৬ মাসেই ফের তোলপাড় বাংলাদেশ! ভাষণে ঠিক কী বলেছেন শেখ হাসিনা?

Sheikh Hasina Speech: বাংলাদেশের হাসিনাবিরোধী জনতা মনে করছে, ক্ষমতা হারিয়েও হাসিনা বদলাননি একটুও। স্বৈরাচারী, অত্যাচারী শাসক হাসিনা এখনও দেশের মানুষের উপরেই দায় চাপাচ্ছেন।

inscript
৪ মিনিট
৬ মাসেই ফের তোলপাড় বাংলাদেশ! ভাষণে ঠিক কী বলেছেন শেখ হাসিনা?

তিনি ক্ষমতাচ্যুত হয়েছেন তাঁরই দেশের জনতার হাতে। তিনি নিজের দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন। আশ্রয় খুঁজেছেন বিভিন্ন দেশে। মেলেনি। পালিয়ে এসে ভারতে রয়ে গিয়েছেন। ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার দীর্ঘ ৬ মাস পর, অবশেষ এক দীর্ঘ ভাষণ দিলেন শেখ হাসিনা। একদিকে নিজের মতামত ব্যক্ত করেছেন তিনি, আর ওই একই সময়ে ঢাকায় তার বাবা শেখ মুজিবের স্মৃতিবিজড়িত বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের ছাত্র সমাজের উদ্দেশ্যে সরাসরি বক্তব্য রাখছিলেন শেখ হাসিনা, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, মুজিবের ভূমিকা থেকে শুরু করে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়ির ইতিহাস এবং বর্তমান বাংলাদেশ— সমস্তটা নিয়েই কথা বলেছেন তিনি। বাংলাদেশের হাসিনাবিরোধী জনতা মনে করছে, ক্ষমতা হারিয়েও হাসিনা বদলাননি একটুও। স্বৈরাচারী, অত্যাচারী শাসক হাসিনা এখনও দেশের মানুষের উপরেই দায় চাপাচ্ছেন। ধানমন্ডির বাড়ি গুঁড়িয়ে দিয়ে তারা প্রমাণ করতে চেয়েছে, আসলে ফ্যাসিস্ট শাসকের এই অবস্থাই হয়। কেন হাসিনার বক্তব্য এত উত্তেজিত করল বাংলাদেশের বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতাকে?

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রায় ৫০ মিনিটের দীর্ঘ বক্তব্য পেশ করেন হাসিনা। বলেন, অগাস্ট মাস শোকের মাস। আর সেই মাসেই সাধারণ মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার জন্য চক্রান্ত হয়েছে আবার। তিনি বলছেন, বাংলাদেশের কৃষক শ্রমিক, ছাত্র, জনতা, পুলিশ কেউই রেহাই পাচ্ছে না। রক্তের খেলায়, ধ্বংসের খেলায় বাংলাদেশ ক্ষতবিক্ষত। হাসিনা আরও বলেছেন, “বাংলাদেশকে নিয়ে ধ্বংসের খেলা শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ সারা বিশ্বের কাছে উন্নয়নের রোল মডেল ছিল, উন্নয়নের বিস্ময় ছিল। সেই বাংলাদেশকে চরম ভাবে ধ্বংস করে জঙ্গি, সন্ত্রাসীদের দেশ হিসাবে পরিণত করা হয়েছে। এটিই হল সবচেয়ে দুর্ভাগ্যের বিষয়।”

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
নতুন করে হিংসা বাংলাদেশে! মুজিবের ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল কারা?

Bangladesh 32 Dhanmondi: হঠাৎ করে কেন ঠিক ৬ মাসের মাথায় নতুন করে এই ক্ষোভ প্রকাশ? ইউনূস একদিকে বলছেন নতুন বাংলাদেশ গড়ার কাজ চলছে। তাহলে কি গত ৬ মাসে একটুও এগোয়নি বাংলাদেশ?

স্মৃতিচারণা করে হাসিনা বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের পর টালমাটাল বাংলাদেশে মানুষ শান্ত হয়ে যখন নতুন জীবন শুরু করছিল, তা আবার বিক্ষিপ্ত করে দেওয়া হয় ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের দায়িত্ব নিয়েছিলেন মুজিব। মাত্র ৩ বছর ৭ মাসের মধ্যেই বাংলাদেশের উন্নতি ঘটাচ্ছিলেন তিনি। ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়ি থেকেই তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন। ওই ঘটনার পর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী মুজিবকে গ্রেফতার করে নিয়ে গিয়েছিল। তখনও এই বাড়িটিতে লুঠপাট চালিয়েছিল পাক-বাহিনী কিন্তু আগুন দিয়ে পোড়ায়নি বা ভাঙেনি। হাসিনা বলেন, “আমার মা অনেক কষ্ট করে এই বাড়িটির প্রতিটি ইট নিজের হাতে গেঁথেছিলেন।” বাংলাদেশের সেই দীর্ঘ ইতিহাসকেই মুছে ফেলার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ তাঁর। হাসিনার মতে, যাঁরা এ সব করার চেষ্টা করছেন তাঁরা নিজেদের ‘দুর্বলতা’ এবং ‘হীনম্মন্যতা’ প্রকাশ করেছেন। হাসিনার প্রত্যয়, বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ এর বিচার করবেন। উল্লেখ্য, হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হয়ে ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বাড়িটিকে সংগ্রহশালা হিসেবে তৈরি করে দেন। এই বাড়িতেই ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট হত্যা করা হয় শেখ মুজিবকে, তাঁর স্ত্রীকে, হাসিনার তিন ভাইকে, মাত্র ১০ বছরের রাসেলকে। গোটা পরিবার শেষ হয়ে যায়।

বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী হাসিনা এই বাংলাদেশকে সরাসরি পাকিস্তানপন্থী বলেও অভিযোগ করেছেন। হাসিনা ওই ভাষণে বলেন, “লাখো শহিদের রক্তের বিনিময়ে আমরা যে সংবিধান, স্বাধীনতা, পতাকা পেয়েছি— তা কয়েক জন বুলডোজ়ার দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিতে পারবে না। এ শক্তি তাঁদের এখনও হয়নি। এটি তাঁদের দুর্বলতার প্রকাশ। তাঁরা দালান ভাঙতে পারে, কিন্তু ইতিহাসকে ধ্বংস করতে পারে না। ইতিহাস যে প্রতিশোধ নেয়। এ কথা তাঁদের মনে রাখতে হবে। যাঁরা এ সব করছেন, তাঁরা হীনম্মন্যতার পরিচয় দিচ্ছেন। তাঁদের হয়তো বাংলাদেশের স্বাধীনতা পছন্দ নয়। পাকিস্তানিদের অধীনে থাকা এবং পদলেহন করাটাই হয়তো তাঁদের পছন্দ।” তাহলে কি কোটা বিরোধী আন্দোলন এবং তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করার নেপথ্যে যারা, তাঁদের সরাসরি পাকিস্তানপন্থী বলেই মনে করছেন হাসিনা?

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক হিংসায় নিহত ২৩? এই মৃত্যুর বাস্তব কারণগুলি আসলে যা

Bangladesh: বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ জানিয়েছিল, গত সাড়ে চার মাসে দেশে গ্রামীণ পর্যায়ে ১৭৪টি সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনা ঘটেছে।

মুজিব কন্যা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ষড়যন্ত্র বলেই মনে করছেন তিনি। "২০১৮ সালে কোটা আন্দোলন হয়েছিল একবার। আমি কোটা বন্ধ করে দিই। তখন আদালতে মামলা করেন মুক্তিযোদ্ধাদের কিছু পরিবারে। আদালত আবারও কোটা ব্যবস্থা চালু করে। সরকার 'রিট' করে তা স্থগিত করে দেয়। আবার ২০২৪ সালে কোটা আন্দোলন শুরু হয়। আসলে এটা ভিন্ন ষড়যন্ত্র। একজন ক্ষমতালোভীর চক্রান্ত এটা।" কাকে ক্ষমতালোভী বলছেন হাসিনা?

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসকে সরাসরি আক্রমণ করেছেন হাসিনা। উল্লেখ্য, হাসিনা সরকার দুর্নীতির অভিযোগে ইউনূসকে গ্রেফতার করেছিল। হাসিনা তাঁর ভাষণে বলেছেন, ইউনূস “১৯৯০ সালে গ্রামীণ ব্যাঙ্কের ম্যানেজারের পদে ৬০০০ টাকার বেতনের চাকরি পেয়েছিলেন। আমি ১৯৯৬ সালে সরকারে আসার পরে এই গ্রামীণ ব্যাঙ্ককে ৪০০ কোটি টাকা দিয়ে দাঁড় করিয়ে দিই। গ্রামীণ ফোনের ব্যবসাও ইউনূসকে দিয়েছিলাম। আমার কাছে বারবার ধর্না দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, সেখান থেকে লাভের অংশ গ্রামীণ ব্যাঙ্কে যাবে। কিন্তু তা যায়নি। তিনি আর্থিক দুর্নীতি করেছেন। তাঁর ক্ষমতার লোভ আজ বাংলাদেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে এসেছে।”

আর যাঁরা তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করল মূলত, বাংলাদেশের সেই ছাত্রদের উদ্দেশে হাসিনা বলেছেন, “সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের প্রতি আমাদের কোনও রাগও নেই, অভিযোগও নেই। আমি জানি তোমাদের বয়সটাই এই রকম। সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের এ সবের থেকে দূরে থাকা উচিত। তারা যেন এই ধ্বংসযজ্ঞে অংশ না নেয়।” বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিকে ‘জঙ্গিদের হাতে’ তুলে না দেওয়ার পরামর্শও দেন হাসিনা।

এই বক্তব্য চলাকালীনই বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ধানমন্ডির বাড়ি। হাসিনার শাসনাবসানের ঠিক ৬ মাসের মাথায় আবারও ধ্বংসের আশ্রয় নিল বাংলাদেশ। হামলার পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ বলছেন, "ফ্যাসিবাদের চিহ্ন বিলোপের সাথে সাথে খুনী হাসিনাসহ গণহত্যাকারীদের বিচার নিশ্চিত এবং আওয়ামীলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে।" একাধিক পোস্টে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন, হাসিনা ভুল প্রজন্মের সঙ্গে চ্যালেঞ্জ নিয়ে ফেলেছেন। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, প্রধান উপদেষ্টা নতুন বাংলাদেশ গঠনের কাজ করছেন বলে দাবি করেছেন। রাষ্ট্র সংস্কার চলছে। জিনিসের দাম বাড়ছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের ব্যবস্থা করতে হিমশিম খাচ্ছে গরিব মানুষ। নির্বাচন কবে হবে কোনও ঠিক নেই। এমতাবস্থায়, হঠাৎ বেছেবেছে ধানমন্ডির বাড়ি আক্রমণ করে কী বার্তা দেওয়া হলো? মুজিবের প্রতি ঘৃণা কি বাংলাদেশের নতুন সূর্যোদয়ের চেয়েও বেশি জরুরি? বাংলাদেশের নির্বাচনের মাধ্যমে স্থায়ী সরকার গঠন, রাষ্ট্রব্যবস্থার সংস্কার, সংবিধান সংশোধনের চেয়েও কি মুজিব ও তাঁর পরিবারের স্মৃতিকে মুছে ফেলাই এই মুহূর্তে বাংলাদেশের মূল চাহিদা?

লিখেছেন
inscript
inscript
17 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

ডানাছাঁটা ট্রাম্প-নেতানিয়াহু, বিশ্ব রাজনীতি কোন দিকে যাবে?

Trump midterm defeat: আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির পরাজয় এবং ইজরায়েলের নির্বাচনে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানো—দুটি ঘটনাই আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই পরাজয়ের পর ইরান যুদ্ধের ভবিষ্যৎ কী হবে? আমেরিকা-ইজরায়েল সম্পর্কের সমীকরণ কি বদলাবে? আর বিশ্ব রাজনীতিতে তার প্রভাবই বা কতটা পড়বে?

ট্রাম্পের হারের ৫ কারণ: কেন মুখ ফিরিয়ে নিলেন মার্কিন ভোটাররা?

US Midterm Elections: আমেরিকার মিডটার্ম নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেল ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি।জীবনযাত্রার খরচ বৃদ্ধি থেকে শুরু করে ট্রাম্পের নীতি—রিপাবলিকানদের ভরাডুবির পাঁচটি মূল কারণ কী কী?

পিস বন্ড কী, কেন দিতে হয়? নেহা বোরার আপত্তিতে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ঔপনিবেশিক আমলের আইন

Peace Bond: শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করলেই কি দিতে হবে পিস বন্ড? AISA-র জাতীয় সভাপতি নেহা বোরার আপত্তিতে নতুন করে বিতর্কে ঔপনিবেশিক আমলের প্রতিরোধমূলক আইন। ব্রিটিশ আমল থেকে স্বাধীন ভারত, CrPC থেকে BNSS—কীভাবে বদলেছে এই আইনি ব্যবস্থা? কেন কাউকে ১০ হাজার টাকার মুচলেকা দিতে বলা হয়? কী বলছে আইন?

রামলীলা ময়দানের সভায় ভিড় দেখাতে এআই ছবি? কতটা সত্যি?

Ramlila Maidan AI image controversy: দিল্লির রামলীলা ময়দানে ১ নভেম্বরের ‘ইন্ডিয়া’ জোটের সমাবেশে ভিড় ও এআই ছবি ব্যবহার নিয়ে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে বিতর্ক তুঙ্গে। ভাইরাল ছবিগুলোর সত্যতা কী?

আবের কাওয়াস: প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান মুসলিম মহিলা নিউ ইয়র্কের সিনেটে

Aber Kawas: নিউ ইয়র্কের ১২ নম্বর সিনেট ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন আবের কাওয়াস। নিউ ইয়র্ক স্টেট আইনসভায় তিনি প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান এবং প্রথম হিজাব পরিহিত মুসলিম মহিলা প্রতিনিধি।

প্রতিবেশীর ধর্ম দেখব না! গির্জায় হামলায় যা বলছে বাসন্তী

Basanti church: গির্জার সদস্য প্রদীপ মণ্ডল ইনস্ক্রিপ্টকে জানিয়েছেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ চার্চ অফ নর্থ ইন্ডিয়ার (CNI) বিশপ সুব্রত চক্রবর্তী পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকটি গির্জার যাজকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা করে নারায়ণতলার নবনির্মিত গির্জায় পৌঁছন। তাঁদের স্বাগত জানাতে গির্জার ভিতরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগে ৩০-৩৫ জনের একটি দল জোর করে গির্জায় ঢুকে পড়ে বলে দাবি তাঁর।

পাঁচ খুনের 'বদলা'? এবার গুয়াহাটিতে এনকাউন্টার পুলিশের

Guwahati Encounter: গুয়াহাটিতে হোটেলে ঢুকে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগে ধৃত ঘনকান্ত গগৈ পুলিশের গুলিতে নিহত। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালিয়ে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। একই সময়ে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস ও ভোপালে পৃথক এনকাউন্টারে তিন অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কয়েক দিন আগেই বাংলায় গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে দুই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছিল।

আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর, ট্রাম্পের ইসলামবিদ্বেষী প্রচারকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন আবদুল এল-সায়েদ

Abdul El-Sayed: নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর দলের একাধিক নেতা এল-সায়েদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ইসলামবিদ্বেষী প্রচার চালিয়েছিলেন। তাঁর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে তাঁকে আমেরিকার নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল।