এবার ভারতের সীমান্তে প্রহরা দেবে AI রোবটরা! যে অসাধ্য সাধন করছেন গবেষকরা
IIT Guwahati Border Security Robots: যেহেতু রোবট, তাই সারদিন-চব্বিশ ঘণ্টাই কঠিন ভূখণ্ডে নির্বিঘ্নে কাজ করতে পারবে এআই প্রহরীরা।

সীমান্তের প্রহরীদের নিয়ে রাজনৈতিক সমীকরণ ভিন্ন উপায়ে খেলা করে। লাদাখের সীমান্তে সমীকরণ অন্য, বাংলাদেশ সীমান্তে সমীকরণ আবার আলাদা। কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে যে বার্তাটি শাসক সবসময়ই পৌঁছতে চায়, তা হলো, সীমান্তে যারা প্রহরা দিচ্ছেন, ভারতের নিরাপত্তা তাঁদেরই হাতে। তাঁরা জেগে আছেন, প্রহরায় আছেন বলেই ১৪০ কোটি মানুষ নিশ্চিন্তে ঘুমোতে পারছেন। সেনাদের ত্যাগ, কঠিন পরিস্থিতিতে লড়াই করার মানসিকতা নিয়ে তাই অশ্রুগ্রন্থি কাঁপানো, জাতীয়তাবাদের ধ্বজা ওড়ানো একাধিক সিনেমাও তৈরি হয়। তবে সীমান্ত সামলানোর ভার এবার মানুষ ছাড়া অন্য 'প্রজাতির' উপরেও ন্যস্ত হতে পারে। ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (আইআইটি) গুয়াহাটির গবেষকরা আন্তর্জাতিক সীমান্তে নজরদারি চালানোর জন্য এক উন্নত এআই রোবট তৈরি করেছেন। এই রোবট প্রহরীরা কঠিনতম, দুর্গমতম ভূখণ্ড থেকেও 'রিয়েল-টাইম' পর্যবেক্ষণ জানাতে পারবে।
রোবটগুলি তৈরি করেছে Da Spatio Rhobotique Laboratory Pvt Ltd (DSRL)। আইআইটি গুয়াহাটিতেই এই স্টার্টআপটির জন্ম। গবেষকরা বলছেন, ড্রোন ক্যামেরা, স্টিল ক্যামেরা এবং মানুষের টহল দেওয়ার যা যা সীমাবদ্ধতা আছে, তা অতিক্রম করে সীমান্তে নিরাপত্তা বাড়ানোর লক্ষ্য রেখেই এই রোবটদের তৈরি কর হয়েছে। পাশাপাশি, এই রোবটরা চ্যালেঞ্জিং পরিবেশে নির্বিঘ্নে কাজ কএরে পারেও বলে জানিয়েছেন ডিএসআরএল-এর সিইও অর্ণব কুমার বর্মন।
- আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
Robot Killed Human: উইলিয়ামসকে মেরে ফেলার পরেও রোবটটি কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল। উইলিয়ামস ওই অবস্থাতেই প্রায় ৩০ মিনিট পড়েছিল।
অর্ণব বলেছেন, এই রোবোটি সিস্টেম সীমান্ত সুরক্ষা এবং কৌশলগত প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে 'গেম-চেঞ্জার'! এই নজরদারি ব্যবস্থায় মাল্টি-সেন্সর গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহও সম্ভব। অর্থাৎ সীমান্তে কোনও হুমকি বা ঝুঁকি আছে কিনা তা শনাক্ত করা এবং তা প্রতিরোধ করার ক্ষেত্রে আগের চেয়ে অনেক উন্নত উপায়ে কাজ করতে পারবে এই রোবটরা।
আইআইটি গুয়াহাটির টেকনোলজি ইনকিউবেশন সেন্টারের প্রধান কেউর সোরাথিয়া জানিয়েছেন, ভারতীয় সেনাবাহিনী এই রোবটদের ফিল্ড ট্রায়াল পরিচালনা করবে। তারপরেই ভারতের সংবেদনশীল সীমান্ত এলাকায় বড় আকারেই মোতায়েন করা হবে রোবট প্রহরীদের। যেহেতু রোবট, তাই সারদিন-চব্বিশ ঘণ্টাই কঠিন ভূখণ্ডে নির্বিঘ্নে কাজ করতে পারবে এআই প্রহরীরা। এই অত্যাধুনিক দেশিয় প্রযুক্তি প্রতিবেশী কোনও দেশের ড্রোন এবং অনুপ্রবেশের প্রচেষ্টার সমস্যা মোকাবিলা করতে সক্ষম।






