ফলঘোষণার আগে ১৫০ জেলাশাসককে প্রভাবিত করেছেন শাহ! কেন এ কথা বলছেন জয়রাম রমেশ?

Lok Sabha Election 2024: সম্প্রতি প্রবীণ কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ অভিযোগ করেছেন, ভোট মিটতেই নাকি সারা দেশের প্রায় ১৫০ জন জেলাশাসক ও কালেক্টরকে ডেকে পাঠান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

Sohini Das
৩ মিনিট
ফলঘোষণার আগে ১৫০ জেলাশাসককে প্রভাবিত করেছেন শাহ! কেন এ কথা বলছেন জয়রাম রমেশ?

লোকসভা নির্বাচনের সাত দফা ভোটগ্রহণ শেষ। এখন সময় ফলাফলের। কার হাতে যাবে দেশ শাসনের ভার, সে নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে চর্চা। বিজেপি না জোট ইন্ডিয়া, এই চর্চার মধ্যেই দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনলেন কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ। আর সেই অভিযোগ নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দিতে দেখা গেল মুখ্য নির্বাচন কমিশনারতেও।

ভোট চলাকালীন বারবার সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণাপোষণ করেছেন মোদি-শাহরা। দেশের সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিরোধীদের একাধিক অভিযোগ সত্ত্বেও কোনও পদক্ষেপ করেনি। এমনকী এ নিয়ে একটি বিবৃতি পর্যন্ত দিতে দেখা যায়নি নির্বাচন কমিশনকে। তবে এবার অমিত শাহের বিরুদ্ধে জয়রাম রমেশের অভিযোগ পেতেই খড়্গহস্ত হল নির্বাচন কমিশন।

সম্প্রতি প্রবীণ কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ অভিযোগ করেছেন, ভোট মিটতেই নাকি সারা দেশের প্রায় ১৫০ জন জেলাশাসক ও কালেক্টরকে ডেকে পাঠান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এক অর্থে তাঁদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। এ নিয়ে এক্স প্ল্যাটফর্মে একটি পোস্টও করেন তি সেখানে তিনি লেখেন, এর থেকেই বোঝা যাচ্ছে, সংখ্যা গরিষ্ঠতা পেতে ঠিক কতটা মরিয়া বিজেপি। একই সঙ্গে তিনি বিজেপির হার এবং জোট ইন্ডিয়ার জয় নিয়েও আশাবাদী বলে জানান। আর এই তথ্য় সামনে আসার পরেই জয়রাম রমেশের কাছ থেকে এই দাবি পক্ষে তথ্যপ্রমাণ চেয়ে পাঠায় নির্বাচন কমিশন। রবিবারের মধ্যেই সে সংক্রান্ত তথ্য জমা দেওয়ার কথা বলেছিল নির্বাচন কমিশন।

The outgoing Home Minister has been calling up DMs/Collectors. So far he has spoken to 150 of them. This is blatant and brazen intimidation, showing how desperate the BJP is. Let it be very clear: the will of the people shall prevail, and on June 4th, Mr. Modi, Mr. Shah, and the…

— Jairam Ramesh (@Jairam_Ramesh)

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
শিবসেনা বনাম শিবসেনা! উদ্ববের দল ভাঙানোর পরে মহারাষ্ট্রে কত আসন পাবে এনডিএ?

Maharashtra Lok Sabha Election Result: মহারাষ্ট্রের ৪৮টি লোকসভা আসনের নির্বাচনী ফলাফলের গভীর প্রভাব পড়বে বিধানসভা নির্বাচনেও যা এই বছরের শেষের দিকেই হবে।

| On Congress leader Jairam Ramesh's allegations that Union HM called DMs/ROs (Returning Officers), CEC Rajiv Kumar says, "...Can someone influence them (DMs/ROs) all? Tell us who did this. We will punish the person who did it...It is not right that you spread a rumour and…

— ANI (@ANI)

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
২৯২টিরও বেশি আসনে জিতছে জোট 'ইন্ডিয়া'! কীসের ভিত্তিতে বলছেন খাড়্গে?

INDIA Bloc Exit Poll: গত ১ জুন মল্লিকার্জুন খাড়্গের বাড়িতে বৈঠকে বসেছিল জোট ইন্ডিয়া। যেখানে আমন্ত্রিত ছিল সবক'টি শরিক দলই। সেখানেই এই লোকসভা ভোট নিয়ে বেশ আত্মবিশ্বাসী দেখায় খাড়্গেকে।

| ECI rejects Congress leader Jairam Ramesh's request of seeking a time of one week to respond, ECI asked him to reply by 7 pm today.

— ANI (@ANI)

যদিও তথ্যপ্রমাণ জমা দেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে সপ্তাহ বাড়তি সময় চান জয়রাম রমেশ। তবে সেই আবেদন প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এক সপ্তাহের বদলে সোমবার অর্থাৎ ৩ তারিখ, সন্ধে সাতটার মধ্যে প্রমাণ জমা করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। পাশাপাশি জয়রাম রমেশের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে মুখ্য নির্বাচনী কমিশনার (CEC) রাজীব কুমার জানান, কোনও একজন কী ভাবে দেশের আটশো, নশো, ছশো বা পাঁচশো জন রিটার্নিং অফিসারকে প্রভাবিত করতে পারেন? কীভাবে তাঁদের সকলকে কেউ প্রভাবিত করতে পারে? একই সঙ্গে তিনি বলেন, ভোটগণনার আগে এই ঘটনা প্রমাণ করতে পারলে তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেবে কমিশন বলেও জানান তিনি। আগামী ৪ তারিখ, মঙ্গলবার লোকসভা ভোটের গণনার দিন। তার আগে সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খোলেন মুখ্য নির্বাচনী কমিশনার। সেখানেই এই প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন রাজীব কুমার।

গোটা দেশের বেশিরভাগ বুথফেরত সমীক্ষা বলছে, সংখ্যা গরিষ্ঠতা নিয়ে তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় ফিরতে চলেছে বিজেপি। দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে যে ফের শপথগ্রহণ করতে চলেছেন নরেন্দ্র মোদি, তা নিয়ে একরকম নিশ্চয়তা প্রকাশ করেছে দেশের বেশিরভাগ এক্সিট পোল। অবশ্য সেই এক্সিট পোলগুলিতে ভরসা রাখছে না কংগ্রেস বা ইন্ডিয়া জোট-কেউ-ই। একদিন আগেই কংগ্রেসের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে জানান ২৯২টির বেশি আসন নিয়ে ক্ষমতায় আসতে চলেছে ইন্ডিয়া জোটই। ভোটের ফলপ্রকাশের আগে কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা জয়রাম রমেশের এ ধরনের মন্তব্যে বেশ শোরগোল পড়ে গিয়েছে জাতীয় রাজনীতিতে। দেশের ১৮তম লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল কী হতে চলেছে, তা অবশ্য জানা যাবে চার তারিখেই।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।