সন্দেশখালি কি আজকের নন্দীগ্রাম?

Sandeshkhali : হেরোইন ব্যবসা থেকে শুরু করে গরুপাচার, কাঠপাচার এমনকী মানুষ পাচারের অভিযোগও ওঠে শাহজাহানের বিরুদ্ধে।

inscript
৪ মিনিট
সন্দেশখালি কি আজকের নন্দীগ্রাম?

শাসকদলের হাত মাথায় আছে। ফলে এলাকা দখল করে যা খুশি তাই করার ছাড় রয়েছে 'স্থানীয় নেতা'দের। দীর্ঘদিনের এই অত্যাচারকে প্রতিহত করতে মানুষ জোট বাঁধলে কী হয় তার প্রমাণ সন্দেশখালি। তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের সাম্রাজ্য সন্দেশখালিতে সাধারণ মানুষের প্রতিরোধ সামান্য অবস্থান-বিক্ষোভ নয়। সন্দেশখালির মানুষের এই জোটবাঁধা মনে করিয়ে দিচ্ছে ২০১১ সাল, মনে করিয়ে দিচ্ছে সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম। শাসকদল সিপিএমের বিরুদ্ধে জোর করে জমি অধিগ্রহণের অভিযোগ উঠেছিল। সাধারণ মানুষের বিক্ষোভকে রাজনৈতিকভাবে চালিত করে সিপিএমের আসন টলিয়ে দেয় তৃণমূল। বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম এক বাঁক বদল করা আন্দোলন। লোকসভা নির্বাচনের মুখোমুখি এসে সন্দেশখালিতেও কি সিঙ্গুর নন্দীগ্রামের ছায়াই দেখা যাচ্ছে?

গত বুধবার থেকে অশান্ত হয়ে উঠেছে উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালি। শেখ শাহজাহান ও তাঁর সঙ্গীদের গ্রেফতারের দাবি ঘিরে হইচই পড়েছে। পথে নেমে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন সাধারণ মানুষ, বিক্ষোভের নেতৃত্ব দিচ্ছেন মহিলারা। এই মহিলাদের অধিকাংশই অভিযোগ করেছেন বিভিন্নভাবে নির্যাতন করা হয়েছে তাঁদের, শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠছে তৃণমূলের এই নেতাদের বিরুদ্ধে। বাঁশ, দা, কাটারি নিয়ে তাই সরাসরি রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ, থানা ঘেরাও। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, জোর করে জমি দখল করে নেওয়া থেকে শুরু করে কাজ করিয়ে টাকা না দেওয়া, হকের টাকা চাইতে গেলে মারধর, মহিলাদের শারীরিক নিগ্রহ- বাদ নেই কিছুই।

কে এই শেখ শাহজাহান?

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ফের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারেই আস্থা! কেন মমতাকে সবচেয়ে বেশি ভোট দেন মহিলারা?

Laxmir Bhandar WB State Budget 2024 : অদ্ভুতভাবে দেখা গিয়েছে মমতাকে পছন্দ করেন আদিবাসী, উচ্চবর্ণ ও মুসলিম মহিলারা। অথচ তাঁদের স্বামীরাই হয়তো ভোট দিচ্ছেন বিজেপিকে।

কোনও বড় হোমড়াচোমড়া নন, সামান্য উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের মৎস্য কর্মাধ্যক্ষ আর সন্দেশখালি ১-ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি। কিন্তু সেই ব্লক নেতারই বাড়ি দেখলে টের পাওয়া যায় কেন সন্দেশখালিকে তাঁর সাম্রাজ্য বলা হয়। রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, যিনি রেশন দুর্নীতি মামলায় জেলবন্দি, তাঁর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এই শাহজাহান। বাম জমানার একেবারে শেষ দিক থেকে এলাকায় নিজেকে প্রতিষ্ঠার জন্য চেষ্টা শুরু করেন শাহজাহান। ধীরে ধীরে হেরোইন ব্যবসা থেকে শুরু করে গরুপাচার, কাঠপাচার এমনকী মানুষ পাচারের অভিযোগও ওঠে শাহজাহানের বিরুদ্ধে।

২০১১ সালে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে শাহজাহান সরাসরি ক্ষমতার কাছাকাছি রইতে তৃণমূলে যোগ দেন। 'সাংগঠনিক দক্ষতা' দেখেই নাকি তাঁকে দায়িত্ব আর ক্ষমতা দুইই দেওয়া হয়। ক্রমেই প্রতিপত্তি বাড়তে বাড়তে গোটা এলাকায় নিজস্ব নিয়ন্ত্রণ কায়েম করেন শাহজাহান। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে বসিরহাট আসন থেকে তৃণমূল প্রার্থী নুসরাত জাহানকে জেতাতেও বড় ভূমিকা ছিল শাহজাহানের। দলের অন্দরের খবর, নুসরাতকে জেতানোর পুরস্কার হিসেবেই পঞ্চায়েত নির্বাচনে শাহজাহানকে টিকিট দেওয়া হয়, তাতে জিতেই জেলা পরিষদের মৎস্য কর্মাধ্যক্ষ হন তিনি। ধীরে ধীরে রেশন দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ে তার নাম। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক গ্রেফতার হতেই ইডির রাডারে আসেন শাহজাহান। শেখ শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি করতে গিয়ে মার খেয়ে, রক্তাক্ত হয়ে পালাতে হয়েছে ইডি আধিকারিকদের, শাহজাহানের অনুগামীদের তাড়ায় পিছু হঠেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী, সাংবাদিকরাও।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বরাদ্দ কোটি কোটি টাকা! ভোটের আগে যেভাবে তাক লাগাল মমতার 'কল্পতরু' বাজেট

West Bengal Budget 2024: বৃহস্পতিবার দুপুরে বিধানসভায় রাজ্যবাজেট পেশ করেছে অর্থ দফতরের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।

২০১৯ সালে সন্দেশখালি ১ ব্লক অফিসে ঢুকে বিডিওকে ব্যাপক মারধরে নাম জড়ায় শাহজাহানের। ঘূর্ণিঝড় ইয়াস বিধ্বস্ত এলাকায় মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী ত্রাণ নিয়ে গেলে সেই ত্রাণ লুঠ করে নেয় শেখ শাহজাহানের অনুগামীরা। তৃণমূলের মধ্যেই শাহজাহানের অবস্থান একদিকে খুবই শক্তপোক্ত অন্যদিকে আবার তেমনই অনেকের কাছেই চক্ষুশূল তিনি। এলাকায় যথেচ্চ অত্যাচার চালানো এই তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতারের দাবি উঠেছে তাই, দাবি উঠেছে লোক ঠকিয়ে হাতিয়ে নেওয়া জমি ফেরতের। জমি রক্ষা কমিটি এবং আদিবাসীদের সংগঠন এই বিক্ষোভের নেতৃত্ব দিচ্ছে। সন্দেশখালি থানা এলাকায় ১৪৪ ধরা জারি হয়েছে, নেই ইন্টারনেট যোগাযোগ।

বিজেপির বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী আগেও বলেছেন, মাছের বহু ভেড়ি ও মাছ প্রক্রিয়াকরণ প্লান্ট, ইট ভাটা এবং একটি শপিং কমপ্লেক্সের মালিক তিনি। পার্কসার্কাসে কয়েক কোটি টাকার বাড়ি রয়েছে শাহজাহানের। সন্দেশখালির মানুষের একাংশ বলছেন এই বিক্ষোভ সুসংবদ্ধ করার নেপথ্যে হাত রয়েছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ ও বিজেপির। বিজেপির অভিযোগ, শাহজাহান বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গাদের নিয়ে এসে ক্যাম্প করে রাখেন সন্দেশখালিতে। বিজেপির ৩ নেতাকে খুনের অভিযোগ রয়েছে শাহজাহানের বিরুদ্ধে। একজনের দেহ মেলেনি এখনও। শোনা যায়, এরপর থেকেই এলাকায় ধর্মীয় বিভাজনের রাজনীতি শুরু করে বিজেপি।

ইডির অভিযানের পরেই সংবাদমাধ্যমের যাতায়াত বাড়ে সন্দেশখালিতে। জনগণের বিক্ষোভ সরাসরি ধরা পড়ে ক্যামেরায়। তৃণমূল নেতা শিবু হাজরার পোলট্রি ফার্মে আগুন ধরিয়ে দেয় উত্তেজিত জনতা। তাঁর বাড়ি এবং বাগানবাড়িতেও আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। একদিকে সন্দেশখালির নন্দীগ্রাম হ‌ওয়া আটকাতে মরিয়া শাসক তৃণমূল। জমি ঘিরে এই আন্দোলন থামাতে বাড়ি বাড়ি তল্লাশি অভিযান চলছে, তৃণমূল নেতা উত্তম সর্দারকে গ্রেফতার করা হয়েছে, প্রশাসনিক পদও গিয়েছে তাঁর। শিবপ্রসাদ হাজরার ক্ষেত্রেও তৃণমূল এক‌ই ব্যবস্থা নিতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। তা হলে জমি আন্দোলন কিছুটা দুর্বল হবেই। কিন্তু শুভেন্দু অধিকারী ঘটনাটিকে নন্দীগ্রামের আন্দোলনের দিকেই যে নিয়ে যাচ্ছেন তা বোঝা যাচ্ছে তাঁর ক্ষিপ্রতা দেখেই। রাজ্যপাল তাঁর কথা শুনেই সোমবার হাজির হয়েছেন সন্দেশখালিতে। সন্দেশখালিতে বাম নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়ের‌ও যাওয়ার কথা। সন্দেশখালির প্রাক্তন সিপিএম বিধায়ক নিরাপদ সর্দারকে গ্রেফতার করা হয়েছে শিবু হাজরার অভিযোগের প্রেক্ষিতে। নিরাপদ সর্দারের বিরুদ্ধে হিংসায় প্ররোচনা দেওয়া, উস্কানিমূলক কথাবার্তা, আদিবাসীদের ক্ষেপিয়ে তুলে আন্দোলনকে সংগঠিত করার অভিযোগ তুলছে তৃণমূল।

সন্দেশখালি কি সত্যিই আগামীর নন্দীগ্রাম হয়ে উঠতে চলেছে? জমির লড়াই আর শাসকের অত্যাচারের বিরুদ্ধে মানুষের এই জোটবাঁধা তৃণমূলের কাছে কতখানি বিপদের? সিঙ্গুর নন্দীগ্রাম আন্দোলনে সরাসরি মাঠে নেমে লড়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর নেতৃত্বেই তৃণমূল ব্যাপকভাবে শাসক সিপিএমের বিরুদ্ধে মানুষের আন্দোলনকে চালিত করে। সন্দেশখালির এই আন্দোলনকে কি নেতৃত্ব দেওয়া মতো মুখ রয়েছে বিরোধীদের? রয়েছে সেই সাংগঠনিক ক্ষমতা? যদি এই আন্দোলন জোট বাঁধেও, তাতে কি সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের মতোই বুদ্ধিজীবীদের অংশ নিতে দেখা যাবে? এখনও অবধি ভাঙড় হোক বা সন্দেশখালি 'সুশীল সমাজের' ভূমিকা চোখে পড়েনি কোথাওই যেমনটা ছিল ২০১১ সালে। লোকসভা নির্বাচনের আগে কতখানি বাঁক বদল করা ঘটনা হয়ে উঠতে চলেছে সন্দেশখালি?

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

EXCLUSIVE: শেষদিকে দল পরিচালনায় গ্যাপ ছিল, অভিষেকের অফিসও ঠিকঠাক ম্যানেজ করা হয়নি: কুণাল

Kunal Ghosh on Abhishek Banerjee: ইন্সক্রিপ্টের ‘অনিন্দ্য এবং’ পডকাস্টে অভিষেক প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে কুণাল জানিয়েছেন, শেষ পর্যায়ের দল পরিচালনায় আরও ‘সতর্কতা’ প্রয়োজন ছিল। তাঁর দাবি, অভিষেকের অফিসও সব সময় ঠিকভাবে পরিচালিত হয়নি।

মমতা-অভিষেকের দল পরিচালনায় বিরাট গ্যাপ তৈরি হয়েছিল: ইনস্ক্রিপ্ট পডকাস্টে আর কী বললেন কুণাল?

Kunal Ghosh Interview: বিধানসভা ভোটে বিপর্যয়ের পরে প্রতীক, নাম হারিয়ে কার্যত দিশাহারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল। তার মধ্যেও ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই জারি রয়েছে। যদিও দলের অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহে মমতার কাছাকাছির বৃত্ত ক্রমশ সঙ্কুচিত হয়েছে। নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে মুখ পুড়েছে। এই প্রেক্ষিতে আসন্ন পুরভোটে কেমন করবে তৃণমূল? ঘুরে দাঁড়ানোর কোনও সম্ভাবনা আছে? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কী? বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে যা বললেন দলের বিধায়ক এবং অন্যতম মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।

এসআইআর: বাংলায় ভোটার যাচাইয়ের প্রভাব মুসলিম এলাকাগুলিতে ছ’গুণ বেশি, বলছে পরিসংখ্যান

Bengal Voter List Review: পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা যাচাইয়ে বিচারাধীন ভোটারদের ক্ষেত্রে মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলিতেই প্রভাব বেশি পড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, এই এলাকাগুলিতে ভোটার যাচাইয়ের প্রভাব অন্যান্য এলাকার তুলনায় প্রায় ছ’গুণ বেশি। এই পার্থক্য কীভাবে তৈরি হলো, কোন এলাকার ভোটাররা বেশি প্রভাবিত হলেন এবং এর পিছনে কী কারণ রয়েছে?

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।