অভিষেক 'টবের গাছ'! এবার নতুন কোন ভবিষ্যদ্বাণী প্রশান্ত কিশোরের?

Prashant Kishor: শুধু নীতীশ নয়, সম্প্রতি তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কম্যান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিয়েও ভবিষ্য়দ্বাণী করেছেন প্রশান্ত কিশোর।

Sohini Das
৪ মিনিট
অভিষেক 'টবের গাছ'! এবার নতুন কোন ভবিষ্যদ্বাণী প্রশান্ত কিশোরের?

ভারতীয় রাজনীতির শ্রীকৃষ্ণ যেন তিনি। তিনি যা বলেন, তা ফলে যায় অক্ষরে অক্ষরে। রাজনীতির কুরুক্ষেত্রে যে রাজনৈতিক দলের রথের রশি প্রশান্ত কিশোরের হাতে, সেই দলের জয় একপ্রকার নিশ্চিত। ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরকে নিয়ে রাজনীতির ময়দানে এ এক চালু কথা। সম্প্রতি শোনা যায়, তাঁর সংস্থা আইপ্যাক থেকে সরে এসেছেন প্রশান্ত কিশোর। তবে আইপ্যাকের সঙ্গে সম্পর্ক তার একেবারে ঘোঁচেনি মোটেই। শিয়রে লোকসভা ভোট। তার আগে গোটা দেশ জুড়েই রাজনীতির ময়দানে নানা ধরনের শোরগোল চলছে। সেই সব পালাবদল, রাজনৈতিক অস্থিরতা সম্পর্কে কী ভাবছেন ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর? আর এ দেশের রাজনীতিতে তাঁর ভাবনা বা ভবিষ্যদ্বাণীর যে বিশেষ একটা গুরুত্ব আছেই, তা তো আর আলাদা করে বলে দিতে হয় না।

দিন কয়েক আগেই বিহারে রাজনীতির ময়দানে বিরাট পরিবর্তন ঘটে গিয়েছে। হঠাৎ করেই পাল্টি খেয়ে ফের বিজেপির হাত ধরেছেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। আর তার প্রভাব পড়েছে জাতীয় রাজনীতিতেই। এ বছর প্রায় ২৬টি বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দল মিলে গড়ে তুলেছে বিরোধী-জোট ইন্ডিয়া। সেই ইন্ডিয়া জোটের অন্যতম মুখ ছিলেন নীতীশও। ফলে তার ভোল বদলে দুর্বল হয়েছে জোটও। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই ঝাড়খণ্ডে ইডি-র হাতে গ্রেফতার হন সেখানকার মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। ফলে বিরাট রাজনৈতিক বদল হয়েছে সেখানেও। যদিও দেশের রাজ শেষপর্যন্ত জেএমএম-আরজেডি-কংগ্রেস জোটের হাতেই রাখতে পেরেছেন হেমন্ত। সোমবারই আস্থা ভোটে জিতে সেখানে সরকার গড়েছেন ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার পুরনো সদস্য চম্পাই সোরেন। এদিকে আবার ক্রমশ চওড়া হয়েছে কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূলের দূরত্ব। গোড়া থেকেই রাজ্যে 'একলা চলো' নীতির কথা বলে এসেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সেই নিয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির সঙ্গে মমতার বিরোধ সপ্তমে চড়েছে। রাহুলের বাংলায় 'ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা'য় বারবার আমন্ত্রণ পাওয়ার পরেও তা এড়িয়েছেন তৃণমূলনেত্রী। এমনকী একই দিনে একই জায়গায় জনসভা করে কার্যত বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি, যে কংগ্রেসকে একচুলও জমি ছাড়তে নারাজ মমতা। এদিকে পঞ্জাব ও হরিয়ানাতে মমতার দেখানো পথেই হাঁটতে চেয়েছেন ইন্ডিয়া জোটের আরেক সদস্য কেজরিবালের দল আম আদমী পার্টি।

নীতীশ কুমারের এই সঙ্গ পরিবর্তনের অভ্যাস বহু পুরনো। এর আগেও একাধিক বার দল বদলেছেন তিনি। নীতীশের দলবদলের পর পরই প্রশান্ত কিশোর জানিয়েছিলেন, নীতীশের জেডিইউয়ের সঙ্গে এনডিএ-র এই সখ্য নাকি বেশিদিন টেকার নয়। খুব শিগগিরই ভাঙবে বিহারে গঠিত জনতা দল (ইউনাইটেড) আর বিজেপির এই নতুন জোট। সম্প্রতি নীতীশ কুমারকে অত্যন্ত ধূর্ত বলেও বর্ণনা করেছেন প্রশান্ত। সম্প্রতি 'আপ কি আদালত' অনুষ্ঠানে ডাক পেয়েছিলেন প্রশান্ত কিশোর। নীতীশের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্ক খুবই ভালো বলে জানান পিকে। অনেকটাই পিতা-পুত্রের সম্পর্কও বলা যায়। দীর্ঘদিন নীতীশের বাড়িতে থেকেওছেন তিনি। তা সত্ত্বেও ভোটকুশলী ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞ হিসেবে পিকে নীতীশের সমালোচনা করতে ছাড়েননি তিনি। পিকে জানান, ২০১৪ সালের ভোটে নীতীশ নন, তার দল হেরেছিল। সেসময় ইস্তফা দিয়ে জিতন রাম মাঁঝির হাতে দায়িত্ব তুলে দেন তিনি। ৪২ জন বিধায়কের সমর্থন নিয়েও হেরে গিয়েছিলেন নীতীশ। বারবার এই রাজনৈতিক দলবদল তিনি করেই গিয়েছেন। বিহারে পরবর্তী বিধানসভা ভোট ২০২৫ সালে। পিকের দাবি, সেই নির্বাচনে নীতীশের দল জেডিইউ সে রাজ্যের ২৪৩টি আসনের মধ্যে ২০টির বেশি জিততে পারবে না। তিনি এ-ও বলেন, "যে জোটের হয়েই লড়ুন না কেন, নীতীশের দল যদি ২০টির বেশি আসনে জেতে, আমি আমার কাজ ছেড়ে দেব।"

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের ফল কী, একবাক্যে যা জানালেন প্রশান্ত কিশোর

BJP Lok Sabha Polls 2024 : বিজেপিও ক্ষমতার জন্য যে কোনও দলকে একইভাবে ব্যবহার করতে জানে। বিজেপির এই চর্চা আরও গভীরে।

সম্প্রতি তিনি কথা বলেছেন, ২০২৪ লোকসভা ভোটের ফলাফল নিয়ে। অবশ্য কথা বলা ঠিক বলা যায় না তাকে। বরং ভবিষ্যদ্বাণী বললেই বোধহয় সঠিক হবে। আপাতত ২০২৪ ভোটই পাখির চোখ সব দলের। একদিকে আত্মবিশ্বাসী বিজেপি সরকার, অন্যদিকে, বিজেপি বিরোধী জোট 'ইন্ডিয়া', যাদের মধ্যে কোনও না কোনও ভাবে মতান্তর থেকেই যাচ্ছে। যত ভোট কাছে আসছে, তত চওড়া হচ্ছে অন্দরের বিবাদ। আর তা-ই ফের বিজেপি সরকারের ফিরে আসার সম্ভাবনাকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে বলে দাবি অভিজ্ঞদের। এরই মধ্যে লোকসভা ভোটে বিজেপির নিরঙ্কুশ জয় (ক্লিন সুইপ)-রই আভাস দিলেন ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর। তিনি জানিয়ে দেন, এই ভোটেও নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিপুল জয় পেতে চলেছে এনডিএ জোট। আর তাতে কোনও সন্দেহের অবকাশ নেই বলেই জানিয়ে দেন প্রশান্ত কিশোর। ২০২১ সালে বাংলায় নীলবাড়ির লড়াইয়ের আগেও পিকে জানিয়েছিলেন, বিজেপি ১০০ আসনে জিতলে তিনি ‘নির্বাচনী পরামর্শদাতার’ কাজ ছেড়ে দেবেন। তাঁর সেই ভবিষ্যদ্বাণী মিলে গিয়েছিল। তবে ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের পরই বাংলার দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান পিকে। তবে এখনও বঙ্গের ভোটের দায়িত্বে রয়েছে আইপ্যাক-ই। আনুষ্ঠানিক ভাবে আইপ্যাকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কথাও জানিয়েছিলেন তিনি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বিজেপির সঙ্গে কতদিন থাকবেন নীতীশ? ভবিষ্যদ্বাণী প্রশান্ত কিশোরের...

Prashant Kishor on Nitish Kumar : পিকে নির্দিষ্ট করে বলছেন, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন হওয়ার ছয় মাসের মধ্যে এই জোট ভেঙে যাবে।

প্রশান্ত কিশোর যখন এমন কিছু বলেন, তখন তার যে কোনও না কোনও ভিত্তি রয়েইছে, তা ধরে নেওয়াই যায়। শুধু নীতীশ নয়, সম্প্রতি তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কম্যান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিয়েও ভবিষ্য়দ্বাণী করেছেন প্রশান্ত কিশোর। তাঁর কথায়, অভিষেকেরা টবে পোঁতা গাছ ছাড়া আর কিছুই নয়। সাম্প্রতিক কোন রাজনৈতিক মুখের উপর বাজি ধরতে চান ভোটকুশলী, এই মর্মে তাঁকে একটি প্রশ্ন করা হয়। বিকল্প হিসেবে তাঁকে দেওয়া হয়েছিল বেশ কয়েকটি নাম। অখিলেশ যাদব, আদিত্য ঠাকরে, চিরাগ পাসওয়ান, কেটিআর, জন রেড্ডি, রাঘব চাড্ডা, ওমর আবদুল্লা, উদয়নিধি স্টালিন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম ছিল সেই তালিকায়। তার উত্তরে পিকে জানান, তিনি কারওর উপরেই রাজনৈতিক বাজি ধরতে রাজি নন, কারণ যাদের নাম বলা হয়েছে, তাঁরা সকালেই প্লটেড প্ল্যান্টস। পাশাপাশি এদের সকলকেই 'ব্যাড স্টক' বলেও দাবি করেন প্রশান্ত কিশোর। এদের কাউকেই তিনি দক্ষ রাজনীতিক মনে করেন না বলেও জানান তিনি। সেই নিয়ে স্বভাবতই বেশ বিতর্ক শুরু হয়। তবে তিনি প্রশান্ত কিশোর। ভোট রাজনীতির চাণক্য থেকে কৃষ্ণ, সবই তিনি। তিনি যা বলেন, তার অধিকাংশই যে ফলে যায়, এ কথা বোধহয় সকলেই জানেন। সেই মতো ক্ষেত্রসমীক্ষার পরেই মুখ থেকে কোনও একটা কথা খসান পিকে।

ফলে লোকসভা ভোটের আগে পিকের মুখ থেকে খসা প্রতিটা অক্ষরেরই যে আলাদা দাম রয়েছে রাজনীতির মঞ্চে, তা তো নতুন কথা নয়। ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা থেকে শুরু করে প্রায় প্রতিটি পদক্ষেপেই ইন্ডিয়া জোটের ভবিষ্যত নিয়ে আত্মবিশ্বাস দেখিয়েছে কংগ্রেস। তবে প্রশান্ত কিশোরের কথা যদি ধরা যায়, তাহলে তো ইন্ডিয়া জোটের সাফল্য যথেষ্ট সংশয়ের মুখে। আদৌ ২০২৪ লোকসভা ভোটের আগে বিজেপি ঝড়ের সামনে সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারবে এই বিরোধী জোট, নাকি স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যাবে। সেই প্রশ্নই নতুন করে চাগাড় দিয়েছে পিকে-র একগুচ্ছ ভবিষ্যদ্বাণীর পরে।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।