নির্বাচনে জেতা আসলে ৩৬৫ দিনের কাজ! যেভাবে প্রমাণ করল মহারাষ্ট্র

Maharashtra Election Result 2024: প্রতি হাজার ভোটারের জন্য ১০জন কর্মীকে বেছে নেওয়া হয়েছিল। তাদের কাজই ছিল বারবার ভোটারদের বাড়ি যাওয়া।

Sambit Pal
৬ মিনিট
নির্বাচনে জেতা আসলে ৩৬৫ দিনের কাজ! যেভাবে প্রমাণ করল মহারাষ্ট্র

সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম-লালগড়-রিজওয়ানুরের মতো সরকার-বিরোধী ইস্যুর সুনামি না এলে, সরকার ফেলার বা গড়ার একটিই চাবিকাঠি রাজনৈতিক দলগুলির কাছে থাকে। আবার একটি রাজ্যের নির্বাচনী চরিত্রের পরিপ্রেক্ষিতে অন্য একটি রাজ্যের নির্বাচনকে দেখাও সঠিক নয়। ভারত যেমন বহু ভাষা-সংস্কৃতির দেশ, তার ভোট-সংস্কৃতিও ভিন্ন রাজ্যে ভিন্ন। তবে যতই ভিন্নতা থাকুক না কেন, ওই সরকার-বিরোধী ইস্যুর সুনামি না এলে, ভোট জেতার একটিই চাবিকাঠি — সংগঠন ও জনসংযোগ।

মহারাষ্ট্রের নির্বাচন দেখিয়ে দিল, নির্বাচন পরিচালনা করতে শুধু মাস দুয়েক সময় দিলে হয় না। সারা বছর কাজ করতে হয় ভোটকে পাখির চোখ করে। অনেকেই এ রাজ্যের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মতো মহারাষ্ট্রের লড়কি বহিন যোজনাকে ভোট জেতার অন্যতম কারণ ভাবছেন। এটা ঠিকই যে মহিলাদের জন্য এই প্রকল্প মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে কাজ করেছে, কিন্তু সেটাই শেষ কথা বলেনি।

মহারাষ্ট্রের বিজেপি নেতা ও বিদায়ী সরকারের উপমুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশ ও তাঁর দল বিভিন্নভাবে সংগঠন গোছানোর কাজটিই করে গিয়েছেন ভোটকে পাখির চোখ করে। ২০১৯ সালে মুখ্যমন্ত্রী হতে হতেও কুর্সি হাতছাড়া হওয়ার পরেও হাল ছাড়েননি তিনি। কংগ্রেস, শরদ পাওয়ার ও উদ্ধব ঠাকরে একজোট হয়ে মহা বিকাশ আঘাড়ি সরকার গড়লেও, দেবেন্দ্র শরদের এনসিপি ও উদ্ধবের শিবসেনাকে ভেঙে দু'টুকরো করেছেন। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয় হলেও, আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছেন।

ঘুরে দাঁড়ানোর গল্পও খুব সোজা পথে চলেনি কিন্তু তিনি মাথা ঠান্ডা রেখে এগিয়েছেন। বিজেপিও দল হিসেবে শরিক অজিত পাওয়ারের এনসিপি ও একনাথ শিণ্ডের শিবসেনাকে নিয়ে এগিয়েছে। কিন্তু এবারের নির্বাচন যে খুব 'স্থানীয় নির্বাচন' হয়ে উঠছে, তা প্রার্থী মনোনয়ন পর্ব ও প্রচারের সময়ই স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল। যার জোর যে অঞ্চলে সেই জিতবে, এ নিয়ে কোনও সন্দেহ ছিল না। বিদ্রোহী ও নির্দল প্রার্থীদের প্রকোপে বেশ চাপে ছিলেন সব রাজনৈতিক দলের সরকারিভাবে মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীরা।

ভোটের ফলাফলে দেখা যাচ্ছে অন্তত ৪৫টি কেন্দ্রের ফলাফল হাজার পাঁচেক ভোটের ব্যবধানে নির্ধারিত হয়েছে। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছে একনাথ শিণ্ডের শিবসেনা। তারা ১৩টি আসন জিতেছে খুব কম ভোটের ব্যবধানে। আর ৪৫টির মধ্যে উদ্ধবের শিবসেনা ৭টি আসন জিতেছে। গতবার অবিভক্ত শিবসেনা এই ৪৫টির মধ্যে ১২টি জিতেছিল। অর্থাৎ এবারে শিবসেনা বিভক্ত না হলে, ২০টি না হোক আগের বারের থেকে বেশি আসন জিততে পারত। অন্যদিকে বিজেপি গতবার এই ৪৫টির মধ্যে ১১টি জিতেছিল। এবারে তারা জিতেছে ১০টি আসনে। কংগ্রেস গতবার ৭টি আসনে জিতলেও এবারে তার জিততে পেরেছে মাত্র ৩টি আসনে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কৌশলে বড়সড় বদল বিজেপির, তাতেই কি পদ্ম ফুটল মহারাষ্ট্রে?

Maharashtra Election Results: গত লোকসভা ভোটেও যা চোখে পড়েনি, এবারে এই তিন রাজ্যে যা দেখা গেছে। এবারে মহারাষ্ট্রে এবং ঝাড়খন্ডে, একেবারে নীচের তলায়, বিজেপির রাজনৈতিক প্রচারকে পৌঁছে দিতে আরএসএস তাদের সম্পূর্ণ সংগঠনকে নামিয়ে দিয়েছিল।

আবার এমন অন্তত ১৭টি আসন রয়েছে যেখানে বিদ্রোহী প্রার্থীরা এত ভোট পেয়েছেন যে, সেখানে মূলত বিজেপি নেতৃত্বাধীন মহায়ুতি জোট লাভবান হয়েছে। বিজেপি বা শিবসেনার বিদ্রোহী নির্দল প্রার্থীরাও ভোট টেনে সুবিধা করে দিয়েছেন বিজেপি জোটের প্রার্থীদের।

যেমন, বেলাপুর আসনটিতে শিবসেনার বিদ্রোহী প্রার্থী ১৯,৬৪৬টি ভোট পেয়েছেন। আর সেখানে বিজেপি প্রার্থী মান্দা মাত্রে ৩৭৭টি ভোটের ব্যবধানে জিতে গেছেন। আবার ঘানসাওয়াঙ্গি আসনে বিজেপির বিদ্রোহী নির্দল প্রার্থী পেয়েছেন ২৩,৬৯৬ ভোট। সেখানে শিবসেনার প্রার্থী মহেন্দ্র দালভি ৩,৫৯৯ ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন।

কংগ্রেস ও শরদ পাওয়ারের এনসিপি-র বিদ্রোহী নির্দল প্রার্থীরাও শিবসেনা বা বিজেপিকে জিতিয়ে দিয়েছেন বেশ কয়েকটি আসনে। যেমন, রামটেক আসনে কংগ্রেসের বিদ্রোহী প্রার্থী রাজেন্দ্র মুলক ৮১ হাজারের বেশি ভোট পেয়েছেন। কিন্তু সেখানে শিবসেনার প্রার্থী আশিস জয়সওয়াল ২৬,৫৫৫ ভোটের ব্যবধানে জিতে গেছেন। জিন্টুরেও একই কাণ্ড ঘটেছে। সেখানে কংগ্রেসের বিদ্রোহী প্রার্থী ৫৬ হাজারের বেশি ভোট পেয়েছেন আর বিজেপির মেঘনা বোর্দিকর সাড়ে চার হাজার ভোটের ব্যবধানে জিতে গেছেন।

একমাত্র বিড় আসনটিতে বিজেপির বিদ্রোহী প্রার্থীর উপস্থিতিতে অজিত পাওয়ারের এনসিপি প্রার্থীকে হারিয়ে শরদের এনসিপি প্রার্থী যোগেশ ক্ষীরসাগর ৫ হাজারের সামান্য বেশি ভোটের ব্যবধানে জিতে গেছেন।

এত পরিসংখ্যান দেওয়ার একটিই কারণ। যিনি স্থানীয় ভোটারদের নিজের দিকে টানতে পেরেছেন বা নিজের নাক কেটে অন্যের যাত্রা ভঙ্গ করতে পেরেছেন, তিনিই বাজিমাত করেছেন মহারাষ্ট্র নির্বাচনে। এখানে না তো নরেন্দ্র মোদি বা অমিত শাহ বা যোগী আদিত্যনাথ, না তো দেবেন্দ্র ফড়নবীশ — কারও কোনও ম্যাজিক কাজ করেনি। স্থানীয় স্তরে অর্থবল, পেশিবল ও নিবিড় সংগঠনই একমাত্র কাজ করেছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
এক হ্যায় তো সেফ হ্যায় মন্ত্রেই ম্যাজিক? কীভাবে মহারাষ্ট্র দখল করল বিজেপি?

Maharashtra Election Result 2024: লোকসভা নির্বাচনের পরেই 'লাডলি বহিন যোজনা' চালু করার পরে রাজ্যের আড়াই কোটি মহিলার অ্যাকাউন্টে চার মাসের টাকা একসঙ্গে পাঠানো হয়।

সঙ্গে বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোটের পক্ষে কাজ করেছে আবার আরএসএস-এর মাঠে নামা। লোকসভা নির্বাচনের ভোটের পরাজয়ের পর বিজেপি ও আরএসএস-এর নেতৃত্বের দূরত্ব প্রকট হয়েছিল ঠিকই কিন্তু সংঘ পরিবার জানে নির্বাচনে জিতে সরকারে বিজেপির আসীন হওয়া কতটা গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি দেবেন্দ্র ফড়নবীশ খোদ নাগপুরের বিধায়ক। সংঘের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও মোহন ভাগবতদের স্নেহভাজন। পাড়ায় পাড়ায়, মহল্লা মহল্লায় আরএসএস-এর কর্মীরা প্রচার চালিয়েছেন নিজেদের কায়দায়। অরাজনৈতিক সংগঠনের ছাতার তলায়।

ঠিক যেভাবে ২০১৯ সালে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ও আরএসএস-এর সংগঠন কাজ করেছিল, ভিন রাজ্য থেকে কর্মীরা এসে কাজ করেছিলেন, ঠিক একই কায়দায় সংঘ পরিবার এবার মহারাষ্ট্রেও কাজ করেছে। প্রতি হাজার ভোটারের জন্য ১০জন কর্মীকে বেছে নেওয়া হয়েছিল। তাদের কাজই ছিল বারবার ভোটারদের বাড়ি যাওয়া। কখনও 'ঘর ঘর তিরঙ্গা' বা কখনও 'হর ঘর মোদি' বা কখনও সদস্য সংগ্রহ অভিযানের নামে গেরুয়া শিবিরের কর্মীরা ভোটারদের কাছে গেছেন। নেতারা ভোটের জন্য যা করুক, নিচুতলায় এই কাজ প্রতিনিয়ত হয়ে চলেছে। অন্যদিকে, আরএসএস কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট দেওয়ার মাহাত্ম্য বুঝিয়েছেন। কোনও রাজনৈতিক দলের নাম নেননি কিন্তু সবাই বুঝেছে কাকে ভোট দিতে হবে। ভোটের কয়েক মাস আগেই সংবিধান নিয়ে যাত্রা করেছে সংঘ পরিবারের সংগঠন। পার্শ্ববর্তী গুজরাত, তেলেঙ্গানা, কর্ণাটক থেকে কর্মীরা এসে গ্রামে গ্রামে কাজ করেছেন।

মারাঠা এবং ওবিসি ভোটারদের নিয়ে চিন্তার অন্ত ছিল না মহায়ুতি জোটের। দেবেন্দ্র ফড়নবীশ মুম্বইয়ে নিজের বাড়ির পিছনে শামিয়ানা খাটিয়ে ওবিসি নেতাদের ডেকেছেন, সাধারণ মানুষের কথা শুনেছেন। তাঁর অফিসের লোকেরা নোট নিয়েছেন বিভিন্ন ওবিসি গোষ্ঠীর লোকেদের। সেই মতো বিভিন্ন গোষ্ঠীর জন্য আলাদা আলাদা কমিশন তৈরি করেছেন একনাথ শিণ্ডে-দেবেন্দ্র ফড়নবীশেরা। ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগেই সেই সব ঘোষণা করেছে মহারাষ্ট্র সরকার। মারাঠাদের শান্ত করার ভার মারাঠা নেতাদের হাতেই দিয়েছিলেন। যদিও জারাঙ্গে পাটিলের সরকার-বিরোধী আন্দোলন ও পরোক্ষে শরদ পাওয়ারের প্রতি সমর্থন নিয়ে চিন্তায় ছিলেন মহায়ুতি সরকারের নেতারা কিন্তু দিনের শেষে মারাঠাওয়াড়ার বেশিরভাগ আসনই গেছে মহায়ুতির পক্ষে। ৪৬টি আসনের মধ্যে ৪০টি আসনই তারা জিতেছে। পশ্চিম মহারাষ্ট্রের ৫৮টি আসনের মধ্যে ৪২টি আসনে জয়ী হয়েছেন মহায়ুতির প্রার্থীরা।

এছাড়া লড়কি বহিন যোজনার সুফলও ঘরে তুলেছেন মহায়ুতির প্রার্থীরা। মুম্বইয়ের বাইরেও যে মহারাষ্ট্র রয়েছে, সেখানে মহিলাদের যেমন কাজ চাই, তেমন এই হাত খরচের টাকাও তাঁদের কাজে এসেছে। এর বিপরীতে মহা বিকাশ আঘাড়ি জোট বিশ্বাসযোগ্য আরও ভালো কোনও প্রকল্পের প্রতিশ্রুতি দিতে পারেনি।

মহায়ুতির এত কাণ্ডের কথা বলার একটিই কারণ, এই সংগঠন গোছানোর কাজে খামতি থাকলেই যে বিরোধীরা যে কোনও রাজ্যে পিছিয়ে পড়বে তা দিনের আলোর মতো স্পষ্ট। কংগ্রেস মহারাষ্ট্রে লোকসভা নির্বাচনে ভালো ফল করেছিল, তার অন্যতম কারণ যেমন ছিল শরদ পাওয়ার ও উদ্ধবের সঙ্গে জোট, তেমনই রাহুল গান্ধির 'ভারত জোড় যাত্রা' কংগ্রেসের সংগঠন ও জনসংযোগকে অনেক চাঙ্গা করে দিয়েছিল। সেই গতি বিধানসভা নির্বাচন পর্যন্ত ধরে রাখতে পারেনি তারা।

শুধু রাহুল গান্ধির উপর ভরসা করে যে রাজ্যের নির্বাচন জেতা যায় না, স্থানীয় সংগঠক নেতার দরকার হয়, তা দেখিয়েছে কর্ণাটক ও তেলেঙ্গানা। কর্ণাটকের ডিকে শিবকুমার ও সিদ্ধারামাইয়া বা তেলেঙ্গানার রেবন্ত রেড্ডিরা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সমর্থনে সরকার দখল করেছেন। মহারাষ্ট্রে নানা পাটোলে আগ্রাসী মনোভাব দেখালেও অনেকাংশেই পাওয়ার ও ঠাকরেদের চটিয়েছেন বা তাদের সমর্থনের ভরসায় থেকেছেন।

লোকসভা নির্বাচনের সময় শরদ পাওয়ার ও উদ্ধব ঠাকরের প্রতি সাধারণ মানুষের আবেগ কাজ করলেও, বিধানসভা নির্বাচন ঘোষণা হতে হতে তা অনেক স্তিমিত হয়ে গিয়েছিল। শরদ পাওয়ার খুঁজে খুঁজে স্থানীয় শক্তিশালী নেতাদের প্রার্থী করলেও, উদ্ধব তা পেরে ওঠেননি। পুরো সংগঠনই যে প্রায় একনাথ শিণ্ডের সঙ্গে চলে গেছে, তা তিনিও বুঝেছেন বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু হতে। শিরুর কেন্দ্রে উদ্ধবের পুণে জেলার বড় নেতা অজিত পাওয়ারের হাত ধরে প্রার্থী হয়ে গেছেন। জিতেছেন শরদের দলের প্রার্থীকে হারিয়ে। আবার শরদ পাওয়ার খুঁজে খুঁজে প্রাক্তন কংগ্রেস ও বিজেপি নেতা বাপু পাথারেকে বড়গাঁও শেরি থেকে প্রার্থী করেছেন। অজিতের এনসিপি প্রার্থী সুনীল তিংরের উপর এমনিতেই ক্ষোভ ছিল সাধারণ মানুষের। তিনি পুণের নাবালক চালিত পোর্সে গাড়িতে চাপা পড়ে দু'জনের মৃত্যুর ঘটনায় নাবালককে বাঁচানোর চেষ্টায় অভিযুক্ত হয়েছিলেন। পাশাপাশি স্থানীয় বিজেপি নেতা-কর্মীরাও চাননি তিনি প্রার্থী হন। এই সুযোগে সামান্য ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন শরদের প্রার্থী কিন্তু এই সমীকরণ সব জায়গায় কাজ করেনি।

সার্বিক প্রভাব ফেলার মতো ইস্যু এবারে মহারাষ্ট্রে ছিল না। 'বাটেঙ্গে তো কাটেঙ্গে'-র মতো স্লোগান মুসলমান অধ্যুষিত আসনে প্রভাব ফেলেছে বটে, তবে তা সারা মহারাষ্ট্র জুড়ে নয়। আবার 'এক হ্যায় তো সেফ হ্যায়' হিন্দুদের মধ্যে যতটা না প্রভাব ফেলেছে, তার থেকে বেশি ওবিসি ভোটাদের মধ্যে প্রভাব ফেলেছে বলেই ফলাফলে দেখা যাচ্ছে। রাহুল গান্ধির জাতিগণনার দাবিকে উল্টে দিয়েছে এই স্লোগান। তপশিলি জাতির জন্য সংরক্ষিত ২৯টি আসনের মধ্যে ১৯টি আসনই জিতেছে মহায়ুতি জোট। আর তপশিলি উপজাতিদের জন্য সংরক্ষিত ২৫টি আসনের মধ্যে ২২টিতেই জিতেছে মহায়ুতি। সুতরাং ইস্যু না থাকলে জনকল্যাণমূলক প্রকল্প, তৃণমূল স্তরে নিবিড় সংগঠন, সারা বছর জনসংযোগ, অর্থবল, পেশিবলই যে নির্বাচন জিততে সাহায্য করে তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

লিখেছেন
Sambit Pal
Sambit Pal
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।