ইলেক্টোরাল বন্ড নিয়ে সাধারণ জনগণের কিছুই এসে যায় না

Electoral Bond : আমরা কি জানি লোকসভা নির্বাচনে লড়তে গেলে একজন প্রার্থীকে সর্বোচ্চ ৯৫ লাখ টাকা খরচ করার অনুমতি দিয়ে রেখেছে নির্বাচন কমিশন?

Sambit Pal
৫ মিনিট
ইলেক্টোরাল বন্ড নিয়ে সাধারণ জনগণের কিছুই এসে যায় না

হ্যাঁ, বেশ শিহরণ জাগানো ব্রেকিং নিউজ হাতে এসে পৌঁছল ১৫ ফেব্রুয়ারি সকালে! অনেক দিন পরে সুপ্রিম কোর্টের একটি রায় সাংবাদিক মনকে চনমনে করে দিল। আরে গুরু করেছে কী! ইলেক্টোরাল বা নির্বাচনী বন্ডকে অবৈধ, অসাংবিধানিক ও নিষিদ্ধ ঘোষণা করে দিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। এমন খবরে গায়ে কাঁটা তো দেবেই।

দেশের রাজনৈতিক দলগুলির স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে (পড়ুন শাসক দলের স্বার্থ) একটি সরকার এমন অস্বচ্ছ ব্যবস্থা তৈরি করে ফেলবে কে জানত! প্রয়াত অর্থমন্ত্রী বিজেপির অরুণ জেটলি চমৎকার একটি ব্যবস্থা করে গিয়েছিলেন। যাদের ইচ্ছে মোটা টাকার অনুদান দেবে রাজনৈতিক দলগুলিকে তারা স্টেট ব্যাঙ্কের নির্দিষ্ট ব্রাঞ্চে যাবে। চেকে বা ডিজিটাল লেনদেনে নির্দিষ্ট টাকার পরিমাণ জমা দিয়ে বন্ড কিনে নিজের পছন্দের রাজনৈতিক দলকে দিয়ে দেবে। ১৫ দিনের মধ্যে রাজনৈতিক দলটি ব্যাঙ্কে সেই বন্ড ভাঙিয়ে নিজের তহবিলে টাকা নিয়ে নিতে পারবে। ব্যাস। অত্যন্ত সহজ উপায়।

এই ব্য়বস্থার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিকটি হল এই বন্ড কে কিনল ও সে কোন রাজনৈতিক দলগুলিকে দিল তা কেউ জানতে পারবে না। সব হবে গোপনে। এটা নাকি কালো টাকা আটকানোর উপায়! কারণ সবটাই হচ্ছে ডিজিটাল লেনদেন।

আগে কোনও কর্পোরেট সংস্থা কত টাকা রাজনৈতিক অনুদান হিসেবে দিতে পারবে তার একটি ঊর্ধ্বসীমা বাঁধা ছিল। জেটলিরা সেই সব আইনও ধুয়ে মুছে সাফ করে দিলেন। আগে কোনও কোম্পানি তাদের তিন বছরের গড় লাভের সাড়ে সাত শতাংশ পর্যন্ত টাকা রাজনৈতিক দলগুলিকে অনুদান হিসেবে দিতে পারত। ইলেক্টোরাল বন্ড নিয়ে আইন করার সময় সেই সব শর্ত আইন সংশোধন করে তুলে দেওয়া হয়েছিল।

কিন্তু এ তো সব জটিল ব্যাপার। এই আইন পাশ করে তার ব্যবহার করে দেশে একটি সাধারণ নির্বাচন হয়ে গেছে এবং অনেকগুলি বিধানসভার নির্বাচন। কেউ কি নির্বাচনী প্রচারে বন্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে জোর গলায়? কেউ কিছু বলেনি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বিজেপি জমানার 'ইলেক্টোরাল বন্ড' দুর্নীতিকে ভোটের 'হাতিয়ার' করতে পারবে বিরোধীরা?

Electoral Bond: ইলেক্টোরাল বন্ড এমনই একটি অস্বচ্ছ প্রক্রিয়া, যেখানে সাধারণ মানুষ জানতেই পারতেন না, যে রাজনৈতিক দলগুলোকে কে বা কারা আর্থিক মদত দিচ্ছে?

আসলে এত সব কূট কাচালিতে দেশের সাধারণ জনগণের কিছু এসে যায় কি? যদি এসে যেত তাহলে অনেক দিন আগেই এই নিয়ে আরও বেশি আলোচনা হত। রাজনৈতিক দলগুলি এবং রাজনৈতিক নেতারা যে বিশাল পরিমাণে টাকা খরচ করে থাকে তা কি আর কারও অজানা? খালি চোখেই তো দেখা যায় তাদের বৈভব।

এই যে নির্বাচনের সময় প্রধানমন্ত্রী সহ তাদের দলের নেতারা দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে বিশেষ বিমানে উড়ে বেড়ান তার কোনও খরচ নেই? বড় বড় পোস্টার, হোর্ডিং, কাটআউটে শহর ছেয়ে দেওয়া হয়, তার খরচও তো আছে। খবরের কাগজে দিনের পর দিন পাতা জোড়া বিজ্ঞাপন, টিভি ও অনলাইন মাধ্যমে বিজ্ঞাপন, কর্পোরেট সংস্থাকে দিয়ে দলের কাজ করানো, মিছিলে লোকজন নিয়ে যাওয়া, গাড়ির তেল — এই সবকিছুর জন্য তো টাকা লাগে। সবটাই তো হয় সাধারণ মানুষের চোখের সামনে।

কিন্তু আমরা তো কখনও প্রশ্নই করিনি — টাকা আসছে কোথা থেকে? এটি শুধু বিজেপির ব্যাপার তো নয়। এ রাজ্যের তৃণমূল কংগ্রেস তো এই ইলেক্টোরাল বন্ডের থেকে সবচেয়ে বেশি টাকা পাওয়ার তালিকায় তিন নম্বরে রয়েছে। প্রশান্ত কিশোরের আইপ্যাকের যে বিশাল বাহিনী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়দের সাহায্য করে গেল এবং এখনও করছে, সেই সব ছেলেমেয়েদের বেতন কাদের টাকায় হয়? শুধুই কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি বলে খরচের ব্যাপারটা উড়িয়ে দিলে চলবে!

ইতিউতি প্রশ্ন উঠেছে। খানিক গুলতানিও হয়তো হয়েছে। কিন্তু কে আর মাথা ঘামিয়েছে এই সব টাকার উৎস বা জোগান নিয়ে?

আজকাল নির্বাচনের সময় অনেক প্রার্থীকেই টাকা দিতে হয় না দলের পক্ষ থেকে। তাঁরা নিজেদের টাকাতেই নির্বাচনে লড়েন। বাংলাতেও বৈভব রয়েছে ঠিকই কিন্তু দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে রাজনৈতিক নেতারা যে হারে টাকা খরচ করেন, তা দেখলে তো অবাক চোখে তাকিয়েই থাকতে হবে। বেশিরভাগ জায়গার ভোটাররা আসলে একটু টাকা, একটু মদ, একটু খাওয়া দাওয়া পেলেই তুষ্ট।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ইলেক্টোরাল বন্ডের মাধ্যমে রাজনৈতিক তহবিলে কোটি কোটি টাকা! কত পেল বিজেপি?

Electoral Bonds Scam: ২০১৮ সাল থেকে ২০২২ সালের মধ্যে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা ইলেক্টোরাল বন্ডের মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলির তহবিলে ঢুকেছে। আর তার সিংহভাগ ঢুকেছে বিজেপির তহবিলে।

২০১৯-এর নির্বাচন কমিশনের তথ্য বলছে, তারা সেই বছর লোকসভা নির্বাচনের সময় ১৩০০ কোটি টাকার মাদক দ্রব্য, ৮৩৯ কোটি টাকার নগদ, ২৯৪ কোটি টাকার মদ, ৯৮৬ কোটি টাকার সোনা-রূপো এবং আরও ৫৮ কোটি টাকার জিনিস বাজেয়াপ্ত করেছিল। মোট বাজেয়াপ্ত হয়েছিল ৩৫০০ কোটি টাকার বেশি জিনিস।

২০১৬ সালে তামিলনাড়ুর দু'টি বিধানসভা কেন্দ্রে এত বেশি টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল যে নির্বাচন বাতিল করতে হয় সেখানে। কিন্তু তাতে কার কী এসে গেছে!

আমরা কি জানি লোকসভা নির্বাচনে লড়তে গেলে একজন প্রার্থীকে সর্বোচ্চ ৯৫ লাখ টাকা খরচ করার অনুমতি দিয়ে রেখেছে নির্বাচন কমিশন? সে টাকার হিসেব নির্বাচন মেটার পরেই নির্বাচন কমিশনকে দিতে হয়। কিন্তু কেউ কি মাত্র ৯৫ লাখ টাকা দিয়ে এত বড় লোকসভার প্রচার সারতে পারে! খরচ হয় অনেক বেশি। ২০১৯ সালের নির্বাচনী খরচ নিয়ে সিএমএস সংস্থার তৈরি করা একটি রিপোর্টে বলা হচ্ছে, এক এক জন প্রার্থী প্রায় ১০০ কোটি টাকা করে খরচ করেছেন লোকসভা নির্বাচনে লড়তে। দেশের তিন ভাগের দুই ভাগ আইনপ্রণেতারাই হচ্ছেন কোটিপতি!

আমাদের সব চোখ সওয়া। আমরা ফিরেও তাকাই না, জানার চেষ্টাও করি না কে কত টাকা খরচ করল। প্রার্থী বা রাজনৈতিক দল কত টাকা খরচ করল তার হিসেব নিয়ে তো আমাদের কোনও মাথা ঘামোনোর প্রয়োজনই নেই। "এমনটা তো হয়েই থাকে!"

কোনও কোনও জায়গায় এক বোতল মদ ও শ'খানেক টাকা দিয়েই ভোট কেনা যায়। সেই সব জনগণের বয়েই গেছে এই সব ইলেক্টোরাল বন্ড নিয়ে মাথা ঘামাতে। মিডিয়াও এই নিয়ে কোনও সমালোচনামূলক খবর বিশেষ করেনি। সাধারণ মানুষও পাত্তা দেয়নি। বাম দলগুলি ছাড়া সব দলগুলিই কম বেশি ইলেক্টোরাল বন্ডের সুবিধা তুলেছে। কাজেই 'চোরে চোরে মাসতুতো ভাই', কারও মুখে কোনও কথা নাই।

সিএমএস-এর সমীক্ষা বলছে শুধু ২০১৯ সালের নির্বাচনেই রাজনৈতিক দলগুলি খরচ করেছে আনুমানিক ৫৫ থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা। যার ৪৫-৫৫ শতাংশ খরচ করেছে শুধু বিজেপি। কংগ্রেস খরচ করেছে ১৫-২০ শতাংশ। আর গত ছয় বছরে ইলেক্টোরাল বন্ড থেকে উঠেছে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা। কাজেই নির্বাচনে যা খরচ হয়, তার খুব সামান্য অংশই বন্ড থেকে আসে।

আসলে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বিপদে পড়লে পড়তে পারে কর্পোরেট সংস্থাগুলো। যারা গোপনে এই পার্টি-ওই পার্টিকে বন্ডের মাধ্যমে টাকার জোগান দিয়েছে। কোনও শিল্পপতি বা ব্যবসায়ী তো আর দান-ধ্যান করতে সেই টাকা দেয়নি। তারা নিশ্চয়ই কোনও না কোনও সুযোগ সুবিধা নিয়েছে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলির থেকে। সুপ্রিম কোর্টও সেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।

কিন্তু সাধারণ জনগণের কাছে রাজনৈতিক দল হোক বা নেতা, তাদের বৈভব, যশ, প্রতিপত্তি এতটাই গা সওয়া যে এই সব রায়ে তাদের কিছু যায় আসে না। তাই সরকার পক্ষের উকিল ভরা আদালতে জোর গলায় বলতে পারেন, ভোটারদের জানার অধিকার নেই কোন রাজনৈতিক দল কোথা থেকে টাকা পাচ্ছে।

তিনি ঠিকই বলেছিলেন। এদেশের মূর্খ ভোটারদের ভরসাতেই তো রাজনৈতিক দলগুলি সরকার চালায়। দেওয়ালে পিঠ না ঠেকে যাওয়া অবধি সব 'পাগলু ড্য়ান্স'। নির্বাচনী খরচ ও অনুদান সংগ্রহের স্বচ্ছতা দাবি করতে গিয়ে আর এক দল মূর্খ মরে মরুক।

লিখেছেন
Sambit Pal
Sambit Pal
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।