লক্ষ কোটি টাকার ঘুষ, অনিয়ম! হাসিনার আওয়ামী লীগের দুর্নীতির যে চিত্র উঠে এল শ্বেতপত্রে

Sheikh Hasina Corruption: শ্বেতপত্রে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বাংলাদেশ থেকে নাকি গড়ে প্রতি বছর ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিদেশে পাচার করা হয়েছে।

inscript
৩ মিনিট
লক্ষ কোটি টাকার ঘুষ, অনিয়ম! হাসিনার আওয়ামী লীগের দুর্নীতির যে চিত্র উঠে এল শ্বেতপত্রে

শেখ হাসিনার ক্ষমতা থেকে মুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ। ১৫ বছরের শাসনামলে হাসিনার বিরুদ্ধে দমনপীড়ন থেকে শুরু করে ব্যাপক দুর্নীতি— নানা অভিযোগই উঠেছিল। এবার সেই অভিযোগের সাপেক্ষে সামনে আসছে নানা প্রমাণও। বলা হচ্ছে, আওয়ামী লীগের ১৫ বছরের শাসনামলে সরকারের নানা কাজে যেসব পণ্য ও পরিষেবা কেনা হয়েছে তাতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ কোটি টাকা। আর এই টাকার মধ্যে কেবল ঘুষ দিতেই নাকি ব্যবহার হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৬১ হাজার কোটি থেকে ২ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা! অভিযোগ, ঘুষ নিয়েছেন আওয়ামী লীগেরই রাজনৈতিক নেতা, আমলা ও তাঁদের সহযোগীরা। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অনিয়ম ও দুর্নীতি বিষয়ে তদন্ত করতে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি গড়েছিল। সম্প্রতি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের শ্বেতপত্র কমিটি যে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে, তাতে বলা হয়েছে, ঘুষের টাকার মধ্যে ৭৭ হাজার থেকে ৯৮ হাজার কোটি টাকা গেছে আমলাদের কাছে। রাজনৈতিক নেতা ও তাঁদের সহযোগীরা পেয়েছেন ৭০ হাজার থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা। অর্থ মন্ত্রকের হিসাব বলছে, বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর আমলে জমতে থাকা ঋণের পরিমাণ এখন ১৫৫ বিলিয়ন ডলার!

শ্বেতপত্রে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বাংলাদেশ থেকে নাকি গড়ে প্রতি বছর ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিদেশে পাচার করা হয়েছে। অর্থাৎ গত ১৫ বছরে বিদেশে ২৪০ বিলিয়ন বা ২ লক্ষ ৪০ হাজার কোটি মার্কিন ডলার পাচার হয়েছে। শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্নীতি, অনিয়ম বিষয়ে যে ৪০০ পাতার শ্বেতপত্র তৈরি করেছে তাতে মূল যা যা উঠে এল-

বিদেশে অর্থ পাচার

শ্বেতপত্র অনুযায়ী, শেখ হাসিনার সরকার থাকাকালীন বাংলাদেশের টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে। সরকার পতনের পর, হাসিনা দেশত্যাগী হওয়ার পরে ৮ অগাস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বাংলাদেশের শাসনের ভার নেয়, যার প্রধান হন নোবেলজয়ী অধ্যাপক মহম্মদ ইউনূস। ইউনূস দায়িত্ব নেওয়ার পরে সরকার বাংলাদেশ ব্যাঙ্কের বিএফআইইউ, সিআইডির সহায়তায় বিদেশে পাচার হওয়া টাকা দেশে ফেরানোর পাশাপাশি আত্মসাৎ করা টাকা পুনরুদ্ধারের কাজও শুরু করে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ফেলানি খাতুন থেকে স্বর্ণা দাস! যেভাবে সীমান্তে বারবার প্রাণ যায় সাধারণ বাংলাদেশিদের...

Bangladesh Border Killings: চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিএসএফের হাতে অন্তত ১৮ জন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। ২০২৩ সালে এই সংখ্যা ছিল ২৮, ২০২২ সালে ২৩ এবং ২০২১ সালে ১৬।

শ্বেতপত্রে বলা হচ্ছে, গড়ে প্রতি বছর ১৬ বিলিয়ন বা ১ হাজার ৬০০ কোটি ডলার পাচার হয়েছে বাংলাদেশ থেকে। বিবিসি বাংলাদেশের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই টাকার অঙ্ক দেখে ইউনূস বলেছেন, “আমাদের গরিব মানুষের রক্ত পানি করা টাকা যেভাবে তারা লুণ্ঠন করেছে তা আতঙ্কিত হওয়ার মতো। দুঃখের বিষয় হলো, তারা প্রকাশ্যে এই লুটপাট চালিয়েছে। আমাদের বেশিরভাগ অংশই এর মোকাবিলা করার সাহস করতে পারেনি।”

সরকারের প্রকল্পে নানা দুর্নীতি-অনিয়ম

শেখ হাসিনা সরকার নানা উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করেছিল। ১৫ বছরের শাসনাআমলে ২৯টি বৃহদাকার প্রকল্পের মধ্যে ৭টি প্রকল্প খতিয়ে দেখেছে শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি। কমিটি বলছে, বড় প্রকল্পের প্রতিটিতে ১০ হাজার কোটি টাকারও বেশি অর্থ ব্যয় হয়েছে। ২৯টি বড় প্রকল্পে মোট ব্যয় হয়েছে ৮৭ বিলিয়ন ডলার বা ৭ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ওই ৭টি প্রকল্পের আনুমানিক প্রাথমিক ব্যয় ছিল ১ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
হাসিনার দেশে কাদের গুম করে রাখা হতো কুঠুরিতে! কী এই রহস্যময় আয়নাঘর?

Aynaghar Bangladesh: ২০০৯ থেকে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৬০৫ জন গুম হয়েছেন বাংলাদেশে।

শ্বেতপত্রে বলা হচ্ছে, এই সমস্ত প্রকল্পে জমির দাম বেশি দেখিয়ে এবং জমি কেনায় হেরফের করে টাকা খরচের পরিমাণ বাড়িয়ে দেখানো হয়েছে। খরচ নাকি ৭০ শতাংশেরও বেশি বাড়ানো হয়েছে। শ্বেতপত্র অনুযায়ী, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ৭ লাখ কোটি টাকার বেশি ব্যয় হয়েছে এবং এর ৪০ শতাংশ অর্থ নাকি সরকারের আমলারাই লুটপাট করেছেন।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও নিয়োগে দুর্নীতি

শ্বেতপত্রে সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা, মূল্যস্ফীতি ও খাদ্য ব্যবস্থাপনা, বাহ্যিক ভারসাম্য, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ, বেসরকারি বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থান ক্ষেত্রের দুর্নীতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিয়ে নানা দুর্নীতি হয়েছে। শ্বেতপত্র কমিটি বলছে, বিদ্যুৎ উৎপাদনে হাসিনা সরকারের আমলে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করা হয়েছে। এর মধ্যে যদি ১০ শতাংশও অবৈধ লেনদেন হয়ে থাকলে তার পরিমাণ কমপক্ষে ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

শ্বেতপত্র জানাচ্ছে, আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরের শাসনামলে ব্যাংক খাতে ব্যাপক তছরুপ হয়েছে। ব্যাংক খাতে দুর্নীতি ও অনিয়মের জন্য ঋণ কেলেঙ্কারি, প্রতারণা, ভুয়ো ঋণ ও ঋণের অপব্যবহারের বিভিন্ন ঘটনা ফাঁস করেছে ওই প্রতিবেদন। শ্বেতপত্র কমিটির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সরকারি প্রকল্পের কাজ পেতে ঘুষ নেওয়া ছিল স্বাভাবিক ঘটনা। সরকারি প্রকল্পের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতাহীন দরপত্রের মাধ্যমে নিজেদের পছন্দের লোককেই কাজ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।

স্বজনপোষণ

শ্বেতপত্র কমিটি আরও জানাচ্ছে, আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরের শাসনামলে নিয়োগের ক্ষেত্রেও ব্যাপকভাবে স্বজনপোষণ ঘটেছে। বিশেষ করে প্রকল্প পরিচালক পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধার বদলে রাজনৈতিক সম্পর্ককেই বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন প্রকল্পে গাড়ি ও ভ্রমণ খরচের অপব্যবহার করা হয়েছে। কমিটি পদ্মা সেতু, পদ্মা রেলসংযোগ, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র ও কর্ণফুলী টানেলের মতো বড় প্রকল্পগুলি নিয়েও মতামত জানিয়েছে।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।