দিল্লিতে আটক বাস্তবের ‘ব়্যাঞ্চো’ সোনম ওয়াংচুক, কেন লাদাখের দাবি দমনে এত উদগ্রীব কেন্দ্র?

Sonam Wangchuk: লাদাখের পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা-সহ স্থানীয় একগুচ্ছ দাবি নিয়ে লে থেকে পদযাত্রা করে দিল্লি পৌঁছন বাস্তবের 'ব়্যাঞ্চো' সোনম ওয়াংচুক। তাঁর সঙ্গে পা মেলান অসংখ্য মানুষ।

inscript
৫ মিনিট
দিল্লিতে আটক বাস্তবের ‘ব়্যাঞ্চো’ সোনম ওয়াংচুক, কেন লাদাখের দাবি দমনে এত উদগ্রীব কেন্দ্র?

লাদাখের জন্য দীর্ঘদিন ধরেই আন্দোলন চালিয়ে আসছেন পরিবেশকর্মী, শিক্ষক সোনম ওয়াংচুক। গত মার্চ মাস নাগাদ সেই সব দাবিদাওয়া নিয়ে লাদাখে প্রবল ঠান্ডায় খোলা আকাশের নীচে অনশন পর্যন্ত করেন সোনমরা। সম্প্রতি নিজেদের সেসব দাবিদাওয়া নিয়ে 'দিল্লি চলো' কর্মসূচী নেন তাঁরা। সেই কর্মসূচী মেনেই লেহ থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা হন জলবায়ুকর্মী সোনম। গত সোমবার সিঙ্ঘু সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা থেকে আটক করা হয় সোনমকে। তিনি একা নন, আটক হয়েছেন দেড়শোর কাছাকাছি লাদাখবাসী।

লাদাখের পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা-সহ স্থানীয় একগুচ্ছ দাবি নিয়ে লে থেকে পদযাত্রা করে দিল্লি পৌঁছন বাস্তবের 'ব়্যাঞ্চো' সোনম ওয়াংচুক। তাঁর সঙ্গে পা মেলান অসংখ্য মানুষ। তার মধ্যে বহু অশীতিপর মানুষও ছিলেন। লাদাখের জন্য ষষ্ঠ তফসিলের মর্যাদা দাবি করে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা। সোমবার সন্ধ্যায় তাঁদের দাবিগুলি নিয়ে লাদাখের নেতৃত্বের সঙ্গে যাতে আরও একবার আলোচনায় বসতে রাজি হয় কেন্দ্র, সেই দাবি নিয়েই দিল্লিতে আসেন তাঁরা। তবে জাতীয় রাজধানীতে প্রবেশের মুখেই সিঙ্ঘু সীমান্তে তাঁদের আটক করল দিল্লি পুলিশ। সূত্রের খবর, দিল্লি সীমান্তেই রাত কাটাতে চেয়েছিলেন ওয়াংচুক এবং অন্যান্যরা। কিন্তু, দিল্লিতে জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে তাদের ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করে পুলিশ। তাতে রাজি হননি সোনমরা। এর পরেই দিল্লি পুলিশ আটক করে প্রতিবাদীদের। দিল্লি পুলিশ সূত্রের খবর, ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৬৩ ধারা অনুযায়ী তাঁদের আটক করা হয়। ওয়াংচুক-সহ আটক প্রায় ১২০ জন ব্যক্তিকে আলিপুর থানা এবং দিল্লি-হরিয়ানা সীমান্তের অন্যান্য থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মিছিলে অংশগ্রহণকারী কোনও মহিলাকে আটক করা হয়নি বলেই জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ।

আটক হওয়ার কিছু আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে করেছিলেন সোনম ওয়াংচুক। দেখা গিয়েছিল তাঁরা দিল্লি সীমান্তে আছেন। সেখানে বিশাল সংখ্যক পুলিশ উপস্থিত। পুলিশ তাদের বাস থামিয়েছিল। ভিডিয়োতে জলবায়ু কর্মী ওয়াংচুককে পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করতে দেখা যায়। ওই পোস্টে ওয়াংচুক বলেছিলেন, দিল্লি পুলিশ এবং হরিয়ানা পুলিশের বেশ কয়েকটি গাড়ি তাঁদের বাসের সঙ্গে চলা শুরু করে। তাঁরা প্রাথমিকভাবে ভেবেছিলেন, সম্ভবত তাদের বাসটিকে পাহারা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কিন্তু দিল্লির কাছাকাছি আসতেই তাঁরা বুঝতে পারেন, তাঁদের আটক করা হবে। ওয়াংচুক জানান, দিল্লি সীমান্তে প্রায় ১০০০ পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। দিল্লির লাদাখ ভবনে এবং লাদাখের ছাত্রছাত্রীরা যে এলাকাগুসিতে বসবাস করেন, সেই সব এলাকাগুলিতে ভারী সংখ্যায় নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে বে তাঁরা খবর পেয়েছেন। ওয়াংচুক বলেন, “মনে হচ্ছে তারা এই পদযাত্রা হোক, সেটা চায় না।”

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মাইনাস ঠান্ডায় খোলা আকাশের নীচে টানা অনশন! যে দাবিতে লাদাখে সরব বাস্তবের 'ব়্যাঞ্চো'

Sonam Wangchuk, Ladakh: চরম ঠান্ডা। তাপমাত্রা মাইনাস ১৭ ডিগ্রিরও নীচে। আর ওই ভয়াবহ আবহাওয়াতেই খোলা আকাশের নিচে বিক্ষোভে নেমেছেন লাদাখের প্রায় ২৫০ জন আন্দোলনকারী। ডাক দিয়েছেন আমরণ অনশনের। 

লেহ অ্যাপেক্স বডি বা এলএবির উদ্যোগে এই ‘দিল্লি চলো পদযাত্রা’-র আয়োজন করা হয়। গত চার বছর ধরে সংগঠনটি দ্বারা লাদাখকে রাজ্যের মর্যাদা দেওয়া, সংবিধানের ষষ্ঠ তফসিলের সম্প্রসারণ, লাদাখের জন্য একটি পাবলিক সার্ভিস কমিশন গঠন ও দ্রুত নিয়োগ এবং লেহ ও কার্গিল জেলার জন্য পৃথক পৃথক লোকসভা আসনের মতো বিভিন্ন দাবি নিয়ে আন্দোলন চালাচ্ছে। বর্তমানে, দিল্লিতে এসে তারা তাদের দাবিগুলি তুলে ধরতে চেয়েছিল। তবে সোমবার থেকেই পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির জমায়েতএবং দিল্লি ও দিল্লির সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সব রকম বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করেছে। দিল্লির জায়গায় জায়গায় ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে।

তবে আটক হয়েও আন্দোলনের মাটি কামড়ে পড়ে রয়েছেন সোনম ওয়াংচুক। ইতিমধ্যে থানাতেই আমরণ অনশন শুরু করেছেন সোনম এবং তাঁর সঙ্গীরা ৷ এদিকে সোনম-সহ লাদাখের অন্য বাসিন্দাদের আটক করার ঘটনায় জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে দিল্লি হাইকোর্টে ৷ মামলাটি প্রধান বিচারপতি মনমোহন এবং বিচারপতি তুষার রাও গেডেলার বেঞ্চে তালিকাভুক্ত করা হয় ৷ বেঞ্চ মঙ্গলবার মামলাটি শুনতে অস্বীকার করে ৷ বৃহস্পতিবার দুপুরে মামলাটির শুনানি হতে পারে ৷

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
অল ইজ নট ওয়েল ইন লাদাখ! ১৮০০০ ফুট উচ্চতায়, -৪০ ডিগ্রিতে কেন অনশনে বসছেন ওয়াংচুক?

Ladakh Glacier: লাদাখের মতো দুর্গম জায়গাতেও শিল্প এবং মানুষের অত্যাচারে ফুরিয়ে যাচ্ছে হিমবাহ

সোনম ওয়াংচুক-সহ বাকিদের আটকের ঘটনার খবর পেয়ে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অতিশী তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে যান ৷ মঙ্গলবার সকালে তিনি বাওয়ানা থানায় গেলে তাঁকে থানার ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি ৷ আপ সূত্রে খবর, দুপুর একটার সময় অতিশী থানায় গিয়েছিলেন ৷ কিন্তু পুলিশ আধিকারিকরা তাঁকে সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে দেখা করতে দেননি ৷ বাওয়ানা থানাটি দিল্লি-হরিয়ানা সীমানায় অবস্থিত ৷

দিল্লিতে সোনমদের আটকের খবর পেয়েই ঘটনার প্রতিবাদে সরব হয়েছেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধি। এ বিষয়ে তাঁর মন্তব্য, ‘‘মেনে নেওয়া যায় না। বয়স্ক নাগরিকরা লাদাখের ভবিষ্যতের জন্য লড়ছেন, আর শান্তিপূর্ণ মিছিল থেকে তাঁদের আটক করা হচ্ছে?’’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে কটাক্ষ করে রাহুলের বার্তা, ‘‘কৃষক আন্দোলনের মতোই এই চক্রব্যূহও এক দিন ভাঙা হবে। আপনার দর্পও সে দিন চূর্ণ হবে। লাদাখ কী চায়, আপনাকে এক দিন শুনতেই হবে।’’

লাদাখকে রাজ্যের মর্যাদা দেওয়ার দাবিতে দীর্ঘ দিন ধরেই লড়ে চলেছেন সোনম। তবে তাতে টনক নড়েনি কেন্দ্রের। এর আগে একাধিক বার প্রতিশ্রুতি মিললেও গত মার্চ মাসে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, লাদাখে ষষ্ঠ তফসিল হচ্ছে না। তার প্রতিবাদে আট ডিগ্রি তাপমাত্রায় খোলা আকাশের নীচে লাগাতার অনশন করেছেন সোনম ও অন্যান্য় আন্দোলনকারীরা। সোনমদের বক্তব্য, জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যের মর্যাদা ফিরে পেলেও লাদাখ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হয়েই রয়ে গিয়েছে। লাদাখকে রাজ্যের মর্যাদা দেওয়ার দাবি নিয়ে কেন্দ্র আলোচনা করুক। লাদাখকে সংবিধানের ষষ্ঠ তফসিলের আওতাভুক্ত করে পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা দেওয়া হোক। লাদাখের জন্য একটি পৃথক পাবলিক সার্ভিস কমিশন গঠন করা হোক। সেই সঙ্গে লেহ এবং কার্গিল জেলার জন্য পৃথক পৃথক লোকসভা আসনের বন্দোবস্ত করা হোক। এমনই নানা দাবি নিয়ে বারবার সরব হয়েছেন অসংখ্য লাদাখবাসী। তবে তাঁদের সেসব দাবিদাওয়া শুনতেও আগ্রহ দেখায়নি মোদি সরকার। গত মাসেও সোনম কেন্দ্রকে হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছিলেন যে, দাবি না মানা হলে ২৮ দিনের জন্য অনশনে বসবেন তিনি। এর আগেও চলতি বছরের মার্চ মাসে ২১ দিনের অনশনে বসেছিলেন ওয়াংচুক। শুধু নুন-জল ছাড়া কিছুই মুখে তোলেননি ওই ২১ দিন। দাবি ছিল একটাই, লাদাখকে পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা দিতে হবে।

এরপর এই 'দিল্লি চলো'-র ডাক। যে মিছিলে সামিল হয়ে কার্যত কারাবন্দি হতে হল সোনম ওয়াংচুককে। এই 'দিল্লি চলো পদযাত্রা'র অনুমতি চেয়ে ওয়াংচুক এবং দলের অন্যরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে মেইল করেছিলেন ৷ সেই মেইলটি কাজে লাগিয়ে সোনম-সহ বাকিদের আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ ৷ পুলিশের দাবি উড়িয়ে লাদাখের সাংসদ মহম্মদ হানিফা সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে জানিয়েছেন, আটকদের মধ্যে অন্তত তিরিশ জন মহিলা আছেন ৷ তাঁদের পুরুষদের সঙ্গেই রাখা হয়েছে ৷ এমনকী সোনমকে তাঁর আইনজীবীদের সঙ্গেও দেখা করার অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। কেন সোনমদের সঙ্গে দিল্লির বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী অতিশী মারলেনাকেও দেখা করতে দেওয়া হল না, প্রশ্ন উঠেছে সে বিষয়টি নিয়েও। তবে কি এভাবেই লাদাখ থেকে লাগাতার উঠতে চাওয়া দাবিকে দমন করতে চাইছে সরকার, যেভাবে কৃষক বিক্ষোভকে আটকাতে চাওয়া হয়েছিল, সেই পথেই সোনম ওয়াংচুকদের মুখ বন্ধ করার চেষ্টা চলছে, উঠে গিয়েছে একাধিক প্রশ্ন।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।