আরএসএস-এর বিশ্বস্ত দিল্লির চতুর্থ মহিলা মুখ্যমন্ত্রী! কে এই রেখা গুপ্ত?

Rekha Gupta Delhi CM: ২০০২ সালে বিজেপিতে সরাসরি যোগ দেন রেখা গুপ্ত এবং ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার দিল্লি ইউনিটের সম্পাদক হন। পরবর্তীকালে তিনি এই সংগঠনের জাতীয় সম্পাদক পদে উন্নীত হন।

inscript
৩ মিনিট
আরএসএস-এর বিশ্বস্ত দিল্লির চতুর্থ মহিলা মুখ্যমন্ত্রী! কে এই রেখা গুপ্ত?

সুষমা স্বরাজ, শীলা দীক্ষিত, আতিশী মারলেনার পর, আবার রাজধানী দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী একজন মহিলা। দিল্লিকে আম আদমি পার্টির হাত থেকে ছিনিয়ে নেওয়া বিজেপির কাছে নিঃসন্দেহে এক বড় অর্জন। ডবল ইঞ্জিন সরকারের তালিকায় দিল্লির নয়া সংযোজন সারা ভারতের রাজনীতিতেই দক্ষিণপন্থীদের জন্য বিশেষ গুরুত্বের। আর এই গুরুত্বপূর্ণ আসনের চালকের ভূমিকায় কাকে নিয়োগ করা হবে, তাও এক বিশাল সিদ্ধান্ত ছিল। দিল্লির রাশ কার হাতে দিতে চাইবেন মোদি-শাহরা? এমন আসনে কোন বিশ্বস্ত মুখকে নিয়ে আসতে চাইবে বিজেপি নেতৃত্ব? বুধবার সন্ধ্যায়, জানা গেল রেখা গুপ্ত হচ্ছেন দিল্লির পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী। বিজেপি প্রচার করছে, নারীশক্তির কথা। ভারতে মহিলাদের কতখানি সম্মান দেওয়া হয় সেই কথা। সেই কথা বাস্তবে কতখানি মর্যাদা পায় সেই বিতর্কে না গিয়ে রেখা গুপ্তকে মনোনীত করার কারণগুলি খতিয়ে দেখা যাক।

মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তর স্বামী মণীশ গুপ্ত পেশায় একজন ব্যবসায়ী। শ্বশুরবাড়ির সকলেই বিজেপি নেত্রীর এই উত্থানে চমৎকৃত! শাশুড়ি মীরা গুপ্ত মিষ্টি বিতরণ করেছেন, বলেছেন, “আম আদমি পার্টি যা করতে পারেনি, ও তা করবে। ও একজন ভালো পুত্রবধূ এবং একজন ভালো মুখ্যমন্ত্রী হিসেবেও নিজেকে প্রমাণিত করবে।” দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে ৭০টি আসনের মধ্যে ৪৮টি আসনে জয়ী হয়ে বিজেপি ২৬ বছর পর জাতীয় রাজধানীতে ক্ষমতায় ফিরে এসেছে। শালিমারবাগের প্রথমবারের বিধায়ক এবং একজন অভিজ্ঞ পৌর কাউন্সিলর রেখা গুপ্ত হবেন দিল্লির চতুর্থ মহিলা মুখ্যমন্ত্রী। বর্তমানে বিজেপি-শাসিত রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের একমাত্র মহিলা মুখ্যমন্ত্রী হবেন তিনিই।

বছর পঞ্চাশের রেখা গুপ্তর জন্ম হরিয়ানার জিন্দ জেলার নন্দগড় গ্রামে। বাবা-মা যখন পাকাপাকি দিল্লিতে চলে আসেন তখন রেখার বয়স মাত্র দুই। বাবা কাজ করতেন স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়াতে। ১৯৯৩ সালে দৌলত রাম কলেজে রাজনীতিতে হাতেখড়ি হয় রেখার। আরএসএস-এর অধীনস্থ ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদে যোগ দেন রেখা। ১৯৯৫ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত দিল্লি ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস ইউনিয়ন (DUSU)-এর সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন রেখা। ১৯৯৬ থেকে ১৯৯৭ সাল অবধি তিনি ছিলেন এর সভাপতি। বাণিজ্য বিভাগেই তাঁর পড়াশোনা। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবস্থাপনা এবং কলাবিভাগে স্নাতকোত্তর পড়াশোনা করেছেন তিনি। বিজেপি নেত্রী রেখা গাজিয়াবাদের একটি আইন কলেজ থেকে আইনে স্নাতকও হন পরবর্তীতে। মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তর দুই সন্তান। কন্যা অস্ট্রেলিয়ায় স্নাতকোত্তর পাঠরত, ছেলে তামিলনাড়ুর ভেলোরে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছেন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
২৭ বছর পর বিজেপির প্রত্যাবর্তন! কেন দিল্লিতে হারল কেজরিওয়ালের দল?

Delhi Assembly Election Result 2025: গত এক দশকে, আম আদমি পার্টির নেতৃত্বে থাকা রাজনৈতিক বহিরাগতদের বিরুদ্ধেই দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

मुझ पर विश्वास कर मुख्यमंत्री पद का दायित्व सौंपने के लिए मैं सभी शीर्ष नेतृत्व का हृदय से आभार व्यक्त करती हूं। आपके इस विश्वास और समर्थन ने मुझे नई ऊर्जा और प्रेरणा दी है। मैं संकल्प लेती हूं कि दिल्ली के हर नागरिक के कल्याण, सशक्तिकरण और समग्र विकास के लिए पूरी ईमानदारी,…

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
"দিল্লি এসো শিগগির"! ইন্দিরার নির্দেশ না মেনে ভোটে লড়েন প্রণব মুখোপাধ্যায়! পরিণাম?

Pranab Mukherjee and Indira Gandhi: দক্ষ নেতা বা সংগঠক হলেও নির্বাচনী রাজনীতিতে অতটা সক্ষম ছিলেন না প্রণব মুখোপাধ্যায়। ১৯৬৯ সাল থেকে তখনও পর্যন্ত তিনি রাজ্যসভার সাংসদ।

— Rekha Gupta (@gupta_rekha)

২০০২ সালে বিজেপিতে সরাসরি যোগ দেন রেখা গুপ্ত এবং ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার দিল্লি ইউনিটের সম্পাদক হন। পরবর্তীকালে তিনি এই সংগঠনের জাতীয় সম্পাদক পদে উন্নীত হন। ২০০৫ সাল পর্যন্ত এই পদেই ছিলেন তিনি। রেখা গুপ্ত দিল্লি বিজেপির মহিলা মোর্চার সাধারণ সম্পাদক, বিজেপি মহিলা মোর্চার জাতীয় ভাইস-চেয়ারপার্সন, উত্তরপ্রদেশ মহিলা মোর্চার জাতীয় ইনচার্জ এবং বিজেপি জাতীয় কার্যনির্বাহী সদস্য হিসাবেও কাজ করেছেন।

২০০২ সালে বিজেপির যুক্ত হলেও নির্বাচনী রাজনীতিতে রেখার প্রবেশ ২০০৭ সালে। উত্তর পিতামপুরা ওয়ার্ড থেকে দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (এমসিডি) নির্বাচনে জয়লাভ করেন তিনি এবং মহিলা কল্যাণ ও শিশু উন্নয়ন কমিটির চেয়ারপার্সন নির্বাচিত হন। পাঁচ বছর পরে এই একই ওয়ার্ড থেকে আবারও নির্বাচিত হন রেখা এবং এমসিডির শীর্ষ আর্থিক সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সংস্থার স্থায়ী কমিটির ভাইস-চেয়ারপার্সন হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১২ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত, তিনি নতুন দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিলের (NDMC) শিক্ষা সচিবের চেয়ারপার্সন হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

২০১৫ সালে প্রথম বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন রেখা। সেবার আম আদমি পার্টির প্রার্থী বন্দনা কুমারীর কাছে ১০,৯৭৮ ভোটে হেরে গিয়েছিলেন। পাঁচ বছর পর, আবারও বন্দনা কুমারীর কাছেই হেরে যান তিনি। তবে সেবার হারের ব্যবধান কমে গিয়ে হয় ৩,৪৪০ ভোট। ২০২২ সালে রেখা গুপ্ত আবার MCD নির্বাচনে লড়েন এবং শালিমারবাগ ওয়ার্ড থেকে জয়ী হন। এমসিডি-র মেয়র নির্বাচনের জন্য বিজেপি রেখা গুপ্তকে মনোনীত করেছিল ঠিকই কিন্তু আপ-এর শেলি ওবেরয়ের কাছে হেরে যান তিনি। এবছর বিধানসভা নির্বাচনে বন্দনা কুমারীর বিপরীতে আবার রেখাকেই প্রার্থী করে বিজেপি। এবার ২৯,৫৯৫ ভোটে জয়ী হন রেখা।

দীর্ঘ বহু বছর ধরে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় রেখা। এবিভিপি এবং আরএসএস-এর সঙ্গে যুক্ত থাকায় ছাত্র রাজনীতি থেকেই তাঁর উত্থান, যা সাংগঠনিক নেতৃত্বে তাঁর পথ প্রশস্ত করতে সাহায্য করেছে। দিল্লির রাজনৈতিক মহল বলছে, দীর্ঘকাল ধরে মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন সামলানোর ফলে জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের জায়গা তৈরি হয়েছিল রেখার। মানুষের অভাব-অভিযোগ শুনতেন খতিয়ে। ফলে আপ-এর শাসনে কোন কোনও ফাঁক দিয়ে আক্রমণ করা যায়, মানুষের সঙ্গে আম আদমি পার্টির দূরত্ব কোথায় বাড়ছে, তা ছিল তাঁর নখদর্পণে।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।