এক দেশ, এক নির্বাচন! সারা দেশে একসঙ্গে নির্বাচন কেন চাইছে বিজেপি?

One Nation, One Election : ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত রাজ্যের বিধানসভা এবং লোকসভার একসঙ্গেই নির্বাচন হতো ভারতে।

Madhurima Dutta
৪ মিনিট
এক দেশ, এক নির্বাচন! সারা দেশে একসঙ্গে নির্বাচন কেন চাইছে বিজেপি?

নানা ভাষা, নানা মত, নানা পরিধান হতে পারে, সেখানে যতই বৈচিত্র্য থাকুক না কেন সংসদীয় গণতন্ত্রে নিজের সরকার বাছাইয়ে এবার অভিন্ন নিয়ম আসতে পারে। অন্তত সরকার বাছাইয়ের দিন নিয়ে এক এবার সারাদেশে এক নিয়ম চালু হওয়ার বিষয়টিকে খুব গুরুত্ব দিচ্ছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্র সরকার সংসদের বিশেষ অধিবেশন চলাকালীন 'এক দেশ, এক নির্বাচন' বিল পেশ করতে পারে।

এক দেশ, এক নির্বাচন কী?

'এক দেশ, এক নির্বাচন' ধারণাটির মূল নির্যাস হচ্ছে, সারাদেশে একযোগে নির্বাচনের আয়োজন। দেশে বিভিন্ন রাজ্যে বিভিন্ন সময়ে বিধানসভা নির্বাচন হয়, এবং সারা দেশে লোকসভা ভোটের দিনটিও আবার আলাদা। কিন্তু এক দেশ, এক নির্বাচনের মানে হচ্ছে যে, সারা ভারত জুড়ে লোকসভা এবং সমস্ত রাজ্যজুড়ে বিধানসভার নির্বাচন একযোগে অনুষ্ঠিত হবে। বর্তমানে প্রতিটি রাজ্যের বিধানসভা এবং লোকসভার নির্বাচন পৃথকভাবে অনুষ্ঠিত হয় কারণ সরকারের পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার দিনটি প্রতিক্ষেত্রেই আলাদা। কিন্তু হঠাৎ সরকার একসঙ্গে সমস্ত নির্বাচনের আয়োজন করতে চাইছে কেন?

সুবিধা কী কী?

একসঙ্গে সমস্ত নির্বাচন আয়োজনের নেপথ্যে সবচেয়ে বড় যে কারণটি দেখানো হচ্ছে তা হলো, পৃথক নির্বাচনের খরচ কমানো। সরকারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে ৬০,০০০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। যে রাজনৈতিক দলগুলি নির্বাচনে লড়াই করছে তাদের খরচ এবং ভারতের নির্বাচন কমিশন নির্বাচন আয়োজনে যা খরচ করেছে সব মিলিয়েই এই বিপুল অঙ্ক।

পাশাপাশি, একসঙ্গে নির্বাচনের সমর্থনে দেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় দক্ষতার দিকটিও তুলে ধরা হচ্ছে। ভোটের সময় দেশের প্রশাসনিক লাগাম যথেষ্ট আলগা হয়ে যায় কারণ প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা ভোটগ্রহণের দায়িত্বে নিযুক্ত হয়ে পড়েন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
সারা বিশ্বের সামনে স্পষ্ট হয়ে গেল নরেন্দ্র মোদির নির্বুদ্ধিতা

Narendra Modi on Manipur: নরেন্দ্র মোদি ভোট এলে তিনি ছোট রাজ্য, বড় রাজ্য সর্বত্র ঘন ঘন চলে যান ঠিকই, তবে এবারে তিনি আর মণিপুরের পথে যাননি।

কেন্দ্রের যুক্তি হচ্ছে, এক দেশ এক নির্বাচন হলে তা কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের নীতি এবং কর্মসূচির ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতেও সাহায্য করবে। এখন যখনই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় তখনই আদর্শ আচরণবিধি জারি করা হয়। নির্বাচনের ঘোষণা থেকে ভোটের ফলাফল ঘোষণার দীর্ঘ সময়ের মধ্যে জনকল্যাণের নতুন প্রকল্প চালু বা ঘোষণা করার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

আইন কমিশন বলছে, একসঙ্গে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে ভোটারদের উপস্থিতি বাড়বে কারণ মানুষের পক্ষে একবারে দু'টি ভোট দেওয়া আরও সুবিধাজনক।

অসুবিধা কী কী?

সুবিধার ছায়ায় বাড়ে অসুবিধাও। একসঙ্গে নির্বাচন আয়োজনের নানা সমস্যাও আছে। সবচেয়ে বড় বিষয়টি হচ্ছে, একসঙ্গে বিধানসভা আর লোকসভা নির্বাচন আয়োজন করতে গেলে সবার আগে লোকসভার সঙ্গে রাজ্য বিধানসভার শর্তাবলীর সমন্বয় ঘটাতে সাংবিধানিক সংশোধনীর প্রয়োজন হবে। জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের পাশাপাশি অন্যান্য সংসদীয় পদ্ধতিতেও সংশোধন করতে হবে।

একসঙ্গে নির্বাচন নিয়ে সবচেয়ে বড় সমস্যাটি হচ্ছে কেন্দ্রের দাপট। এক্ষেত্রে আঞ্চলিক দলগুলোর বড় ভয় হচ্ছে জাতীয় ইস্যুগুলো কেন্দ্রের হাতে থাকায় রাজ্যের স্থানীয় ইস্যুগুলি জোরালোভাবে সামনে আসতে পারবে না। নির্বাচনী ব্যয় ও নির্বাচনী কৌশলের ক্ষেত্রেও জাতীয় দলগুলোর সঙ্গে পেরেই উঠবে না রাজ্যের দলগুলি।

২০১৫ সালে IDFC ইনস্টিটিউট পরিচালিত একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, একইসঙ্গে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে ভোটাররা যে রাজ্য বিধানসভা এবং লোকসভায় একই রাজনৈতিক দল বা জোটকে বেছে নেবে এর সম্ভাবনা ৭৭ শতাংশ। তবে ছয় মাস ব্যবধানে নির্বাচন হলে মাত্র ৬১ শতাংশ ভোটার একই দলকে বেছে নেবেন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কোনও ধর্মের জন্য আর আলাদা বিধি নয়! অভিন্ন দেওয়ানি বিধির নামে কী চাইছেন মোদি?

Uniform Civil Code: যে দেশে ১৪.২% মুসলমানের বাস, সেখানে ভারতের লোকসভায় নির্বাচিত মুসলমান সাংসদ ৫ শতাংশেরও কম।

এক দেশ এক নির্বাচনের ধারণাটির সমর্থক কারা?

১৯৬৭ সাল পর্যন্ত রাজ্যের বিধানসভা এবং লোকসভার একসঙ্গেই নির্বাচন হতো ভারতে। ১৯৬৮ এবং ১৯৬৯ সালে কিছু বিধানসভা এবং ১৯৭০ সালে লোকসভা অকালে ভেঙে গেলে পরিস্থিতি পরিবর্তিত হয়।

এর এক দশক পর, ১৯৮৩ সালে নির্বাচন কমিশন একসঙ্গে নির্বাচন আয়োজন ফিরিয়ে আনার প্রস্তাব দেয়। তবে কমিশন তাদের বার্ষিক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, তৎকালীন সরকার এর বিরুদ্ধেই সিদ্ধান্ত নেয়। ১৯৯৯ সালের আইন কমিশনের রিপোর্টে আবার একসঙ্গে নির্বাচন আয়োজনের বিষয়টিকে জোর দেওয়া হয়।

এইবার বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে বিজেপি। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি নিজেদের নির্বাচনী ইস্তাহারেই বলেছিল যে রাজ্য সরকারগুলির স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য একসঙ্গে সমস্ত নির্বাচন অনুষ্ঠানের একটি পদ্ধতি তৈরি করতে চাইবে বিজেপি৷ ২০১৬ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আবারও বিষয়টা নিয়ে কথাবার্তা বলতে থাকেন। ২০১৭ সালে, নীতি আয়োগ একসঙ্গে নির্বাচনের প্রস্তাবের খসড়া তৈরি করে।

২০১৮ সালে আইন কমিশন জানায়, একসঙ্গে নির্বাচন করার জন্য কমপক্ষে পাঁচটি সাংবিধানিক সুপারিশের প্রয়োজন। ২০১৯ সালে দ্বিতীয়বার দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র এক মাস পরেই প্রধানমন্ত্রী মোদি একসঙ্গে নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রধানদের সঙ্গে দেখা করেন। কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস, বহুজন সমাজ পার্টি, সমাজবাদী পার্টি এবং দ্রাবিড় মুনেত্র কাঝঘম সহ বেশ কয়েকটি বিরোধী দল এই বৈঠক থেকে দূরে ছিল। আম আদমি পার্টি, তেলেগু দেশম পার্টি এবং ভারত রাষ্ট্র সমিতি অবশ্য যোগ দেয় সেই বৈঠকে।

২০২২ সালে, তৎকালীন প্রধান নির্বাচন কমিশনার সুশীল চন্দ্র জানিয়েছিলেন, নির্বাচন কমিশন একসঙ্গে সব নির্বাচন পরিচালনার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং সক্ষম। তবে এই ধারণাটি বাস্তবায়ন করতে হলে সংবিধানে পরিবর্তন আনতে হবে এবং সংসদে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ওই বছরই ডিসেম্বরে আইন কমিশন দেশে একসঙ্গে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তাবে জাতীয় রাজনৈতিক দল, ভারতের নির্বাচন কমিশন, আমলা, শিক্ষাবিদ এবং বিশেষজ্ঞদের মতামত চেয়েছিল।

বিরোধিতা করছেন কারা?

প্রধানমন্ত্রী মোদি 'এক দেশ, এক নির্বাচন'-এর জন্য চাপ দেওয়া শুরু করতেই বিরোধী দলগুলি এই ধারণার বিরোধিতা করেছেন। তাঁদের মতে এটি অসাংবিধানিক এবং গণতন্ত্রের নীতিবিরুদ্ধ। এই বছরের জানুয়ারিতে, আম আদমি পার্টি অভিযোগ করে যে বিজেপি রাষ্ট্রপতি শাসনের সঙ্গে সংসদীয় কাঠামোর সরকারকে বদলে দিতেই একযোগে নির্বাচনের প্রস্তাব দিচ্ছে।

শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরে শিবির জানিয়েছে, যদি স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে পরামর্শ না করে আইনটি কার্যকর করা হয় তবে এই শিবির তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করবে। রাষ্ট্রীয় জনতা দল, জনতা দল (ইউনাইটেড) এবং সমাজবাদী পার্টি সহ INDIA জোটের অংশ অন্য দলগুলিও এই ধারণার বিরোধিতা করেছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কেন্দ্রে অটুট রইলেও, বিভিন্ন রাজ্যের নির্বাচনে হারছে বিজেপি। রাজ্যের আর কেন্দ্রের নির্বাচন একসঙ্গে করে দাপট বজায় রাখাই কি 'এক দেশ, এক নির্বাচনের' লক্ষ্য তবে?

লিখেছেন
Madhurima Dutta
Madhurima Dutta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।