বিক্ষোভ-প্রতিবাদের নয়া হাতিয়ার এখন 'বীরুগিরি'! এলাকায় ট্যাঙ্ক দেখলেই ভয়ে কাঁপছে পুলিশ

Virugiri, Tool Of Protest: প্রশাসনের টনক নড়াতে বাসিন্দাদের অস্ত্র তাই বীরুগিরি! বহু সময়েই নিজেদের অসুবিধা জানাতে ওই ট্যাঙ্কের মাথায় চেপে বসেন গ্রামবাসীরা। তাতে আর কিছু হোক বা না হোক, পুলিশ এবং প্রশাসনের কর্তারা ছুটে আসবে ঠিকই।

Sohini Das
৪ মিনিট
বিক্ষোভ-প্রতিবাদের নয়া হাতিয়ার এখন 'বীরুগিরি'! এলাকায় ট্যাঙ্ক দেখলেই ভয়ে কাঁপছে পুলিশ

গ্রামের প্রান্তে এক আকাশছোঁয়া জলের ট্যাঙ্ক। বেশিক্ষণ তাকাতে গেলে ঘাড় টনটনিয়ে ওঠে, এমনই উঁচু সে। গ্রীষ্মের রোদ-ঝলসানো দুপুরে সেই গগনচুম্বী ট্যাঙ্কের মাথায় উঠে বসেছে এক যুবক। সামান্য মত্ত সে, অপ্রকৃতস্থও কি! রামগড়ের সমস্ত মানুষ জড়ো হয়েছে সেই ট্যাঙ্কের তলায়। আজ কি তবে একটা এস্পার ওস্পার হয়েই যাবে! ভয়ে গলা শুকিয়ে কাঠ । ক্ষণে ক্ষণে ভেসে আসছে যুবকের চিৎকার- 'সুসাইড করুঙ্গা।' আত্মহত্যা মহাপাপ। কিন্তু প্রেমের আগুন আর রূপালি পর্দার জৌলুসে সেই 'মহাপাপ' কেমন যেন রূপকথার গল্প হয়ে যায়। স্থানীয় টাঙ্গিওয়ালা বাসন্তির প্রেমে পড়েছে সে। কিন্তু তাঁদের সম্পর্ক মানতে নারাজ বাসন্তির অভিভাবক তথা তাঁর সবেধন নীলমণি মাসি। মাসিরও নীলমণি ওই বাসন্তীই। ফলে তিনি একটু বেশিই সতর্ক। যার তার হাতে মেয়েকে দেবেন কেন! তবে ছাড়বার পাত্র নয় বীরু। তিনিও শেষ দেখে ছাড়বেন। ব্যস, উঠে পড়লেন ট্যাঙ্কের এক্কেবারে মাথায় নিজের প্রেম জাহির করা এবং সেই প্রেমের বিরুদ্ধে যারা, তাঁদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর এমন সহজ পন্থা আর কী-ই বা খোলা ছিল যুবকের কাছে।

এতক্ষণ যা বললাম, সবই সিনেমার গল্প। যে সে সিনেমা নয়। সর্বকালের সেরা হিট, কার্যত কিংবদন্তি হয়ে যাওয়া সিনেমা- শোলে। যেখানে গল্প আবর্তিত হয়েছে রাজস্থানের ছোট্ট গ্রাম রামগড়কে কেন্দ্র করে। এ গল্পে দুর্ধর্ষ দুশমন আছে, দুশমনকে জব্দ করা আছে। প্রেম আছে, জব্বর বন্ধুত্ব আছে। তবে রামগড়বাসীর কাছে এই ছবি দিয়ে গিয়েছে জোরদার এক অস্ত্র। প্রতিবাদের ভাষা বলতে পারেন। রমেশ সিপ্পি পরিচালিত শোলে সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছিল ১৯৭৫ সালে। যেখানে গ্রামের ট্যাঙ্কের মাথায় উঠে সামান্য কয়েকটা সংলাপের জোরে মাসির কাছ থেকে বাসন্তীকে জিতে নিয়েছিল প্রেমিক-যুবক বীরু। আর সেই দৃশ্যই যেন রাজস্থানের হনুমানগড় ও শ্রীগঙ্গানগরের বাসিন্দাদের মনে রেখে গিয়েছে গভীর ছাপ। তাঁদের হাতে তুলে দিয়েছে প্রতিবাদের এক আশ্চর্য ভাষা।

এই হনুমানগড় ও শ্রীগঙ্গানগরের মাঝামাঝি এলাকায় রয়েছে একাধিক সুউচ্চ জলের ট্যাঙ্ক। শোলে সিনেমার সেই কিংবদন্তি দৃশ্যের কথা মাথায় রেখছে সেই সব গ্রামের মানুষ। গ্রামবাসীদের কাছে ওই ট্যাঙ্কগুলি পরিচিত বীরুগিরির জন্য। হবে না-ই বা কেন! ওই ট্যাঙ্কগুলিই যে তাঁদের কাছে প্রতিবাদের হাতিয়ার এবং প্রতিবাদের মঞ্চও। আজ থেকে নয়, এই ব্যাপারটি চলে আসছে বিগত ২৫-৩০ বছর ধরে। আগে হনুমানগড় আর শ্রীগঙ্গানগর ছিল একটিই জেলা। ১৯৯৪ সালে ভেঙে দুটি জেলা করা হয় তাকে। সম্প্রতি গত অগস্ট মাসে শ্রীগঙ্গানগর ভেঙে তৈরি হয়েছে অনুপগড় নামে আরও একটি জেলা। ফলে প্রশাসনিক ভাবে শ্রীগঙ্গানগর ভেঙে তিন টুকরো তো হয়েছে, কিন্তু এলাকার মানুষের রোজের সমস্যা মেটেনি এক ফোঁটাও। আজও নানাবিধ অসুবিধা লেগেই থাকে সম্বৎসরব্যাপী। কখনও পানীয় জল সরবরাহে বিঘ্ন তো, কখনও রেশন পেতে দেরি। কখনও বা একটু বৃষ্টিতেই বানভাসি গ্রাম অথচ সেচের কাজে জল অমিল।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
আজও সেরা ছবির তালিকায় 'পথের পাঁচালী', 'শোলে'! কতটা ক্ষতি হচ্ছে ভারতীয় সিনেমার

FIPRESCI List: আশ্চর্যের বিষয় এই যে, কেবল এই দশটি ছবিই বেশি ভোট পেয়েছে। মানে, দশ নম্বর তালিকায় থাকা 'শোলে'-কে টপকাতে পারেনি অন্যান্য অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ ছবিও!

এ সব নিয়ে নানাভাবে অভিযোগ জানিয়েও লাভ হয় না। সাধারণ মানুষের কথা শোনার কেউ নেই। যেমনটা কোথাওই থাকে না! রাজস্থানের এইসব প্রত্যন্ত জেলাও তার ব্যতিক্রম নয়। প্রশাসনের টনক নড়াতে তাঁদের অস্ত্র তাই বীরুগিরি! বহু সময়েই নিজেদের অসুবিধা জানাতে ওই ট্যাঙ্কের মাথায় চেপে বসেন গ্রামবাসীরা। তাতে আর কিছু হোক বা না হোক, পুলিশ এবং প্রশাসনের কর্তারা ছুটে আসবে ঠিকই। আর নিজেদের অভাব-অভিযোগ পৌঁছে দেওয়ার এর চেয়ে ভালো সুযোগ আর কী-ই বা হতে পারে।

গত অগস্টেই ঘটেছিল এমন ঘটনা। স্থানীয় কাউন্সিলর লক্ষ্মণ গোয়েলের নেতৃত্বে গত সতেরো দিন ধরে মিউনিসিপ্যাল অফিসের সামনে ধর্না দিয়েছেন পিলিভাঙা এলাকার বাসিন্দারা। নিকাশিব্যবস্থার উন্নতি ও মিউনিসিপ্যালিটির দুর্নীতি শেষ করার দাবিতে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। কিন্তু কাজের কাজ হয়নি। বাধ্য হয়ে ব্রহ্মাস্ত্র ধরতে বাধ্য হন তাঁরা। গ্রামের কয়েকজনকে নিয়ে গয়াল উঠে পড়েন সেই 'বীরুগিরি' ট্য়াঙ্কের মাথায়। সাধে কি বলে অব্যর্থ দাওয়াই। অমনি পড়ি কি মরি করে ছুটে এলেন সাবডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট থেকে তহসিলদার, থানা থেকে ছুটে এলেন কর্তা ব্যক্তিরা। দু'তরফের বেশ খানিক্ষণের দর কষাকষির পরে হার মানলেন প্রশাসনিক কর্তারা। মিউনসিপ্যালিটির বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্তে স্পেশাল অডিট করার প্রতিশ্রুতি লিখিত আকারে পেয়ে তবেই ওই ট্যাঙ্কের মাথা থেকে নামলেন গয়াল ও তাঁর সাঙ্গপাঙ্গরা।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ফলের দোকান থেকে বলিউডের শেষ কথা! ধাপে ধাপে যেভাবে তৈরি হয়েছে টি-সিরিজের সাম্রাজ্য

T-Series: চলুন জেনে নেওয়া যাক, গুলশন কুমারের টি-সিরিজ তৈরির গল্পটা।

হনুমানগড়, শ্রীগঙ্গানগরও অনুপগড় জেলায় শতাধিক জলের ট্যাঙ্ক রয়েছে। যার বেশিরভাগই এখন বিক্ষোভের জায়গা। প্রায় প্রতি মাসেই ট্যাঙ্ক-বিক্ষোভের সাক্ষী থাকছে ওই তিন জেলা। কখনও ছাত্র ইউনিয়নের ভোট হচ্ছে না বলে প্রতিবাদ, তো কখনও জমি জবরদখল নিয়ে ক্ষোভ, কিংবা কৃষকদের আন্দোলন, সমস্ত বিক্ষোভ-প্রতিবাদের একমাত্র জায়গা এখন ওই সব ট্যাঙ্কের মাথা। কেউ কেউ তো আবার পতাকাও নিয়ে যান ঘাড়ে করে। কেউ সেচের জল পাচ্ছেন না বলে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। কেউ জলসঙ্কটের প্রতিকার চাইছেন। কিছুদিন আগে তো এক মহিলা তাঁর কন্যা-সহ চেপে বসেন ট্যাঙ্কের মাথায়। দাবি, তাঁদের বাড়ি যেসব দুষ্কৃতিরা ভেঙেছে তাদের শাস্তি চাই। কেউ কেউ তো ধারশোধ চেয়েও চেপে বসছেন ট্যাঙ্কের মাথায়।

এদিকে জেলাময় এই বিরুগিরির দাপটে প্রাণ ওষ্ঠাগত পুলিশের। এতদিন চোর-গুন্ডা ধরার কাজ ছিল, তার উপর জুটেছে লোককে ট্যাঙ্ক থেকে নামানোর কাজ। প্রায়শই ছুটতে হচ্ছে প্রশাসনিক কর্তাদেরও। সিনেমায় যতই ভালো দেখাক না কেন! বিক্ষোভ দেখানোর জন্য ট্যাঙ্ক মোটেও সুরক্ষিত জায়গা নয়। একবার এদিক ওদিক হলেই সর্বনাশ, দেহের চিহ্নটুকু খুঁজে পাওয়া যাবে না অত উঁচু থেকে পড়লে। ফলে সব সময় সজাগ থাকতে হচ্ছে পুলিশকে। এই বুঝি বীরুগিরির খবর এল। বারবার চেষ্টা করে মানুষের এই প্রবণতাকে রুখতে পারেনি জেলাপুলিশ। মাঝখানে স্থানীয় জলের ট্য়াঙ্কগুলি থেকে সিঁড়ি সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তাতেও কি সমস্যা মিটেছে পুরোপুরি। এ ধরনের প্রবণতা কমাতে আইনের সাহায্য় নিচ্ছে এখন পুলিশ। ট্যাঙ্কের মাথায় উঠলেই মিলবে শাস্তি, দিতে হতে পারে জরিমানা, এই মর্মে জারি করা হয়েছে নোটিসও। তার পরেও নিজেদের দাবি তুলে ধরার এম অব্যর্থ অস্ত্রকে নামিয়ে রাখতে মোটেই রাজি নন 'শোলে'-প্রিয় এই তিন জেলার মানুষ। বীরুগিরি তাই চলছে আপন ছন্দে ও আনন্দে।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

চশমা যখন টেকসঙ্গী, কীভাবে কাজ করে এআই গ্লাস?

Meta AI Glasses: চশমা ব্যক্তিগত এআই সহকারী। চোখের ইশারা ও মৌখিক নির্দেশে কল, ছবি তোলা, ভিডিও রেকর্ডিং থেকে গুগল সার্চ—সবই যখন সম্ভব, তখন এই প্রযুক্তি কীভাবে কাজ করে? আর ক্যামেরা, মাইক্রোফোন ও এআই-নির্ভর এই চশমা আমাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা কতটা সুরক্ষিত রাখবে?

টাকার বিনিময়ে বিজেপি-র প্রচার করেছেন সায়ক! আর আইনি জালে জড়ালেন অলিপাবের বেয়ারা

Sayak Chakraborty Olypub controversy: নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, পাঁচটি রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের নির্বাচনে বিজেপির কেন্দ্রীয় দফতরের মোট খরচ ছিল ৫২৯.৩৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গেই খরচ হয়েছে প্রায় ২৮৬ কোটি টাকা। সেই প্রচারের একটি অংশ ছিল সোশ্যাল মিডিয়া ও ডিজিটাল কনটেন্ট।

SRFTI: কীভাবে অনুষ্ঠান থেকে পরিস্থিতি গড়াল সংঘর্ষে?

SRFTI Clash: SRFTI-তে ডানপন্থী সংগঠনের অনুষ্ঠান ঘিরে কেন আপত্তি জানালেন পড়ুয়ারা? বক্তৃতায় কী বলা হয়েছিল, যা নিয়ে তৈরি হয় উত্তেজনা? কীভাবে অনুষ্ঠান থেকে পরিস্থিতি গড়াল সংঘর্ষে? পড়ুয়া ও আয়োজকদের পাল্টা অভিযোগের মধ্যে আসল ঘটনা কী?

যে নির্বাচন কমিশনার ভোট চুরি আটকেছিলেন

Election reforms of T. N. Seshan: ১৯৯০ সালের ডিসেম্বরে নির্বাচন কমিশনারের চেয়ারে বসেছিলেন যে ব্যক্তি, সেই টি. এন. শেষন বলেছিলেন, 'আমাকে এই পদে বসাবেন না, আমি আপনাদের অসুবিধার কারণ হয়ে দাঁড়াব।'

ছদ্ম-বিরোধী তৈরিই কি তবে ভারতের রাজনীতিতে ক্ষমতার নতুন কৌশল?

Indian opposition politics: বিরোধীদের সরাসরি নিষিদ্ধ না করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার চাপ, আইনি ফাঁকফোকর এবং সুপরিকল্পিত দল ভাঙার মাধ্যমে তৈরি করা হচ্ছে অনুগত ‘ছদ্ম-বিরোধী’।

EXCLUSIVE: কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদে ভোট না-করানো তৃণমূলের বড় ভুল, নিজেদের ভুল নিয়েও আলোচনার দরকার ছিল: কুণাল

Kunal Ghosh on Mamata Banerjee: ইনস্ক্রিপ্টে ‘অনিন্দ্য এবং’ পডকাস্টে তিনি একদিকে যেমন দাবি করেছেন মমতাকে ভয় পেয়েই তাঁকে বারবার নিশানা করা হচ্ছে, তেমনই অন্যদিকে দলের ভুলত্রুটি স্বীকার করে আত্মসমালোচনার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেছেন।

EXCLUSIVE: শেষদিকে দল পরিচালনায় গ্যাপ ছিল, অভিষেকের অফিসও ঠিকঠাক ম্যানেজ করা হয়নি: কুণাল

Kunal Ghosh on Abhishek Banerjee: ইন্সক্রিপ্টের ‘অনিন্দ্য এবং’ পডকাস্টে অভিষেক প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে কুণাল জানিয়েছেন, শেষ পর্যায়ের দল পরিচালনায় আরও ‘সতর্কতা’ প্রয়োজন ছিল। তাঁর দাবি, অভিষেকের অফিসও সব সময় ঠিকভাবে পরিচালিত হয়নি।

মমতা-অভিষেকের দল পরিচালনায় বিরাট গ্যাপ তৈরি হয়েছিল: ইনস্ক্রিপ্ট পডকাস্টে আর কী বললেন কুণাল?

Kunal Ghosh Interview: বিধানসভা ভোটে বিপর্যয়ের পরে প্রতীক, নাম হারিয়ে কার্যত দিশাহারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল। তার মধ্যেও ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই জারি রয়েছে। যদিও দলের অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহে মমতার কাছাকাছির বৃত্ত ক্রমশ সঙ্কুচিত হয়েছে। নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে মুখ পুড়েছে। এই প্রেক্ষিতে আসন্ন পুরভোটে কেমন করবে তৃণমূল? ঘুরে দাঁড়ানোর কোনও সম্ভাবনা আছে? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কী? বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে যা বললেন দলের বিধায়ক এবং অন্যতম মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।