লোকসভা হামলার ঘটনায় এবার গ্রেফতার পুলিশ-পুত্র, কোথায় দাঁড়িয়ে তদন্ত?

Parliament Breach: এত সব বিতর্কের মধ্যেই আবার ওই হামলার ঘটনায় কর্ণাটকের এক সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারকে গ্রেফতার করল পুলিশ।

Sohini Das
৩ মিনিট
লোকসভা হামলার ঘটনায় এবার গ্রেফতার পুলিশ-পুত্র, কোথায় দাঁড়িয়ে তদন্ত?

ঠিক যেন ২০০১ সালের পার্লামেন্ট হামলার আদলেই গোটা ছকটি কষা হয়েছিল। না, ক্ষতির চেষ্টা না থাকলেও আসল উদ্দেশ্য ছিল খানিকটা আতঙ্ক তৈরি করা। সে কারণেই হাতে রঙিন গ্যাসের ক্যানেস্টার নিয়ে সংসদ ভবনে লাফিয়ে ঢুকেছিল দুই দুষ্কৃতি। লোকসভার মতো জায়গার নিরাপত্তা লঙ্ঘন নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছিল স্বাভাবিক ভাবেই। এদিকে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন এ নিয়ে প্রশ্ন করলেই একের পর এক সাংসদকে বরখাস্ত করছিলেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। এই ভাবে প্রায় গোটা লোকসভাই বিরোধীশূন্য হয়ে যায়। লোকসভার নিরাপত্তা ভাঙার বিষয়ে আবার নাম জড়ায় মাইসুরুর বিজেপি সাংসদ প্রতাপ সিমহার। এই সব বিতর্কের মধ্যেই আবার ওই হামলার ঘটনায় কর্ণাটকের এক সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারকে গ্রেফতার করল পুলিশ। কেন এই হামলার ঘটনায় বারবার জড়াচ্ছে কর্ণাটকের নাম? এই হামলায় কী ভূমিকাই বা ছিল ওই তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীর? উঠেছে প্রশ্ন।

বৃহস্পতিবার কর্ণাটকের বগলকোট শহরের বিদ্যাগিরি এলাকা থেকে সাই কৃষ্ণা নামে ওই তথ্য়প্রযুক্তিকর্মীকে গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশ। এছাড়াও উত্তরপ্রদেশের জলায়ুন জেলার ওরাই থেকে অতুল কুলশ্রেষ্ঠ নামে বছর পঞ্চাশের এক ব্যক্তিকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে তিনি কোনও কাজকর্ম করেন বলে জানতে পারেনি পুলিশ। ১৩ ডিসেম্বর পার্লামেন্টের নিরাপত্তা ভাঙার ঘটনায় তিনিও জড়িত বলে সন্দেহ পুলিশের। ধৃত সাই কৃষ্ণের বাবা কর্ণাটকের অবসরপ্রাপ্ত পুলিশকর্মী। সাই নিজে কাজ করতেন একটি বহুজাতিক সংস্থায়। সেখান থেকে কীভাবে এই ধরনের জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি মামলায় জড়িয়ে পড়ল সে, অবাক করেছে পুলিশকে।

ইতিমধ্যেই লোকসভায় সাম্প্রতিক এই হামলার ঘটনায় বেশ কয়েক জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তার মধ্যে মনোরঞ্জন ডি বলে এক অভিযুক্তের ডায়রি ঘেঁটে পুলিশের হাতে বেশ কিছু তথ্য এসেছে। সেখানেই দেখা দিয়েছে, বেঙ্গালুরুর কলেজে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সময় মনোরঞ্জন ও সাই কৃষ্ণ সহপাঠী ছিলেন। এমনকী হোস্টেলের একই ঘরে থাকতেন তাঁরা। পুলিশের অনুমান, মনোরঞ্জনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ থেকে থাকতে পারে সাই কৃষ্ণর। ইতিমধ্যেই মনোরঞ্জনের বাবা-মাকেও মাইসুরুতে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। একদিন নয়, লাগাতার তিন দিন ধরে চলেছে জিজ্ঞাসাবাদ।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মোদীর 'সুরক্ষিত' লোকসভায় ঢুকে পড়ল হানাদার! কী তাদের পরিচয়?

Parliament Security Breach: প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, দুপুর একটা নাগাদ অধিবেশন চলাকালীন হঠাৎ করেই পাবলিক গ্যালারির দিক দিয়ে লাফ দেয় দুই অনুপ্রবেশকারী।

সংসদভবনের নিরাপত্তা ভঙ্গের বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই যথেষ্ট প্রশ্নের মুখে পড়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। স্বাভাবিক ভাবেই চাপে রয়েছে দিল্লি পুলিশও। ফলে এই মামলাটির যে অতিরিক্ত তৎপরতার সঙ্গে তদন্ত হবে, সে কথা আশ্চর্য নয়। ফলে সব রকম চেষ্টা করা হচ্ছে দিল্লি পুলিশের তরফে। মনোরঞ্জনের ব্যাপারে খুঁটিয়ে সমস্ত কিছু জানা হয়েছে তাঁর বাবা-মায়ের কাছ থেকে। আদৌ কোনও বড়সড় চক্রের যোগ রয়েছে কিনা এই ঘটনার সঙ্গে, খতিয়ে দেখা হচ্ছে তা-ও।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
লোকসভায় গেরুয়া-রাজ! কেন গত তিনদিনে বরখাস্ত ১৪১ বিরোধী সাংসদ?

Opposition MPs suspended from Lok Sabha and Rajya Sabha: মঙ্গলবার সাসপেন্ড হওয়া সাংসদদের মধ্যে রয়েছেন কংগ্রেস নেতা শশী থারুর, মণীশ তিওয়ারি, কার্তি চিদাম্বরম, এনসিপি-র সুপ্রিয়া সুলে, সমাজবাদী পার্টির ডিম্পল যাদব, ন্যাশনাল কনফারেন্সের ফারুক আবদুল্লা-সহ আরও অনেকেই।

এদিকে, উত্তরপ্রদেশের জলায়ু প্রশাসনের তরফে নিশ্চিত করা হয়েছে অতুলের গ্রেফতারির বিষয়টিও। ওরাইয়ের রামনগর এলাকার বাসিন্দা অতুলের হাতে তেমন কোনও কাজকর্ম ছিল না বলে জানা গিয়েছে। বেশিদূর পড়াশোনাও করেননি বছর পঞ্চাশের অতুল। হাইস্কুলের পর আর পড়াশোনার চৌকাঠ এড়াননি তিনি। আর্থিক অবস্থাও বিশেষ ভালো নয় তার। মূলত চাষবাস থেকেই সংসার চলে অতুলের। স্থানীয় মহলে বাচ্চা বলেই পরিচিত অতুল। তবে তাঁর অতীতের কোনও অপরাধের রেকর্ড নেই। রাজনীতির সঙ্গেও কোনও যোগাযোগের প্রমাণ মেলেনি। তবে পুলিশ জানিয়েছে, ছাত্রাবস্থা থেকেই ভগৎ সিংয়ের মতাদর্শ তাঁকে খুব প্রভাবিত করত। ভগৎ সিং ফ্যান ক্লাবের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল তাঁর।

মনোরঞ্জন-সহ চার ধৃতের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। সন্ত্রাস দমন আইন, বেআইনি কার্যকলাপ একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে। দিল্লি পুলিশের হাতে ধৃত সাই কৃষ্ণকে ইতিমধ্যেই দিল্লি নিয়ে আসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেখানেই তাকে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। সব মিলিয়ে সাম্প্রতিক এই লোকসভা হামলার ঘটনায় মোট ৬ জনকে গ্রেফতার করা হল এখনও পর্যন্ত। মনোরঞ্জন ছাড়াও লোকসভায় অনুপ্রবেশের ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছেন সাগর শর্মা নামে এক ব্যক্তি। রয়েছেন অমোল শিন্ডে ও নীলম আজাদ নামে আরও দু'জন, যাঁরা লোকসভার বাইরে ধোঁয়ার ক্যানেস্টার হাতে ধরা পড়ে। এই গোটা হামলার মূল ষড়যন্ত্রী ছিল মহেশ কুমাবত বলে এক ব্যক্তি, এমনটাই মনে করছে পুলিশ।

যদিও পুলিশের কাছে ধৃতরা জানিয়েছেন, হামলা বা শান্তিশৃঙ্খলা বিনষ্ট করার কোনও অভিসন্ধি তাঁদের ছিল না। মূলত মণিপুরের পরিস্থিতি, বেকারত্বের সমস্যা ও কৃষকদের সমস্যাগুলোর দিকে সংসদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই এই কাজটি করেন তাঁরা। তবে তাঁদের বক্তব্য যাই হোক না কেন, গোটা বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তদন্তের পথেই হাঁটছে দিল্লি পুলিশ। কাকতালীয় ভাবে, ২০০১ সালের ১৩ ডিসেম্বেরই কুখ্যাত সেই লোকসভা হামলার ঘটনাটি ঘটেছিল। সেই স্মৃতি উস্কে দিয়েই গত বুধবার, মোদির স্বপ্নের লোকসভা ভবনের ভিতরে হঠাৎই ঢুকে পড়ে দুই দুষ্কৃতী। সেই সময় শীতকালীন অধিবেশন চলছিল লোকসভায়। হাতে হলুদ ধোঁয়া বেরোনো ক্যানেস্টার নিয়ে লোকসভায় ঢুকে পড়েছিল তারা। যদিও সাংসদেরাই তাদের ধরে ফেলেন, এরপর তাঁদের তুলে দেওয়া হয় পুলিশের হাতে। গোটা ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। আর সেই চাঞ্চল্য আজও অব্যাহত রয়েছে লোকসভা অধিবেশন জুড়ে। জানা যায়, মাইসুরুর বিজেপি সাংসদ প্রতাপ সিমহার ভিজিটর কার্ডেই সংসদে ঢুকেছিল দুষ্কৃতীরা। স্বাভাবিক ভাবেই এই ব্যাপারটা জানাজানির পরেই নড়েচড়ে বসে বিরোধীরা। লোকসভা ভবনের নিরাপত্তা ভঙ্গের ব্যাপারে শেষপর্যন্ত কি কিনারায় পৌঁছতে পারবে পুলিশ, সেটাই এখন দেখার।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।