হাতকড়া-শিকলে বেঁধে নির্বাসন! যে ভয়াবহ অভিজ্ঞতার শিকার ভারতীয় অভিবাসীরা...

US Deports Migrant Indians: আকাশপথেও হাতকড়া খোলা হয়নি। পা বেঁধে রাখা হয়েছে শিকল দিয়ে। এমনকী দীর্ঘ যাত্রাপথে শৌচাগারও ব্যবহার করতে দেওয়া হয়নি।

inscript
৪ মিনিট
হাতকড়া-শিকলে বেঁধে নির্বাসন! যে ভয়াবহ অভিজ্ঞতার শিকার ভারতীয় অভিবাসীরা...

আমেরিকা গিয়েছিলেন উন্নত জীবনের খোঁজে। এজেন্টদের হাতে টাকা গুঁজে বৈধ নথি ছাড়াই ঢুকে পড়েছিলেন মার্কিন মুলুকে। এমনটা নতুন নয়। তবে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বলে দিয়েছেন, অবৈধ অভিবাসীদের সেই দেশে কোনও ঠাঁই নেই। শয়ে শয়ে অভিবাসীকে ফেরত পাঠানো হচ্ছে নিজেদের দেশে। ভারতেও ফেরানো হচ্ছে 'অবৈধ' অভিবাসীদের। ভারত এমনিতে আমেরিকার সুহৃদ। ট্রাম্প আর মোদির বন্ধুত্ব গভীর। অবৈধ অভিবাসীদের দেশে ফেরানো হচ্ছে, দেশ তাঁদের গ্রহণও করবে। কিন্তু যেভাবে ফেরানো হচ্ছে তাতে একজন মানুষের মর্যাদা রক্ষিত হচ্ছে কি? হাতকড়া পরিয়ে, শিকল দিয়ে বেঁধে নির্বাসিত করা মানুষের সারি ক্রীতদাসদের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। ভারতগামী বিমানে কোনওরকমে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে তাঁদের। বিমানের মধ্যে, আকাশপথেও হাতকড়া খোলা হয়নি। পা বেঁধে রাখা হয়েছে শিকল দিয়ে। এমনকী দীর্ঘ যাত্রাপথে শৌচাগারও ব্যবহার করতে দেওয়া হয়নি।

দ্য ওয়ারকে এমনই একজন নির্বাসিত অভিবাসী হরবিন্দর সিং জানিয়েছেন, হাতকড়া পরিয়ে, পা শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছিল যখন, তাঁরা ভেবেছিলেন বোধ করি অন্য অভিবাসী শিবিরে পাঠানো হচ্ছে তাঁদের। মার্কিন সামরিক বিমানে ওঠার আগে অবধি তাঁরা জানতেনই না যে নির্বাসিত করা হচ্ছে তাঁদের। হরবিন্দর বলছেন, "আমরা মার্কিন কর্মকর্তাদের কাছে অনুরোধ করেছিলাম আমাদের হাতকড়া খুলে দিতে যাতে আমরা জল খেতে পারি এবং শৌচাগার ব্যবহার করতে পারি, কিন্তু তাঁরা সাড়া দেননি।" গত ৫ ফেব্রুয়ারি অমৃতসরে বিমানে করে ১০৪ জন ভারতীয়কে নির্বাসিত করেছে আমেরিকা।

বৈধ নথিপত্র ছাড়াই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য যে 'অবৈধ' অভিবাসীদের গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁদের বেশিরভাগই গুজরাত, হরিয়ানা এবং পঞ্জাবের বাসিন্দা। মার্কিন সীমান্ত টহলদারির প্রধান বৃহস্পতিবার নির্বাসিতদের ভারতীয়দের একটি ভিডিও পোস্ট করেন। যাতে দেখা যায় C-17 সামরিক বিমানে হাতকড়া এবং শিকল পরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তাঁদের। এই শিকল খোলা হয় অমৃতসর বিমানবন্দরে। জানানো হয় আগামী পাঁচ বছর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন না এই নির্বাসিতরা।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
অবৈধ ভারতীয় অভিবাসীদের আমেরিকা থেকে নির্বাসন! মুখরক্ষা হবে মোদির?

US illegal Indian migrants Deporting: সোমবার ২০৫ জন অবৈধ ভারতীয় অভিবাসীকে নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক বিমান পঞ্জাবের অমৃতসরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে।

ভারতের বিদেশ মন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর বৃহস্পতিবার সংসদে বলেছিলেন, আমেরিকান ফেডারেল নীতিতে মহিলাদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে না। বাস্তবে, ওই বিমানে করে মহিলাদেরও নির্বাসিত করা হয়েছে। মহিলাদেরও হাতকড়া এবং শিকল পরানো হয়েছিল। অমৃতসরের বাসিন্দা মনজিত কৌর নির্বাসিত হয়েছেন। ৪০ ঘণ্টার দীর্ঘ যাত্রায় শিকল পরিয়ে রাখায় তাঁর হাত-পা ফুলে গিয়েছিল। দেহে ছোটখাট আঘাতও ছিল। একমাত্র শিশুদের হাতকড়া পরানো হয়নি।

দ্য ওয়ারের একটি প্রতিবেদনে জানা যাচ্ছে, পঞ্জাবের কাপুরথালা জেলার লাভপ্রীত কৌর তাঁর ছেলের সঙ্গে নির্বাসিত হয়েছেন। লাভপ্রীত বলছেন, “আমাকে হাতকড়া পরানো হয়েছিল এবং আমার পা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। সবার সঙ্গেই একই আচরণ করা হয়েছে। আমাদের একত্রে মার্কিন সামরিক বিমানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে গিয়ে আমরা নির্বাসন সম্পর্কে জানতে পারি। লাভপ্রীত সেই অজস্র ভারতীয়দের একজন যিনি 'ডানকি রুট' ব্যবহার করে আমেরিকায় গিয়েছিলেন। এর জন্য ১.৫ কোটি টাকা খরচও করেছিলেন তিনি। লাভপ্রীত এই বছরের ১ জানুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে রওনা হন। ২৭ জানুয়ারি সেই দেশে পৌঁছন। আসার ঠিক দশ দিনের মধ্যে তাঁকে নির্বাসিত করা হলো।

ভারতে নির্বাসিত করার আগে মার্কিন-মেক্সিকো সীমান্তে অভিবাসী শিবিরে বন্দি করে রাখা হয়েছিল এই অভিবাসীদের। ওই অভিবাসী শিবিরেই তাঁদের হাতকড়া পরানো হয়েছিল। নির্বাসিত অভিবাসীদের ঘুমোতে দেওয়া হয়নি। একটা ছোট্ট শিবিরে প্রায় ৫০ জনকে বন্দি করে রাখা হয়। খেতে দেওয়া হয় কেবল চিপস আর আপেল।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মহিলাদের খেলা থেকে কেন রূপান্তরকামীদের নিষিদ্ধ করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প?

Donald Trump Bans Trans Athletes: তাহলে রূপান্তরকামী ক্রীড়াবিদরা কি খেলাধুলো থেকে বাদ পড়ে গেলেন? নাকি ট্রাম্প প্রশাসন ট্রান্সজেন্ডার ক্রীড়াবিদদের জন্য আলাদা বিভাগের কথা ভাবছে?

আমেরিকায় গিয়ে আরও বেশি উপার্জন করবেন, আমেরিকায় গিয়ে স্বাধীনভাবে বাঁচবেন, আমেরিকায় গেলে জীবন ‘সেটল’ হয়ে যাবে'— এই খোয়াব নিয়েই সকলে যান মার্কিন মুলুকে। আমেরিকা যাওয়ার জন্য টাকা জোগাড় করতে গিয়ে কৃষি জমি, সোনা সব বিক্রি করে দেন। হরবিন্দরের স্ত্রী কুলজিন্দর কৌর জানিয়েছেন, হরবিন্দরকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানোর জন্য ৪২ লক্ষ টাকা খরচ করেছেন তাঁরা। চাষের জমি, সোনা সব বেচে দিয়েছেন।

মোদি সরকারের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এই নির্বাসিতদের পরিবারগুলি। তাঁদের বক্তব্য, দেশের সরকার যদি এই নির্বাসিতদের ঘরে ফেরানোর পর যোগ্য চাকরি বা অন্য কর্মসংস্থান নাও দিতে পারে, তাহলে অন্তত নিজের দেশের বাসিন্দাদের সপক্ষে কথা বলা উচিত। পরিবারগুলির অভিযোগ, শুধু মোদি সরকারই নয়, আম আদমি পার্টির সরকারও এই সময়ে নীরবই থেকেছে।

কৃষি পরিবারের সন্তান জাসকরণ। আমেরিকা যেতে গিয়ে ৪৫ লক্ষ টাকার ঋণ নিয়েছিলেন তিনি।দেনায় জর্জরিত হয়ে অন্ধকার ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে আছেন তিনি। পরিবারের সবার ছোট তিনি, চার বোনের একমাত্র ভাই। বৃদ্ধ বাবা-মা কপাল চাপড়াচ্ছেন, এই বিপুল দেনা মেটাবেন কীভাবে! জাসকরনও 'ডানকি রুটে' মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যান। ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই সফর শুরু হয় তাঁর। ২০২৫ সালের ২৪ জানুয়ারি সে দেশে এসে পৌঁছন তিনি।

জাসকরন এবং পঞ্জাবের আরও প্রায় আটজনের একটি দল ডানকি রুটে আমেরিকা যান। সবাইকেই বুধবার নির্বাসিত করা হয়েছে। এরা সকলেই দুবাইয়ের কোনও ট্রাভেল এজেন্টকে ৪৫ লাখ টাকা দিয়েছিলেন। এই দলটি অমৃতসর থেকে দুবাই এবং তারপর দক্ষিণ আফ্রিকা ও ব্রাজিলে যায় বিমানে। ব্রাজিল থেকে তারা বাসে করে; পায়ে হেঁটে নদী, পাহাড়, জলাভূমি এবং জঙ্গল অতিক্রম করে বলিভিয়া, পেরু, ইকুয়েডর, কলম্বিয়া, পানামা, কোস্টারিকা, নিকারাগুয়া, হন্ডুরাস, গুয়াতেমালা এবং অবশেষে মেক্সিকো অতিক্রম করে আমেরিকা যায়।

জাসকরন দ্য ওয়ারকে বলছেন, “আমরা প্রায় ১৩টি দেশ পাড়ি দিয়েছি, তারপর খালি হাতে দেশে ফিরেছি। দুঃখজনক যে, আমাদের এজেন্ট, যিনি এই সমস্ত সময়টা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলেন, তিনি কখনই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতি সম্পর্কে আমাদের কিছু বলেননি। এজেন্ট আমাদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে আমরা এক মাসের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছব কিন্তু মার্কিন সীমান্ত অতিক্রম করতে আমাদের ছয় মাস লেগেছে।" গুরুদাসপুর জেলার বাসিন্দা জসপাল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার জন্য এজেন্টকে ৩০ লাখ টাকা দিয়েছিলেন। তিনি ছয় মাস ব্রাজিলে ছিলেন। এই বছরের জানুয়ারিতে মার্কিন সীমান্ত অতিক্রম করেন, তারপরেই মার্কিন সীমান্ত পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে এবং ১১ দিনের মধ্যে নির্বাসিত করে।

নির্বাসিত হয়ে দেশে ফেরা শুধু সামাজিক ধাক্কাই নয়, বিশাল আর্থিক ক্ষতিও। মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন এই মানুষরা। একে ডানকি রুটে যাতায়াতের ভয়াবহতা, অনিশ্চয়তা, তার উপর জীবনের সর্বস্ব বেচে দিয়ে ভিন মুলুকে গিয়ে অপরাধীর মতো বাঁচা, দুষ্কৃতীর মতো ধরা পড়া— এই জীবন কেন কাটাতে হচ্ছে ভারতীদের একাংশকে? দেশে ফেরার পর এই নির্বাসিতদের জন্য বিশেষ কোনও বন্দোবস্ত কি করতে পারবে সরকার? প্রশ্ন গিলে খাচ্ছে শতাধিক পরিবারকে।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।