সত্যিই তবে জলের খোঁজ মিলল চাঁদে? চ্যালেঞ্জ পুরনো তত্ত্বকে

Water Molecules On Moon: চাঁদের মাটি থেকে এক হাজারটিরও বেশি খনিজ জমাট বিচ্ছিন্ন করেছেন বিজ্ঞানীরা। এর মধ্যে একটি প্লেটের মতো স্বচ্ছ স্ফটিক ছিল, যার নাম রাখা হয়েছে "unknown lunar mineral" (ULM-1)।

Sohini Das
৪ মিনিট
সত্যিই তবে জলের খোঁজ মিলল চাঁদে? চ্যালেঞ্জ পুরনো তত্ত্বকে

চাঁদ নিয়ে মানুষের আগ্রহের শেষ নেই। কিছু দিন আগেই জানা গিয়েছে, চাঁদের মাটিতে রয়েছে নাকি সুবিশাল সব গুহাপথ। যা দেখার পর চাঁদে বসবাসের নানা জল্পনা কল্পনাও কষে ফেলেছে মানুষ। চাঁদে যে জল নেই, তেমন একটা ধারণা ছিল এতদিন ধরে। কার্যত ধরেই নেওয়া হয়েছিল, চাঁদের মাটি শুকনো, খটখটে। এবার সেই ধারণাকে কার্যত চ্যালেঞ্জ করে বসল চিন। তাদের মহাকাশচারীদের দাবি, চাঁদের মাটিতে মিলেছে জলের সন্ধান।

জলের অন্য নাম জীবন। জলের সন্ধান মানে প্রাণের সন্ধান মেলার সুযোগও বেড়ে যায় কয়েক গুণ। তবে কি সেদিন আর বেশি দেরি নেই, যেদিন চাঁদে মিলবে মানুষের মতোই প্রাণীদের। না, সে নিয়ে অবশ্য এখনও ঢের বিতর্কের অবকাশ রয়েছে। তবে চাঁদের এ হেন জলের সন্ধান মেলা কিন্তু মহাকাশ গবেষণায় একটা বড় মাইল ফলক তো বটেই।

মহাকাশের লড়াইয়ে কেউ কাউকে এক চিলতে জমি ছাড়েনি কখনও। এমনকী সেই লড়াই কোনও অংশে যুদ্ধের চেয়ে কম নয়। চাঁদে প্রথম পা রেখেছিল আমেরিকা। যদিও তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে বহু। অনেকেই মনে করেন প্রায় ৫৫ বছর আগে অ্যাপলো ১১-র চাঁদ জয়ের ঘটনা নাকি গোটাটাই স্টুডিওতে করা শুটিং। নীল আর্মস্ট্রংদের চাঁদে পা দেওয়া নিয়ে তাই সংশয়ের শেষ নেই।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বসবাস করতে পারবেন মানুষ? চাঁদের বুকে খোঁজ মিলল আশ্চর্য গুহার

Moon Cave: নাসার বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, চাঁদের বুকে ঠিক যেখানে অবতরণ করেছিল সেই অ্যাপলো ১১ মহাকাশযানটি, চাঁদের এই গুহার খোঁজ মিলেছে তার থেকে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার দূরে।

এরপর রাশিয়া, চিন এবং ভারত— এই চার দেশই চাঁদের মাটিতে পুঁতে এসেছে নিজেদের দেশের ঝান্ডা। এবং সেটুকুতেই আশ মেটেনি তাদের। চাঁদকে আরও জানতে, আরও বুঝতে অহরহ গবেষণা চালিয়ে গিয়েছে তারা। চলেছে অভিযান। আমেরিকা অ্যাপলো ১১ মিশনের পরেও আরও পাঁচ বার চাঁদে গিয়েছে। সম্প্রতি চাঁদে পা রেখেছে জাপানও। পিছিয়ে নেই চিন এবং রাশিয়াও। চাঁদ নিয়ে মানুষের অপার জানার আগ্রহ বারবার তাকে টেনে নিয়ে গিয়েছে চাঁদ নামক ওই আশ্চর্য উপগ্রহের মাটিতে।

কয়েক দশক আগে চাঁদ থেকে মাটির নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল অ্যাপলো মিশনে। সেই নমুনা পরীক্ষা করে তাতে জলের কোনও চিহ্ন খুঁজে পায়নি নাসা। যার থেকে এরকম ভাবে ধরে নেওয়া হয়, চাঁদের মাটি শুকনো খটখটেই। ২০২০ সালে চ্যাং'ই-৫ মিশনে চিন সংগ্রহ করে চাঁদের মাটির নমুনা। সেই নমুনা বিশ্লেষণ করে সম্প্রতি নাকি জলের খোঁজ পেয়েছেন চিনা বিজ্ঞানীরা। মিলেছে জলের অণু। সূত্রের খবর, ২০২০ সালে Chang'e-5 মিশনে সংগ্রহ করা মাটির নমুনার উপর ভিত্তি করে সেখানকার বিজ্ঞানীদের ধারণা, চাঁদে অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন অণুর আকারে হাইড্রেটেড খনিজ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই গবেষণা সম্প্রতি পিয়ার-রিভিউ জার্নাল নেচার অ্যাস্ট্রোনমিতে প্রকাশিত হয়।

২০২০ সালে নাসা চাঁদের দক্ষিণ গোলার্ধে ক্ল্যাভিয়াস ক্র্যাটারে জলের অনু শনাক্তকারী ইনফ্রারেড প্রযুক্তির দৌলতে চাঁদের আলোকিত পৃষ্ঠে জলের অণু আবিষ্কার করেছিলেন। গত বছর নাসার তরফে জানানো হয়েছিল, চাঁদের আলোকিত পিঠেই রয়েছে জলের হদিস। অবশ্য তা জমে রয়েছে বরফ হিসেবে। নাসার সোফিয়া অর্থাৎ স্ট্র্যাটোস্ফেরিক অবজারভেটরি ফর ইনফ্র্যারেড অ্যাস্ট্রোনমি (SOFIA) একপ্রকার নিশ্চিত করেছে যে চাঁদের ক্লেভিয়াস গহ্বরে হাইড্রজেন ও অক্সিজেন মৌল জোট বেঁধে H2O জলের অণু তৈরি করেছে। চাঁদের পিঠে হাইড্রজেনের খোঁজ মিলেছিল। কিন্তু এই হাইড্রজেন, অক্সিজেনের সঙ্গে কোন রাসায়নিক ফর্মুলায় জোট বেঁধেছে সেটা জানা যায়নি এতদিন। নাসা জানিয়েছে, ক্লেভিয়াস ক্রেটারে ১২ আউন্স মতো জল জমে আছে। চাঁদের মাটি ও ধূলিকণায় এক ঘনমিটার অবধি জায়গা জুড়ে সেই জলের অণু ছড়িয়ে আছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
চাঁদ এখন শ্মশান! কেন চাঁদের মাটিতে মানবভস্ম, ডিএনএ পাঠানোর এমন ধূম জানেন?

Space Funeral: যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে মাঝআকাশেই ফেটে যায় পেরেগ্রিন ল্যান্ডার। যার ফলে সমস্ত ডিএনএ ও দেহাশ্ম ছড়িয়ে পড়ল মহাকাশেই। আর চাঁদে পৌঁছনো হল না তাদের।

১৯৬৯ সালে নাসার অ্যাপোলো মিশনে জানা গিয়েছিল চাঁদের পিঠ একেবারে রুক্ষ, শুষ্ক। জলের ছিটেফোঁটাও থাকতে পারে না। পরবর্তীতে ‘নাসার লুনার ক্রেটার অবজারভেশন অ্যান্ড সেন্সিং স্যাটেলাইট’ জানান দিয়েছিল, শুষ্ক নয় চাঁদের পিঠ, বরং বরফ জমে আছে চাঁদের মেরুতে। এরপরে নাসার একাধিক চন্দ্র-অভিযানে সে প্রমাণ মিলেছে। ক্যাসিনি মিশন, ডিপ ইমপ্যাক্ট কমেট মিশনে মহাকাশবিজ্ঞানীরা একই কথা বলেছিলেন।

ইসরোর প্রথম চন্দ্রযাত্রা তথা চন্দ্রযান-১ মিশন সফল না হলেও, মহাকাশবিজ্ঞানীরা বলেছিলেন চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে বরফ জমে আছে সেটা ধরা পড়েছিল চন্দ্রযান-১ এর অরবিটারে। সেটা অবশ্য সেই ২০০৯ সালের কথা। মাস দেড়েক আগেই ইসরো এবং স্পেস অ্যাপলিকেশন সেন্টারের করা একটি স্টাডিতে ধরা পড়ে চাঁদে বিপুল পরিমাণ জলের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে বলে জানা যায়। এই গবেষণায় যুক্ত ছিলেন আইআইটি ধানবাদ এবং আইআইটি কানপুরের গবেষকেরাও। গবেষণায় জানা গিয়েছে, চন্দ্রপৃষ্ঠের তুলনায় মাটির নীচে প্রায় ৫ থেকে ৮ গুণ বেশি জল বরফ আকারে সঞ্চিত রয়েছে। ইসরো আরও জানিয়েছে এই বিপুল পরিমাণ জল বরফ আকারে সঞ্চিত আছে চাঁদের দুই মেরুতেই।

তবে চিনা বিজ্ঞানীরা নতুন কী খুঁজে পেলেন চাঁদের মাটিতে? জানা যাচ্ছে, চাঁদের মাটি থেকে এক হাজারটিরও বেশি খনিজ জমাট বিচ্ছিন্ন করেছেন তাঁরা। এর মধ্যে একটি প্লেটের মতো স্বচ্ছ স্ফটিক ছিল, যার নাম রাখা হয়েছে "unknown lunar mineral" (ULM-1), আর তার মধ্যেই মিলেছে নাকি জলের অণু। যাতে অন্তত ৪ শতাংশ জলের খোঁজ মিলেছে। কোনও ভাবে কি রকেট মিশন থেকে আসা দূষিত পদার্থ থেকে ওই জল আসতে পারে? যদিও সেই সম্ভাবনা একেবারেই উড়িয়ে দিয়েছেন চিনের বিজ্ঞানীরা।

শুকনো খটখটে মাটি থেকে চাঁদে জলের খোঁজ, এই তত্ত্বের আবিষ্কারে বিন্দু বিন্দু অনুদান রয়েছে আমেরিকা, ভারতের মতো বহু দেশেরই। তবে চাঁদের মাটিতে যে সত্যিই জল আছে, তার হাতেনাতে প্রমাণ কিন্তু প্রথম পেয়েছিলেন চিনা গবেষকেরাই। আর তা মিলেছিল ২০২০ সালেই। সম্প্রতি চাঁদ থেকে ফিরেছে Chang'e-6 চন্দ্রযান। চাঁদের অববাহিকা থেকে ২ কেজি উপাদান সংগ্রহ করে এনেছে বলে খবর। যা নিয়ে গবেষণা শেষ হলে আরও অনেক রহস্যেরই সমাধান হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে কি চাঁদজয়ের লড়াইয়ে শেষমেশ আমেরিকা, ভারতকে মাত দিয়ে দেবে চিনই! নাকি শেষ হাসি হাসবে নাসা, ইসরোরাই। সেটাই দেখার।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের আগে যে ভুলগুলি এড়ানো জরুরি

Stock Market Psychology: শেয়ারবাজারে একজন বিনিয়োগকারীর সবচেয়ে বড় সমস্যা অনেক সময় সে নিজেই। আজকের তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর আর্থিক বাজারে এই পর্যবেক্ষণের গুরুত্ব আরও বেড়েছে। কারণ এখন সমস্যা তথ্যের অভাব নয়, বরং তথ্যের অতিরিক্ত প্রবাহ।

মহাবিশ্বকে বুঝতে গিয়ে সমাজকে ভুলে যাননি অশোক সেন

পিএইচডির প্রথম প্রায় তিন বছর তাঁর গবেষণায় কোনো কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতিই হয়নি। চারদিকে শুধু স্থবিরতা। বেশিরভাগ শিক্ষার্থী যেখানে এমন পরিস্থিতিতে ধৈর্য হারিয়ে ফেলেন বা হতাশ হয়ে পড়েন, অশোক সেন তা করেননি।

মেষ নয়, হায়াডিস? ভ্যান গগের ‘স্টারি নাইট’ নিয়ে কী বলছে নতুন গবেষণা?

The Starry Night mystery: এর আগে দীর্ঘকাল ধরে ধারণা করা হতো যে ভ্যান গগের আঁকা ছবিটির উপরের অংশটি মেষ রাশির কোনো তারামণ্ডল। তবে, সায়েন্টিফিক রিপোর্টস জার্নালে প্রকাশিত 'দ্য অ্যাকচুয়াল স্কাই অফ ভ্যান গগস স্টারি নাইট: এ মাল্টিডিসিপ্লিনারি রিঅকনস্ট্রাকশন' নামক গবেষণাটিতে বলা হয়েছে, ভ্যান গগের ছবির কেন্দ্রীয় পাঁচ তারার বিন্যাস মেষ রাশির সঙ্গে নয়, বরং হায়াডিস নক্ষত্রপুঞ্জের সঙ্গে নিখুঁতভাবে মেলে।

ডার্কওয়েবে SBI-র তথ্য ফাঁস, কতটা সুরক্ষিত আপনার সঞ্চয়? যা জানাচ্ছেন সাইবার বিশেষজ্ঞ

সন্দীপ সেনগুপ্তের পরামর্শ, যাঁদের তথ্য ফাঁস হয়েছে বলে আশঙ্কা রয়েছে, তাঁদের আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। তিনি এমনকি ব্যাঙ্কে রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বর পরিবর্তন এবং নতুন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলার কথাও বলেছেন।

আইনস্টাইনের কাল্পনিক পরীক্ষা এবার বাস্তবে, কোয়ান্টাম জগতের কণা-তরঙ্গ রহস্যের কী হলো?

Einstein Bohr quantum debate: সম্প্রতি ১০০ বছর আগের আইনস্টাইনের সেই কাল্পনিক পরীক্ষাটি ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি অব চায়না (USTC)-এর বিখ্যাত কোয়ান্টামবিজ্ঞানী জিয়ান-উই প্যান (Jian-Wei Pan) এবং তাঁর সহকর্মীরা ল্যাবরেটরিতে বাস্তবে রূপ দিয়েছিলেন।

AI-এর যুগে মানুষ কি নিজের বুদ্ধিটাই মেশিনের হাতে তুলে দিচ্ছে?

Artificial Intelligence: ছোটবেলায় অনেকেই ভাবত রোবট এসে মানুষের কায়িক শ্রমের কাজগুলি করে দেবে। মানুষ অবসর পেয়ে গান শুনবে, কবিতা লিখবে কিংবা বারান্দায় বসে কফি খাবে। বাস্তবে দেখা গেল ঠিক তার উল্টো চিত্র। রোবট এখন কবিতা লিখছে, ছবি আঁকছে আর কোড তৈরি করছে। অন্যদিকে মানুষ সকাল থেকে রাত ল্যাপটপের সামনে বসে শিখছে প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং।

মহাকাশে রওনা নাসার টেলিস্কোপের, বদলে দিতে পারে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি?

NASA’s Roman Space Telescope: নাসার নতুন ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ বদলে দেবে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি? হাবল ও জেমস ওয়েবের পর কেন প্রয়োজন হলো এই নতুন মহাকাশ-চোখের? ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি, গ্যালাক্সি ও এক্সোপ্ল্যানেট সম্পর্কে কি নতুন তথ্য দেবে রোমান? মহাবিশ্বের প্রসারণের ইতিহাস বুঝতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে এই অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ?

সৌরপৃষ্ঠ আসলে কেমন? ৩৩ বছর পর মিলল উত্তর

Sun’s surface mystery: সূর্যের পৃষ্ঠকে এতদিন দূর থেকে তুলোর মতো নরম ও শান্ত দেখালেও, তা কি সত্যিই এমন? বিশ্বের বৃহত্তম সৌর টেলিস্কোপ ড্যানিয়েল কে ইনোয়ের তোলা সর্বোচ্চ-রেজোলিউশনের ছবিতে দেখা গেল ছোট ছোট হিংস্র প্লাজমার ঘূর্ণি। ৩৩ বছর আগে করা জোয়ান কার্পেনের সেই ভবিষ্যদ্বাণী কি অবশেষে সত্যি প্রমাণিত হলো? এই আবিষ্কার কি বদলে দেবে সৌরপৃষ্ঠ সম্পর্কে ধারণা?