মমতা-রাহুল নন, মোদিকে হারানোর যে একটিই দাওয়াই আছে দেশের হাতে...

PM Narendra Modi: বিজেপি হেরেছে বলে খুশি হয়ে রাহুল গান্ধির নাম না নিয়ে বা কংগ্রেসের নাম না উচ্চারণ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভুল কিছু করেননি।

Sambit Pal
৪ মিনিট
মমতা-রাহুল নন, মোদিকে হারানোর যে একটিই দাওয়াই আছে দেশের হাতে...

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একদিক থেকে ঠিকই করেছেন। কর্ণাটকের নির্বাচনে কংগ্রেসের সাফল্যের পরে যে টুইটটি করেছিলেন, তাতে রাহুল গান্ধির নামোচ্চারণ করেননি। কংগ্রেসের নামও মুখে আনতে চাননি। শুধু বিজেপির পরাজয়ে উল্লাস প্রকাশ করেছেন। পরে অবশ্য কংগ্রেসকে নানা শর্ত দিয়ে জোট বার্তা দিয়েছেন।

তৃণমূল নেত্রী আজকাল আর আগের মতো আবেগের বশে খুব একটা কিছু করেন না। যা বলেন বা করেন তা বেশ ভেবে চিন্তেই করেন। কংগ্রেসের নাম না নেওয়া বা কয়েকদিনের মধ্যে আবার কংগ্রেসের সঙ্গেই শর্তাধীন জোটের বার্তা দেওয়া — এ সবের মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক চাল রয়েছে তো বটেই। কিন্তু বিজেপির বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে কোনও ব্যক্তির নাম না করে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি খুব একটা ভুল কিছু করেননি।

নরেন্দ্র মোদিকে হারাতে গেলে রাহুল গান্ধি-মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে দিয়ে হবে না। চাই আরও বড় কিছু। কর্ণাটকের জয় দেখে ২০২৪ নিয়ে উৎসাহিত হওয়ার কারণ এখনও নেই। বরং তা থেকে শিক্ষা নেওয়া জরুরি।

নরেন্দ্র মোদি ২০১৪ হোক বা ২০১৯ — দুটো নির্বাচনই জিতেছেন ব্যক্তিত্বের জোরে। তিনিই 'সর্বশক্তিমান', তিনিই ভারতকে বিশ্ব দরবারে আবার শ্রেষ্ঠ আসন লাভ করাতে পারেন, তিনিই পারেন সাধারণ মানুষের মুশকিল আসান হতে, তিনিই পারেন হিন্দু হৃদয় সম্রাট হতে। তিনিই শুরু এবং তিনিই শেষ কথা।

মূলত হিন্দু জাতীয়তাবাদ ও নতুন ভারতের স্বপ্ন তিনি ভারতবাসীকে দেখিয়েছেন। ভারতের লোকসভা নির্বাচনকে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের দ্বি-দলীয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মতো ব্যক্তিত্বের লড়াইয়ে পর্যবসিত করেছেন। আসলে তো ৫৪৩টি আসনের জন্য ভারতবাসী ভোট দেন, তার মধ্যে যে দল সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন জেতে তারা সরকার গড়ে, সেই সরকারের একজন নেতা নির্বাচিত হন। তিনিই হন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু নরেন্দ্র মোদি ৫৪৩ আসনেই নিজেকে তুলে ধরেছেন। এদেশে মানুষ রাজনীতিতে ব্যক্তিপুজো করেই থাকে। যার জ্বলন্ত উদাহরণ ইন্দিরা গান্ধি, জয়ললিতা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, লালু প্রসাদ যাদব এরকম অনেকে। কাজেই নরেন্দ্র মোদির 'পুজো' করতে তাদের অসুবিধা হয়নি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ইদ সবার উৎসব হোক, কেন চান না রাজনীতিবিদরাই?

Eid 2023: অনেক মুসলমান ধর্মাবলম্বী মানুষ রমজান মাসে শুধু ইফতারের পরের খাওয়াদাওয়া নিয়ে অ-মুসলমানদের আগ্রহ নিয়ে আপত্তি তুলছেন।

মোদিকে যোগ্য সঙ্গত করেছে সংঘ পরিবার ও তাদের দেশজোড়া সংগঠন (বিজেপির থেকেও বড় সংগঠনের জাল সংঘ পরিবারের সংগঠনগুলির), প্রচারের জন্য টাকার জোগান, অমিত শাহের মতো নির্বাচন-কৌশলী এবং দেশবাসীকে সম্মোহিত করার জন্য রাজনৈতিক বক্তব্য।

এসবের মাঝে মোদির বিপরীতে রাহুল গান্ধি ডাহা ফেল করেছেন দুই দুই বার। ২০১৪ ও ২০১৯-এ। দু'টি নির্বাচনই মোদি বনাম রাহুলে পর্যবসিত হয়েছিল। সেখানে রাহুল দাঁড়াতেই পারেননি। অন্য বিরোধী নেতারা ছত্রভঙ্গ হয়ে গিয়েছিলেন। রাহুল মুখ থুবড়ে পড়েছিলেন।

গণ্ডগোলটি এখানেই। এই দেশে মোদির জনপ্রিয়তার ধারে কাছে এখন কোনও নেতাই নেই। বহু দূরে রাহুল গান্ধি, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরা অবস্থান করছেন।

সুতরাং কর্ণাটক জিতে উল্লাস করার কোনও কারণ নেই। সঙ্গত কারণের ভোট-পণ্ডিতরা বলছেন যে, বিধানসভার নির্বাচন ও লোকসভার নির্বাচন সম্পূর্ণ আলাদা। গতবারেও কর্ণাটকে কংগ্রেস ভালো ফল করেছিল এবং বিজেপির থেকে প্রায় দুই শতাংশ বেশি ভোট পেয়েছিল (সংখ্যার বিচারে অবশ্য বিজেপি এগিয়েছিল। বিজেপি - ১০৪ ও কংগ্রেস - ৭৮)। লোকসভার নির্বাচনের ঠিক আগে মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান ও ছত্তিশগড়ে কংগ্রেস জিতেছিল।

কিন্তু লোকসভায় গিয়ে বিজেপি কর্ণাটক থেকে ২৮টি আসনের মধ্যে ২৫টি জিতেছিল। মধ্যপ্রদেশে ২৯টির মধ্যে ২৮টি, ছত্তিশগড়ে ১১টির মধ্যে ৯টি এবং রাজস্থানে ২৫টির মধ্যে ২৪টি আসন জিতেছিল বিজেপি। উল্লেখ্য, এই সব রাজ্যেই কংগ্রেস সরকারে ছিল।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মমতা-বর্জিত একনায়কতন্ত্রের চেষ্টা আদৌ সফল হবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের?

Abhishek Banerjee - Mamata Banerjee : কয়েকজনকে বলির পাঁঠা করে এক নতুন পণ্য বাজারে এনে তাকে বেচার এক আপ্রাণ চেষ্টা বাংলা দেখছে।

কাজেই মোদির সঙ্গে ব্যক্তিত্বের লড়াইয়ে নামতে গেলে বিরোধীরা হোঁচট খাবেনই। কর্ণাটকে লড়াই কোনও মুখ নিয়ে হয়নি। সেখানে গিয়েও মোদি শেষ বেলায় নিজেকে বেচে এসেছেন। তার ফল বেঙ্গালুরু শহরাঞ্চলে কিছুটা পেলেও, বিজেপির শেষ রক্ষা হয়নি।

সুতরাং বিরোধীদের পুরো লড়াই ব্যক্তি-কেন্দ্রিক থেকে ইস্যু-কেন্দ্রিক করতে হবে। মোদির সঙ্গে নয়, বিজেপি সরকার-বিরোধী ইস্যু নিয়ে লড়তে হবে। কর্ণাটকে কংগ্রেস সেই লড়াই লড়েছে।

কারণ ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যক্তির লড়াইয়ে মোদির থেকে বিরোধী নেতারা এমনিতেই পিছিয়ে রয়েছেন। যদিও ভারত জোড়ো যাত্রার পর এবং কর্ণাটকে কংগ্রেসের সাফল্যের পরে রাহুল গান্ধি 'পাপ্পু'-তকমা ঘুচিয়েছেন, কিন্তু তাতেও মোদির সঙ্গে পেরে ওঠা কঠিন।

কঠিন ইস্যু-ভিত্তিক লড়াইও। এমনিতে বিরোধী দলের নেতারা নিজের নিজের এলাকায় তাদের ক্ষমতা জাহির করতে ব্যস্ত। একে অপরের সঙ্গে বনে না , এমন রাজনৈতিক দল অনেক রয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গত পাঁচ বছরে এই প্রথম কংগ্রেসের সঙ্গে জোটের বার্তা দিয়েছেন। ওড়িশার নবীন পট্টনায়েক নিজের জয় নিয়েই খুশি। কংগ্রেসের সঙ্গে অরবিন্দ কেজরিওয়াল এক মঞ্চে যান না। একইরকম ভাবে ভারত রাষ্ট্র সমিতির কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের সঙ্গে কংগ্রেসের বনিবনা নেই। উত্তরপ্রদেশে মায়াবতী আজকাল সবাইকে এড়িয়ে চলেন।

আর মোদি বা তাঁর সঙ্গীরা যে কথা বারবার জিজ্ঞাসা করেন, "মোদির বিরুদ্ধে কে?" তার যথাযথ উত্তর বিরোধীদের কাছে থাকে না। ভোটের পরে দেখা যাবে বলে বিরোধীরা সেই প্রশ্ন এড়িয়ে যান। সত্যিই ভোটের পরেই দেখা যাবে বিরোধীরা বিজেপিকে হারাতে পারল কিনা। পারলে কে সবচেয়ে বেশি আসন পেল। তারপরে দেখা যাবে কে প্রধানমন্ত্রী হবেন।

কিন্তু তার আগে যদি বিরোধীরা একজোট হয়ে বিজেপি-বিরোধী এজেন্ডা তৈরি করেন। তাতে অর্থনৈতিক ইস্যুকে প্রাধান্য দিয়ে হিন্দু জাতীয়তাবাদের ইস্যুগুলিকে ভোঁতা করার চেষ্টা করেন, তাহলে কাজের কাজ কিছু হতে পারে। গোটা দেশ জুড়ে বিজেপি-বিরোধী দলগুলি এক সুরে প্রচারের তার বেঁধে নিতে পারে। যে যেখানে যতটা পারল আসন-সমঝোতা করতে পারে। যার যেখানে বেশি শক্তি সেখানে লড়াই করে বিজেপি হারাতে পারে। কিন্তু কখনই মোদির সঙ্গে ব্যক্তিত্বের লড়াইয়ে যাওয়া চলবে না।

কৃষক আন্দোলনের সাফল্য বা সিএএ নিয়ে আন্দোলনের পর্যালোচনা করলেই বোঝা যাবে ইস্যু-ভিত্তিক লড়াইয়ে কতটা চাপে পড়ে সরকার।

আসলে গান্ধির অসহযোগ আন্দোলন হোক বা হালের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কৃষি জমি নিয়ে অনশনই হোক, প্রচলিত আন্দোলন-প্রতিবাদের ধারা থেকে সামঞ্জস্যহীন কোনও প্রতিরোধ তৈরি হলেই রাষ্ট্র বিপাকে পড়ে।

কাজেই বিজেপি হেরেছে বলে খুশি হয়ে রাহুল গান্ধির নাম না নিয়ে বা কংগ্রেসের নাম না উচ্চারণ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভুল কিছু করেননি। তার পিছনে মমতার যাই উদ্দেশ্য থাকুক না কেন।

প্রশ্ন এটাই যে লোকসভা নির্বাচনের আগে কি বিরোধীরা সর্বসম্মতভাবে বিজেপি-বিরোধী এজেন্ডা ও সরকারে এলে কী করবে, সেই ইস্তাহার প্রকাশের মতো কঠিন কাজটি করে উঠতে পারবেন? একে অপরের ধানে মই না দিয়ে এই কাজটি কি সম্ভব হবে? নাকি দেশ জুড়ে বিরোধী দলগুলির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেই ইস্যু-ভিত্তিক লড়াইয়ে বিজেপি বাজিমাত করে দেবে? গোপন বোঝাপড়ায় কি বিরোধী-ঐক্য আবার হোঁচট খাবে? উত্তরগুলির জন্য আগামী এক বছর রাজনীতির ময়দানের উপর চোখ রাখতে হবে।

লিখেছেন
Sambit Pal
Sambit Pal
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।