মোদি-পুতিন মুখোমুখি: ইউক্রেন থেকে ভারত, যে দিকে জল গড়াল

Modi-Putin Meet: নৈশাহারের টেবিলেই দু'দেশের প্রধানের মধ্যে নানা বিষয়ে আলোচনা হয়। উঠে আসে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কথাও। যুদ্ধক্ষেত্রে যে কূটনৈতির সমস্যা মিটবে না, তা পুতিনকে বোঝান মোদি।

Sohini Das
৫ মিনিট
মোদি-পুতিন মুখোমুখি: ইউক্রেন থেকে ভারত, যে দিকে জল গড়াল

তৃতীয়বার দেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর এ নিয়ে দ্বিতীয় বিদেশ সফরে মোদি। এর আগে জি-৭ বৈঠকে যোগ দিতে গিয়েছিলেন ইটালিতে, তার পরেই মোদি পৌঁছলেন রাশিয়াতে। বার্ষিক ভারত-রাশিয়া শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে সোমবারই মস্কো পৌঁছন তিনি। দু-দিনের সেই রাশিয়া সফর শেষ করে ইতিমধ্যেই তিনি চলে গিয়েছেন অস্ট্রিয়ায়। কিন্তু কেমন হল তাঁর রাশিয়া সফর? রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে কোন কোন বিষয়ে কথা হল মোদির? দু'দেশের দ্বিপাক্ষির সম্পর্কের ভিত্তিতেই কতটাই বা ইতিবাচক হল এই বৈঠক?

ক্রেমলিনের তরফে অবশ্য জানানো হয়েছে, বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের অসাধারণ এক নেতার অসাধরণ সফর দেখেছে মস্কো। মোদির খাতিরদারিতেও কোনও ত্রুটি রাখেনি রাশিয়া। সেখানকার সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানে ভূষিতও করা হয়েছে তাঁকে। অবশ্য় এই পুরস্কার তিনি পেয়েছিলেন ২০১৯ সালে। এই বছর মোদিকে নিজের দেশে পেয়ে তাঁর হাতে অর্ডার অফ সেন্ট অ্যান্ড্রু দ্য অ্যাপোস্টল সম্মান তুলে দেন খোদ রুশ প্রেসিডেন্ট। মঙ্গলবার গ্র্যান্ড ক্রেমলিন প্যালেসে আয়োজিত হয়েছিল সেই অনুষ্ঠান। দু-দিনের সফরে রাশিয়া গিয়ে মঙ্গলবার সেখানকার সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান পাওয়ার পর আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। জানান, "অর্ডার অফ সেন্ট অ্যান্ড্রু দ্য অ্যাপোস্টল পেয়ে সম্মানিত। এই সম্মান আমি ভারতের মানুষকে উৎসর্গ করছি।" রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি আরও বলেন,"রাশিয়ার সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানে সম্মানিত করার জন্য আমি আপনাকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। এই সম্মান শুধু আমার নয়, এটা ১৪০ কোটি ভারতীয়র। এই সম্মান ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে থাকা শতাব্দী প্রাচীন গভীর বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক বিশ্বাসের। এটি আড়াই দশক ধরে থাকা আমাদের বিশেষ কৌশলগত অংশীদারিত্বের সম্মান। আপনার নেতৃত্ব ভারত ও রাশিয়ার সম্পর্ক সব ক্ষেত্রে শক্তিশালী হয়েছে এবং প্রতিবারই নতুন উচ্চতা স্পর্শ করেছে।"

গত এক দশকে এটি ছিল মোদী এবং পুতিনের ১৭তম বৈঠক। যদিও ২০১৫ সালের পর এই প্রথম আবার মস্কোয় গেলেন প্রধানমন্ত্রী। মোদি রাশিয়ায় পা দিয়ে থেকে তাঁকে স্বাগত জানানোয় বিন্দুমাত্র ছেদ পড়তে দেয়নি রাশিয়া। ২০২৩ সালে যখন রাশিয়া সফরে যান চিনা প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং, তখন তাঁকে স্বাগত জানাতে মস্কো বিমানবন্দরে হাজির ছিলেন পুতিন সরকারের দ্বিতীয় উপপ্রধানমন্ত্রী দিমিত্রি চেরনিশেঙ্কো। কিন্তু মোদির জন্য ছিল অন্য ব্যবস্থা। তাঁকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে হাজির হন রাশিয়ার প্রথম উপপ্রধানমন্ত্রী ডেনিস মান্তুরভ। পদমর্যাদায় যিনি নাকি পুতিনের পরেই। কার্যত চিনের থেকেও যে কোনও অংশেই ভারতকে কম গুরুত্ব দিচ্ছে না রাশিয়া, তা বুঝিয়ে দেওয়ার চেষ্টায় খামতি রাখেনি মস্কো।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মস্কোয় মোদি! হিংসাদীর্ণ মণিপুরে বিধ্বস্তদের পাশে সেই রাহুলই

Rahul Gandhi at Manipur: ইতিমধ্যেই মণিপুরের জিরিবামে পৌঁছেছেন রাহুল। সেখানকার একটি ত্রাণ শিবিরেও যান তিনি। হিংসা ছড়ানোর পর থেকে যেখানে রয়েছেন অসংখ্য বাস্তুচ্যুত মেইতেই সম্প্রদায়ের মানুষ।

বিমানবন্দর থেকে মান্তুরভের সঙ্গে গা কার্লটন হোটেলে পৌঁছয় মোদির কনভয়। সেখানে তাঁকে স্বাগত জানাতে হাজির ছিলেন প্রবাসী ভারতীয়েরা। ছিল রুশ নৃত্যশিল্পীদের হিন্দি গানের তালে নাচের আসর। প্রবাসী ভারতীয় সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করার পরে প্রেসিডেন্ট পুতিনের প্রাসাদে মধ্যাহ্নভোজের আমন্ত্রণ রক্ষা করতে যান প্রধানমন্ত্রী। দু’জনের মধ্যে একান্তে কিছু ক্ষণ আলোচনাও হয়। সেখান থেকে মোদী ভিডিএনকেএইচ কমপ্লেক্স এবং রোসাটম প্যাভিলিয়নের একটি প্রদর্শনকেন্দ্রও পরিদর্শন করেন।

এখানেই শেষ নয়, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন খোদ নিজের বাসভবনে ব্যবস্থা করেছিলেন নৈশভোজের। সেখানে আমন্ত্রিত ছিলেন মোদি। জানা গিয়েছে, নৈশাহারের টেবিলেই দু'দেশের প্রধানের মধ্যে নানা বিষয়ে আলোচনা হয়। উঠে আসে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কথাও। পুতিনকে মোদি বোঝান যে যুদ্ধক্ষেত্রে কোনওমতেই মিটবে না কূটনৈতির সমস্যা। প্রায় দু'বছর হয়ে গেলেও ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধে ইতি টানেনি রাশিয়া। বরং সাম্প্রতিক কালে যুদ্ধের তীব্রতা আরও বাড়িয়েছে তারা। আমেরিকা-সহ বহু দেশই ইউক্রেনের পাশে। সেই যুদ্ধে ইতি টানার জন্য পুতিনকে একান্তে অনুরোধ করেছেন মোদি। আলোচনা এবং কূটনীতির মাধ্যমেই যে সমাধান সূত্র বেরোনো সম্ভব, যুদ্ধ কোনও পথই নয়, তা বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি। সূত্রের খবর, সেখানেই পুতিনকে মোদি জানান, রাষ্ট্রসঙ্ঘের প্রাতিষ্ঠানিক চুক্তিকে ভারত সম্মান করে। প্রাদেশিক ঐক্য এবং সার্বভৌমত্বেও বিশ্বাস করে ভারত। সেই ভাবনা থেকেই তিনি মনে করেন, যুদ্ধ কোনও সমস্যার সমাধান হতে পারে না।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বিশ্বগুরু হওয়ার পথে মোদি! সরকার পতনের দিবাস্বপ্ন দেখা বন্ধ করুক বিরোধীরা

Narendra Modi 3.0: নীতীশ ও চন্দ্রবাবুর মোট ২৮ জন সাংসদের সমর্থন নিয়েও বিরোধী জোট সরকার গড়ার জন্য ম্যাজিক সংখ্যা ২৭২-এ পৌঁছতে পারবে না।

এই যুদ্ধের প্রেক্ষিতেই মোদি-পুতিন আলোচনায় উঠে এসেছে রুশ সেনায় মোতায়েন হওয়া ভারতীয়দের প্রসঙ্গ। মোদি জানান, গত কয়েক মাসে ভারতীয়দের ভুল বুঝিয়ে রাশিয়ায় যুদ্ধে পাঠানোর অনেকগুলি ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। রাশিয়ায় গিয়ে মৃত্যুও হয়েছে জনা ২৫ ভারতীয়ের। ভারতীয়দের এ ভাবে ভুল বুঝিয়ে রাশিয়ায় নিয়ে যাওয়া নিয়ে তাঁর উদ্বেগের কথা পুতিনকে জানিয়েছেন মোদি। জানা গিয়েছে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্টও বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মোদিকে। পাশাপাশি আরও নানা কিছু নিয়েই কথা হয়েছে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে। উঠে এসেছে দু'দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পাশাপাশি ব্যবসায়িক সম্পর্কের কথাও।

গত বছর ভারত এবং রাশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য লেনদেন ৬৬ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। ২০২৪ সালের প্রথম চার মাসে তা আরও ২০ শতাংশ বেড়েছে। তবে অর্থপ্রদানে ভারসাম্য না থাকায় উদ্বিগ্ন রাশিয়া। রাশিয়ার রফতানি প্রায় ৬০ বিলিয়ন ডলার এবং আমদানি ৪ বিলিয়ন ডলার। সূত্রের খবর, এই নিয়েও প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে আলোচনা করেছেন রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন। ৬৫ বিলিয়ন ডলার থেকে দু'দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক লেনদেন ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছনোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দুই দেশ। পারমাণবিক প্রকল্প এবং নিরাপত্তা চুক্তি নিয়েও দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে আলোচনা হয়েছে বলে সুত্র মারফত জানা গিয়েছে। জ্বালানির চাহিদা পূরণে সাহায্য করার জন্য পুতিনের প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, “গোটা বিশ্ব যখন খাদ্য, জ্বালানি এবং সারের ঘাটতিতে ভুগছিল তখন ভারতে আমরা কৃষকদের কোনও সমস্যায় পড়তে দিইনি। এতে রাশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে”। ক্রেমলিনের সূত্র জানিয়েছে, যে যে বিষয়গুলি নিয়ে দুই দেশের রাষ্টপ্রধানের আলোচনা হয়েছে, তার সবগুলিই চুক্তিতে রূপান্তর হয়েছে, এটা বড় সাফল্য। সেই সঙ্গে যৌথ বিবৃতিতে পারমাণবিক স্টেশন-সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্থান পেয়েছে। ২০৩০ সাল পর্যন্ত ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করা হয়েছে। এতে ভারত-রাশিয়ার সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। একই সঙ্গে রাশিয়া ভারতকে অস্ত্র দিতে দেরি করছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন মোদি। দ্রুত সে সমস্যার নিষ্পত্তি হবে বলেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন পুতিন।

এদিকে মোদি রাশিয়া পৌঁছতে পৌঁছতেই বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ইউক্রেন। মঙ্গলবার মোদি-পুতিন আনুষ্ঠানিক বৈঠকের ঘণ্টা কয়েক আগে এক বিবৃতিতে জেলেনস্কি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদির বৈঠক শান্তি প্রচেষ্টার ওপর বিধ্বংসী আঘাত ও বিরাট হতাশার।’ শুধু ইউক্রেনই নয়, বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আমেরিকাও। মার্কিন বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ম্যাথু মিলার বলেন, ‘রাশিয়ায় গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি কী বলেন আমরা সেদিকে নজর রাখছি। ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার ঘনিষ্ঠতা নিয়ে আমাদের উদ্বেগের কথা ইতিমধ্যে দিল্লিকে জানানো হয়েছে।’ আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন যখন রাশিয়া থেকে তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের আমদানি বন্ধ করে পুতিন সরকারকে চাপে ফেলার চেষ্টা করছে, সেইসময় ভারতের সেখান থেকে তেল আমদানি রুশ অর্থনীতিকে অক্সিজেন জোগাতে পারে বলেই মত পশ্চিমী কূটনীতিকদের। জেলেনস্কির বিবৃতি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানায়নি ভারতীয় বিদেশমন্ত্রক। তবে সাউথ ব্লকের একটি সূত্রের বক্তব্য, বিদেশনীতির ক্ষেত্রে ভারতের অগ্রাধিকার রাষ্ট্রীয় স্বার্থের সঙ্গে যুক্ত। তাই ইউক্রেনে শান্তি ফেরানোর পক্ষে সওয়াল করলেও রাশিয়ার সঙ্গে প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য ও কূটনৈতিক সম্পর্কে ফাটল ধরানোর পক্ষপাতী নয় ভারত সরকার।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।