শূন্য শুধু শূন্য নয়, পরমতসহিষ্ণু হতে চাইছে সিপিআইএম

CPM: বামপন্থীদের কাছে লোকসভা- বিধানসভার আসনটাই একমাত্র বিবেচ্য বিষয় নয়। তাঁদের বিবেচ্য বিষয় হলো, মানুষের রুটিরুজির সংগ্রামকে আইনসভার ভেতরে যেমন, ঠিক তেমনিই, আইনসভার বাইরে রাজপথে প্রসারিত করা।

Gautam Roy
৪ মিনিট
শূন্য শুধু শূন্য নয়, পরমতসহিষ্ণু হতে চাইছে সিপিআইএম

অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে সিপিআইএম আসন সংখ্যা নিরিখে কোনো সাফল্য পায়নি। এই বাস্তবকে সামনে রেখে সম্প্রতি, সিপিআইএম-এর রাজ্য কমিটির দুদিন ব্যাপী অধিবেশন হয়ে গেল। অধিবেশন শেষে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি এবং রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম যৌথভাবে সাংবাদিক সম্মেলন করলেন। কী উঠে এল পর্যালোচনায়? সেলিম বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গে বাম- কংগ্রেসের নির্বাচনী যে সমঝোতা হয়েছিল তাকে কেবলমাত্র বিজেপির বিরুদ্ধে লড়তে হয়নি। তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়তে হয়নি। তাকে লড়তে হয়েছে সার্বিকভাবে। দুর্নীতির টাকার বিরুদ্ধে।কর্পোরেটের টাকার বিরুদ্ধে। লড়তে হয়েছে পেশিশক্তির বিরুদ্ধে। লড়তে হয়েছে গোদি মিডিয়ার প্রচারের বিরুদ্ধে।

এই অসম লড়াই যে লড়তে হবে, সে ভাবনা মাথায় রেখেই সিপিআইএম নির্বাচনী সংগ্রামে নেমেছিল, স্বীকার করতে সেলিম কোনো দ্বিধা করেননি। আবার সংবাদ মাধ্যমের কাছে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি স্পষ্ট বলেছেন, বাংলায় একটা নতুন পার্টি তিনি পেয়েছেন। পর্যালোচনা থেকে আগামীর সঙ্কেত পেতে চাইছেন সিপিআইএম রাজ্য নেতৃত্ব। তবে ইয়েচুরি-সেলিমের যৌথ সাংবাদিক বৈঠকের বক্তব্য থেকে অনুমান করতে পারা যায়, দলীয় সদস্য নন, কিন্তু দলের প্রতি বিশেষ রকমের আত্মনিবেদিত অংশ কে যথোচিত মর্যাদা দিয়ে কাজে লাগাবার ভাবনা তাঁদের আছে। পরমতসহিষ্ণু হতে চাইছে সিপিআইএম। সেইসঙ্গে সেলিম বলেছেন, গণসংযোগের নিবিড়তার কথা। ভোটের প্রচারে প্রার্থী বা কর্মীরা জনসংযোগে বেরিয়ে দু'চারজন মানুষ হাত নাড়লেন, বুকে জড়িয়ে ধরলন- এটা অনেকটা। তবে এটাই শেষ নয়। সারা বছর ধরে, ভোটের ফল যাই হোক, মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক রাখতে হবে। তাঁদের দুঃখে- সুখে পাশে থাকতে হবে। সঙ্কীর্ণতা ভুলে পাশে থাকাই মৃতসঞ্জীবনী সুধা, মনে করছে সিপিআইএম।

২০১১ সালে বামপন্থীরা পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর মাঠে ময়দানের লড়াই এবং ভোটের লড়াই— দুটো ক্ষেত্রেই সাফল্য বাম গণতান্ত্রিক শক্তির পক্ষে আসেনি। ২০২৪ সালে ভোটে বামেরা কোনো আসন জিততে না পারলেও, সাংগঠনিক শক্তির যে পরিচয় বামপন্থীরা রাখতে পেরেছেন, তা রাজনীতির ময়দানে একটা নতুন বার্তা দিচ্ছে।

সীতারামের বক্তব্যে পরিষ্কার, পশ্চিমবঙ্গে সেলিম হাল ধরবার পর বিগত আড়াই বছরে প্রাণসঞ্চার হয়েছে। দলের নেতৃত্বভার নিয়ে সেলিম প্রথমে যেটি চেষ্টা করেছিলেন, নতুন প্রজন্মের ছাত্রযুবদের সামনে সারিতে নিয়ে আসতে। সেই কাজে তিনি অনেকটাই সফল হয়েছেন।

যাঁরা ধর্মনিরপেক্ষ,গণতান্ত্রিক ভাবধারায় বিশ্বাস করেন, তাঁদের মধ্যে সেলিম সম্পর্কে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। শ্রমিক আন্দোলন এবং কৃষক আন্দোলন, এই দুটি ক্ষেত্রেও আগামী দিনে সেলিম নতুন প্রজন্মের মানুষদেরই নেতৃত্বে নিয়ে আসবেন, এমনটা মনে করছেন ঘরেবাইরে অনেকে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
শূন্য থেকে সংখ্যায় ফিরতে বড় সিদ্ধান্ত বামেদের! কী হতে চলেছে নয়া স্ট্র্যাটেজি?

CPM: আর এ প্রসঙ্গেই সিপিএমের সবজান্তা মনোভাব ত্যাগের কথা বলেছেন সেলিম। তাঁর কথায়, ‘আমরাই সব জানি, অন্যেরা জানেন না, এমনটা যেন না হয়।’’ শুধু দলের কর্মীসদস্য বা সমর্থক নয়, একই সঙ্গে জেলাস্তরে পর্যালোচনাও শুরু করে দিয়েছে সিপিএম।

একটা সময় ছিল যখন কৃষক আন্দোলনে প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করা মানুষদের মধ্যে থেকে সেই আন্দোলনের নেতৃত্ব উঠে আসত। সৈয়দ মনসুর হাবিবুল্লাহ থেকে শুরু করে আবদুল্লা রাসুল—এই যে ধারাবাহিকতা, সেটা আগামী দিনে সেলিম আবার ফিরিয়ে আনবেন, ভাবছেন অনেকেই। কারণ তারুণ্যকে অগ্রাধিকার দেওয়ার এই প্রবণতা বামফ্রন্ট সরকারের শেষ পনেরো বছরেও দেখতে পাওয়া যায়নি। আবার বামফ্রন্ট সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরও এই কৌশল অধরা ছিল।

সর্বভারতীয় রাজনীতির প্রেক্ষিতেও এটা একটা নতুন বার্তা দিতে চলেছে— সীতারামের এই কথা তার ইঙ্গিত।

বামপন্থীদের কাছে লোকসভা- বিধানসভার আসনটাই একমাত্র বিবেচ্য বিষয় নয়। তাঁদের বিবেচ্য বিষয় হলো, মানুষের রুটিরুজির সংগ্রামকে আইনসভার ভেতরে যেমন, ঠিক তেমনিই, আইনসভার বাইরে রাজপথে প্রসারিত করা। সেই কাজটিতে পশ্চিমবঙ্গে বিগত আড়াই বছরে সেলিম এবং টিম সেলিমের যে সাফল্য, তা এক কথায় অনবদ্য। এটা খুব ঠিক কথা, নির্বাচনী সংগ্রামের সাফল্যের জন্য আজকের প্রেক্ষিতে অর্থশক্তি আর পেশিশক্তির দাপটের বিশেষ প্রয়োজন। এই বাস্তবতায় উপনীত হওয়া বুর্জোয়া দলগুলো পক্ষে যেভাবে সম্ভব, তা আদৌ কমিউনিস্টদের পক্ষে সম্ভব নয়। সিপিআইএম যদি ইলেক্টোরাল বন্ধ টাকা নিত, তাহলে নির্বাচনী ফল পশ্চিমবঙ্গে কী হত বা গোটা ভারতে বামেরা আরেকটু সুবিধেজনক অবস্থায় থাকত কিনা—এ বিষয় নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কথা হচ্ছে। জনতার বিশ্লেষণ—

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সত্যিই মহিলাদের 'ভিক্ষা'? কী বললেন মহম্মদ সেলিম?

Mohammed Selim CPIM: গত পাঁচ বছরে এই নিয়ে তিনটি ভোটে হারলেন সেলিম।

ইলেক্টোরাল বন্ডের টাকা না নিয়ে, কর্মী -সমর্থক- দরদিদের কাছ থেকে কার্যত 'ভিক্ষে' করে নির্বাচনী সংগ্রাম পরিচালনা করে, সেলিম হয়তো ভোট রাজনীতিতে সাফল্য পাননি, কিন্তু এই সময়ের অস্থির রাজনীতিতে তিনি যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পেরেছেন, তা আগামী দিনে রাজনৈতিক অঙ্গনকে একটা সুনির্দিষ্ট পথ দেখাতে সক্ষম হবে।

অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পশ্চিমবঙ্গে ধর্মীয় রাজনীতির বাড়বাড়ন্ত লক্ষ্য করা গিয়েছিল। লড়াইটা অসম, বুঝেই নির্বাচনী সংগ্রামে অবতীর্ণ হয়েছিলেন বামেরা। দলের রাজ্য কমিটির দু'দিনের অধিবেশন শেষে একথা সেলিম খুব পরিষ্কার ভাবে সংবাদমাধ্যমের সামনে বলেছেন।

সিপিআইএম-এর বক্তব্য, তৃণমূল আর বিজেপি এই দু'টি রাজনৈতিক দল গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বাণিজ্যিক সংস্থার সাহায্য নিয়ে নির্বাচন প্রক্রিয়া পরিচালনা করেছে। নির্বাচনী প্রচার থেকে শুরু করে একেবারে নির্বাচনী বুথ, ভোট গণনা—সবটাই পরিচালিত হয়েছে পেশাদার ম্যানেজমেন্টের কর্মীদের দিয়ে। এই ধরনের পেশাদার সংস্থাকে ব্যবহার করবার ক্ষেত্রে কত টাকা খরচ হতে পারে, তা সহজেই অনুমেয় ।যারা ইলেক্টোরাল বন্ডের টাকা নিয়ে ভোটের আসরে নেমেছিল, তাদের পক্ষে সম্ভব এই ধরনের পেশাদার সংস্থাকে দিয়ে ভোটের গোটা পর্ব পরিচালনা করা। সিপিআইএম মনে করে, রামনবমীকে কেন্দ্র করে যেভাবে মুর্শিদাবাদ জেলার বেলডাঙ্গাতে ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়েছিল, সেই ঘটনাক্রম নির্মাণে দুই শাসকদলেরই একটা প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিল।

দলের রাজ্যকমিটির বৈঠকের পর সেলিম সাংবাদিকদের সামনে বলেছেন- এই রামনবমীর ঘটনাক্রমকে কেন্দ্র করে যেভাবে একাধিক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং সাধু সন্ন্যাসীদের মমতা রাজনীতির আসরে সাম্প্রদায়িক বিভাজনের উদ্দেশ্যে নামিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছেন, তার জেরে মধ্যবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গে ভোটারদের মধ্যে একটা ধর্মের ভিত্তিতে পক্ষ অবলম্বনের প্রবণতা প্রকট হয়েছে। রাজনৈতিক অবস্থান, মতাদর্শ, কর্মসূচি ইত্যাদিকে ঘিরে যেখানে ভোটারদের অবস্থান গ্রহণ করা দরকার, সেখানে ভোটাররা অবস্থান গ্রহণ করেছেন ধর্মের ভিত্তিতে। আর তার ফলটা কালনেমির লঙ্কাভাগের মতো রাজ্যের শাসক তৃণমূল কংগ্রেস, আর কেন্দ্রের শাসক বিজেপি পরস্পর ভাগাভাগি করে নিয়েছে।

গোটা বিষয়টি আরও ভূমিস্তরে পর্যালোচনা করবার ভাবনা সিপিআই প্রকাশ্যে জানিয়েছে। সেক্ষেত্রে তারা তাদের দলের রাজ্য কমিটির বর্ধিত অধিবেশন আগস্ট মাসে করবেন। সেই অধিবেশনের আগে, তারা সরাসরি দলীয় বৃত্তের বাইরে অথচ দলের মতাদর্শ, ভাবধারার প্রতি সহানুভূতিশীল মানুষদের ভাবনাচিন্তাগুলি শুনবেন। পরমতসহিষ্ণুতা দলের বর্তমান নেতৃত্বের এক ঐতিহাসিক উদ্যোগ, মনে করছেন অনেকেই।

এতদিন দলীয় রেজিমেন্টেশনের দোহাই দিয়ে দলের সদস্য ছাড়া আর কারও মতামত নেওয়ার চল ছিল না। সেলিম তাঁর নেতৃত্বের গুণে একটা জঙ্গমতাকে বাস্তবানুগ পরিস্থিতির উপর দাঁড় করাতে সক্ষম হচ্ছেন। কমিউনিস্ট সংস্কৃতির মধ্যে খোলা হাওয়া সঞ্চার মনে রাখবে আগামী।

সেলিম প্রতিষ্ঠা করতে চাইছেন— কমিউনিস্ট পার্টি মানে একটা প্রবাহমান নদী। এই অঙ্কেই শূন্য থেকে শুরু দেখছে সিপিআইএম

লিখেছেন
Gautam Roy
Gautam Roy
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।