পৃথিবী ও সূর্যের মাঝে এমন পাঁচটি জায়গা আছে যেখানে... যেভাবে অসাধ্যসাধন করছে আদিত্য L1

Aditya L1 Solar Mission : পৃথিবী ও সূর্যের মাঝে এমন পাঁচটা বিন্দু থাকা সম্ভব যেখানে কোনও ক্ষুদ্র বস্তুকে প্রতিস্থাপন করতে পারলেই বস্তুটি প্রায় স্থির হয়ে যাবে।

Shamim Haque Mondal
৪ মিনিট
পৃথিবী ও সূর্যের মাঝে এমন পাঁচটি জায়গা আছে যেখানে... যেভাবে অসাধ্যসাধন করছে আদিত্য L1

চন্দ্রযান সফল হওয়ার পরপরই গত বছর সেপ্টেম্বরে, আদিত্য নামক সৌরযানকে মহাশূন্যে পাঠিয়েছিল আমাদের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। সম্প্রতি ৬ জানুয়ারি সফলভাবেই সেই যাত্রা উতরেছে ইসরো। আদিত্য পৃথিবীর টান অগ্রাহ্য করে পৌঁছে গেছে পৃথিবী থেকে প্রায় দেড় মিলিয়ন দূরে অবস্থিত প্রথম লাগ্রঁজ পয়েন্টে (L1)। শুধু তো পৌঁছলেই হবে না, ওই জায়গা থেকে সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরপাক খেতে হবে একটি বিশেষ কক্ষপথে (হ্যালো অরবিট), আর পর্যবেক্ষণ করতে হবে সূর্যকে। কী এই লাগ্রঁজ পয়েন্ট বা লাগ্রঁজ বিন্দু? কেনই বা সেখানেই প্রতিস্থাপন করতে হবে আদিত্যকে?

সেটা জানতে গেলে আমাদেরকে এক বিখ্যাত গণিতজ্ঞের কথা জানতে হবে। নিউটনের সূত্র অনুযায়ী আমরা জানি, এই মহাবিশ্বের যেকোনও দু'টি বস্তু পরস্পরকে আকর্ষণ করে। এমনকী হাতের কাছে থাকা বলটিকে ৩০ ডিগ্রি কোণে ছুঁড়ে দিলে কত দূরে গিয়ে পড়বে বা শূন্যে কতক্ষণ অবস্থান করবে, সেসব হিসেব-নিকেশ নিমেষে করে ফেলা যায় নিউটন সাহেবের সূত্র অনুযায়ী। এই বিদ্যার পোশাকি নাম 'নিউটনিয়ান মেকানিক্স' বা 'নিউটনিয় বলবিদ্যা'। কিন্তু যদি একসঙ্গে তিনটি বস্তুর স্থান-কাল, গতি নিয়ে আলোচনা করতে হয়, যেমন পৃথিবী, সূর্য ও চাঁদ- তখন হিসেবটা একটু গোলমেলে হয়ে পড়ে। পদার্থবিজ্ঞান ও গণিত যাঁদের রুটি- রুজি, তারা জানবেন এই ধরনের সমস্যার একটা পোশাকি নাম আছে, 'থ্রি বডি প্রবলেম'। এ নিয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে চর্চাও কম হয়নি।

অষ্টাদশ শতকে বিখ্যাত সুইস গণিতজ্ঞ, অয়লার ও ফরাসি গণিতজ্ঞ লাগ্রঁজ স্বাধীনভাবে এর সমাধান দেন। ফরাসি গণিতজ্ঞ লাগ্রঁজ এই 'থ্রি বডি সমস্যার' সমাধান লিপিবদ্ধ করেন তাঁর বিখ্যাত 'মেকানিক এনালিটিক' নামক বইতে। সেই থেকে জন্ম নিল এক নতুন বলবিদ্যা: লাগ্রঁজ বলবিদ্যা। তিনি বললেন দুটো বৃহৎ বস্তুর সঙ্গে একটা ছোট বস্তু যদি একই সমতলে নিজেদের মধ্যে সমান দূরত্ব রেখে ঘোরে, তাহলে এমন কিছু স্থান থাকা সম্ভব, যেখানে ছোট বস্তুর উপর কার্যগত মোট বল শূন্য। আসলে এক্ষেত্রে ছোট বস্তুর ঘূর্ণনের দরুন তৈরি কেন্দ্রাতিগ বল, তার উপরে ক্রিয়াশীল বৃহৎ বস্তুগুলোর মহাকর্ষীয় বলকে প্রশমিত করে। লাগ্রঁজের সম্মানে, সেইসব স্থানের নামকরণ করা হয় লাগ্রঁজ বিন্দু। একটা দুটো নয় এইরকম বিন্দু পাঁচটা থাকা সম্ভব, যেখানে ছোট বস্তুটির উপর মোট সম্মিলিত কার্যকরী বল শূন্য। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, পৃথিবী ও সূর্যের মাঝে এমন পাঁচটা বিন্দু থাকা সম্ভব যেখানে কোনও ক্ষুদ্র বস্তুকে প্রতিস্থাপন করতে পারলেই বস্তুটি প্রায় স্থির হয়ে যাবে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
রামমন্দিরের জয়ে আসলে হারল ভারতই?

Did India lose: ভক্তেরা যদি ধর্না দেয় অবতারের লাঠির ঘা পড়বে না তো? শত শত বছর লেগেছে লোকতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে। বিলীন করতে লাগল মাত্র দশবছর? এমন অবতারধন্য 'অচ্ছে দিন'ই আপনি চেয়েছিলেন?

এই পাঁচটি বিন্দুর যেকোনও একটিতে ছোট বস্তুটিকে রাখলে, সেটি বড় বস্তুদু'টির সঙ্গে দিব্যি তাল রেখে ঘুরতে পারে। এদের মধ্যে L1, L2, ও L3 বিন্দুগুলো সুস্থির নয়। এই বিন্দু তিনটি পৃথিবী ও সূর্যের সংযোগকারী রেখার উপর অবস্থিত। অপরদিকে পরস্পর বিপরীতমুখী দু'টি সমবাহু ত্রিভুজের শীর্ষবিন্দু দু'টি, (L4, ও L5 ) সুস্থির বিন্দু বা স্টেবল পয়েন্ট। এখানেও একটা গণ্ডগোল আছে। বড় বস্তুদু'টির মধ্যে একটি অপরটির প্রায় ২৫ গুণ হলে, তবেই বিন্দুগুলি সুস্থির বিন্দুর মতো আচরণ করে।

ইসরো আদিত্যকে L1 পয়েন্টে প্রতিস্থাপন করতে পেরেছে যথাযথভাবে। না, একবার প্রতিস্থাপন করতে পারলেই দায়িত্ব শেষ নয়। সমস্যা একটা আছে! সেটা হচ্ছে পৃথিবীর ঘূর্ণন। সময়ের সাপেক্ষে পৃথিবীর গতিপথ যেহেতু বদলাচ্ছে, ফলে ওই লাগ্রঁজের বিন্দুর অবস্থানও বদলাবে একটু একটু করে। ফলে প্রতি মুহূর্তে নজরদারিতে রাখতে হবে যেন আদিত্যের উপরে মোট কার্যকরী বল শূন্য হয়। বিন্দুটির তাৎক্ষণিক অবস্থানকে কেন্দ্র করে একটি কক্ষপথ কল্পনা করে আদিত্যকে সেই কক্ষপথ বরাবর পৃথিবীর বেগের সমান বেগে ঘুরিয়ে দিতে পারলেই আদিত্যর উপর সম্মিলিত বলের মান শূন্য। ঘূর্ণনরত এই অবস্থায় একটানা সূর্যকে নিরবিচ্ছিন্নভাবে পর্যবেক্ষণ করতে পারবে সে। ফলে পৃথিবীতে বসে আমরা তথ্য পেতে থাকব নিয়মিত।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
চাঁদে যেতে গিয়ে পুড়ে ছাই হয়ে গেছিলেন ওঁরা

Chandrayaan 3 and Moon Mission: দু'বছর পরই খুন হয়ে যাওয়ায় তিনি আর দেখে যেতে পারেননি তাঁরই নামাঙ্কিত কেনেডি স্পেস স্টেশন থেকে আরোহী সমেত উড়ে যাচ্ছে অ্যাপোলো-১১।

এই L1 পয়েন্টেই রয়েছে SOHO অর্থাৎ 'সোলার অ্যান্ড হেলিওস্ফেরিক অবজারভেটরি'। আবার L2 বিন্দুতে একসময় ছিল নাসার WMAP স্পেসক্রাফট। বিজ্ঞানীদের কাছে এটি বেশ পছন্দের স্থান কারণ এখান থেকে চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য তিনটিকেই নিরবিচ্ছিন্নভাবে লক্ষ্য করা যায়। এখানেই আছে বহুল আলোচিত জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ।

এত সব বৈজ্ঞানিক কর্মকাণ্ডের মাঝে হয়তো মনে উঁকি দিতেই পারে, কী লাভ এই সৌর অভিযানে? পৃথিবীতে থাকা অনেক দূরবীক্ষণ যন্ত্রের মাধ্যমে তো অনেকদিন ধরেই মহাজাগতিক অনেক কিছুই দেখে আসছি। কিন্তু সূর্যকে এখনও জানা বাকি, আমাদের চির পরিচিত এই নক্ষত্র এখনও অনেক রহস্যে মোড়া, যা আবিষ্ট করে রেখেছে পৃথিবী জোড়া সৌর বিজ্ঞানীদের। পৃথিবীতে বসে আমরা সূর্যের কেবল বাইরের দৃশ্যমান অংশ দেখতে পাই কিন্তু এর বাইরের আবহাওয়া সম্পর্কে বিশেষ আঁচ করতে পারি না। 'মহাকাশের আবহাওয়া'-কে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বোঝাই হলো আদিত্য L1 এর মুখ্য উদ্দেশ্য।

আসলে সুর্যের বাইরের যে স্তর অর্থাৎ ফটোস্ফিয়ারের উষ্ণতা ৬০০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যেটি দৃশ্যমান ও অবলোহিত রশ্মি বিকিরণ করে। এই ফটোস্ফিয়ারের উপরে আছে ক্রমোস্ফিয়ার বা বর্ণমণ্ডল, তার উপরে কোরোনা অঞ্চল। সূর্যের কেন্দ্রের (উষ্ণতা প্রায় ১৫ মিলিয়ন ডিগ্রি সেলসিয়াস) থেকে ফটোস্ফিয়ারের উষ্ণতা অনেক কম, প্রায় ধর্তব্যের বাইরে। বর্ণমণ্ডলের তাপমাত্রা আবার সে তুলনায় অনেক বেশি, প্রায় মিলিয়ন ডিগ্রি সেলসিয়াস। করোনা অঞ্চলের উষ্ণতা আরও বেশি প্রায় ২ মিলিয়ন ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই তাপমাত্রার হেরফেরের রহস্য, বিজ্ঞানীদেরকে অনেকদিন থেকেই ভাবাচ্ছে।

কোরোনা অঞ্চলের বিকিরণের সঙ্গে সঙ্গে সূর্যের থেকে ক্রমাগত আসতে থাকে আহিত কণার (ইলেকট্রন, প্রোটন, ও অন্যান্য আয়ন) স্রোত, যাকে আমরা সৌর ঝড় বলে চিনি। ক্ষেত্রবিশেষে, এই ঝড় উপগ্রহ ভিত্তিক টেলি যোগাযোগ ব্যবস্থাকে দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। বর্তমানে পৃথিবীকে ঘিরে প্রায় ৭,০০০ স্যাটেলাইট ঘুরপাক খাচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতে আদিত্য যদি সৌরঝড়ের কোনও আভাস দিতে পারে, তা সৌরমণ্ডলের গবেষণায় একটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ হবে।

ইসরোর সৌরযান, আদিত্যর সঙ্গে এবার জুড়ে দেওয়া হয়েছে সাতটি পেলোড, যার মধ্যে চারটির কাজ খালি সূর্যকে পর্যবেক্ষণ করা, আর বাকি তিনটি সৌর ঝড় ও সৌরচৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তন বোঝার চেষ্টা করবে। এতে আছে সোলার আল্ট্রভায়োলেট ইমেজিং টেলিস্কোপ বা 'সুট', যেটি দিয়ে সৌরকলঙ্কের ছবি তোলা যাবে। সম্পূর্ণ দেশিয় প্রযুক্তিতে তৈরি এটি। অয়লার ও লাগ্রঁজর কালজয়ী গণনায় ভর করে তৈরি আদিত্য, আগামী কয়েক বছর সূর্যের চারপাশের আবহাওয়াকে গভীর ভাবে বোঝার চেষ্টা করবে।

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

AI-এর যুগে মানুষ কি নিজের বুদ্ধিটাই মেশিনের হাতে তুলে দিচ্ছে?

Artificial Intelligence: ছোটবেলায় অনেকেই ভাবত রোবট এসে মানুষের কায়িক শ্রমের কাজগুলি করে দেবে। মানুষ অবসর পেয়ে গান শুনবে, কবিতা লিখবে কিংবা বারান্দায় বসে কফি খাবে। বাস্তবে দেখা গেল ঠিক তার উল্টো চিত্র। রোবট এখন কবিতা লিখছে, ছবি আঁকছে আর কোড তৈরি করছে। অন্যদিকে মানুষ সকাল থেকে রাত ল্যাপটপের সামনে বসে শিখছে প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং।

মহাকাশে রওনা নাসার টেলিস্কোপের, বদলে দিতে পারে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি?

NASA’s Roman Space Telescope: নাসার নতুন ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ বদলে দেবে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি? হাবল ও জেমস ওয়েবের পর কেন প্রয়োজন হলো এই নতুন মহাকাশ-চোখের? ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি, গ্যালাক্সি ও এক্সোপ্ল্যানেট সম্পর্কে কি নতুন তথ্য দেবে রোমান? মহাবিশ্বের প্রসারণের ইতিহাস বুঝতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে এই অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ?

সৌরপৃষ্ঠ আসলে কেমন? ৩৩ বছর পর মিলল উত্তর

Sun’s surface mystery: সূর্যের পৃষ্ঠকে এতদিন দূর থেকে তুলোর মতো নরম ও শান্ত দেখালেও, তা কি সত্যিই এমন? বিশ্বের বৃহত্তম সৌর টেলিস্কোপ ড্যানিয়েল কে ইনোয়ের তোলা সর্বোচ্চ-রেজোলিউশনের ছবিতে দেখা গেল ছোট ছোট হিংস্র প্লাজমার ঘূর্ণি। ৩৩ বছর আগে করা জোয়ান কার্পেনের সেই ভবিষ্যদ্বাণী কি অবশেষে সত্যি প্রমাণিত হলো? এই আবিষ্কার কি বদলে দেবে সৌরপৃষ্ঠ সম্পর্কে ধারণা?

৩ অগাস্ট থেকে বদলে যাচ্ছে শেয়ার বাজারের নিয়ম!

Stock Market India: নতুন ব্যবস্থার অধীনে শেয়ার বাজার বন্ধের সময়কে তিনটি আলাদা অংশে ভাগ করা হয়েছে। তবে নন-এফএন্ডও (Non-F&O) স্টকগুলির ক্ষেত্রে আগের মতোই বিকেল ৩:৩০টা পর্যন্ত স্বাভাবিক লেনদেন চালু থাকবে, এতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। কিন্তু এফএন্ডও স্টকগুলির ক্যাশ মার্কেটে প্রতিদিন একটানা লেনদেন চলবে বিকেল ৩:১৫ মিনিট পর্যন্ত।

আইআইটি-র দুই প্রাক্তনীর বৈদ্যুতিক কৃষিযন্ত্রে একরপ্রতি খরচ মাত্র ৪০ টাকা

Electric Power Tiller: বাজারে যেসব ট্র্যাক্টর পাওয়া যায়, তা হয় বিশাল বড় জমির উপযোগী, না হয় কেনা ও চালানো দুটোই খুব ব্যয়বহুল। ভারতে ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ কৃষকের জমিই ছোট ও খণ্ড-বিখণ্ড, যেখানে বড় যন্ত্র ঢোকানোই সম্ভব নয়। আবার চিন থেকে আমদানি করা ছোট ছোট সস্তা মেশিনগুলিতে যন্ত্রাংশ ও সার্ভিসিংয়ের চূড়ান্ত সমস্যা তৈরি হয়। তাই বিদেশ থেকে আমদানির কথা না ভেবে, আইআইটি বোম্বের দুই প্রাক্তনী ঐশ্বর্য রামকৃষ্ণন ও কেদার গোখলে সিদ্ধান্ত নেন খাঁটি দেশীয় প্রযুক্তিতে ভারতের মাটির উপযোগী সমাধান তৈরি করার।

মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও উষ্ণ থাকে সোনাম ওয়াংচুকের বাড়ি

Sonam Wangchuk House: সোনম ওয়াংচুক মানেই পাহাড়ঘেরা লাদাখের ছবি, বরফে ঢাকা জীবন আর নতুন এক ভাবনার আলো। পেশায় তিনি একজন প্রকৌশলী, শিক্ষাবিদ এবং উদ্ভাবক। কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে তিনি যেন রূপকথার সেই মানুষটি, যিনি পাহাড়ের রুক্ষ জীবনের কঠিন সমস্যাগুলিকে বিজ্ঞানের সহজ ছোঁয়ায় অত্যন্ত সহজ করে তুলেছেন।

মহাকাশে মিলল চিনির সন্ধান, কেন গুরুত্বপূর্ণ এই আবিষ্কার?

natural sugar in space: ছায়াপথের কেন্দ্রের একটি আণবিক মেঘে প্রথমবারের মতো প্রকৃত মনোস্যাকারাইড ‘এরিথ্রুলোজ’-এর সন্ধান পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এই আবিষ্কার জানাচ্ছে, নক্ষত্র ও গ্রহ তৈরির আগেই মহাকাশে জটিল জৈব অণু তৈরি হতে পারে। ফলে পৃথিবীতে প্রাণের উৎপত্তি এবং মহাবিশ্বে জীবনের সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে গবেষণার আগ্রহ বেড়েছে।

কর্মদক্ষতা মাপল এআই, চাকরি হারালেন কর্মীরা? মেটার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মামলা

Meta mass layoffs: কর্মীদের ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নেবে? মেটার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় অভিযোগ, এআই-নির্ভর মূল্যায়নের কারণে মাতৃত্বকালীন ও চিকিৎসাজনিত ছুটিতে থাকা কর্মীরা অন্যায্যভাবে চাকরি হারিয়েছেন।