মহাবিশ্বে লুকিয়ে থাকা গুপ্ত পদার্থ! কী দিয়ে তৈরি এই ডার্ক ম্যাটার?

Dark Matter of Universe: ডার্ক ম্যাটার মানে এটি যে কালো বর্ণের তা কিন্তু নয়। যে কোনও আলো এদের ভেদ করে যেতে পারে।

Shamim Haque Mondal
৩ মিনিট
মহাবিশ্বে লুকিয়ে থাকা গুপ্ত পদার্থ! কী দিয়ে তৈরি এই ডার্ক ম্যাটার?

সব হিসাব মেলে কি? মেলে না। জীবনের মতো মহাবিশ্বের বেলাতেও বুঝি এই কথা আরও বেশি করে খাটে। এই যে মহাবিশ্বে এত কিছু আছে, গ্রহ, নক্ষত্র, ছায়াপথ, এমনকী ব্ল্যাক হোল, এই সব কিছুর সম্মিলিত ভর কত হবে? ওই মেরেকেটে মহাবিশ্বের মোট ভরের পাঁচ শতাংশ। বিজ্ঞানীরা কিন্ত এই হিসেবের সময় একটা প্রোটন, নিউট্রন, এমনকী কোনও ইলেকট্রনকেও বাদ দেননি। অবাক কাণ্ড না! সব চেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, বাকি ৯৫% কী আছে তা আমরা কেউই ঠিক করে জানি না। এইখানেই বাঁধে গণ্ডগোল।

হিসেবের এই গলদ প্রথম ধরা পড়ে, ১৯৩৭ খ্রিস্টাব্দে। জুইকি নামে এক বিজ্ঞানী সেই সময় ক্লাস্টার বা ছায়াপথগুলোর পাড়া নিয়ে কাজ করছিলেন। তিনি দেখেন, অজস্র ছায়াপথগুলি ক্লাস্টারের কেন্দ্রকে ঘিরে ঘুরপাক খাচ্ছে। সেইরকম কিছু ছায়াপথের গতিপ্রকৃতি বিশ্লেষণ করতে গিয়ে তিনি দেখেন, ছায়াপথগুলোর গড় গতিশক্তি অত্যন্ত বেশি। তাঁর গবেষণা থেকে আরও জানা যায়, ক্লাস্টারের সবক'টা ছায়াপথই তাদের মুক্তিবেগের চেয়ে বেশি বেগ নিয়ে ছুটছে। আমাদের পৃথিবীপৃষ্ঠের কোনও বস্তুর মুক্তি বেগ ১১.২ কিমি প্রতি সেকেন্ড। অর্থাৎ পৃথিবীপৃষ্ঠে কোনও বস্তুকে এই বেগে ছোটালে সে মহাকর্ষের মায়া ত্যাগ করে চিরতরে চলে যাবে। তাহলেই বোঝা যায়, ছায়াপথ বা গ্যালাক্সিগুলির বেগ কতটা!

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মহাবিশ্ব মোটা হচ্ছে! এর বয়স কত? যেভাবে মেপেছিলেন এই বিজ্ঞানী

Hubble's law: হলভর্তি দর্শকের সামনে হাবল প্রমাণ করেন, আমাদের চেনা শাশ্বত মহাবিশ্ব আর আগের মতো চিরন্তন নয়, এ সতত পরিবর্তনশীল!

পদার্থবিজ্ঞানের চিরাচরিত ধারণা অনুসারে, এত জোরে ছুটে চলা গ্যালাক্সিগুলোর সব ক'টিই এদিক-ওদিক ছুটে চলে যাওয়ার কথা এবং ক্লাস্টারটির কোনও হদিশ এতদিনে থাকার কথা ছিল না। কিন্তু মজার ব্যপার হলো, প্রায় দশ বিলিয়ন বছর ধরে ক্লাস্টারটি বহাল তবিয়তে টিকে আছে! সেই থেকে,পদার্থবিজ্ঞানীরা ব্যস্ত হয়ে পড়লেন এই রহস্যের মোড়ক উন্মোচনের জন্য।

জুইকি কাজ করেছিলেন 'কোমো ক্লাস্টার' নিয়ে। পরবর্তীতে অন্যান্য দিকপালরা দেখলেন আরও অন্যান্য ক্লাস্টারের ক্ষেত্রেও এটা সত্যি। অর্থাৎ গণ্ডগোল তো কিছু একটা হচ্ছেই। নিউটনের মহাকর্ষ তত্ত্ব কি এক্ষেত্রে খাটছে না? আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব, নিউটনের তত্ত্বের পরিমার্জিত ও ব্যাপক রূপ? কিন্তু ক্লাস্টারদের মধ্যে মহাকর্ষ বল এখনও এত বিশাল হয়ে ওঠেনি যে আইনস্টাইনের তত্ত্ব ব্যবহার করা যাবে। বিজ্ঞানীরা সেই সময় একটা অদৃশ্য ভরের সম্ভাবনা অনুভব করলেন, তার শনাক্তকরণ সেই সময় অসম্ভব ছিল। বিজ্ঞানীরা সেই পদার্থের নাম দিলেন 'ডার্ক ম্যাটার' বা 'তমোপদার্থ'।

পরবর্তীকালে, ১৯৭৬ সালে বিশিষ্ট জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞানী ভেরা রুবিন ছায়াপথগুলোর ভেতরে এরকম ভরের তারতম্য প্রত্যক্ষ করেন। ক্লাস্টারগুলির মতো ছায়াপথের কেন্দ্রকে ঘিরে নক্ষত্ররা প্রদক্ষিণ করে চলেছে অবিরত। যে নক্ষত্র ছায়াপথের কেন্দ্র থেকে যত দূরে অবস্থিত, তার বেগ তত বেশি হওয়া উচিত ছিল। দূরের নক্ষত্র ক্রমাগত তাদের গতিশক্তির কারণে কেন্দ্র থেকে দূরে সরে যাচ্ছে, তার ফলে কেন্দ্রমুখী বেগ হ্রাস পাওয়ার কথা। অথচ রুবিন দেখেন নক্ষত্রদের কেন্দ্রাভিমুখী বেগ আগের মতো একই আছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মহাবিশ্বের সবচেয়ে বড় রহস্য আবিষ্কার! ৩০,০০০,০০০,০০০ সূর্যকে গিলে খেতে পারে এই দানব!

The Biggest Black hole: একটি নক্ষত্রের মৃত্যু হলে একটি ব্ল্যাকহোল তৈরি হয়। আর এই ব্ল্যাকহোল বা কৃষ্ণগহ্বরের মাধ্যাকর্ষণ ক্ষেত্র অত্যন্ত বেশি।

সময়রেখা ধরে আমরা যদি একটু পিছিয়ে যাই, ধরা যাক মহাবিশ্ব শুরুর সময়ের অর্ধ মিলিয়ন অর্থাৎ পাঁচ লাখ বছর পরে গেলে দেখতে পাব, তখনকার মহাবিশ্বের পদার্থরা সবেমাত্র বুদবুদের মতো জমাট বাঁধতে শুরু করেছে। এই বুদবুদগুলিই কালক্রমে বড় হতে হতে গ্যালাক্সি, ক্লাস্টার প্রভৃতির রূপ নেবে কিন্ত তার সঙ্গে মহাবিশ্বের আয়তনও বাড়তে থাকবে পাল্লা দিয়ে কারণ হাবল সাহেবের গবেষণা থেকে আমরা জানি, মহাবিশ্ব সম্প্রসারিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এদিকে আবার মহাকর্ষ চাইছে সবকিছুকে টেনে রাখতে। এই দুই বিপরীত শক্তির মাঝে টানাপড়েন চলছে ক্রমাগত।

সাধারণত স্কুলে শেখা অঙ্ক কষলে দেখা যায়, চেনা পদার্থের জন্যে সৃষ্ট মহাকর্ষ বলের সাহায্যে এই অসম লড়াই লড়া সম্ভব নয়। কোথাও যেন একটা বাড়তি ভর লুকিয়ে আছে, তা না হলে এই মহাবিশ্বের কাঠামো এরকম হতো না, আর কোনও নক্ষত্র, ছায়াপথের অস্তিত্বও থাকত না। সেই লুকিয়ে থাকা পদার্থই ডার্ক ম্যাটার বা গুপ্ত পদার্থ বা তমোপদার্থ নামে পরিচিত। মহাবিশ্বের মোট ভরের প্রায় ২৮ শতাংশ জুড়ে এরা বিরাজমান। ডার্ক ম্যাটার মানে এটি যে কালো বর্ণের তা কিন্তু নয়। যে কোনও আলো এদের ভেদ করে যেতে পারে। এই ডার্ক ম্যাটার কোনও ধরনের বিকিরণের সঙ্গে বিক্রিয়া করে না, এমনকী কোনও আলোতেও এরা দৃশ্যমান নয়।

ডার্ক ম্যাটার দেখতে কীরকম? এর প্রকৃতি কীরকম? অবস্থান কোথায়? এই ধরনের গুচ্ছ গুচ্ছ প্রশ্ন গত এক শতাব্দী ধরে ব্যস্ত করে রেখেছে পৃথিবী বিখ্যাত একঝাঁক দিকপালদের। সার্নে অবস্থিত পৃথিবীর সবচেয়ে বড় কণাত্বরক যন্ত্র, লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডারে বিভিন্ন ধরনের উচ্চ গতিসম্পন্ন কণাদের মাঝে সংঘর্ষে ঘটিয়ে বিজ্ঞানীরা প্রতিনিয়ত ডার্ক ম্যাটারের কণা আবিষ্কারের চেষ্টা করে চলেছেন। এইসব জটিল পরীক্ষা নিরীক্ষাগুলো সবসময় মাটির নীচে করা হয়, যাতে কোনও অনাকাঙ্খিত মহাজাগতিক কণার হিসাব বিজ্ঞানীদের প্রাপ্ত ফলাফলে না চলে আসে।

আমরা জানি প্রকৃতিতে মোট মৌলিক বলের সংখ্যা চারটি। মহাকর্ষীয় বল, তড়িৎচুম্বকীয় বল, ক্ষীণ বল ও নিউক্লিয়ার স্ট্রং ফোর্স। ডার্ক ম্যাটারকে শনাক্ত করতে গেলে আমাদের আগে জানতে হবে, কোন বিশেষ জাতের বল ক্রিয়া করে তাদের মাঝে। পর্যবেক্ষণভিত্তিক বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার দ্বারা এটা প্রমাণিত যে ডার্ক ম্যাটার বাস্তবে আছে কিন্ত তার প্রকৃতি আমাদের অজানা। হয়তো অদূর ভবিষ্যতে জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞানীদের গবেষণায় খুলে যাবে ১৪ বিলিয়ন বছর ধরে গড়ে ওঠা মহাবিশ্বের বিভিন্ন জট।

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

AI-এর যুগে মানুষ কি নিজের বুদ্ধিটাই মেশিনের হাতে তুলে দিচ্ছে?

Artificial Intelligence: ছোটবেলায় অনেকেই ভাবত রোবট এসে মানুষের কায়িক শ্রমের কাজগুলি করে দেবে। মানুষ অবসর পেয়ে গান শুনবে, কবিতা লিখবে কিংবা বারান্দায় বসে কফি খাবে। বাস্তবে দেখা গেল ঠিক তার উল্টো চিত্র। রোবট এখন কবিতা লিখছে, ছবি আঁকছে আর কোড তৈরি করছে। অন্যদিকে মানুষ সকাল থেকে রাত ল্যাপটপের সামনে বসে শিখছে প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং।

মহাকাশে রওনা নাসার টেলিস্কোপের, বদলে দিতে পারে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি?

NASA’s Roman Space Telescope: নাসার নতুন ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ বদলে দেবে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি? হাবল ও জেমস ওয়েবের পর কেন প্রয়োজন হলো এই নতুন মহাকাশ-চোখের? ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি, গ্যালাক্সি ও এক্সোপ্ল্যানেট সম্পর্কে কি নতুন তথ্য দেবে রোমান? মহাবিশ্বের প্রসারণের ইতিহাস বুঝতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে এই অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ?

সৌরপৃষ্ঠ আসলে কেমন? ৩৩ বছর পর মিলল উত্তর

Sun’s surface mystery: সূর্যের পৃষ্ঠকে এতদিন দূর থেকে তুলোর মতো নরম ও শান্ত দেখালেও, তা কি সত্যিই এমন? বিশ্বের বৃহত্তম সৌর টেলিস্কোপ ড্যানিয়েল কে ইনোয়ের তোলা সর্বোচ্চ-রেজোলিউশনের ছবিতে দেখা গেল ছোট ছোট হিংস্র প্লাজমার ঘূর্ণি। ৩৩ বছর আগে করা জোয়ান কার্পেনের সেই ভবিষ্যদ্বাণী কি অবশেষে সত্যি প্রমাণিত হলো? এই আবিষ্কার কি বদলে দেবে সৌরপৃষ্ঠ সম্পর্কে ধারণা?

৩ অগাস্ট থেকে বদলে যাচ্ছে শেয়ার বাজারের নিয়ম!

Stock Market India: নতুন ব্যবস্থার অধীনে শেয়ার বাজার বন্ধের সময়কে তিনটি আলাদা অংশে ভাগ করা হয়েছে। তবে নন-এফএন্ডও (Non-F&O) স্টকগুলির ক্ষেত্রে আগের মতোই বিকেল ৩:৩০টা পর্যন্ত স্বাভাবিক লেনদেন চালু থাকবে, এতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। কিন্তু এফএন্ডও স্টকগুলির ক্যাশ মার্কেটে প্রতিদিন একটানা লেনদেন চলবে বিকেল ৩:১৫ মিনিট পর্যন্ত।

আইআইটি-র দুই প্রাক্তনীর বৈদ্যুতিক কৃষিযন্ত্রে একরপ্রতি খরচ মাত্র ৪০ টাকা

Electric Power Tiller: বাজারে যেসব ট্র্যাক্টর পাওয়া যায়, তা হয় বিশাল বড় জমির উপযোগী, না হয় কেনা ও চালানো দুটোই খুব ব্যয়বহুল। ভারতে ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ কৃষকের জমিই ছোট ও খণ্ড-বিখণ্ড, যেখানে বড় যন্ত্র ঢোকানোই সম্ভব নয়। আবার চিন থেকে আমদানি করা ছোট ছোট সস্তা মেশিনগুলিতে যন্ত্রাংশ ও সার্ভিসিংয়ের চূড়ান্ত সমস্যা তৈরি হয়। তাই বিদেশ থেকে আমদানির কথা না ভেবে, আইআইটি বোম্বের দুই প্রাক্তনী ঐশ্বর্য রামকৃষ্ণন ও কেদার গোখলে সিদ্ধান্ত নেন খাঁটি দেশীয় প্রযুক্তিতে ভারতের মাটির উপযোগী সমাধান তৈরি করার।

মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও উষ্ণ থাকে সোনাম ওয়াংচুকের বাড়ি

Sonam Wangchuk House: সোনম ওয়াংচুক মানেই পাহাড়ঘেরা লাদাখের ছবি, বরফে ঢাকা জীবন আর নতুন এক ভাবনার আলো। পেশায় তিনি একজন প্রকৌশলী, শিক্ষাবিদ এবং উদ্ভাবক। কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে তিনি যেন রূপকথার সেই মানুষটি, যিনি পাহাড়ের রুক্ষ জীবনের কঠিন সমস্যাগুলিকে বিজ্ঞানের সহজ ছোঁয়ায় অত্যন্ত সহজ করে তুলেছেন।

মহাকাশে মিলল চিনির সন্ধান, কেন গুরুত্বপূর্ণ এই আবিষ্কার?

natural sugar in space: ছায়াপথের কেন্দ্রের একটি আণবিক মেঘে প্রথমবারের মতো প্রকৃত মনোস্যাকারাইড ‘এরিথ্রুলোজ’-এর সন্ধান পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এই আবিষ্কার জানাচ্ছে, নক্ষত্র ও গ্রহ তৈরির আগেই মহাকাশে জটিল জৈব অণু তৈরি হতে পারে। ফলে পৃথিবীতে প্রাণের উৎপত্তি এবং মহাবিশ্বে জীবনের সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে গবেষণার আগ্রহ বেড়েছে।

কর্মদক্ষতা মাপল এআই, চাকরি হারালেন কর্মীরা? মেটার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মামলা

Meta mass layoffs: কর্মীদের ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নেবে? মেটার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় অভিযোগ, এআই-নির্ভর মূল্যায়নের কারণে মাতৃত্বকালীন ও চিকিৎসাজনিত ছুটিতে থাকা কর্মীরা অন্যায্যভাবে চাকরি হারিয়েছেন।