অধীরের মন্তব্যই ভোট-বাজারে অস্ত্র মোদির! কংগ্রেস-অধীর দ্বৈরথের ফায়দা তুলতে পারবে বিজেপি?

Adhir Chowdhury: লোকসভা ভোটের আগেও দলের সঙ্গে মতানৈক্য বারবার চওড়া হয়েছে অধীর রঞ্জনের সঙ্গে কংগ্রেসের। তৃণমূলের সঙ্গে সমঝোতার ব্যাপারে কিছুতেই একমত হতে পারেননি অধীর।

Sohini Das
৪ মিনিট
অধীরের মন্তব্যই ভোট-বাজারে অস্ত্র মোদির! কংগ্রেস-অধীর দ্বৈরথের ফায়দা তুলতে পারবে বিজেপি?

পশ্চিমবঙ্গ কংগ্রেসের কার্যত একা কুম্ভ অধীর রঞ্জন চৌধুরী। প্রায় পাঁচ দশক ধরে বহরমপুর একা রক্ষা করে গিয়েছেন অধীর। গোটা রাজ্যে যখন সবুজ ঝড়, সে সময়েও বহরমপুরের রাশ কখনও হাত থেকে বেরোয়নি তাঁর। নিজের যুক্তিতে, নিজের রাজনৈতিক বোধে সবসময়ে অনড় থাকতে দেখা গিয়েছে বর্ষিয়ান এই রাজনীতিককে। কংগ্রেস শীর্ষনেতৃত্বর সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে মতানৈক্য হয়েছে তাঁর। লোকসভা ভোটের আগেও দলের সঙ্গে মতানৈক্য বারবার চওড়া হয়েছে অধীর রঞ্জনের সঙ্গে কংগ্রেসের। তৃণমূলের সঙ্গে সমঝোতার ব্যাপারে কিছুতেই একমত হতে পারেননি অধীর। সম্প্রতি সেই নিয়ে ফের দলের সঙ্গে ব্যবধান বাড়ে তাঁর। আর ভোটের বাজারে সেই সুযোগকে ব্যবহার করেই সুঁচ হয়ে ঢুকে ফাল হয়ে বেরোতে চাইছে বিজেপি।

দিন কয়েক আগেই মোদি একটি জনসভায় বলেছিলেন, আদানি-অম্বানির মতো শিল্পপতিদের থেকে টাকা নিয়ে তাঁদের আক্রমণ করা বন্ধ করে দিয়েছে রাহুল গান্ধিরা। মোদির সেই উবাচ ঘিরে বেশ বিতর্ক হয়েছিল। রাহুল গান্ধি পাল্টা আক্রমণ করে আদানিদের বিরুদ্ধে সিবিআই-ইডি তদন্তেরও দাবি জানিয়ে বসেন। একদা মোদি-ঘনিষ্ঠ আদানি-অম্বানিদের সঙ্গে কেন কংগ্রেসের যোগ খুঁজতে চাইছে বিজেপি, তা নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়। এরই মধ্যে সামনে এসেছে অধীর চৌধুরীর একটি সাক্ষাৎকার। যেখানে প্রশ্নকর্তা অধীরকে বলেন, অধীররা তো সাংসদে আদানি-অম্বানিকে জোরদার আক্রমণ করেন। তার উত্তরে মজা করেই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলে বসেন, "তিনি বিপিএল, আদানি-অম্বানির থেকে টাকা পেলে আক্রমণ করা বন্ধ করে দেবেন।" কটাক্ষের সুরে তিনি এ-ও বলেন, "আগে তো পাঠাক, তার পর কী হবে বিচার করা যাবে।"

আর এর পরেই অধীরবাবুর সেই বক্তব্যকে নিয়ে আসরে নেমে পড়েছে গেরুয়া শিবির। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দাবি, "অধীর চৌধুরী তো বরাবরই নিজের তীক্ষ্ণ রাজনৈতিক মন্তব্যের জন্য চর্চায় থাকেন। তবে এবার আমার পর্যবেক্ষণ একেবারে সঠিক। তিনি আমার কথায় কার্যত সিলমোহর বসিয়েছেন। কংগ্রেসের লোকসভার দলনেতা অধীর রঞ্জয় চৌধুরী মেনে নিলেন টেম্পো ভর্তি করে টাকা এলে তাদের বিরুদ্ধে একটি কথাও বলা যায় না।"

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
অধীরের লড়াইয়ে জল ঢালছে কংগ্রেস হাইকমান্ডই

Adhir Chowdhury vs Mallikarjun Kharge: ক্ষমতার কাছাকাছি না যেতে পারলে যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকেই প্রচ্ছন্ন সমর্থন দিয়ে যাবেন না সেই গ্যারান্টিও কি খাড়্গে দিতে পারবেন?

আর এর পরেই ওয়াকিবহাল মহলের কেউ কেউ দাবি করেছেন, কংগ্রেসের সঙ্গে ক্রমশ দূরত্ব বাড়ছে অধীরের। দুদিন আগেই অধীরকে ভালোই বকাঝকা করেছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে। লোকসভা ভোটের প্রচার পর্বে মমতাকে পদে পদে আক্রমণ শানিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। বহরমপুরে ভোটের প্রচারে গিয়ে অভিষেকও সরাসরি নিশানা শানিয়েছেন অধীরকে। বাংলায় ইন্ডিয়া জোটের সমীকরণ কাজ না করার জন্য দায়ী করেছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতিকেই। গত শনিবার অধীরকে কড়া বার্তা দিয়েছিল কংগ্রেসের দিল্লি নেতৃত্ব। কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জোটের সঙ্গে আছেন, সেটা স্পষ্ট। সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে অধীর নন, দলের হাইকমান্ডই শেষ কথা। কেউ সেটা মানতে না পারলে, তিনি বেরিয়ে যেতে পারেন।

খাড়্গের বক্তব্যের পাল্টা দেন অধীরও। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সাফ জানিয়ে দেন, ‘কংগ্রেসকে কেউ খতম করবে, আমি তাঁকে খাতির করব, তা হতে পারে না। এটা পশ্চিমবঙ্গে আমার পার্টিকে রক্ষা করার জন্য লড়াই। এই লড়াই আমি কোনওভাবে থামাতে পারি না।’ তারপর থেকেই প্রদেশ কংগ্রেসের অন্দরে ক্ষোভের ছবি সামনে এসেছিল। রবিবার দেখা গেল প্রদেশ কংগ্রেস অফিসের বাইরে মল্লিকার্জুন খাড়গের একাধিক ছবিতে কালি লাগানো হয়েছে। শুধু তাই নয়, তার উপর লিখে দেওয়া হয়েছে 'তৃণমূলের দালাল'। সে ঘটনার অবশ্য কড়া নিন্দা করেন অধীর। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন এই ঘটনায় পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করার। সেই মতো থানায় গিয়ে অভিযোগ জানিয়েছে কংগ্রেস নেতৃত্ব। পাশাপাশি ওই হোর্ডিংগুলি থেকে কালি মুছে দেওয়ার কাজ চলছে। কিছু হোর্ডিং খুলে ফেলা হচ্ছে। প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের একাংশের কথায়, দলের মধ্যে এমন মনোমালিন্য থাকতেই পারে। সেটা নিয়ে কেউ বা কারা জলঘোলা করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ। তাদের দাবি, কংগ্রেসের মধ্য়ে কেউ এই ঘটনা ঘটায়নি, বাইরের কোনও রাজনৈতিক দলের কর্মী রাজনৈতিক ফায়দা লোটার জন্য এই কাজ করতে পারে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
২৫ বছরের সাংসদ! এবারও ম্যাজিক ঘটাতে পারবেন বহরমপুরের 'রবিনহুড' অধীর?

Adhir Chowdhury Lok Sabha Polls 2024: গত ২৫ বছরে এই প্রথম নির্বাচনে অধীর চৌধুরীর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী একজন মুসলিম প্রার্থী, ইউসুফ পাঠান

তার পরেই অবশ্য সুর নরম করেন কংগ্রেস সভাপতি খাড়্গে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরীকে কংগ্রেসের ‘লড়াকু নেতা’ বলে সম্বোধন করে তিনি জানান, “আমি কোনও ব্যক্তির বিষয়ে বলতে চাই না। তিনিও আমাদের লড়াকু নেতা। কেউ কেউ বিষয়টি রঙ চড়িয়ে বলার চেষ্টা করছে। কিন্তু এটা হবে না। কংগ্রেস মজবুত দল। এখানে আমরা একে অন্যকে বুঝি। এখানে সবসময়ই হাইকমান্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছে জোটের বিষয়ে। সেই মতোই আমরা চলে আসছি।”

তবে এই যে দলের সঙ্গে বেড়ে চলা দূরত্ব, তার প্রভাব কি পরবর্তীকালে পড়তে চলেছে অধীর চৌধুরীর রাজনীতির সিদ্ধান্তে। বহরমপুরে এবার তাঁর বিরুদ্ধে তৃণমূল দাঁড় করিয়েছিল রাজনীতিতে অনভিজ্ঞ ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠানকে। শুধুমাত্র ক্রিকেটারের জনপ্রিয়তা নিয়ে বহরমপুরের মতো কঠিন কেন্দ্র থেকে সত্যিই কি জয় ছিনিয়ে আনতে পারবেন পাঠান? এদিকে বহরমপুরের পঁচিশ বছরের সাংসদ অধীর। সেখানে তাঁর জনপ্রিয়তা কার্যত আকাশচুম্বি। নিজের এলাকা নিয়ে এতটাই আত্মবিশ্বাসী তিনি, তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, বহরমপুরে যদি তৃণমূল জিতে যায়, তাহলে রাজনীতি থেকেই অবসর নেবেন অধীর।

অধীর চৌধুরী বরাবরই জেদি। একদা বামেদের বিরুদ্ধে দাপটের সঙ্গে রাজনীতি করেছেন। পরে তৃণমূল জমানাতেও একরোখা। বাংলায় তৃণমূল সরকার গঠনের পর প্রথম লোকসভা ভোটে বহরমপুরে সাড়ে তিন লক্ষ ভোটের ব্যবধানে জিতেছিলেন তিনি। সর্বভারতীয় স্তরে সেই ভোটে কংগ্রেসের খুবই করুণদশা ছিল। কংগ্রেসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবধানে জিতেছিলেন অধীর। বহরমপুর লোকসভা আসনে অধীর চৌধুরীকে পরাস্ত করতে এর পরের ভোটে মমতা দায়িত্ব দেন শুভেন্দুকে। শুভেন্দু মুর্শিদাবাদের দায়িত্ব নিয়েই সেখানে কংগ্রেসকে ভাঙাতে নেমে পড়েন। কান্দির তৎকালীন বিধায়ক তথা একদা অধীরের অনুগামী বলে পরিচিত অপূর্ব সরকার তথা ডেভিডকে তৃণমূলে সামিল করান শুভেন্দু। তাঁর পরামর্শেই মমতা উনিশের ভোটে বহরমপুরে ডেভিডকে প্রার্থী করেন। ভোটের দিন ডেভিড বাহিনীর বিরুদ্ধে বিস্তর ভোট লুঠের অভিযোগ উঠেছিল। আর দেখা যায়, বহরমপুরের বুথে বুথে ছুটে বেড়াচ্ছেন অধীর। বিকেল ৫টায় ভোট শেষ হতেই তিনি জানিয়ে দেন, জিতে যাব, এখন এই মুহূর্তেই বলে রাখলাম। শুভেন্দুও দলের মধ্যে দাবি করেছিলেন, তৃণমূল জিতে যাবে। দেখা যায়, শেষ হাসি হাসেন অধীরই। এবারেও কি সেই ঘটনারই পুনরাবৃত্তি ঘটতে চলেছে।

এদিকে, দলের সঙ্গে অধীরের মতানৈক্য যখন তুঙ্গে, এমনকী অধীরের প্রচারে তেমন করে দেখা যায়নি দলের শীর্ষনেতৃত্বকেও, সে সময়ে অধীরের পাশে থেকে সহানুভূতি দেখানোর চেষ্টা করছে বিজেপি। বিজেপির রাজ্যসভাপতি সুকান্ত গঙ্গোপাধ্যায় থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, প্রায় সকলেই হাবেভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন, বিজেপির দরজা তাঁর জন্য খোলা। তবে বাংলা কংগ্রেসের একা কুম্ভকে কি এত সহজে টলানো যাবে নিজের জায়গা থেকে। দলের সঙ্গে ক্রমশ বাড়তে থাকা দূরত্ব কি ক্রমশ বিপজ্জনক জায়গায় নিয়ে যেতে চলেছে বাংলা কংগ্রেস ও অধীর চৌধুরীর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎকে? বহরমপুরে যদি শিকে না-ও ছেড়ে, তাহলে কি বানপ্রস্থের পথই বেশি সহজ হতে চলেছে অধীর চৌধুরীর জন্য? এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর অবশ্য মিলবে ৪ জুনের পরেই।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।