‘ট্র্যাজিক মিসটেক’! রাফাহতে গণহত্যার পর ভুলস্বীকার আসলে কোন কৌশল নেতানিয়াহুর?

Israel Hamas war: গাজার রাফাহ শহরকে ধ্বংস করতে কোনও কসুর বাকি রাখেনি ইজরায়েল। আর সেই সিদ্ধান্তকেই এবার 'ট্র্যাজিক মিসটেক' বলে বর্ণনা করছেন বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

Sohini Das
৪ মিনিট
‘ট্র্যাজিক মিসটেক’! রাফাহতে গণহত্যার পর ভুলস্বীকার আসলে কোন কৌশল নেতানিয়াহুর?

গত বছর অক্টোবর মাসে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র জঙ্গিগোষ্ঠী হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে দিয়েছিলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। নামেই ছিল হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ। এই ক'মাসে লাগাতার গাজায় সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে হামলার পর হামলা চালিয়ে গিয়েছে ইজরায়েল। স্কুল, ধর্মস্থান এমনকী শরণার্থী শিবিরগুলোও বাদ দেয়নি নেতানিয়াহু সেনা। অন্তত ৩৬ হাজার সাধারণ বাসিন্দার মৃত্যু হয়েছে এই ক'মাসে। তার মধ্যে একটা বড় অংশ জুড়ে রয়েছে শিশু ও মহিলা। আন্তর্জাতিক আদালতে ইজরায়েলের বিরুদ্ধে একাধিক দেশ এনেছে গণহত্যার অভিযোগ। তার পরেও রাফাহ আক্রমণের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেননি নেতানিয়াহু। আমেরিকার বারবার বারণ, অস্ত্র জোগান বন্ধ করার হুঁশিয়ারি কাজে আসেনি কোনও কিছুই। গাজার রাফাহ শহরকে ধ্বংস করতে কোনও কসুর বাকি রাখেনি ইজরায়েল। আর সেই সিদ্ধান্তকেই এবার 'ট্র্যাজিক মিসটেক' বলে বর্ণনা করছেন বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। সত্যিই ভুল স্বীকার নাকি অন্য কোনও কৌশল, আশঙ্কা আন্তর্জাতিক মহলে।

এতগুলো মাস ধরে ইজরায়েলের লাগাতার হামলায় কার্যত শ্মশানে পরিণত হয়েছে গোটা গাজা। প্রায় কোনও অংশই ছাড়েনি ইজরায়েলি সেনা। গাজাবাসীর পালিয়ে বাঁচার ন্যূনতম জায়গাটুকুও যেন বেঁচে নেই গাজায়। বাকি ছিল ওই রাফাহ শহরটুকু। যেখানেই সমস্ত বাসিন্দারা কোনওমতে মাথাটুকু গুঁজেছিলেন। হামাসের অস্তিত্ব ধ্বংস করতে সেই রাফাহ শহর উড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ইজরায়েল। যার বিরোধিতা করেছিল বিশ্বের সমস্ত শুভবুদ্ধসম্পন্ন দেশ। এমনকী আমেরিকা পর্যন্ত। প্রথম থেকেই ইজরায়েলকে এই হামলা রোখার জন্য অনুরোধ-উপরোধ করে এসেছে বাইডেনের দেশ। আমেরিকার থেকে এগোনোর সবুজ সঙ্কেত না পেয়েই আটকে ছিল অ্যাদ্দিন ইজরায়েল, তেমনটাই শোনা যাচ্ছিল নানা সূত্রে। এদিকে এরই মধ্যে ইরানের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে ইজরায়েল। ইরানে যাতে বড়সড় হামলা না চালায় ইজরায়েল, সেই রফা রাফাহ দিয়ে করার চেষ্টা করেছিল আমেরিকা। মধ্যিখানে অস্ত্র জোগান বন্ধ করার কথাও ঘোষণা করে আমেরিকা। কিন্তু তার অব্যবহিত পরেই আমেরিকা থেকে অস্ত্রের সরবরাহ ফের পৌঁছয় ইজরায়েলে। এর মধ্যেই রাফাহ আক্রমণ করে বসে ইজরায়েল। ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্টের একাধিক অনুরোধেও ভেজেনি চিঁড়ে।

ইজরায়েলের দাবি, তারা রাফাহতে হামলা চালাতে চাইলেও নাগরিকদের ক্ষতি এড়াতে চেয়েছিল তারা। সে জন্যই আগে থেকে গাজাবাসীকে রাফাহ থেকে সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া সেই ইদের সময় থেকেই শুরু করে দিয়েছিল নেতানিয়াহুর দলবল। কিন্তু কোথায় যাবে গাজাবাসী? গাজায় নিরাপদ অখণ্ড কোনও জায়গা আর বেঁচে নেই কোথাও। সমস্তটাই ইজরায়েলি সেনার সৌজন্যে পরিণত হয়েছে ধ্বংসস্তূপে। যতই নাগরিক ক্ষয়ক্ষতি এড়ানোর কথা বলে থাকুক ইজরায়েল, শেষপর্যন্ত তেমনটা হয়নি। ফের ইজরায়েলি হামলা নেমে এসেছে সাধারণ নিরাপরাধ গাজাবাসীর মাথায়। সাম্প্রতিকতম হামলায় আগুন ছড়িয়ে যায় উদ্বাস্তু, শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেওয়া গাজাবাসীদের তাবুতে। সেই আগুন লেলিহান রূপ নিতে সময় নেয়নি। অন্তত ৪৫ জন নিরাপরাধ সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়েছে ওই ঘটনায়। গণহত্যার অভিযোগ ইতিমধ্যেই ঝুলছে নেতানিয়াহুর মাথায়। ফের আরও একবার নিরপরাধ মানুষের রক্ত লাগল নেতানিয়াহুর হাতে। তার জন্য বিশ্ব রাজনীতিতে ফের নিন্দার মুখে নেতানিয়াহু ও তার প্রশাসন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
গাজাকে ৪০ হাজার তাঁবু 'ইদের উপহার'! রাফাহ ধ্বংসের ভয়ঙ্কর ছক কষছে ইজরায়েল?

Israel-Hamas Conflict: যুদ্ধ, যন্ত্রণা আর মৃত্যুর অভিশাপ নিয়েই তবু ইদের প্রার্থনা সেরেছেন গাজাবাসী। আল আকসা মসজিদ-সহ একাধিক জায়গায় জমেছিল প্রার্থনাকারীদের ভিড়। গত বছরের ইদটাও এমন ছিল না গাজায়।

এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার নেপথ্যে যে তাঁর দূরদৃষ্টির অভাব রয়েছে, সে কথা ইজরায়েলের পার্লামেন্টে মেনে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। পার্লামেন্টে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, রাফাহ থেকে দশ লক্ষ বাস্তুচ্যুত মানুষকে সরিয়ে ফেলেছে ইজরায়েল। তাদের সর্বাত্মক চেষ্টা সত্ত্বেও রাফাহতে ঘটে গিয়েছে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। এই ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে বলেও জানান নেতানিয়াহু। হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজা স্ট্রিপের মন্ত্রক জানিয়েছে, অন্তত আড়াইশো জন জখম হয়েছে ইজরায়েলের সাম্প্রতিক এই হামলায়। একে 'ট্র্যাজিক মিসটেক' বলেও ব্যাখ্য়া করেছেন নেতানিয়াহু।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
রাফাহতে ইজরায়েলের ভয়াবহ হামলার মধ্যেই নেতানিয়াহুর গ্রেফতারির আশঙ্কা! কোন পথে ইজরায়েল-প্যালেস্টাইন সংঘাত?

Israel's war on Gaza: ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট (ICC)-র হাতে গ্রেফতার হতে পারেন নেতানিয়াহু। দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক আদালতে গাজায় গণহত্যার অভিযোগে কাঠগড়ায় ইজরায়েল।

হামাসের সঙ্গে যুদ্ধের জন্য গোড়া থেকেই গোটা বিশ্বের নিন্দার মুখে পড়েছে ইজরায়েল। গণহত্যার দায়ে আন্তর্জাতিক আদালতের কড়াকড়ির মুখেও পড়তে হতে পারে নেতানিয়াহু ও তাঁর আমাত্যবর্গকে। এরই মধ্যে আবার ইরানের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়েছে ইজরায়েল। লেবাননের হিজবুল্লা গোষ্ঠী লাগাতার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইজরায়েলের উপর। তার উপর ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রইসির মৃত্যুর নেপথ্যে ইজরায়েলের হাত থাকতে পারে বলেও অভিযোগ উঠছে বারবার। এর জন্য নতুন করে হামলার ছক কষছে হিজবুল্লা, এমনকী হামাসও। হামাসের বাড়বাড়ন্তের পিছনে রইসির সমর্থন রয়েছে বলেই মনে করে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।

এই পরিস্থিতিতে কোনও উপায়ন্তর না দেখেই কি রাফাহ হামলার জন্য ভুলস্বীকারের পথ বাছছেন নেতানিয়াহু? না, গাজাকে শ্মশান বানিয়ে দেওয়া, এত হাজার হাজার মানুষের মৃত্যুর জন্য কিন্তু একবারের জন্যও অনুতপ্ত নন নেতানিয়াহু। শুধুমাত্র রাফাহর ওই অগ্নিকাণ্ডের জন্যই ভুল স্বীকার করতে বসেছেন নেতানিয়াহু? কতটা খাঁটি এই ভুলস্বীকার। আসলে আন্তর্জাতিক মহলে কোণঠাসা হওয়া বাঁচাতেই কি দায়সারা ভাবে অনুতাপ দেখাচ্ছেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী? এর আগেও কি রাফাহতে সাধারণ মানুষের মৃত্যু ঘটেনি ইজরায়েলি হামলায়। প্রায় প্রতিদিনই একজন দু'জন করে মানুষের মৃত্যু হয়েছে হামলায়? তাঁদের মৃত্যুর জন্যেও কি ক্ষমা চাইবেন নেতানিয়াহু? উঠছে প্রশ্ন।

এরই মধ্যে গাজার মানুষদের আরও বেশি করে ভিসা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে কানাডা। অন্তত ৫ হাজার গাজার নাগরিককে ভিসা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন সে দেশের প্রেসিডেন্ট জাস্টিন ট্রুডো। আজ থেকে নয়, দীর্ঘদিন ধরেই ভয়াবহ মানবাধিকার হরণ হয়েই চলছে গাজায়। অনাহার, মাথার উপর ছাদ নেই, নেই ওষুধ বাব ন্য়ূনতম চিকিৎসার সুযোগ। সেই সব কিছু মাথায় নিয়েই মৃত্যুর জন্য প্রহর গুনছেন বাসিন্দারা, কিংবা আর কয়েক দিনের আয়ুভিক্ষা করছেন ইজরায়েলি সেনার কাছ থেকে। কবে ঠিক হবে পরিস্থিতি, তার উত্তর নেই। নেতানিয়াহু যতই মুখে ভুল স্বীকার করুন না কেন, যুদ্ধ থামানোর কথা বা সাময়িক যুদ্ধবিরতির প্রসঙ্গ পর্যন্ত একবারের জন্যেও শোনা যায়নি নেতানিয়াহুর মুখে। যা দেখে শুনে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ বলছে, এ সবই আসলে কৌশল মাত্র, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের হাত থেকে বাঁচার জন্য। আদৌ আগ্রাসন কমানোর পথে হাঁটার কথা মাথাতেও আনছে না ইজরায়েল।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

নিষিদ্ধ নয়, বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা, কী আছে ফিলিস্তিনপন্থী স্যালি রুনির বইয়ে

Sally Rooney: ফিলিস্তিনপন্থী সংগঠন প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে রয়্যালটি দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশের পর ব্রিটেনে স্যালি রুনির বই সরবরাহ বন্ধ করেছে ফ্যাবার।

সিজেপির কর্মসূচির আগে ৬ হাজার পুলিশ, দুর্ভেদ্য দুর্গ কনট প্লেস

Connaught Place protest: সিজেপির কর্মসূচির আগে কনট প্লেস এবং তার আশপাশের এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে দিল্লি পুলিশ। কনট প্লেসের আশপাশে ৬ হাজারেরও বেশি পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?