ভুলস্বীকার নাটকই! রাফাহ শহর ধ্বংস করেই থামবে ইজরায়েল?

Israel Hamas War: রবিবারের ভয়ানক অগ্নিকাণ্ডের পর নেতানিয়াহুর ভুলস্বীকার যে রঙ্গমঞ্চের নাটক মাত্র তা যেন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে ইজরায়েলি সেনার আগ্রাসন। প্রতিদিন বেড়েই চলেছে মৃত্যুর সংখ্যা।

Sohini Das
৫ মিনিট
ভুলস্বীকার নাটকই! রাফাহ শহর ধ্বংস করেই থামবে ইজরায়েল?

মে মাসের গোড়া থেকেই গাজার রাফাহ শহরে লাগাতার আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে ইজরায়েল। প্রায় প্রতিদিনই একজন-দু'জন করে সাধারণ নাগরিকের মৃত্যু হচ্ছে ইজরায়েলি হামলায়। দুদিন আগে ইজরায়েলের বিমান হামলার ফলে আগুন ছড়ায় বাস্তুচ্যুত, শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেওয়া গাজাবাসীর তাবুতে। সেই আগুন লেলিহান রূপ নিয়ে মুহূর্তে পোড়াতে থাকে একের পর এক তাবু। ওই ঘটনায় মৃত্যু হয় ৪৫ জন নিরপরাধ মানুষের। জখম হয় বহু। তার পরেই পার্লামেন্টে ইজরায়েলের প্রেসিডেন্ট বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জানান, সাধারণ মানুষের ক্ষয়ক্ষতি তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না। সে জন্যই রাফাহ থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার সর্বৈব চেষ্টা করেছে ইজরায়েলি সেনা। এই দুর্ঘটনাকে তাই 'ট্র্যাজিক মিসটেক' বলেই ভুল স্বীকার করেছেন নেতানিয়াহু। আর এই অনুতাপের পর যে কিছুটা হলেও রাফাহতে আগ্রাসন কমাবে ইজরায়েল, তেমনটাই প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু আদতে তা হয়নি। বরং বুধবারও রাফাহর ঠিক কেন্দ্রস্থলে পৌঁছে গিয়েছে ইজরায়েলি একগুচ্ছ ট্যাঙ্ক। সঙ্গে টহল ইজরায়েলি সেনার।

গোটা গাজাটাকেই শ্মশানে পরিণত করেছে অ্যাদ্দিনে ইজরায়েলি সেনা। সমগ্র গাজা থেকে বাস্তুচ্যুত ঘরবাড়ি হারানো মানুষজনের শেষ আশ্রয় নিয়ে ছিল ওই রাফাহ শহর। কেবল ওই রাফাহটুকুই বেঁচে ছিল যুদ্ধে বেঁচে যাওয়া গাজাবাসীর জন্য। সেটুকুকেও কেড়ে নিতে ঝাঁপিয়ে পড়েছে এখন ইজরায়েল। ওই একরত্তি জায়গাতেই নাকি লুকিয়ে রয়েছে হামাস জঙ্গিরা। এমন একটা জায়গা থেকেই রাফাহ উড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা আঁটে নেতানিয়াহু সেনা। গাজার উপকূল ধরে হেঁটে গেলে এখন দেখা যাবে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে সার সার তাবু শুধু। ওটাই বাসস্থান এখন গাজাবাসীর। মাটিতে গর্ত খুঁড়ে অস্বাস্থ্যকর শৌচের ব্যবস্থা। ত্রাণের লাইনে লম্বা ভিড় বড়োদের। ছোটরা মন দিয়ে আবর্জনা ঘাঁটে। যদি দু-এক টুকরো খাবার হাতে চলে আসে কোনও মতে।

গাজাবাসীর বেঁচে থাকার ইচ্ছাটুকু তলানিতে এসে পৌঁছেছে এতদিনে। সেই গত বছরের অক্টোবর থেকে লেগেই রয়েছে লড়াই। এখনও পর্যন্ত ৩৬ হাজার মানুষ মারা গিয়েছে অসমান এই লড়াইয়ে। তার মধ্যে রয়েছে অসংখ্য শিশু ও মহিলা। জখমের সংখ্যাটা আজ আর গুনে শেষ করা যায় না। প্রায় প্রত্যেকেই স্বজন হারিয়েছেন গাজায়। তা সত্ত্বেও প্রাণপন বাঁচার চেষ্টা করছেন, চেষ্টা করছেন টিকে থাকার। ইতিমধ্যেই ইজরায়েলের হামলায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে রাফাহ-র কুয়েতি হাসপাতাল। হামলায় নিহত বহু স্বাস্থ্যকর্মী ও চিকিৎসক। কদিন ধরে লাগাতার গুলি, বোমা ও আকাশহানা চালিয়ে গিয়েছে ইজরায়েল। কখনও তার জবাব দিয়েছে হামাস। জাবালিয়া ক্যাম্পের পশ্চিমে আল-ফালুজা এলাকা হয়ে উঠেছে গত ক'দিনে ওই হামলার কেন্দ্র। যেখানে প্রাণ বাঁচাতে আশ্রয় নিয়েছিলেন বহু নিরপরাধ মানুষ। রাতভর আকাশহানায় অন্তত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গিয়েছে ৪৬ জনের। জখম শতাধিক।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
‘ট্র্যাজিক মিসটেক’! রাফাহতে গণহত্যার পর ভুলস্বীকার আসলে কোন কৌশল নেতানিয়াহুর?

Israel Hamas war: গাজার রাফাহ শহরকে ধ্বংস করতে কোনও কসুর বাকি রাখেনি ইজরায়েল। আর সেই সিদ্ধান্তকেই এবার 'ট্র্যাজিক মিসটেক' বলে বর্ণনা করছেন বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

রবিবারের ভয়ানক অগ্নিকাণ্ডের পর নেতানিয়াহুর ভুলস্বীকার যে রঙ্গমঞ্চের নাটক মাত্র তা যেন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে ইজরায়েলি সেনার আগ্রাসন। প্রতিদিন বেড়েই চলেছে মৃত্যুর সংখ্যা। আন্তর্জাতিক আদালতে গাজায় গণহত্যা চালানোয় অভিযুক্ত নেতানিয়াহু ও তার আমাত্যবর্গ। তাতে যে তাঁর কিছু যায় আসে না, তা ফের একবার বুঝিয়ে দিয়েছে রাফাহতে ইজরায়েলের গতিবিধি। সম্প্রতি এক ব্রিটিশ সংবাদপত্রের তদন্ত-রিপোর্টে জানা গিয়েছে, মোসাদের প্রাক্তন অধিকর্তা ইয়োলি কোহেন ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টের আইনজীবী ফাতু বেনসুদাকে ইজ়রায়েলের বিরুদ্ধে মামলা ও তদন্ত করার কারণে একাধিক হুমকি দিয়েছিলেন। সেই হুমকি চলেছিল দীর্ঘ গোপন বৈঠকে। সম্প্রতি বেনসুদার উত্তরসূরি করিম খান নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার আবেদন করেছেন।

এদিকে নেতানিয়াহুর ও তার আমাত্যবর্গের বিরুদ্ধে যে কোনও মুহূর্তে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করতে পারে আন্তর্জাতিক আদালত। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক আদালতের প্রসিকিউটার করিম খান ঘোষণা করেন, হামাস ও ইজরায়েল- দু-পক্ষের বিরুদ্ধেই গ্রেফতারি পরোয়ানা চাওয়া হয়েছে। আর তাতেই ক্রুদ্ধ ইজরায়েলের মিত্রদেশ আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের দাবি, ইজরায়েলি নেতাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার জন্য আইসিসি প্রসিকিউটরের এই আবেদন অশোভন। তাঁর মতে, হামাসের সঙ্গে ইজরায়েলের তুলনা করা যায় না। একই সঙ্গে ইজরায়েলের পাশে যে যে কোনও পরিস্থিতিতেই আমেরিকা রয়েছে, তা-ও পরিষ্কার করে দেন বাইডেন। এখানেই শেষ নয়। আরও এক ধাপ এগিয়ে বাইডেন এ-ও বলেছেন, গাজায় যা ঘটছে, তা কোনও মতেই গণহত্যা নয়। এর জন্য আইসিসি-র প্রসিকিউটারের ঘোষণা লজ্জাজনক বলেও জানান মার্কিন বিদেশ মন্ত্রক।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
রাফাহতে ইজরায়েলের ভয়াবহ হামলার মধ্যেই নেতানিয়াহুর গ্রেফতারির আশঙ্কা! কোন পথে ইজরায়েল-প্যালেস্টাইন সংঘাত?

Israel's war on Gaza: ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট (ICC)-র হাতে গ্রেফতার হতে পারেন নেতানিয়াহু। দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক আদালতে গাজায় গণহত্যার অভিযোগে কাঠগড়ায় ইজরায়েল।

এদিকে রাফাহ-তে ইজরায়েলের হামলার মধ্যে আবার মিশরের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়েছে নেতানিয়াহু সেনা। সোমবার রাতে ইজরায়েলি হামলায় দক্ষিণ গাজার রাফাহ সীমান্তে এক মিশরের সেনা নিহত হয়। ইজরায়েলের আগ্রাসনের ইতিমধ্যেই জবাব দিয়েছে কায়রো। প্রাণ বাঁচাতে রাফা সীমান্তে জড়ো হওয়া প্যালেস্টাইনি নাগরিকদের সোমবার উপরে নির্বিচারে গুলি ও বোমাবর্ষণ করে ইজ়রায়েলি সেনা এবং বিমানবাহিনী। সে সময় নারী ও শিশু-সহ প্রায় ৫০ জন প্যালেস্টাইনির পাশাপাশি এক মিশরীয় সেনাও নিহত হন। পাল্টা গুলি চালায় মিশরের সেনাও। ঘটনার কথা স্বীকার করে নিয়ে মঙ্গলবার ইজ়রায়েলি সামরিক বাহিনী। ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে আইডিএফ।

এরই মধ্যে মঙ্গলবার প্যালেস্টাইনকে স্বাধীন রাষ্ট্র বলে সরকারি ভাবে মর্যাদা দিয়েছে নরওয়ে, স্পেন ও আয়ারল্যান্ড। গত সপ্তাহে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিল তারা। ফলে রাষ্ট্রপুঞ্জের সদস্য ১৯৩টি দেশের মধ্যে ১৪৫টি দেশ প্যালেস্টাইনের স্বাধীনতা মেনে নিল। এর ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলির মধ্যেই টানাপড়েন শুরু হয়েছে। তালিকায় লিকায় অবশ্য নেই আমেরিকা, কানাডা, পশ্চিম ইউরোপের বেশির ভাগ দেশ, অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া। যদিও গাজাবাসীর জন্য পাঁচ লক্ষ ভিসা দেওয়ার কথা বলেছে কানাডা। এই সব দেশের তরফে স্বাধীন স্বীকৃতি পেলে কি হাল ফিরবে প্যালেস্টাইনের? সত্যিই ইজরায়েলের আগ্রাসনের হাত থেকে বাঁচতে পারবে দেশ? আয়ারল্যান্ডের বিদেশমন্ত্রী মিখায়েল মার্টিন জানাচ্ছেন, মানবাধিকার আইন মেনে না চললে ইজ়রায়েলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে আয়ারল্যান্ড ও তার মিত্র ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলি। এই দেশগুলি হল সুইডেন, সাইপ্রাস, হাঙ্গেরি, চেক প্রজাতন্ত্র, পোলান্ড, স্লোভাকিয়া ও বুলগেরিয়া। স্লোভেনিয়া ও মল্টা জানিয়েছে, তারাও একই পথে হাঁটছে। আন্তর্জাতিক আদালতের কড়াকড়ি, এত এত দেশকে পাশে পেয়ে আদৌ সুদিন ফিরবে কি প্যালেস্টাইনের? সে কথা অবশ্য এখনই হলফ করে বলা যাচ্ছে না। কারণ অতীতেও এই সব বিধিনিষেধের পরোয়া করেনি ইজরায়েল। এদিকে ইউরোপের একাধিক দেশ ইজরায়েলের পক্ষে কথা বলে চললেও, সে দেশের নাগরিকরা কি সরকারের সেই সিদ্ধান্তে পাশে রয়েছে আদৌ। ফ্রান্সের পার্লামেন্টে প্যালেস্টাইনের হয়ে প্রতিবাদ দেখা গিয়েছে। ফরাসি প্রেসিডেন্ট মাকরোঁ ইজরায়েলকে সমর্থন করা সত্ত্বেও রাফাহ-তে এই হামলার কড়া নিন্দা করেছেন নিজের এক্স অ্যাকাউন্টে।

ইজরায়েল প্রসঙ্গে সব সময় নিরাপদ একটা দূরত্ব রেখে গিয়েছে নয়াদিল্লি। না পক্ষে, না বিপক্ষে, এমন একটা অবস্থানে থেকেছে ভারত সবসময়ে। এর আগে রাষ্ট্রপুঞ্জের শান্তিপ্রস্তাবেও সই করতে দেখা যায়নি ভারতকে। তবে দেশে লোকসভা ভোট চলাকালীনই এবার গাজা প্রসঙ্গে সরব হলেন দেশের বলিউড তারকারা। কার্যত এই প্রথম বলিউডকে মাথা ঘামাতে দেখা গেল ইজরায়েল-গাজা দ্বন্দ্ব নিয়ে। রাফাহ-তে যে ভয়ঙ্কর ধ্বংসলীলা চালাতে উদ্যত হয়েছে ইজরায়েল সরকার, 'অল আইজ অন রাফাহ' হ্যাশট্যাগে ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক, এক্স-সহ সমস্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ড হতে দেখা গেল প্রতিবাদ। 'অল আইজ অন রাফাহ' লেখা একটি এআই ছবি ইতিমধ্যেই ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়। এখনও পর্যন্ত কয়েক কোটি বার শেয়ার হয়ে গিয়েছে সেই পোস্ট। আলিয়া ভট্ট থেকে প্রিয়ঙ্কা চোপড়া জোনাস, তৃপ্তি দিমরি, করিনা কাপুর, সামান্থা প্রভু, ফতিমা সানা শেখ, স্বরা ভাস্কর, দিয়া মির্জার মতো বলি তারকারা শেয়ার করেছেন ছবিটি। রবিবার রাফাহ শহরে শরণার্থী শিবিরের তাবুতে যে ভয়ঙ্কর হত্যালীলা চালিয়েছে ইজরায়েলি সেনা, তার প্রতিবাদেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে ওই পোস্টটি।

এরই মধ্যে আবার সেই পোস্ট শেয়ার করে বিতর্কে জড়িয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট টিমের অধিনায়ক রোহিত শর্মার স্ত্রী ঋতিকা সাজদেহ। নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ওই ছবিটি শেয়ার করেছিলেন ঋতিকা। কিন্তু তাতে বেজায় খারাপ মন্তব্য আসতে শুরু করলে পোস্টটি সরিয়ে ফেলেন তিনি। শুধু ভারতীয় তারকাদের মধ্যেই, রাফাহ নিয়ে প্রতিবাদের স্বর শোনা গিয়েছে দেশি-বিদেশি বহু তারকার মধ্যেই। সেই তালিকায় রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার ট্র্যাভিস হেড, ব্রিটিশ গায়ক লেই-অ্যান পিনক, মডেল বেলা হাদিদ এবং অভিনেত্রী সাওরসে-মনিকা জ্যাকসন এবং সুসান সারানডন-সহ অনেকেই। কবে ইজরায়েলের আগ্রাসন থেকে মুক্ত হবে গাজা, সমগ্র প্যালেস্টাইন তা বলা কঠিন। আদৌ নেতানিয়াহুর কবল থেকে বাঁচবে কিনা রাফাহ শহর, তার মানুষজন, তা-ও বলা শক্ত। তবু পৃথিবীর প্রতিটা কোণা যেন চাইছে ম্যাজিক ঘটুক। যুদ্ধ থেমে যাক যে কোনও ভাবে। শুভবুদ্ধি ফিরে পাক ইজরায়েল।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।