পাকিস্তানপন্থী অবস্থানই সঠিক? বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতার মন্তব্য যে বিতর্ক তুলছে

Bangladesh Razakars: ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় থেকেই 'রাজাকার' শব্দটি অত্যন্ত ঘৃণ্য হিসেবেই দেখা হয়ে এসেছে ওদেশে।

inscript
৫ মিনিট
পাকিস্তানপন্থী অবস্থানই সঠিক? বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতার মন্তব্য যে বিতর্ক তুলছে

কিছুকাল আগেই বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে কোটার প্রতিবাদে যে আন্দোলন ঘটে, তাতে ঘৃতাহুতি দিয়েছিল তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এক বক্তব্য। হাসিনা বলেছিলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের মানুষ কোটা না পেলে কি রাজাকারের পরিবারের লোকজনরা পাবেন? এই 'রাজাকার' শব্দটি নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক ক্ষোভ। স্লোগান ওঠে “তুমি কে? আমি কে - রাজাকার, রাজাকার?", "অধিকার চেয়ে রাজাকার হয়েছি”। এবার সেই রাজাকারদের ভূমিকার পক্ষে সওয়াল করেছেন সেই দেশের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক। ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের পক্ষে রাজাকার আল-বদর বাহিনী বাঙালিদের উপর যে নিপীড়ন চালিয়েছে তা কি সঠিক ছিল তবে? জামাতের ছাত্র সংগঠন ছাত্রশিবির আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে এমনটাই ইঙ্গিত দেন সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি বলছেন, “পাকিস্তানের সঙ্গে ভারত যুদ্ধ করেছে। এবং ভারত জিতেছে। তার মানে, তৎকালীন সময়ে যারা পাকিস্তানের পক্ষে ছিল, তাদের অবস্থান সঠিক ছিল।"

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় থেকেই 'রাজাকার' শব্দটি অত্যন্ত ঘৃণ্য হিসেবেই দেখা হয়ে এসেছে ওদেশে। ১৯৪৭ সালের অগাস্টে ব্রিটিশরা ভারতকে ভাগ করে পাকিস্তান তৈরি করে। নবগঠিত এই রাষ্ট্র দু'টি অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল: পশ্চিম পাকিস্তান এবং পূর্ব পাকিস্তান। পূর্ব পাকিস্তানে ছিল মোট জনসংখ্যার ৫৫ শতাংশ, যেখানে প্রায় ৪৪ মিলিয়ন লোকের বাস। দেশটি পশ্চিম পাকিস্তানের নেতারা শাসন করত। ভাগাভাগি পরবর্তী দশকজুড়ে সম্পদের অভাব এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রভাবের কারণে পূর্ব পাকিস্তানে অসন্তোষ বৃদ্ধি পায়। যা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট তৈরি করে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
হাসিনার পাশে নেই ভারত? বাংলাদেশ নিয়ে ক্রমেই স্পষ্ট অবস্থান

Bangladesh India Relation: বিদেশ সচিব বিক্রম বলছেন, ভারত সরকার শেখ হাসিনাকে কোনও পৃথক মঞ্চ দেয়নি

রাজাকার কারা ছিলেন? 'রাজাকার' শব্দটি ফার্সি, যার অর্থ 'স্বেচ্ছাসেবী'। মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে সাহায্য করার জন্য ১৯৭১ সালে খুলনার খান জাহান আলি রোডের এক আনসার ক্যাম্পে ৯৬ জন পাকিস্তানপন্থী ব্যক্তিকে নিয়ে রাজাকার বাহিনী গঠন করা হয়। এরপর দেশের বিভিন্ন জায়গায় এই রাজাকার বাহিনীর সদস্য সংগ্রহ করার তোড়জোর শুরু হয়। রাজাকার বাহিনী গঠনের পেছনে সবচেয়ে সক্রিয় ভূমিকা ছিল জামায়াতে ইসলামির তৎকালীন নেতা এ কে এম ইউসুফ। পরবর্তীতে রাজাকার বাহিনীর নায়েব-এ-আমির হন তিনি। মানবতা-বিরোধী অপরাধের মামলায় তাঁকে আটক করা হয়েছিল এবং পরে কারাগারেই তাঁর মৃত্যু হয়।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক বেসরকারি গবেষণা সংস্থা ওয়ার ক্রাইমস ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির তথ্য বলছে, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের পর ইস্ট পাকিস্তান সিভিল আর্মড ফোর্স গঠন করা হয়। এর অধীনে রাজাকার, আল-বদর এবং আল-শামস্ বাহিনী গঠন করা হয়। এই বাহিনীতে বাঙালিদের পাশাপাশি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের উর্দুভাষী মানুষও ছিলেন। পাকিস্তান বাহিনীই এদের অস্ত্র জোগাত।

মুক্তিযুদ্ধের প্রথম দিকে রাজাকার বাহিনী ছিল শান্তি কমিটির আওতায়। ১৯৭১ সালের জুন মাসে জেনারেল টিক্কা খান রাজাকার আইন জারি করেন। সেই সময় রাজাকার বাহিনীতে প্রায় ৫০ হাজার সদস্য ছিল, যারা মাসিক ভাতা পেতেন। টাকার অঙ্কেও নেহাত কম না। সেই সময়ে প্রতি মাসে রাজাকার বাহিনীর একজন সদস্য দেড়শো টাকা ভাতা পেতেন। এই বাহিনীর সদস্যরা পাকিস্তানের সৈন্যদের সাথে যুদ্ধে অংশ নিতেন, মুক্তিযোদ্ধাদের ধরতেন। হয় হত্যা করতেন কিংবা পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দিতেন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বাংলাদেশে সংখ্যালঘুরা কি সত্যিই নির্যাতিত? প্রকৃত চিত্রটি আসলে যেমন

Bangladesh Minorities: শেখ হাসিনার দেশত্যাগের দিন বাংলাদেশের গণমাধ্যমগুলিতে বলা হয়েছিল, সেদিনই দেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে প্রায় ২০টি জেলার হিন্দুবাড়িতে হামলা ও লুটপাঠ চালানো হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের সেনাবাহিনীকে সাহায্য করার জন্য বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি বাহিনী বা সংগঠন গড়ে উঠেছিল - শান্তি কমিটি, রাজাকার, আল-বদর এবং আল-শামস। এই শান্তি কমিটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন রাজনৈতিক ব্যক্তিরা। যাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন জামায়াত ইসলামির নেতা গোলাম আজম এবং মুসলিম লীগের নেতা খাজা খয়েরউদ্দিন। আল-বদর বাহিনীতে প্রায় পাঁচ হাজার সদস্য ছিল। জামায়াতে ইসলামির তৎকালীন ছাত্র সংগঠন ইসলামি ছাত্র সংঘের নেতা-কর্মীরা এই আল-বদর বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত ছিল। এই বাহিনীর প্রধান ছিলেন মতিউর রহমান নিজামী। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি জামায়াতে ইসলামির আমির হন। মানবতবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার পরে তাঁকে ফাঁসি দেওয়া হয়।

আল-শামস বাহিনীর সদস্য সংখ্যাও ছিল প্রায় ৩,০০০। এই রাজাকার বাহিনী বাংলাদেশজুড়ে বাঙালি এবং অন্যান্য জাতিগত সংখ্যালঘুদের হত্যা ও ধর্ষণের যে নজির তৈরি করেছিল তা আজও ভুলতে পারেনি সেই দেশের মানুষ। রাজকারদের বরাবর রাষ্ট্রবিরোধী এবং পাকিস্তানপন্থী হিসাবেই দেখা হয়। মুক্তিযুদ্ধে লক্ষাধিক মানুষ নিহত হয়, হাজার হাজার মহিলা ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হন। পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর এই নৃশংস সামরিক অভিযানের মূল লক্ষ্যই ছিল পূর্ব পাকিস্তানে নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা। এই প্রচেষ্টায় মুখ্য ভূমিকায় মদত দিয়েছিল রাজাকাররা। যুদ্ধের শেষের দিকে যখন পাকিস্তানের পরাজয় আসন্ন, তখন পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী রাজাকারদের সহায়তায় প্রায় ২০০ জন বাঙালি বুদ্ধিজীবী, শিল্পী, সাংবাদিক এবং শিক্ষাবিদদের আটক করে এবং তাদের গুলি করে বলেও অভিযোগ। রাজাকারদের এই গণহত্যাকে বাংলাদেশ ভোলেনি।

বাংলাদেশের এই মুক্তিযুদ্ধে ভারতের ভূমিকা ছিল ব্যাপক। তৎকালীন ইন্দিরা গান্ধির সরকার মুজিবের বাংলাদেশকে প্রাণ দিয়েছিল। ভারতীয় সেনাবাহিনী পূর্ব পাকিস্তানে প্রবেশ করে মুক্তিযোদ্ধাদের সংগে মিশে যুদ্ধ করে অবশেষে পাকিস্তানকে পরাজিত করে। পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী ভারতীয় সেনাবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করলে অনেক রাজাকারকে স্থানীয়রা আক্রমণ করে হত্যাও করে।

২০০৯ সালে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় ফিরে আসার পর, আওয়ামী লীগ সরকার একটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা করে। ১৯৭১ সালের যুদ্ধের সময় গণহত্যায় অভিযুক্তদের তদন্ত ও বিচারের আদেশ দেওয়া হয়। এই অভিযুক্তদের মধ্যে ছিল পাকিস্তানি সেনা কর্মকর্তা এবং স্থানীয় সহযোগীরা যারা আল-শামস ও আল-বদরের সদস্যরা। অভিযোগ ওঠে, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতেই হাসিনার এই নির্দেশ। তবে হাসিনার এই প্রচেষ্টাকে ১৯৭১ সালের যুদ্ধের শিকারদের ন্যায়বিচার প্রদানের চেষ্টা হিসাবে দেখা হয়েছিল। ফলস্বরূপ, হাসিনা ব্যাপক মানুষের সমর্থনও পান। হাসিনার অধ্যায় শেষের পরে বাংলাদেশ ভারতের সম্পর্ক টালমাটাল। তাতে পাকিস্তানের অবস্থানকে সঠিক ভাবা কি দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক সম্পর্কে বিশেষ উপকারে আসবে? সংখ্যালঘু ইস্যুতে ভারতের বিদেশনীতির সমালোচনা করতে গিয়ে কোথাও কি পাকিস্তানকেই সমর্থন করে ফেলছেন এই নেতা? এই সমীকরণে পাকিস্তানের পক্ষ নেওয়া বাংলাদেশের পক্ষে এই মুহূর্তে সুবিধার বলেই মত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের। কারণ সহজ, ভারতের সরাসরি বিপক্ষে অবস্থান করা। হাসিনার সরকার ফেলার নেপথ্যে যে গণ অভ্যুত্থান ঘটে, বহুকাল ধরেই অভিযোগ ছিল এতে জামাতের পরোক্ষ মদত রয়েছে। বাংলাদেশে জমাতের অবস্থান পাকিস্তানপন্থীই। তারা মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী। ছাত্রনেতাদের মধ্যে থেকে যখন রাজাকারদের সমর্থনে বক্তব্য উঠে আসে তখন স্বাভাবিকভাবেই তাঁদের অভিসন্ধি নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়।

বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে অন্তবর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলছেন, "বিজয় এসেছে, তবে সামগ্রিক নয় মুক্তি এখনো বহুত দূরে!” তাহলে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারত সরকারের সাহায্য ও যুদ্ধজয়কে খণ্ড স্বাধীনতা হিসেবেই দেখছেন তারা? সামগ্রিক মুক্তি বলতে কী বলছেন মাহফুজ? বলছেন, "হিমালয় থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত জনপদ পুনরুদ্ধার ব্যতীত পোকায় খাওয়া পূর্ব পাকিস্তান হয়ে বাংলাদেশ দিয়ে আমরা মুক্তিকে ছুঁতে পারব না। ভারত একটা ঘেরাও (Contain) ও গেটো (Ghettoize) কর্মসূচি নিয়েছে। '৪৭ এ হিন্দু মৌলবাদী ও কুলীনদের (অখণ্ড) বাংলাবিরোধিতা থেকে এ পোকায় খাওয়া খণ্ড বাংলা দেশের জন্ম।" প্রশ্ন উঠছে, পোকায় খাওয়া যে বাংলাদেশের কথা বলা হচ্ছে, এর সঙ্গে প্রকৃত মুক্তির সংঘাত কোথায়? ভারতের নীতিকে যুক্তি দিয়ে সমালোচনার জায়গায় যদি পাকিস্তানের পক্ষে সওয়াল করতে হয় তাহলে কি নির্মম ইতিহাসকেই অস্বীকার করা হয় না। নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন কি এই পথে বাস্তবায়িত হবে আদৌ?

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।

বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? সরকার বদলায়, কেন বদলায় না মন?

Rabindranath Tagore Targeted in Bangladesh: বাংলাদেশে বারবার কেন নিশানা হচ্ছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর? হাসিনা থেকে ইউনূস, সরকার বদলালেও কেন থামছে না তাঁর সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার মুছে ফেলার চেষ্টা? জাতীয় সঙ্গীতের স্রষ্টাকেই কেন বারবার প্রত্যাখ্যানের মুখে পড়তে হচ্ছে?

যন্তর মন্তরে ঢুকে বিক্ষোভ, পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে সিজেপি-র দুই নেতা

Jantar Mantar protest: যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের জেরে সিজেপি নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠাল আদালত। নির্বাচন কমিশন, এসআইআর এবং প্রতিবাদের অধিকার ঘিরে বাড়ছে বিতর্ক।

দিল্লিতে মহিলা বিক্ষোভকারীদের হেনস্থার অভিযোগ, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে যে সব প্রশ্ন

Delhi protest: দিল্লিতে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ ঘিরে মহিলা আন্দোলনকারীদের একাংশ পুলিশের বিরুদ্ধে হেনস্থা ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা ও প্রতিবাদের অধিকার নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন।

২৩ দিনের অনশন থেকে জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন, রাজপথই নেহা বোরার হয়ে ওঠার সাক্ষী

Neha Bora: ২৩ দিন ধরে অনশন করে যেমন তিনি সংবাদমাধ্যমের নজরে এসেছিলেন, তেমনই সম্প্রতি দিল্লির রাজপথে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টাও তাঁকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে।