প্রতিবাদের এই সমষ্টি-স্বর, এই ‘দেশে’র কথাই কি বলতে চেয়েছিল ঋতুর বিনোদিনী?
Rituparno Ghosh: চিঠিটির পরবর্তী অংশে, বিনোদিনী স্বীকার করছে, ওই দর্জিপাড়া স্ট্রিটের বাড়ি থেকে বাইরে বেরিয়ে কাশীর ঘাটে পৌঁছে সে অন্য এক ‘দেশ’-এর অর্থ খুঁজে পেয়েছিল। — এইখানেই আজ আসতে চাই আমরা।
বহু বছর আগে বলা ঋতুপর্ণ ঘোষের এই কথাগুলি আজ বোধহয় আরও বেশি প্রাসঙ্গিক :
“বড় কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে চলেছি আমরা। একটার পর একটা দিন নতুন করে তীব্র হতে তীব্রতর কশাঘাতের চিহ্ন রেখে বিদায় নিচ্ছে।
কে পথ দেখাবে? কে দেবে আলো? কে অভয় দিয়ে বলবে— পাশে আছি।… অগ্রজরা, যাঁরা আদর্শ হয়ে ছিলেন চোখের সামনে; যাঁদের বাক্য-কর্ম-যুক্তি চিরকাল ঈর্ষণীয়ভাবে অনুকরণযোগ্য ছিল, তাঁরা কোথায়? যাঁদের জীবনচর্যা শিখিয়েছে কী করে মাথা উঁচু করে বাঁচতে হয়, পাড়ি দিতে হয় নৃশংসতম মারের সাগর, তারা চুপ কেন?
বাবা-মাকে বেছে নেবার অধিকার আম...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে











