ডেমোক্র্যাটদের বিপুল সমর্থন, তবু কেন কমলার পাশে নেই ওবামা?

US Presidential Elections 2024: সম্প্রতি বারাক ওবামার ঘনিষ্ঠ সূত্রের তরফে মার্কিন দৈনিক নিউ ইয়র্ক পোস্টে দাবি করা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর দৌড়ে কমলা হ্যারিসের এগিয়ে যাওয়া নিয়ে নাকি বেশ হতাশ ওবামা।

Sohini Das
৩ মিনিট
ডেমোক্র্যাটদের বিপুল সমর্থন, তবু কেন কমলার পাশে নেই ওবামা?

সামনেই প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচন আমেরিকায়। আর বেশি সময় নেই। নভেম্বরেই ভোট। স্বাভাবিক ভাবেই সাজো সাজো রব আমেরিকা জুড়ে। এর মধ্যে ঘটনার ঘনঘটার শেষ নেই সেখানে। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির পদপ্রার্থী ট্রাম্পের কান ঘেঁষে গিয়েছে বন্দুকবাজের গুলি। সেই কাণ্ড ঘিরে উত্তেজনার মধ্যেই প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচনের লড়াই থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন ডেমোক্র্যাট পদপ্রার্থী জো বাইডেন। শোনা যাচ্ছে, বয়সজনীত কারণেই প্রেসিডেন্ট লড়াইয়ের ময়দান থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি ডেমোক্র্যাট পার্টির তরফে সুপারিশ করেছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের নাম। নিজের সমর্থনও জানিয়েছেন। এদিকে জো বাইডেন সমর্থিত প্রার্থী কমলা হ্যারিসের জয় নিয়ে সংশয়মুক্ত নন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। এমনকী তাঁর সমর্থনও নেই কমলার সঙ্গে।

প্রেসিডেন্সিয়াল বিতর্কে ঠিক মতো ছন্দে পাওয়া যায়নি মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে। এমনকী ট্রাম্পের কথার উত্তরে ঠিক মতো যুক্তি সাজাতে পর্যন্ত পারেননি বাইডেন। এর মধ্যে করোনা ধরা পড়ে তাঁর। বাইডেনের শরীর নিয়ে উদ্বেগ ছিল ডেমোক্র্যাট দলের মধ্যেও। অবশেষে সেই জল্পনা সত্যি করে প্রেসিডেন্ট ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ান বাইডেন। বুধবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময়ে কমলার উদ্দেশে বিপুল প্রশংসাও করেন জো বাইডেন। আগামীর নেত্রী হিসেবে কমলাকে বিশেষ মর্যাদাও দেন।

ইতিমধ্যেই ডেমোক্র্যাটদের অন্দরের অনেক নেতার থেকেই সমর্থন পেয়েছেন কমলা হ্যারিস। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যে প্রার্থী হতে চলেছেন এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত নেত্রীই, তা একরকম ভাবে ঠিক। তবে এর মধ্যেই যেন বেসুরো শোনাচ্ছে বারাক ওবামাকে। ট্রাম্পকে ঠেকাতে কমলাকে যোগ্য বলেই মনে করছেন না ওবামা। কিন্তু কেন? কেন কমলার প্রতি এত অনাস্থা ওবামার। তার একটা মোটা দাগের কারণ অবশ্য ওবামাপত্নী মিশেল। জো বাইডেন সরে দাঁড়ানোর পর শোনা গিয়েছিল ডেমোক্র্যাটদের তরফে প্রার্থী হতে পারেন দেশের প্রাক্তন ফার্স্ট লেডি তথা বারাক ওবামা-পত্নী মিশেল ওবামা। কিন্তু সেই সম্ভাবনায় জল ঢেলে জো বাইডেন মনোনয়ন করে যান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলাকেই।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
প্রেসিডেন্ট ভোটে লড়ছেন না বাইডেন! কেন এমন সিদ্ধান্ত মার্কিন প্রেসিডেন্টের?

US Presidential Election 2024: মাত্র চার মাস পরেই ভোট। তার আগেই প্রেসিডেন্টের দৌড় থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন জো বাইডেন। কেন হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত।

সম্প্রতি বারাক ওবামার ঘনিষ্ঠ সূত্রের তরফে মার্কিন দৈনিক নিউ ইয়র্ক পোস্টে দাবি করা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর দৌড়ে কমলা হ্যারিসের এগিয়ে যাওয়া নিয়ে নাকি বেশ হতাশ ওবামা। কোনও ভাবে যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো প্রার্থীকে পরাজিত করতে পারবেন কমলা, এমনটা তিনি মনে করেন না। সূত্রের খবর, ওবামা মনে করেন, দেশের সীমান্ত পর্যন্ত কখনও ঘুরে দেখেননি কমলা হ্যারিস, দেশের সমস্যাগুলিকে বোঝার চেষ্টা করেননি। এমনকী অভিবাসীদের ব্যাপারে কোনও ধারণাও নেই তাঁর। অভিবাসীদের স্বাস্থ্যবিমা থাকার প্রয়োজনীয়তাটুকু নিয়ে সম্যক ধারণা নেই কমলার। আর এসব কারণেই তাঁকে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসেবে অযোগ্য মনে করছেন বারাক ওবামা।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বন্দুকের নলই আমেরিকায় ক্ষমতার উৎস

America and Weapon Industry: ২০২২ সালে বৈশ্বিক সামরিক বাজেটের পরিমাণ ছিল মোটামুটি ২.২ ট্রিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। বিগত আট বছরে এই সংখ্যাটা উত্তরোত্তর বেড়েছে। আর এই যে বিশাল বাজার, সেই বাজারের আসল 'বাঘ' কিন্তু আমেরিকা।

তবে জো বাইডেন লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোয় যে ওবামা খুশি নন, এমনটা কিন্তু আদতেই নয়। বরং বিভিন্ন সূত্র মনে করছে, বাইডেনের সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তে কলকাঠি নেড়েছেন বারাক ওবামা নিজেই। শোনা যায়, বিশিষ্ট বন্ধু ও অভিনেতা জর্জ ক্লুনিকে দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যমে এই সংক্রান্ত বিভিন্ন লেখাও লিখিয়েছিলেন তিনি। কার্যত বাইডেনকে প্রেসিডেন্ট ভোটের লড়াই থেকে সরিয়ে দেওয়াই ছিল তার পরিকল্পনা। সেই পরিকল্পনা সফল হলেও কমলা হ্যারিসকে কোনও ভাবেই প্রেসিডেন্ট হওয়ার দৌড়ে দেখতে চাননি তিনি।

কোনও কোনও সূত্র মনে করছে, আগামী মাসেই ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ন্যাশনাল কনভেনশন। সেখানেই অ্যারিজোনার সেনেটর মার্ক কেলির নাম প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরতে চেয়েছিলেন বারাক ওবামা। স্বাভাবিক ভাবেই সংশয় জাগে, কেনই বা নিজের স্ত্রী মিশেলকে সমর্থন না করে অ্যারিজোনার সেনেটরকে সমর্থন জানাতে যাবেন তিনি? তবে সূত্রের খবর, সেই কনভেনশন অনুষ্ঠিত হওয়ার আগেই যেভাবে কমলা হ্যারিসকে ঘিরে উপচে পড়েছে ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন, তাতে নাকি বেশ ক্ষুব্ধ ওবামা। এমনকী সেই রাগে কনভেনশনে যোগ না-ও দিতে পারেন তিনি।

তবে মার্কিন অন্য একটি সংবাদ সংস্থা অবশ্য জানাচ্ছে, শেষপর্যন্ত হয়তো কমলা হ্য়ারিসকেই সমর্থন জানাতে চলেছেন ওবামা। কমলার ভোটে দাঁড়ানো নিয়ে তাঁর ক্ষোভ থাকলেও নিয়মিত কমলার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন ওবামা। এমনকী ভোটে দাঁড়ানো, প্রচার থেকে শুরু করে প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে নানা বিষয়ে পরামর্শও পাচ্ছেন কমলা হ্য়ারিস। তাঁর নির্বাচনী প্রচারেও হয়তো পাশে দেখা যেতে পারে আমেরিকার এই জনপ্রিয় প্রাক্তন প্রেসিডেন্টকে।

এমনিতেও যা অবস্থা দেখা যাচ্ছে, তাতে ডেমোক্র্যাটদের হয়ে কমলার প্রেসিডেন্ট ভোটে লড়া একরকম স্থির বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। ডেমোক্র্যাটিক পার্টিতে ডেলিগেটের সংখ্যা প্রায় চার হাজার। ইতিমধ্যেই কমলা হ্যারিস ১ হাজার ৯৭৬ জনের সমর্থন পেয়ে গেছেন। প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হওয়ার জন্য যা যথেষ্ট। স্বাভাবিক ভাবে জোরদার প্রচার এবং প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গিয়েছে কমলার। তবে রাজনীতির খেলায় যে কোনও সময় যা কিছু হতে পারে। তেমন বড় কিছু না ঘটলে কমলাই লড়বেন ডেমোক্র্যাটদের লড়াই। এখন প্রশ্ন রিপাবলিক প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে টক্কর দিতে পারবেন তো রাজনীতিতে অপেক্ষাকৃত নবীনা কমলা? নাকি শেষপর্যন্ত ফলে যেতে চলেছে ওবামার ভবিষ্যদ্বাণীই? সেটাই দেখার।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।