মোদীকে অপয়া বলে ভোটে জেতা যায়?

Pappu and Panauti: সম্প্রতি শেষ হওয়া পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনী প্রচারে, নাম না করে, কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধি যখন এই ‘পনৌতি’ শব্দটি ব্যবহার করেন, তখন রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে যায়।

suman sengupta
৫ মিনিট
মোদীকে অপয়া বলে ভোটে জেতা যায়?

ভারতীয় রাজনীতিতে অপশব্দের প্রয়োগ কোনও নতুন বিষয় নয়। বহু নেতাই বিরোধী দলকে রাজনৈতিকভাবে আক্রমণ করার পরিবর্তে নানান সময়ে নানান অপশব্দ প্রয়োগ করেছেন। যাঁদের উদ্দেশ্য করে, নানান অপশব্দ ছুঁড়ে দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে যেমন প্রধানমন্ত্রী রয়েছেন, তেমনই রয়েছেন বিরোধী দলগুলোর প্রধান মুখ। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীও, একুশ সালের বাংলার নির্বাচনের প্রচারের সময়ে রেয়াত করেননি বাংলার মহিলা মুখ্যমন্ত্রীকে। খুব খারাপ ইঙ্গিতে আক্রমণ করা হয়েছিল তাঁকেও। সেটা হয়তো অনেকেই ভুলে যাননি। কিন্তু ইদানীং একটা প্রবণতা দেখা দিয়েছে, যা এই অপশব্দ প্রয়োগে এক নতুন মাত্রা জুড়েছে। সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপ ক্রিকেটে, আগের সব কয়টি খেলায় অপরাজিত থাকার পরে, ফাইনালে যোগ্য দল অস্ট্রেলিয়ার কাছে পরাজিত হবার পরে, সমাজ মাধ্যম থেকে শুরু করে চায়ের আড্ডা, কিংবা বাসে ট্রামে বহু মানুষই প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে এই নতুন অপশব্দ- ‘পনৌতি’ বা অপয়া ব্যবহার করছেন। বহু মানুষের ধারণা হয়েছে, শেষ ম্যাচ অর্থাৎ ফাইনাল যদি গুজরাটে প্রধানমন্ত্রীর নামাঙ্কিত স্টেডিয়ামে না হতো, কিংবা সেদিন যদি তিনি নিজে খেলা দেখতে মাঠে না আসতেন, তাহলে হয়তো ভারত হারতো না। শুধু তাই নয়, সম্প্রতি শেষ হওয়া পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনী প্রচারে, নাম না করে, কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধি যখন এই ‘পনৌতি’ শব্দটি ব্যবহার করেন, তখন রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে যায়। এখানে অবশ্য বলে নেওয়া জরুরি যে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ্য করে একটি মন্তব্য করেছেন, কিন্তু সেটি যত না অপশব্দ, তার থেকে অনেক বেশী রাজনৈতিক। তিনিও ঘুরিয়ে প্রধানমন্ত্রী এবং তাঁর সহযোগী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে এই হারের জন্য দায়ী করেছেন, কিন্তু তিনি বলেছেন, ‘পাপী’, যা অনেকাংশে সত্যিও বটে। গুজরাট গণহত্যার পাপ তো এই দু'জনের হাতে আজও লেগে রয়েছে, যা অনস্বীকার্য।

হ্যাঁ, এটা ঠিক যে 'পনৌতি' বা অপয়া শব্দটি অত্যন্ত খারাপ একটি শব্দ। শুধু এই শব্দের জন্য, আমাদের দেশের এবং সমাজের কত মহিলার যে জীবন শেষ হয়ে গেছে তার ইয়ত্তা নেই। একজন মহিলাকে যদি, অপয়া বা অলক্ষ্মী বলা হয়, তাঁর কী মানসিক অবস্থা হয়, তা কি আমরা জানি? অলক্ষ্মী মানেই অপয়া, মানেই ডাইনি। আমাদের দেশে বহু মহিলাকে ডাইনি সন্দেহে পুড়িয়ে অবধি মারা হয়েছে, সেই খবরও আমরা নানান সময়ে পেয়ে থাকি। কিন্তু আমাদের বোঝার প্রয়োজন কেন এই অপশব্দটি সমাজের নানান স্তর থেকে এই মূহুর্তে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে ব্যবহিত হচ্ছে? আজকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে এই মধ্যযুগীয় শব্দটি কেন আবার ঘুরে ফিরে আসছে এবং তা-ও শুধু রাজনৈতিক দল থেকে নয়, সমাজের ভিতর থেকেই উঠে আসছে? তার জন্য কে দায়ী তা বোঝার দরকার, নাহলে বিশ্লেষণটি বিচ্ছিন্ন থেকে যাবে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে খেলার জন্যই হার ভারতের! কেন এমন বলছেন মমতা?

Mamata Banerjee on Cricket World Cup 2023 : এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতাও বলছেন নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে খেলেই হেরেছে ভারত!

আসলে গত নয় বছরে, আমাদের দেশের বর্তমান শাসকেরা এই অপবিজ্ঞান এবং অবৈজ্ঞানিক ধারণারই চর্চা করেছেন। তাঁদের উচ্চস্তরীয় নেতৃবৃন্দ কখনো বলেছেন, ময়ূরের অশ্রু থেকে প্রজনন হয়, তখন অন্য কেউ বলেছেন, গোরুর দুধে সোনা পাওয়া যায় এবং আরও নানান কিছু। কোভিডের সময়ে যখন চিকিৎসক এবং বিজ্ঞানীরা মানুষকে বাঁচানোর লড়াই করছেন, তখন তাঁদের এক সাংসদ বললেন, একটি বিশেষ সংস্থার পাঁপড় খেলে কোভিড নিরাময় হতে পারে। ঘটনাচক্রে তিনি এই মূহুর্তে ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পূর্ণমন্ত্রী। শুধু তাই নয়, অনেকেরই হয়তো মনে আছে, ঐ সময়ে, বাবা রামদেব, যিনি সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় সমাজের একজন বড় কেউকেটা হয়ে উঠেছেন, তিনি একদিন বললেন, তিনি কোভিডের প্রতিষেধক আবিষ্কার করে ফেলেছেন। যখন বিজ্ঞানী এবং চিকিৎসকেরা প্রতিবাদ করলেন এবং এই নিয়ে আদালতে গেলেন, যে এই সব বুজরুকি বন্ধ করা জরুরি। তখনও কিন্তু সরকার চুপ করেই থেকেছে এবং পরোক্ষ ভাবে এই অপবিজ্ঞানকে ঘুরিয়ে মদত দিয়েছে। যে সময়ে বিজ্ঞানের প্রসার এবং প্রচার করা জরুরি ছিল স্কুল স্তর থেকে, সেই সময়ে তাঁরা পাঠ্যসূচী থেকে ডারউইনের বিবর্তনবাদ বাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছে। যে সময়টা প্রযুক্তির যুগ, যে সময়টা মহিলা-পুরুষে ফারাক মুছে দেওয়ার সময়, সেই সময়টাতে আমাদের শাসকেরা বারংবার মহিলাদের পিছনে ঠেলে দেওয়া, তাঁদের পোষাক নিয়ে মন্তব্য, সব করেছে। বিলকিস বানুর ধর্ষকদের যদি গলায় মালা পরিয়ে সংস্কারী ব্রাহ্মণ বলা হয়, যদি ধর্ষণের জন্য মহিলাদের একা রাতে বেরোনো বা ছোট পোষাককে দায়ী করা হয়, তাহলে যা হওয়ার তাই হয়েছে। তাঁরা পুরাণ এবং ইতিহাস গুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে গেছে প্রতিনিয়ত। এইরকম অবৈজ্ঞানিক ধ্যানধারণাই তো তাঁরা সমাজে দিতে চেয়েছেন, তাহলে আজকে 'গেল গেল' রব তুললে কী করে চলবে? রাফাল বিমান চালু করার সময়ে যদি দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ‘লেবু-লঙ্কা’ ঝুলিয়ে শুভ উদ্বোধন করেন, চন্দ্রযান আকাশে পাড়ি দেওয়ার আগে যদি ইসরোর বিজ্ঞানীদের মন্দিরে পুজো দিতে দেখা যায়, তাহলে কি বিজ্ঞানমনস্কতার প্রচার হয়? যেখানে বিজ্ঞানের আগে পুজোপাঠকে রাখা হয়, যেখানে ধর্মকে কুসংস্কারের আড়াল দিয়ে প্রচার করা হয়, সেই সমাজে পনৌতি বা অপয়া তো মানুষ অসচেতনভাবেই ব্যবহার করবে, এটাই স্বাভাবিক।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
প্রশ্ন করলেই রাজরোষ! স্বাধীন মিডিয়াকে কেন ভয় পাচ্ছে মোদি সরকার?

News Click Vs Central Govt : সরকারের সমালোচনা করলেই হয় সিবিআই, নয় ইডি না হলে আয়কর দফতরের হানা।

রাজনীতিকে এই দীর্ঘ নয় বছরে যেভাবে কলুষিত করা হয়েছে, যেভাবে বিরোধী দলের নেতা নেতৃদের মিম ছড়ানো হয়েছে, যেভাবে তাঁদের কখনো জার্সি গোরু, মুর্খদের সর্দার, কংগ্রেসের বিধবা, পাপ্পু কিংবা মমতাজ বেগম ইত্যাদি নামে অভিহিত করা হয়েছে, আজকে যদি সাধারণ মানুষের থেকেই এই অপয়া শব্দটি উঠে আসে, তখন কি তাকে কোনও আইন দিয়ে আটকানো সম্ভব? আমাদের দেশের রাজনীতির সংস্কৃতিতে কোনওদিন কি জীবিত কোনও নেতার নামে স্টেডিয়াম ছিল? হ্যাঁ, বিএসপির মায়াবতী কিংবা অন্য কেউ হয়তো নিজের মূর্তি গড়িয়েছেন জীবিত অবস্থাতেই, কিন্তু তা-ও কি ভালভাবে গ্রহণ করেছে মানুষ? সারা দেশের নানান কোণায়, আম্বেদকারের মূর্তি পাওয়া যা। তামিলনাডুতেও নানান জায়গায় পেরিয়ারের মূর্তির দেখা মিলবে, মহাত্মা গান্ধীর ছবি টাকাতেও হয়তো পাওয়া যাবে, কিন্তু সেটা কখনওই কোভিড সংশাপত্রে প্রধানমন্ত্রী মোদীর ছবি দেওয়ার সঙ্গে কি তুলনীয় ? একজন রাজনৈতিক বা সামাজিক নেতা তাঁর কাজের মধ্যে দিয়ে মানুষের মনে জায়গা পাওয়ার কথা, জোর করে কি সেই জায়গা পাওয়া যায়?

একসময়ে ইন্দিরা গান্ধীও নিজেকে ইন্ডিয়া মনে করেছিলেন, মানুষ তাঁকেও রেয়াৎ করেনি। 'হীরক রাজার দেশে' ছবিতে, সত্যজিৎ রায় এক স্বৈরতান্ত্রিক শাসকের কথা বলেছেন, যিনি নিজের মূর্তি নিজে গড়ে, নিজে তা উদ্ধোধন করার কথা ভেবেছিলেন। মানুষ যে তা মেনে নেয় না, তা-ও দেখিয়েছেন সত্যজিৎ বাবু। আমাদের লোকায়ত সাহিত্যে এমন অনেক শব্দ আছে, যা ভদ্র সমাজে ব্রাত্য হলেও, সমালোচনা করার জন্য অন্তজ মানুষ ব্যবহার করেই থাকেন। মনসামঙ্গল কাব্যের উদাহরণ দেখলেই বোঝা যায়, এই ধরনের অপশব্দ খুবই সাধারণ বিষয়। দেবী মনসা, মা মনসা বা মা বিষহরি নামেই পূজিতা। এরকম একটা বিশ্বাস করা হয় যে, তিনি সর্পভয় থেকে আমাদের রক্ষা করেন। 'মনসামঙ্গল কাব্য'-এ উল্লেখ রয়েছে, চাঁদ সদাগর এর স্ত্রী সনকা দেবী মনসার পূজা করাতে সদাগর বিরক্ত হন এবং দেবী মনসাকে অবহেলা করে চ্যাংমুড়ি কানি বলেছিলেন। দেবী মনসাকে পূজা করার প্রস্তাব প্রত্যাখান করতে, নিজের ঔদ্ধত্য প্রকাশে চাঁদ সদাগর বলেন, "যে হস্তে পূজিয়াছি দেব শূলপাণি, সে হস্তে না পূজিব চ্যাংমুড়ি কানি"। চাঁদ সদাগর শিবের পূজারী ছিলেন। তাই, যে হাত দিয়ে তিনি দেব শূলপাণী অর্থাৎ শিবের অর্ঘ্য দিয়েছেন, সে হাত দিয়ে, দেবী মনসার পূজা করবেন না। দেবী চণ্ডীর শলাকার আঘাতে মনসার একটি চোখ নষ্ট হয়ে, ছোট হয়ে যায়। চ্যাং মাছ বলতে একধরনের মাছ রয়েছে (একে টাকি মাছ, লাটি বা ল্যাটা মাছ ও বলা হয়)। এই মাছের চোখ, মাথার তুলনায় ছোট হয়। ‘চ্যাঙমুড়ি কানি’ শব্দটিও একটি অপশব্দ।

আসলে মানুষ নিজেই নানান সময়ে এই সমস্ত শব্দ প্রয়োগ করে থাকেন, নিজেদের রাগ, ঘৃণা, বিতৃষ্ণা প্রকাশ করতে, তাই আজকে ‘অপয়া’ শব্দটি নিয়ে আজকের শাসকদল যতই আপত্তি তুলুক, এই শব্দটি নিজের নিয়মেই আরও প্রচার পাবে তা বলাই বাহুল্য। কিন্তু সমস্যা তখন হবে, যখন যাঁকে উদ্দেশ্য করে এই পনৌতি বা অপয়া শব্দটি বলা হয়েছিল, তা উল্টে বুমেরাং হয়ে, যে বা যাঁরা এই শব্দটি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বিঁধেছিলেন, তাঁর দিকে ফিরে আসবে। ঠিক এখন যেমন ছত্তিসগঢ়, রাজস্থান এবং মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেসের পরাজয়ের পরে, রাহুল গান্ধির দিকেই এই তিরটা ধেয়ে আসছে। আসলে অপশব্দ, সাধারণ মানুষ বললে সেটা সমস্যার হয় না, কিন্তু রাজনৈতিক নেতানেত্রীরা সেই শব্দ যদি ব্যবহার করেন তা অসুবিধা তৈরি করতে পারে।

লিখেছেন
suman sengupta
suman sengupta
2 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

নিষিদ্ধ নয়, বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা, কী আছে ফিলিস্তিনপন্থী স্যালি রুনির বইয়ে

Sally Rooney: ফিলিস্তিনপন্থী সংগঠন প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে রয়্যালটি দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশের পর ব্রিটেনে স্যালি রুনির বই সরবরাহ বন্ধ করেছে ফ্যাবার।

সিজেপির কর্মসূচির আগে ৬ হাজার পুলিশ, দুর্ভেদ্য দুর্গ কনট প্লেস

Connaught Place protest: সিজেপির কর্মসূচির আগে কনট প্লেস এবং তার আশপাশের এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে দিল্লি পুলিশ। কনট প্লেসের আশপাশে ৬ হাজারেরও বেশি পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?