লেবাননে ড্রোন হামলার নিহত হামাসের ডেপুটি নেতা! জানেন কে এই সালেহ আল-আরৌরি?

Israel-Gaza war: দীর্ঘদিন ধরেই ইজরায়েলের নিশানায় ছিলেন হামাসের ডেপুটি চেয়ারম্যান সালেহ আল-আরৌরি। ইরান ও লেবাননের হেজবোল্লাহ গোষ্ঠীর সঙ্গে হামাসের প্রধান সংযোগের মাধ্যমও ছিলেন সালেহই।

Sohini Das
৪ মিনিট
লেবাননে ড্রোন হামলার নিহত হামাসের ডেপুটি নেতা! জানেন কে এই সালেহ আল-আরৌরি?

প্রায় নব্বই দিন ছুঁই ছুঁই ইজরায়েল হামাস যুদ্ধ। ইজরায়েলি বোমায় ইতিমধ্যেই ধ্বংস হয়ে গিয়েছে গাজার প্রায় ৭০ শতাংশ জনবসতি। অন্তত ২২ হাজার সাধারণ নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে এরই মধ্যে। জখম অজস্র। তার পরেও যুদ্ধের তীব্রতা থামায়নি নেতানিয়াহু সরকার। বরং প্যালেস্টাইনের সশস্ত্র জঙ্গিগোষ্ঠী হামাসকে শেষ করতে কোনও ফাঁক রাখতে রাজি নয় ইজরায়েল। গাজা থেকে শুরু করে ওয়েস্ট ব্যাঙ্ক-সহ প্যালেস্টাইনের একাধিক জায়গায় ধ্বংসলীলা চালিয়ে যাচ্ছে ইজরায়েলি সেনা। এরই মধ্যে আবার বেইরুটের দহিয়ে শহরের ড্রোন হামলায় সালেহ আল-আরৌরি নামে হামাসের এক ডেপুটি নেতার মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। যদিও সরাসরি সেই হামলার দায় নিচ্ছে না ইজরায়েল।

গত ৭ সেপ্টেম্বর ইজরায়েলে আচমকাই ঢুকে পড়েছিল হামাস। ইহুদিদের পবিত্র দিকে অতর্কিতে চালানো হয়েছিল হামলা। সেই হামলায় অন্তত ১৪০০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। অসংখ্য নিরপরাধ ইজরায়েলিকে অপহরণ করে গাজায় নিয়ে এসেছিল হামাস জঙ্গিরা। এর পরেই হামাসের বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধ ঘোষণা করে দিয়েছিল ইজরায়েলের বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সরকার। সেই থেকে গাজায় একের পর এক রকেট হেনে গিয়েছে ইজরায়েল। হাসপাতাল, ধর্মস্থান, শরণার্থী শিবির, স্কুল কোনও কিছুই বাদ যায়নি ইজরায়েলি সেনার নিশানা থেকে। যে কোনও ভাবে হামাসের অস্তিত্ব বিনাশ করতেই হবে। এমন একটা জায়গা লাগাতার নতুন নতুন কৌশল, নতুন নতুন যুদ্ধের ফাঁদ খুঁজে গিয়েছে ইজরায়েল। কখনও সুড়ঙ্গে ঢালা হয়েছে সমুদ্রের লবনাক্ত জল, যাতে সলিল সমাধি ঘটে সুড়ঙ্গে আশ্রয় নেওয়া হামাস জঙ্গিদের।

দীর্ঘদিন ধরেই ইজরায়েলের নিশানায় ছিলেন হামাসের ডেপুটি চেয়ারম্যান সালেহ আল-আরৌরি। হামাসের সিনিয়র লিডারদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন তিনি। ইরান ও লেবাননের হেজবোল্লাহ গোষ্ঠীর সঙ্গে হামাসের প্রধান সংযোগের মাধ্যমও ছিলেন সালেহই। ইজরায়েল অধিকৃত ওয়েস্ট ব্যাঙ্কেও বেশ প্রভাবশালী ছিলেন তিনি। হবে না-ই বা কেন! সেখানেই তো জন্ম সালেহ-র। ফলে অনেকদিন ধরেই ইজরায়েল সালেহ-কে খতম করার জন্য তক্কে তক্কে ছিল। অবশেষে বেইরুটেই সম্পন্ন হল সেই কাজ। সেখানে হামাসের অফিস কেন্দ্র করে ড্রোন হামলা চালানো হয়। সেই হামলায় সালেহ-সহ মোট ৬ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। তেমনটাই জানানো হয়েছে লেবাননের স্টেট নিউজ এজেন্সির তরফে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বন্দি ইহুদিদের ছাড়তে নতুন শর্ত হামাসের, ইজরায়েলের গাজা-দখলের দাবি আদতে কতখানি সত্যি?

Israel-Hamas War: একদিকে যখন গাজাকে হামাসশূন্য বলে ঘোষণা করছে ইজরায়েল, সেখানে ৭০ জন অপহৃত ইজরায়েলি বন্দিকে মুক্তি দিতে যুদ্ধশান্তির শর্ত রাখতে চাইছে হামাস।

হামাসের তরফেও জানানো হয়েছে, ইজরায়েলের সাম্প্রতিক হামলায় মারা গিয়েছে তাদের সিনিয়র নেতা সালেহ আল-আরৌরি। ইজরায়েলের এই পদক্ষেপকে 'কাপুরুষতম হত্যা' বলে আখ্যা দিয়েছে হামাস। তারা জানিয়েছে, এভাবে ভিতর বা বাইরে থেকে ফিলিস্তিনি জনগণের ইচ্ছা ও দৃঢ়তাকে ভেঙে ফেলা যাবে না। এমনকী এই প্রতিরোধ গড়ে তোলার যে ধারাবাহিক চেষ্টা, তাকেও নষ্ট করা যাবে না। এ ধরনের লুকিয়ে হামলা ইজরায়েলের ব্যর্থতাকেই বড় করে তোলে বলে জানানো হয়েছে হামাসের তরফে।

হামাসের পলিটিক্যাল ব্যুরোর ডেপুটি চিফ ছিলেন ৫৭ বছরের সালেহ আল-আরৌরি। পাশাপাশি হামাসের সশস্ত্র শাখা কাসেম ব্রিগেডের প্রতিষ্ঠাতাও ছিলেন সালেহ। জীবনের আঠেরোটা বছর ইজরায়েলের জেলে কাটানোর পর লেবাননে চলে যান তিনি। সেখানে থেকেই দলকে নেতৃত্ব দিতেন সালেহ। জানা গিয়েছে, ৭ অক্টোবর ইজরায়েলে হামলার আগেই বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু-র তকফে হত্যার হুমকি পেয়েছিলেন বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। ২০১৫ সালেই আমেরিকা সালেহকে গ্লোবাল টেররিস্ট আখ্যা দেয়। এমনকী তাঁর খবর দিতে পারলে ৫ মিলিয়ন ডলার উপহারও পর্যন্ত ঘোষণা করা হয় আমেরিকার তরফে।

হেব্রন ইউনিভার্সিটির ছাত্র নেতা হিসেবে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেছিলেন সালেহ। ১৯৮০-এর দশকের মাঝামাঝি ইসলামপন্থি কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়েন তিনি। সেখান থেকে হামাসে যোগদান। ইজরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রথম থেকে প্রতিরোধ গড়ার পক্ষপাতি ছিলেন তিনি। করেওছেন তেমনই। ওয়েস্ট ব্যাঙ্কে মিলিটারি অপারেশনে অর্থ জোগানোর জন্য আমেরিকা ও ইজরায়েল- দু'দেশেরই চক্ষুশূল হন সালেহ। ২০১৪ সালে ওয়েল্ট ব্যাঙ্কে তিন ইজরায়েলি কিশোর-কিশোরীকে অপহরণ করে খুনের ঘটনার মাস্টারমাইন্ড ছিলেন তিনি, এমন অভিযোগও রয়েছে। ১৯৯২ সাল ইজরায়েলের হাতে গ্রেফতার হন সালেহ। তার পর প্রায় আঠেরো বছর সেখানেই কেটেছে তাঁর। ২০১০ সালে এক অপহৃত ইজরায়েলি সৈন্যের বিনিময়ে এক হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি বন্দির মুক্তি নিয়ে ইজরায়েলের সঙ্গে আলোচনায় সাহায্য করেন সালেহ।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বন্দিদের কী পরিণতি হয় ইজরায়েলের জেলে? বর্ণনা দিচ্ছেন নির্যাতনের সাক্ষী

Israel-Palestine conflict: এক সপ্তাহ ধরে হাত ভেঙে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন নাজাল। এতদিন ধরে বারবার চিকিৎসার জন্য অনুরোধ করেও মেলেনি ফল।

জেল থেকে ছাড়া পেয়ে প্রথমে সিরিয়ায়, পরে কাতারে এবং শেষপর্যন্ত লেবাননে আশ্রয় নেন। তবে হামাসের তরফে ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার কাজ করতেন তিনি। তাঁর হাত ধরেই ক্রমশ বিস্তার লাভ করেছিল হামাস। ততদিনে হামাসের পলিটব্যুরোর সদস্য হয়েছেন সালেহ। ২০১৭ সালে সংগঠনের নেতা ইসমাইল হানিয়াহের ডেপুটি নির্বাচিত ছিলেন। ক্রমশ হাইপ্রোফাইল নেতা হিসেবে পরিচিতি ছড়াতে থাকে তাঁর। হামাসের হাতে বন্দি ইজরায়েলিদের মুক্তির ক্ষেত্রেও মধ্যস্থতা করেছিল কাতার। সেই আলোচনাতেও মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন সালেহ।

হামাসের শীর্ষস্থানীয় নেতা সালেহ-র মৃত্যু নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও অফিশিয়াল বিবৃতি বা প্রতিক্রিয়া আসেনি ইজরায়েলের তরফ থেকে। যদিও নেতানিয়াহুর উপদেষ্টা মার্ক রেগেভ জানিয়েছেন, এই হামলার দায় নেবে না ইজরায়েল। পাশাপাশি এটাও স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন, এই হামলা কোনও ভাবেই লেবানন রাষ্ট্রের উপরে হামলা ছিল না। বরং হামাস নেতাদের বিরুদ্ধে একটি সার্জিকাল স্ট্রাইক ছিল এই হামলা। রাষ্ট্রসঙ্ঘের প্রাক্তন ইজরায়েলি দূত ড্যানি ড্যানন অবশ্য এই হামলাকে স্বাগত জানিয়েছেন। হামাস নেতা সালেহ আল-আরৌরিকে হত্যার জন্য ইজরায়েলি সেনা ও ইজরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদকে অভিনন্দনও জানিয়েছেন তিনি। এদিকে ড্যাননের এই টুইটের পরই নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছে ইজরায়েল। জানা গিয়েছে, ইজরায়েল সরকার নাকি তার মন্ত্রীদের এ বিষয়ে মুখ না খোলার নির্দেশ দিয়েছেন।

এদিকে এই হামলার কড়া নিন্দা করেছে লেবানন। লেবাননের অস্থায়ী প্রধানমন্ত্রী নাজিব মিকাতি বেইরুটে এই ধরনের হামলা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। 'ইজরায়েলের নয়া অপরাধ' বলেও আখ্যা দিয়েছেন এই হামলাকে। পাশাপাশি ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধের মধ্যে জোর করে লেবাননকে জড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞেরা অবশ্য ইজরায়েলের এই হামলাকে মোটেই ভালো চোখে দেখছে না। এমন এক নেতার মৃত্য়ু হামাসদের হিংসার পথকেই আরও বেশি প্রকট করবে বলেই মনে করছেন তারা। ইতিমধ্যেই সালেহের মৃত্যুর প্রতিবাদে ওয়েস্ট ব্যাঙ্কের রামাল্লায় পথে নেমেছে মানুষ। সালেহ-র মৃত্যুর পর কি ইজরায়েলের বিরুদ্ধে নতুন করে কোনও পদক্ষেপের পথে হাঁটবে হামাস, নাকি নতুন কোনও কৌশল নেবে ইজরায়েল। কোথায় গিয়ে থামবে হামাস-ইজরায়েলের এই সর্বক্ষয়ী যুদ্ধ, সেটাই এখন বিশ্বের মানুষের কাছে সব চেয়ে বড় প্রশ্ন।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।