কাশ্মীরের শান্তি নষ্টের মূল কারিগর, কাশ্মীর টাইগার আসলে কারা?

Kathua Army Convoy Attack: সোমবারের হামলার ঘটনায় দায় স্বীকার করেছে জঙ্গিগোষ্ঠী কাশ্মীর টাইগার্স। কারা এই কাশ্মীর টাইগার্স? কীসের জোরে উপত্যকা জুড়ে সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে তারা?

Sohini Das
৪ মিনিট
কাশ্মীরের শান্তি নষ্টের মূল কারিগর, কাশ্মীর টাইগার আসলে কারা?

লোকসভা ভোটের বাজারে বাধা-উপদ্রবহীন ভোট পড়া থেকে শাসক থেকে বিরোধী, এক বাক্যে মেনেছিল আগের তুলনায় শান্তি ফিরেছে কাশ্মীরে। তবে খুব বেশিদিন নয়। তার মধ্যেই ফের জঙ্গি হামলায় অশান্ত হয়ে উঠল জম্মু-কাশ্মীর উপত্যকা। পুলওয়ামার কায়দায় সেনা কনভয়ে রক্তক্ষয়ী হামলা, টানা কয়েক দিন ধরে একের পর এক জঙ্গি হামলার কবলে কাশ্মীর। শনি, রবিবারের হামলায় লস্কর বা হিজবুল জঙ্গিগোষ্ঠীর যুক্ত থাকার আশঙ্কা থাকলেও সোমবার কাঠুয়ার ঘটনার দায় নিয়েছে জইশ গোষ্ঠীর শাখা সংগঠন কাশ্মীর টাইগার।

সোমবার জম্মুর কাঠুয়া জেলার কান্দি এলাকার লোহাই মালহারের জৈন্দা নালার কাছে ভারতীয় সেনাবাহিনীর গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালায় জঙ্গিরা। ভারতীয় সেনার ৯ কোর বাহিনী ছিল ওই কনভয়ে। সূত্রের খবর, প্রথমে পাহাড়ের মাথা থেকে সেনাবাহিনীর গাড়ি লক্ষ্য করে গ্রেনেড ছোড়ে জঙ্গিরা। তারপর এলোপাথাড়ি গুলি চালানো শুরু হয়। পাল্টা জবার দেয় সেনাও। শুরু হয় গুলির লড়াই। ওই হামলায় এক জুনিয়র কমিশনড অফিসার-সহ মোট ৫ সেনাজওয়ানের মৃত্যুর খবর মিলেছে। তাঁরা প্রত্যেকেই উত্তরাখণ্ডের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। সোমবার জঙ্গিদের অতর্কিতে আক্রমণের পর ২২ গাড়ওয়াল রেজিমেন্টের জওয়ানরা আহত সহকর্মীদের বাঁচাতে ৫,১০০ রাউন্ডেরও বেশি গুলি চালায় বলে খবর। আর তাতেই পিছু হঠতে বাধ্য হয় জঙ্গিরা। ওই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৫ জওয়ান। জঙ্গিরা তিনটি দলে ভাগ হয়ে হামলা চালিয়েছিল বলে অনুমান। বিভিন্ন জায়গা থেকে একই সঙ্গে সেনা কনভয়ের উপর হামলা চালাতে থাকে তারা।

এর আগে গত শনিবার কুলগামের ফ্রিজল চিন্নিগাম এলাকায় জঙ্গিদের লুকিয়ে থাকার খবর পেয়ে গোটা এলাকা ঘিরে তল্লাশি অভিযান শুরু করে সিআরপিএফ, সেনা এবং পুলিশের যৌথ বাহিনী। তল্লাশি অভিযান চলাকালীন পিছু হঠার জায়গা না পেয়ে নিরাপত্তাবাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা। পাল্টা জবাব দেয় সেনাও। দু'পক্ষের গুলির লড়াইয়ে চার জঙ্গির মৃত্যু হয়। মৃত চার জঙ্গি লস্কর-ই-তৈবার সদস্য বলে মনে করা হচ্ছে। স্থানীয় একটি বাড়িতে নকল আলমারির পিছনে বাঙ্কার তৈরি করে ঘাঁটি গেড়ে বসেছিল তারা। ওই দিন রাতেই মাঞ্জাকোট সেনা ক্যাম্পে হামলা চালানোর চেষ্টা করে জঙ্গিরা। তাতে আরও দুই জঙ্গির মৃত্যু হয়। রবিবার রাজৌরির সেনা ক্যাম্পে সন্ত্রাস-হামলায় এক জন সেনাকর্মী আহত হন। তার পরেই সোমবার কাঠুয়াতে বড়সড় হামলার ছক।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
খাপছাড়া শৈশব থেকে প্রশাসনিক ভুল! ইলেক্ট্রিক মিস্ত্রি উজেইরকে ভূস্বর্গের জঙ্গি বানাল যারা...

Uzair Bashir Khan, Kashmiri Militant Behind Kokernag Attack: কোন ঘটনা উজেইরকে টেনে নিয়ে গেল এই পথে, ভাবাচ্ছে অভিজ্ঞদের। শুধুই কি বিঘ্নিত শৈশব, নাকি এর শিকড় প্রোথিত আরও ভিতরে।

কাঠুয়ায় সেনা কনভয়ে গ্রেনেড হামলা চালানো জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান শুরু করেন জওয়ানরা। ঘাদি ভাগওয়া জঙ্গলে কিছু সন্ত্রাসবাদী লুকিয়ে রয়েছে বলে আগেই খবর পেয়েছিল সেনা। সেই মতো শুরু হয়েছিল অভিযান। সে সময় ফের আচমকা হামলা চালায় জঙ্গিরা। জওয়ানদের লক্ষ্য করে জঙ্গল থেকেই গুলিবৃষ্টি শুরু করে তারা। পালটা জবাব দেয় সেনাও। দোদা জেলাতেও চলেছে জঙ্গি-সেনা এনকাউন্টার। স্থানীয় গোলি-গাদি জঙ্গলের মধ্যে একাধিক জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে বলে খবর রয়েছে পুলিশের কাছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও জঙ্গি নিকেশের খবর মেলেনি। ইতিমধ্যেই কাঠুয়ার ঘটনায় এক ট্রাকচালক-সহ ৫০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে পুলিশ। স্থানীয় এলাকাগুলিতেও তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। ওই ট্রাকচালকের বিরুদ্ধে অভিযাগ, তিনি নাকি ইচ্ছা করেই কালভার্ট দিয়ে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করে কনভয়কে দেরি করিয়ে দেন। সেই অভিযোগ সত্যি কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একে ঘন জঙ্গল, তার উপর ভারী বৃষ্টি হওয়ায় তল্লাশি অভিযান চালাতে গিয়ে বেশ সমস্যায় পড়তে হচ্ছে পুলিশ ও সেনাকে। জঙ্গিরা এখনও জঙ্গলেই ঘাপটি মেরে রয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। উধমপুর, সাম্বা, রাজৌরি ও পুঞ্চ জেলার জঙ্গলে টানা তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কুখ্যাত ২২ অক্টোবরের স্মৃতি আজও দগদগে! কোনও দিন কি ফুরোবে কাশ্মীরের 'কালো অধ্যায়'?

Black Day of Jammu and Kashmir: মহারাজা হরি সিং কাশ্মীরের স্বাধীন অস্তিত্ব রক্ষার পক্ষপাতী হলে ভারত ও পাকিস্তান উভয় রাষ্ট্রই কাশ্মীরকে নিজ রাষ্ট্রে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করে।

সোমবারের হামলার ঘটনায় দায় স্বীকার করেছে জঙ্গিগোষ্ঠী কাশ্মীর টাইগার্স। কারা এই কাশ্মীর টাইগার্স? কীসের জোরে উপত্যকা জুড়ে সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে এরা? যতদূর জানা যায়, নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ (জেএম)-এর ছায়া সংগঠন এই কাশ্মীর টাইগার্স। ২০২১ সালে জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বাতিলের পরেই শিরোনামে আসে এই কাশ্মীর টাইগারেরা। ২০২১ সালের জুন মাসে দক্ষিণ কাশ্মীরে একটি গ্রেনেড হামলার দায় স্বীকার করে তারা। ওই বছরেরই ডিসেম্বরে শ্রীনগরে একটি পুলিশের বাসে হামলা চালায় টাইগাররা। সেই হামলায় তিন জন নিহত ও ১১ জন আহত হন।

সূত্রের খবর, কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বাতিলের পর থেকে বারংবার পুলিশ ও সেনাবাহিনীর উপর হামলা চালিয়েছে কাশ্মীর টাইগার। তবে উপত্যাকায় শুধু এরাই নয়, একই সঙ্গে জইশ-ই মহম্মদ, হিজবুল মুজাহিদিন হা লস্কর-ই-তইবার মতো একাধিক জঙ্গিসংগঠন সক্রিয় রয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের একটি অংশের দাবি, বাকি জঙ্গিসংগঠনগুলির থেকে এই টাইগাররা আলাদা। বাকি সব কটি সংগঠনের নামের সঙ্গে পাকিস্তান এবং ধর্মের যোগ থাকলেও, এই কাশ্মীর টাইগার নামটি ধর্মনিরপেক্ষ বলেই মনে করছে তারা। তবে তার সঙ্গে আদৌ তাদের মতাদর্শের মিল রয়েছে কিনা, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। তবে নামে যা-ই থাক না কেন, সন্ত্রাস ছড়ানোর ব্যাপারে কোনও অন্য পথে হাঁটছে না এই নয়া জঙ্গি সংগঠনটিও। তবে জইশেরই শাখা সংগঠন যখন, তখন পাক মদতপুষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা কোনও মতেই উড়িয়ে দেওয়া যায় না। একই সঙ্গে জঙ্গিদের এই নতুন সংগঠনটি দেশের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করছে, যাতে মনে হয় উপত্যকা এখনও জঙ্গিতেই ভরা। ৩৭০ ধারা বাতিলের পরে কেন্দ্রীয় সরকার কাশ্মীরকে জঙ্গিমুক্ত করা নিয়ে যে দাবি করেছে, তাকে মিথ্যাপ্রমাণ করাই যেন উদ্দেশ্য এই কাশ্মীর টাইগারদের। যদিও পুলিশের দাবি, আপাতত তাদের লোকবল ১৫০-২০০ জঙ্গির বলেই মনে করা হচ্ছে। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, কাঠুয়ায় হামলাটি চালানোর জন্যজঙ্গিরা বেশ কিছুদিন আগেই বেআইনি অনুপ্রবেশ করে স্থানীয় এলাকাতেই ঘাঁটি গেড়েছিল। এমনকী, অত্যাধুনিক হাতিয়ার প্রয়োগ করা হয়েছে বলেও অনুমান সেনার।

অমরনাথ যাত্রার সময় বারবার এমন জঙ্গিহামলার ঘটনা প্রশাসনের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। আগামী দিনে আরও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে চলেছে সেনা বাহিনী। উল্লেখ্য, রেয়াসিতে পুণ্যার্থীদের বাসে জঙ্গি হামলার পর কেন্দ্রের তরফে উপত্যকায় সন্ত্রাসবাদকে পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন করার স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছিল। সেইমতো অলআউট অভিযানে নেমেছে সেনাবাহিনী। জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, বর্তমানে উপত্যকায় সক্রিয় ৭০ জন পাক জঙ্গিকে নিশানা করেই লাগাতার অভিযান চালাচ্ছে বাহিনী।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।