লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বা লড়কি বহিন! কেন মহিলাদের অনুদান দিলেই ভোটে জেতা সহজ?

Maharashtra Ladki Bahin Scheme: শুধু বিজেপিই নয়, প্রায় প্রতিটি রাজনৈতিক দলই আসন্ন সমস্ত নির্বাচনে মহিলাদের জন্য এই ধরনের পরিকল্পনার দিকে ঝুঁকবে বলেই আশা করা হচ্ছে।

inscript
৪ মিনিট
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বা লড়কি বহিন! কেন মহিলাদের অনুদান দিলেই ভোটে জেতা সহজ?

মহিলাদের মন জিতলে ভোট জেতা যায়? নানা রাজ্যে ক্রমেই এই প্রশ্নের উত্তর 'হ্যাঁ' হয়েই দেখা দিচ্ছে। মহিলাদের ক্ষমতায়নের নামে (যদিও ভাতা ভিত্তিক অনুদান আর ক্ষমতায়ন এক কিনা প্রশ্ন থাকছেই) যে যে প্রকল্প বিভিন্ন রাজ্যে বিভিন্ন সরকার নিচ্ছে, দেখা যাচ্ছে সেই দলগুলিকে মহিলারা সমর্থন করছেন। এখানে অবশ্যই উল্লেখ্য, ক্ষমতায়ন মানে নগদ টাকা অ্যাকাউন্টে তুলে দেওয়া। সম্প্রতি মহারাষ্ট্রে বিজেপি-নেতৃত্বাধীন মহাযুতি সরকারের সাফল্যের নেপথ্যে 'লডকি বহিন যোজনা'-কে কৃতিত্ব দিচ্ছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। এই জোট ২৮৮টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ২৩৪টি আসন জিতেছে।

'লড়লি বহিন যোজনা'-তে মহারাষ্ট্রের পরিবারের প্রধান মহিলাদের সরাসরি নগদ ১,৫০০ টাকা দেওয়া হচ্ছে। বলা হয়েছিল, নির্বাচনে বিজেপির জোট জিতলে এই টাকা বাড়িয়ে ২,১০০ টাকা করা হবে। অর্থাৎ মহিলারা নগদ টাকা পাচ্ছেন হাতে। সেই টাকা তাঁদের নিজস্ব অর্জন বলে মনে করছেন তাঁরা।

তৃণমূল কংগ্রেস দাবি করেছে, প্রথম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই প্রকল্পটি চালু করেছিলেন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাতেনাতে ফলও পেয়েছেন। এবার এই মডেলটিই ভারতের অনেক রাজ্য নিজের নিজের মতো নামে প্রয়োগ করছে। হ্যাঁ, এই প্রকল্পের জন্য পশ্চিমবঙ্গ এবং কর্ণাটক সহ অনেক রাজ্যের কোষাগারেরই অবস্থা করুণ, তবু ক্ষমতা ধরে রাখার মোক্ষম দাওয়াই এটি।

শুধু বিজেপিই নয়, প্রায় প্রতিটি রাজনৈতিক দলই আসন্ন সমস্ত নির্বাচনে মহিলাদের জন্য এই ধরনের পরিকল্পনার দিকে ঝুঁকবে বলেই আশা করা হচ্ছে। এই মুহূর্তে দেশের অনেক রাজ্যই মহিলাদের নগদ টাকা পাইয়ে দিয়ে, লাভের গুড় ঘরে তুলছে।

মহারাষ্ট্রের 'লড়কি বহিন স্কিম'

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
নির্বাচনে জেতা আসলে ৩৬৫ দিনের কাজ! যেভাবে প্রমাণ করল মহারাষ্ট্র

Maharashtra Election Result 2024: প্রতি হাজার ভোটারের জন্য ১০জন কর্মীকে বেছে নেওয়া হয়েছিল। তাদের কাজই ছিল বারবার ভোটারদের বাড়ি যাওয়া।

এই বছর রাখীবন্ধনের দিনে চালু করা হয় এই প্রকল্প। এই প্রকল্পে মহারাষ্ট্রের ১ কোটিরও বেশি মহিলাকে প্রতি মাসে ১,৫০০ টাকা করে দেওয়া হয়। মহারাষ্ট্র সরকার আসলে বিজেপি শাসিত আরেকটি রাজ্য মধ্যপ্রদেশের প্রকল্পটিকেই এই রাজ্যে নিয়ে আসে। মহারাষ্ট্রে নির্বাচনের আগে দুর্নীতি এড়াতে সরকার সতর্ক ছিল। তাই, সরকার ‘নারী শক্তি ধুত’ অ্যাপ চালু করে যার মাধ্যমে যোগ্য মহিলারা অনলাইনেই আবেদন করতে পারবেন।

স্থানীয় প্রশাসনিক আধিকারিকরা, যেমন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী এবং গ্রাম সেবকরা এই প্রকল্পে মহিলাদের নাম নথিভুক্তকরণে সহায়তা করেছিলেন বিনামূল্যে৷ সরকার আবেদনকারীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার লিঙ্ক করার ব্যবস্থাও নেয়। এই স্কিমটি শুধু সামাজিক নয়, রাজনৈতিক সাফল্য হিসেবেও প্রমাণিত হয়ে যায়৷

নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরে, শরদ পাওয়ার বলেছিলেন, "আমরা জনগণ এবং দলীয় কর্মীদের কাছ থেকে যা তথ্য পেয়েছি, তাতে আমি মনে করি 'লড়কি বহিন যোজনা' আমাদের হারের পিছনে একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ ছিল। মহিলা ভোটারদের কিছু টাকা দেওয়া হয় এবং তারপর ক্ষমতাসীন দলের নেতারা তা নিয়ে প্রচার চালান। তারা ভোটারদের বলেছেন যে তারা মহিলাদের অ্যাকাউন্টে দুই থেকে তিন মাসের টাকা একসঙ্গে দিচ্ছেন। কারণ মহাযুতি ক্ষমতা হারালে, এই স্কিমটি বন্ধ হয়ে যাবে। এতে মহিলারা চিন্তায় পড়ে যান এবং তারা আমাদের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন।"

ঝাড়খণ্ডের 'মাইয়া সম্মান স্কিম'

ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার (জেএমএম) নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস সরকার সমীক্ষা করে গত অগাস্ট মাসে 'মাইয়া সম্মান স্কিম' চালু করে। এই প্রকল্পে ২১ থেকে ৫০ বছর বয়সি মহিলাদের ১,০০০ টাকা করে প্রতি মাসে দেওয়া হয়। মোটামুটি ঝাড়খণ্ড রাজ্যজুড়ে ৫ মিলিয়ন মহিলা এতে উপকৃত হন। ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচনে দেখা যায় মহিলা ভোটাররা পুরুষদের চেয়ে বেশি ভোট দিচ্ছেন। ৮১টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ৬৮টিতে মহিলা ভোটার বেশি। নির্বাচন কমিশনের মতে, মহিলা ভোটারের সংখ্যা ছিল ৯১.১৬ লাখ। পুরুষ ভোটারদের তুলনায় ৫.৫২ লাখ ভোট বেশি দিয়েছেন মহিলারা।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ফের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারেই আস্থা! কেন মমতাকে সবচেয়ে বেশি ভোট দেন মহিলারা?

Laxmir Bhandar WB State Budget 2024 : অদ্ভুতভাবে দেখা গিয়েছে মমতাকে পছন্দ করেন আদিবাসী, উচ্চবর্ণ ও মুসলিম মহিলারা। অথচ তাঁদের স্বামীরাই হয়তো ভোট দিচ্ছেন বিজেপিকে।

নির্বাচনে জয়ের পর এই ১০০০ টাকা বাড়িয়ে ২,৫০০ করা হবে পরের বছর থেকে, প্রতিশ্রুতি এমনই। মহিলাদের হাতে প্রতি মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে এই ১০০০ টাকা আসা তাঁদের আবারও এক নিজস্ব টাকা অর্জনের অনুভূতি দেয়, যা ভোটবাক্সে সরাসরি প্রভাব ফেলে। বিজেপি এবার মরিয়া চেষ্টা করেও ঝাড়খণ্ড দখল করতে পারেনি। জেএমএম ঝাড়খণ্ডে ক্ষমতায় ফিরেছে। তবে একা মাইয়া সম্মান স্কিম নয়, এর নেপথ্যে আরও অনেকগুলি কারণ থাকতে পারে। বিজেপির তরফে উপজাতীয় মুখ্যমন্ত্রীর মুখ ঘোষণা না করা, হেমন্ত সোরেনের গ্রেফতারির পর বাড়তে থাকা উপজাতি সহানুভূতি, মহিলাদের আর্থিক সহায়তা - সব মিলেই নির্বাচনে জেএমএম শক্তি ধরে রেখেছে।

মধ্যপ্রদেশের 'মুখ্যমন্ত্রী লাডলি বেহনা যোজনা'

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানকে মধ্যপ্রদেশের মহিলাদের ‘ভাই’ বলে মনে করা হয়। তাঁর পদত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়ার পরে এই মহিলাদের মধ্যে অনেকেই কেঁদেও ফেলেছিলেন। ২০২৩ সালে 'মুখ্যমন্ত্রী লাডলি বেহনা যোজনা' চালু হয়। মধ্যপ্রদেশে বিজেপি তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় আসার নেপথ্যে এই স্কিমটিকে একটি বড় কারণ হিসাবে দেখা হয়।

এই প্রকল্পের অধীনে, মধ্যপ্রদেশের ২৩ বছরের বেশি এবং ৬০ বছরের কম বয়সি প্রতি মহিলা সরকার থেকে প্রতি মাসে ১,০০০ টাকা পান। যাদের বার্ষিক আয় ২.৫ লক্ষ টাকা বা তার বেশি সেই মহিলাদের এই প্রকল্পের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে৷

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
আরজি কর ধর্ষণ-হত্যার প্রতিবাদ কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মহিলা ভোট কমিয়ে দেবে?

Mamata Banerjee RG Kar: আগে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে কাজ করেছেন এমন মহিলারাও কিন্তু বলছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মহিলাদের ভোট আর পাবেন না।

গত বছর শিবরাজ সিং চৌহান এক সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়েছিলেন। স্পষ্ট দেখা যায়, সেই ভিড়ে পুরুষদের চেয়ে মহিলারাই সংখ্যায় বেশি। নির্বাচনের ফলাফলেও বিজেপি মহিলাদের ভোটই পায় বেশি।

কর্ণাটকের 'গৃহ লক্ষ্মী স্কিম'

কংগ্রেস শাসিত কর্ণাটক প্রান্তিক মহিলাদের জন্য ‘গৃহ লক্ষ্মী স্কিম’ নিয়ে আসে। ২০২৩ সালে চালু হওয়া এই প্রকল্পের অধীনে রাজ্যের প্রায় ১.১ কোটি মহিলাকে মাসে ২,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা করা হয়। এই প্রকল্পে সেই মহিলারাই টাকা পাবেন যারা অবশ্যই অন্ত্যোদয়, বিপিএল বা এপিএল রেশন কার্ডে পরিবারের প্রধান হিসাবে তালিকাভুক্ত আছেন। রাজ্যসভার বিরোধীদলীয় নেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গে এবং কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধি এই প্রকল্প চালু করেন।

মহারাষ্ট্রে বিজেপি কংগ্রেসকে ধূলিস্যাৎ করে দিলেও কর্ণাটকের উপ-নির্বাচনে তিনটি আসন জিতে কংগ্রেস বড় ধাক্কা সামলাতে পেরেছিল। কংগ্রেস দক্ষিণ কর্ণাটকের চান্নাপাটনা আসনটি ২৫,৪১৩ ভোটের ব্যবধানে, মধ্য কর্ণাটকের শিগগাঁও আসনটি ১৩,৪৪৮ ভোটে এবং উত্তর কর্ণাটকের সান্দুর ৯,৬৪৯ ভোটে জিতে যায়।

পশ্চিমবঙ্গের ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প’

পশ্চিমবঙ্গের অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সের মহিলাদের মাসিক আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ শুরু করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মহিলাদের ৫০০ টাকা করে দেওয়া হতো, সেই টাকার পরিমাণ এই বছর বেড়েছে। লোকসভা নির্বাচন ঘোষণার কয়েক সপ্তাহ আগে, রাজ্য বাজেটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার সাধারণ শ্রেণির জন্য প্রতি মাসে নগদ ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১,০০০ টাকা করে এবং তপশিলি জাতি এবং উপজাতির মহিলাদের জন্য ১,০০০ টাকা অনুদান বাড়িয়ে ১,২০০ টাকা করে। বিজেপি আগে এই প্রকল্পটিকে 'ভিক্ষা' বলে উপহাস করলেও এর রাজনৈতিক মূল্য হাড়েহাড়ে টের পেয়েছে৷

মহিলাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হোক না হোক, চাকরির নিশ্চয়তা থাকুক না থাকুক অনুদানের গ্যারান্টি আছে। ক্ষমতা বদলে হলেও যে কোনও সরকার এলেই এই জাতীয় স্কিম আর বন্ধ করার পথে তো হাঁটতে পারবেই না, উল্টে অনুদানের পরিমাণ বাড়িয়ে তাঁদের ভোট কিনতে হবে এবার।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।