষা করে দেখার সময়, যথেচ্ছ পরিমাণে হিলিয়াম-৩ তৈরি হয়ে বাতাসে মেশে। পাশাপাশি নিউক্লিয়ার শক্তি উৎপাদন কেন্দ্রগুলি থেকে হিলিয়াম-৩ তৈরি হয়েও বায়ুমণ্ডলে মিশতে পারে বলে বার্নার আন্দাজ করছেন।

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

AI-এর যুগে মানুষ কি নিজের বুদ্ধিটাই মেশিনের হাতে তুলে দিচ্ছে?

Artificial Intelligence: ছোটবেলায় অনেকেই ভাবত রোবট এসে মানুষের কায়িক শ্রমের কাজগুলি করে দেবে। মানুষ অবসর পেয়ে গান শুনবে, কবিতা লিখবে কিংবা বারান্দায় বসে কফি খাবে। বাস্তবে দেখা গেল ঠিক তার উল্টো চিত্র। রোবট এখন কবিতা লিখছে, ছবি আঁকছে আর কোড তৈরি করছে। অন্যদিকে মানুষ সকাল থেকে রাত ল্যাপটপের সামনে বসে শিখছে প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং।

মহাকাশে রওনা নাসার টেলিস্কোপের, বদলে দিতে পারে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি?

NASA’s Roman Space Telescope: নাসার নতুন ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ বদলে দেবে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি? হাবল ও জেমস ওয়েবের পর কেন প্রয়োজন হলো এই নতুন মহাকাশ-চোখের? ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি, গ্যালাক্সি ও এক্সোপ্ল্যানেট সম্পর্কে কি নতুন তথ্য দেবে রোমান? মহাবিশ্বের প্রসারণের ইতিহাস বুঝতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে এই অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ?

সৌরপৃষ্ঠ আসলে কেমন? ৩৩ বছর পর মিলল উত্তর

Sun’s surface mystery: সূর্যের পৃষ্ঠকে এতদিন দূর থেকে তুলোর মতো নরম ও শান্ত দেখালেও, তা কি সত্যিই এমন? বিশ্বের বৃহত্তম সৌর টেলিস্কোপ ড্যানিয়েল কে ইনোয়ের তোলা সর্বোচ্চ-রেজোলিউশনের ছবিতে দেখা গেল ছোট ছোট হিংস্র প্লাজমার ঘূর্ণি। ৩৩ বছর আগে করা জোয়ান কার্পেনের সেই ভবিষ্যদ্বাণী কি অবশেষে সত্যি প্রমাণিত হলো? এই আবিষ্কার কি বদলে দেবে সৌরপৃষ্ঠ সম্পর্কে ধারণা?

৩ অগাস্ট থেকে বদলে যাচ্ছে শেয়ার বাজারের নিয়ম!

Stock Market India: নতুন ব্যবস্থার অধীনে শেয়ার বাজার বন্ধের সময়কে তিনটি আলাদা অংশে ভাগ করা হয়েছে। তবে নন-এফএন্ডও (Non-F&O) স্টকগুলির ক্ষেত্রে আগের মতোই বিকেল ৩:৩০টা পর্যন্ত স্বাভাবিক লেনদেন চালু থাকবে, এতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। কিন্তু এফএন্ডও স্টকগুলির ক্যাশ মার্কেটে প্রতিদিন একটানা লেনদেন চলবে বিকেল ৩:১৫ মিনিট পর্যন্ত।

আইআইটি-র দুই প্রাক্তনীর বৈদ্যুতিক কৃষিযন্ত্রে একরপ্রতি খরচ মাত্র ৪০ টাকা

Electric Power Tiller: বাজারে যেসব ট্র্যাক্টর পাওয়া যায়, তা হয় বিশাল বড় জমির উপযোগী, না হয় কেনা ও চালানো দুটোই খুব ব্যয়বহুল। ভারতে ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ কৃষকের জমিই ছোট ও খণ্ড-বিখণ্ড, যেখানে বড় যন্ত্র ঢোকানোই সম্ভব নয়। আবার চিন থেকে আমদানি করা ছোট ছোট সস্তা মেশিনগুলিতে যন্ত্রাংশ ও সার্ভিসিংয়ের চূড়ান্ত সমস্যা তৈরি হয়। তাই বিদেশ থেকে আমদানির কথা না ভেবে, আইআইটি বোম্বের দুই প্রাক্তনী ঐশ্বর্য রামকৃষ্ণন ও কেদার গোখলে সিদ্ধান্ত নেন খাঁটি দেশীয় প্রযুক্তিতে ভারতের মাটির উপযোগী সমাধান তৈরি করার।

মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও উষ্ণ থাকে সোনাম ওয়াংচুকের বাড়ি

Sonam Wangchuk House: সোনম ওয়াংচুক মানেই পাহাড়ঘেরা লাদাখের ছবি, বরফে ঢাকা জীবন আর নতুন এক ভাবনার আলো। পেশায় তিনি একজন প্রকৌশলী, শিক্ষাবিদ এবং উদ্ভাবক। কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে তিনি যেন রূপকথার সেই মানুষটি, যিনি পাহাড়ের রুক্ষ জীবনের কঠিন সমস্যাগুলিকে বিজ্ঞানের সহজ ছোঁয়ায় অত্যন্ত সহজ করে তুলেছেন।

মহাকাশে মিলল চিনির সন্ধান, কেন গুরুত্বপূর্ণ এই আবিষ্কার?

natural sugar in space: ছায়াপথের কেন্দ্রের একটি আণবিক মেঘে প্রথমবারের মতো প্রকৃত মনোস্যাকারাইড ‘এরিথ্রুলোজ’-এর সন্ধান পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এই আবিষ্কার জানাচ্ছে, নক্ষত্র ও গ্রহ তৈরির আগেই মহাকাশে জটিল জৈব অণু তৈরি হতে পারে। ফলে পৃথিবীতে প্রাণের উৎপত্তি এবং মহাবিশ্বে জীবনের সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে গবেষণার আগ্রহ বেড়েছে।

কর্মদক্ষতা মাপল এআই, চাকরি হারালেন কর্মীরা? মেটার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মামলা

Meta mass layoffs: কর্মীদের ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নেবে? মেটার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় অভিযোগ, এআই-নির্ভর মূল্যায়নের কারণে মাতৃত্বকালীন ও চিকিৎসাজনিত ছুটিতে থাকা কর্মীরা অন্যায্যভাবে চাকরি হারিয়েছেন।