অপরিপক্ক নৌশাদের হাতে কীভাবে ঘোল খেয়ে গেলেন পক্ককেশ বামেরা?

ISF and CPIM: ডায়মন্ড হারবারে প্রার্থী না হয়ে, বামেদের এতদিন অপেক্ষা করিয়েও জোট না করে আইএসএফ বুঝিয়ে দিয়েছে যে, তাঁদের বিজেপি-তৃণমূলের বিরুদ্ধে সদর্থক লড়াই করার কোনও বাসনাই নেই।

Sambit Pal
৪ মিনিট
অপরিপক্ক নৌশাদের হাতে কীভাবে ঘোল খেয়ে গেলেন পক্ককেশ বামেরা?

ভারত ও আমেরিকার মধ্যে অসামরিক পরমাণু চুক্তির প্রতিবাদ করে ২০০৮ সালে প্রথম ইউপিএ সরকারের থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করেছিল সিপিআইএম। তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাট ভেবেছিলেন কংগ্রেস পরিচালিত সরকার ফেলেই দেবেন। কিন্তু সিপিআইএম-এর বন্ধু সমাজবাদী পার্টির মুলায়ম সিং যাদব ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে কংগ্রেসকে সমর্থন করে সরকার বাঁচিয়ে দিয়েছিলেন। এই মুলায়ম সিংই ১৯৯৮-৯৯ সালে বাম ধর্মনিরপেক্ষ জোটের (যাতে কংগ্রেসও সামিল ছিল) অংশ হয়েও সনিয়া গান্ধির নেতৃত্ব মানতে চাননি, তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পদে বসতে দেননি।

২০০৮ সালে বঙ্গ ব্রিগেডের নেতারা প্রকাশ কারাটের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ছিলেন। অনেকে সমালোচনা করেছিলেন যে, প্রকাশ কারাট আর যাই হোক সিপিআইএমের প্রয়াত সাধারণ সম্পাদক হরকিষেণ সিং সুরজিৎ নন। সুরজিৎ জাতীয় রাজনীতির কুশীলবদের এত ভালো চিনতেন যে, কেউ মুখ খোলার আগেই বুঝে যেতেন কে কী বলতে বা করতে চলেছে। প্রকাশ কারাট বুঝতেই পারেননি একসময় সনিয়া গান্ধির বিরোধিতা করা মুলায়ম সেই সনিয়ার কংগ্রেসকেই বাঁচাতে এগিয়ে যাবেন।

মুলায়মের এরকম পাল্টি খাওয়ার ঘটনা অনেক আছে। সে অন্য প্রসঙ্গ। কিন্তু প্রকাশ কারাটের তীব্র সমালোচনা করা বঙ্গ সিপিআইএমের পক্ককেশ নেতারা যে অপরিপক্ক রাজনীতিক নৌশাদ সিদ্দিকির কাছে ঘোল খেয়ে গেলেন সেই গল্পটিই এখানে মূল প্রতিপাদ্য।

এতক্ষণে আমাদের জানা হয়ে গেছে যে, আইএসএফ-বাম-কংগ্রেসের জোট ভেস্তে গেছে। ২০২১ সালের নির্বাচনে এরকম একটি জোট হলেও বা ২০২৩-এর পঞ্চায়েত নির্বাচনে আইএসএফ ও বামেদের জোট হলেও এবারের ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে সেই জোট ভেঙে গেছে। নৌশাদ সিদ্দিকির আইএসএফ নিজেদের মতো প্রার্থী দিয়ে দিয়েছে। কোনও কোনও জায়গায় বামেদের সম্ভাবনাময় আসনগুলিতেও। কিন্তু বাম নেতারা এই সেদিন পর্যন্তও আশাতে ছিলেন যে আইএসএফের সঙ্গে তাঁদের জোট হবে এবং কয়েকটি আসন থেকে আইএসএফ তাদের প্রার্থী প্রত্যাহার করে নেবে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
নজরে সন্দেশখালি প্রতিবাদী প্রাক্তন বিধায়ক নিরাপদই বসিরহাটে ভরসা বামেদের

Lok Sabha Election 2024: সন্দেশখালির ঘটনার মাথায় রেখেই গুটি সাজিয়েছে সব দল। বামেরাও যে অন্যপথে হাঁটছে না, তা প্রমাণ করে দিয়েছে শুক্রবার তাদের প্রার্থীতালিকা।

আইএসএফের নেতা নৌশাদ সিদ্দিকি ডায়মন্ড হারবারে তৃণমূলের দ্বিতীয় নম্বর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লড়বেন এই কথা ঘোষণা করার পরেও পিছিয়ে এসেছেন। আর সিপিআইএম নৌশাদের কথা ভেবে সেখানে প্রার্থীও ঘোষণা করতে পারেনি। অপেক্ষা করেছে। রাজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন নিয়েই যদি এমন দোলাচলে থাকে একটি বিরোধী শক্তি তাহলে তৃণমূল-বিজেপি বিরোধী জনগণের কাছে কী বার্তা যাবে!

সাংবাদিক সম্মেলন করে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু দাবি করেছেন যে, তিনি সেই ১৯৫৭ সাল থেকে নির্বাচনী রাজনীতি করে আসছেন। তখন অনেক রাজনীতিকের জন্মই হয়তো হয়নি। কিন্তু এই সেদিনের ছোঁড়া নৌশাদ তবে বিমান বসুকে বোকা বানিয়ে ছেড়ে দিলেন কীভাবে?

এর সবচেয়ে বড় কারণ বামেদের আত্মবিশ্বাসের অভাব। একে বিজেপির উত্থানে পশ্চিমবঙ্গে কোণঠাসা হয়ে গেছে বামেরা। তাই কখনও কংগ্রেস তো কখনও আইএসএফকে কাছে টানতে হচ্ছে। কিন্তু তা যে ঠিক জোটের রাজনীতি নয়, তাও স্বীকার করে নিয়েছেন বিমান বসু। এটিকে আসন সমঝোতা বলতেই ভালোবাসেন প্রবীণ বাম নেতা। এই আসন সমঝোতাটি পুরোটাই স্বার্থান্বেষী রাজনীতির অংশ। শুধুই জয়ের অঙ্ক কষে আসন সমঝোতা। বিজেপি-তৃণমূল বিরোধী ভোটারদের কাছে টানার দৃঢ় প্রয়াসই নেই। আর এই সমঝোতায় বামেদের প্রথম থেকে ঠিক পাত্তাও দিচ্ছে না কংগ্রস। নৌশাদের আইএসএফ যে পাত্তা দিলই না, তা তো দেখাই গেল।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
তৃণমূলকে জেতাতেই ডায়মন্ড হারবার থেকে প্রার্থী হলেন না নৌশাদ?

Nawsad Siddique Diamond Harbor: আইএসএফ নেতারা চান নিজে প্রার্থী না হয়ে দলের তারকা প্রচারক হিসাবে কাজ করুন নৌশাদ।

প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী যেন বহরমপুরের বাইরে আর কিছুই জানেন না! বাম নেতাদের সঙ্গে আলোচনাতে তাঁর খুব যে উৎসাহ ছিল না তা বোঝাই যাচ্ছিল। অন্যদিকে, জাতীয় কংগ্রেস নেতৃত্ব বামেদের থেকে তৃণমূলের সঙ্গে জোটেই বেশি উৎসাহী ছিল। রাহুল গান্ধির ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা পশ্চিমবঙ্গে ঢোকার পরে বাম নেতারা রাহুলের কাছে যাবেন কী যাবেন না, তা নিয়ে দোটানায় ছিলেন। শেষে তাঁরা যখন দেখলেন ভাগীরথী পেরিয়ে রাহুল মুর্শিদাবাদে এলেন, তৃণমূল নেত্রী যখন রাহুলের পাল্টা রোড শো শুরু করলেন, তখন নেতারা মনে বল পেয়ে রাহুলের সঙ্গে দেখা করতে ছুটলেন।

তৃণমূলের সঙ্গে জোট না হওয়ায়, অনেক দর কষাকষির পরে মোটামুটি একটি আসন সমঝোতার জায়গায় এসেছে বাম ও কংগ্রেস। তবুও কোচবিহার ও পুরুলিয়ায় বন্ধুত্বপূর্ণ লড়াই করছে বাম শরিক ফরওয়ার্ড ব্লক ও কংগ্রেস।

কিন্তু নৌশাদ সিদ্দিকির অভিপ্রায় নিয়েই সংশয় রয়ে গেল। তিনি হয় ভয় পেয়েছেন বা কেউ তাঁকে ভয় দেখিয়েছেন। অথবা তিনি ধূর্ত সুযোগসন্ধানী রাজনীতিক। নয়তো এত হম্বিতম্বি করে শেষমেশ ডায়মন্ড হারবারে প্রার্থী না হয়ে, বামেদের এতদিন অপেক্ষা করিয়েও জোট না করে আইএসএফ বুঝিয়ে দিয়েছে যে, তাঁদের বিজেপি-তৃণমূলের বিরুদ্ধে সদর্থক লড়াই করার কোনও বাসনাই নেই। পিছিয়ে পড়া মানুষদের নিয়ে সমাজ বদল করার কথা তো অনেক দূরের।

সেই বাসনা যে বাম ও কংগ্রেসেরও এই রাজ্যে আছে তাও স্পষ্ট নয়। যদি তাই হতো, তাহলে সিপিআইএম নেতারা নিজেদের শক্তির উপর ভরসা করে লোকসভা নির্বাচনে কিছু নির্দিষ্ট আসনে জেতার জন্য ঝাঁপাতেন। অন্য আসনে জিততে না পারলেও প্রার্থী দিতেন। কিন্তু জেতার জন্য যদি কংগ্রেস ও আইএসএফের দিকে চাতক পাখির মতো বসে থাকতে হয়, তাহলে তো গোড়াতেই গলদ।

যুবনেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়কে দিয়ে ইনসাফ যাত্রা করিয়েও বাম নেতারা বুঝতে পারলেন না, কোথায় তাঁদের সমর্থন ফিরে আসছে বা সাংগঠনিক শক্তি ঠিক কতটা! সেই আসনগুলিতেই বিশেষ জোর দিতেন তাঁরা। কিন্তু এই 'অপেক্ষার' রাজনীতি করতে গিয়ে তাঁরা এই রাজ্যের বিজেপি ও তৃণমূল বিরোধী ভোটারদের কাছে সদর্থক বার্তাই পৌঁছতে পারলেন না। এটা বুঝতেই সময় লেগে গেল যে নৌশাদ সিদ্দিকি 'কারও হাতের তামাক খাচ্ছেন'। নৌশাদের ইমেজের যাই হোক, বাম রাজনীতিকদের ইমেজের দফারফা হল।

এর পরেও নিজের ক্যারিশমার জোরে বা কংগ্রেস ও বামেদের নীচুতলার কর্মীদের সাহায্যে যদি একটি বা দু'টি আসন বাম-কংগ্রেস জিতে যায়, তাহলে সেটা চমৎকার হবে।

লিখেছেন
Sambit Pal
Sambit Pal
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।