রাজনীতি থেকে ছোট্ট বিরতি! কী জানালেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড?

‌Abhishek Banerjee: সম্প্রতি ইন্ডিয়া জোটের ভোটপরবর্তী বৈঠকেও প্রতিনিধিত্ব করতে দেখা গিয়েছিল অভিষেককে। তবে এবার সেই অভিষেকই একটু থামছেন।

Sohini Das
৪ মিনিট
রাজনীতি থেকে ছোট্ট বিরতি! কী জানালেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড?

লোকসভা ভোটে বাংলা থেকে ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন তিনি। সর্বকালের রেকর্ড ভেঙে দিয়ে লোকসভা ভোটে সর্বোচ্চ ভোটে জয় পেয়েছেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তিনিই যে যোগ্য সভাপতি, প্রমাণ করে দিয়েছেন তা-ও। সম্প্রতি ইন্ডিয়া জোটের ভোটপরবর্তী বৈঠকেও প্রতিনিধিত্ব করতে দেখা গিয়েছিল অভিষেককে। তবে এবার সেই অভিষেকই একটু থামছেন। বুধবার তিনি জানিয়েছেন, শারীরিক অসুবিধার কারণে আপাতত রাজনীতি থেকে বিরতি নিচ্ছেন তিনি।

কতদিনের বিরতি, কবে ফের রাজনীতিতে ফিরবেন, এ নিয়ে কোনও রকম ইঙ্গিত দেননি তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার নিজের এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেন অভিষেক। সেখানে নিজেই এই সাময়িক বিরতির কথা লেখেন তিনি। জানিয়েছেন, তিনি চিকিৎসার জন্য যাচ্ছেন। সেই কারণেই এই বিরতি।

বুধবার সকালে নবজোয়ার যাত্রা থেকে শুরু করে লোকসভা ভোট, একাধিক ইস্যু নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন অভিষেক। এক্স হ্যান্ডেলে অভিষেক লেখেন, “চিকিৎসার জন্য আমি সংগঠন থেকে সাময়িক বিরতি নিচ্ছি। এই সময় সাধারণ মানুষের চাহিদা কী, তা আরও ভালোভাবে অনুধাবনের সুযোগ আমি পাব। আমি বিশ্বাস করি, রাজ্য সরকার দ্রুত এবং ভালোভাবে মানুষের সমস্যার সমাধান করবে এবং মানুষ যাতে ন্যায়বিচার পায় তা নিশ্চিত করবে।” বিরতির কথা ঘোষণার পাশাপাশি অভিষেক কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাতের জেরে বাংলার মানুষের বঞ্চনার কথা তুলে ধরেছেন নিজের এক্স পোস্টে। তিনি জানান, বাংলার মানুষ তাঁদের আবাসের অধিকার থেকে বঞ্চিত। তৃণমূল ইতিমধ্যেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, ডিসেম্বরের মধ্যে তা পূরণ করা হবে। আর তা পূরণ করার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। রাজ্য সরকার নিজের দায়িত্ব পালন করবে বলেও ওই সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানান অভিষেক।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ভাঙল অনিল বসুর ‘অজেয়’ রেকর্ড! সব বাধা ঠেলে ডায়মন্ডহারবারে হ্যাটট্রিকের পথে অভিষেক

Lok Sabha Election 2024: প্রতিবারের মতো এই লোকসভা ভোটেও ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্র থেকেই প্রার্থী হয়েছিলেন অভিষেক। এই হীরক বন্দর এতদিনে কার্যত অভিষেক ব্যানার্জির গড়ে পরিণত হয়েছে। আর সেই গড়ে তাঁকে হারানো যে মোটেও সোজা কথা নয়, তা বুঝিয়ে দিয়েছে লোকসভা ভোটের ফলাফল।

লোকসভা ভোটে ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্র থেকে প্রায় সাত লক্ষ ভোটে জেতেন অভিষেক। এই নিয়ে তিনবার ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্র থেকে সাংসদ হলেন তিনি। এর আগে বাংলার রাজনীতিতে এই বিপুল সংখ্যক ব্যবধানে আর কেউ জিতেছে বলে মনে পড়ে না। এত বড় সাফল্যের পরে পরেই কেন রাজনীতি থেকে বিরতি নিতে চাইছেন অভিষেক, স্বাভাবিক ভাবেই উঠেছে প্রশ্ন। দীর্ঘদিন ধরেই অভিষেক চোখের সমস্যায় ভুগছেন। সে জন্য অস্ত্রোপচারও করিয়েছেন। সেই চোখের চিকিৎসার জন্যই এই সাময়িক বিরতি নাকি অন্য কোনও শারীরিক সমস্যা, তা অবশ্য স্পষ্ট করেননি সাংসদ।

লোকসভা ভোটের ময়দানে উদয়স্ত খেটেছেন অভিষেক। তার ফলাফলও মিলেছে হাতে-হাতেই। লোকসভা ভোটে নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পর মমতার সাংবাদিক বৈঠকে যথেষ্ট ক্লান্ত দেখিয়েছিল অভিষেককে। তবে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে কিন্তু যোগ দিয়েছিলেন পুরনো মেজাজেই। দিল্লিতে বৈঠক সেরে বাড়ি না ফিরে সোজা মুম্বইও উড়ে যান অভিষেক। তবে এই বিরতি যে খুব বেশিদিনের নয়, সেই ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন অভিষেক। জানিয়েছেন, সাময়িক বিরতির সময় সাংগঠনিক কাজকর্ম থেকে দূরে থাকলেও মানুষের মধ্যেই থাকবেন তিনি। সাধারণ মানুষ কী সুবিধা পাচ্ছেন, কী অসুবিধা আছে, কোথায়-কোথায় উন্নতির প্রয়োজন আছে, সেটা বোঝার চেষ্টা করবেন। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের কথায়, ‘আমাদের মানুষ এবং বিভিন্ন শ্রেণির কী চাহিদা, সেটা আরও ভালোভাবে বোঝার ক্ষেত্রে এই সাময়িক বিরতির সময়টা আমার কাছে একটি নয়া সুযোগ হতে চলেছে।’

Last year around this time, I had the opportunity to participate in NABOJOWAR Yatra and traveled across West Bengal to understand the issues and challenges faced by people on the ground. Witnessing firsthand the hardships caused by RISING PRICES and the stoppage of MGNREGA dues…

— Abhishek Banerjee (@abhishekaitc)

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
আদালতের রায়ে নাজেহাল যুবরাজ! কেন ফের সিবিআইয়ের তলব অভিষেককে?

Abhishek Banerjee: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর নাম জড়িয়ে যেতেই মামলা থেকে অব্যহতি চেয়ে আদালতে আবেদন করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

যদিও এ কোনও নতুন বিষয় নয় তাঁর কাছে, সে কথাও বুঝিয়ে দিয়েছেন তৃণমূল নেতা। অভিষেক জানান, গত বছর যখন তিনি নবজোয়ার কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন, তখন সাধারণ মানুষের কী কী সমস্যা হচ্ছিল, তা একেবারে নিজের চোখে দেখতে পেয়েছেন। বিশেষত লাগাতার দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি এবং ১০০ দিনের কাজের প্রাপ্য অর্থ না দেওয়ার ফলে তাঁদের যে কতটা সমস্যা হচ্ছিল, তা অনুভব করতে পেরেছিলেন। তারপরই মানুষের স্বার্থে তৃণমূল রাস্তায় নেমেছিল। আর লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে অনুদানের অঙ্কটা বাড়ানো হয় বলে জানিয়েছেন অভিষেক।

গত বছর এই সময়েই তৃণমূলের ‘নবজোয়ার’ যাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন অভিষেক। ৫১ দিনের সেই যাত্রায় কোচবিহার থেকে কাকদ্বীপ— সাড়ে ৪ হাজার কিলোমিটারের বেশি পথ যাত্রা করেছিলেন তিনি। রাজ্যের বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে ঘুরে মানুষের সঙ্গে কথা বলেছিলেন। ১৩৫টি জনসভা, ৬০টি বিশেষ অধিবেশন, ১২৫টি রোড-শো, ৩৩টি রাতের অধিবেশনে যোগ দিয়েছিলেন। পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রাক্কালে অভিষেকের ‘নবজোয়ার’ যাত্রা তৃণমূলের সংগঠনেও মন্থন তৈরি করেছিল। বিশেষত, গোপন ব্যালটে ভোট নিয়ে প্রার্থী চয়নের যে মডেল অভিষেক দেখিয়েছিলেন, তা তৃণমূলে অভিনবই ছিল। ‘কেন্দ্রের বঞ্চনা’ নিয়ে বাংলার আন্দোলনকে দিল্লি পর্যন্ত নিয়ে গিয়েছিলেন অভিষেক। ইতিমধ্যেই লোকসভা ভোটের আগে রাজ্যের ৫৯ লক্ষ শ্রমিককে ১০০ দিনের কাজের বকেয়া মজুরি মিটিয়েছে রাজ্য সরকার। অভিষেক এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লোকসভার প্রচারে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে আবাস যোজনার বাড়ির টাকাও দেবে রাজ্য সরকার। তা যাতে নিশ্চিত হয়, বুধবারের পোস্টে তা-ও উল্লেখ করেছেন তৃণমূলের সেনাপতি।

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তার ঘাড়ে দলের একাধিক সাংগঠনিক ভার রয়েছে। তার অনুপস্থিতে কে সামলাবেন সেই সব দায়িত্ব? ডায়মন্ড হারবার থেকে সদ্য সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। এদিকে আগামী ২৪ জুন থেকেই শুরু হতে চলেছে সংসদের নয়া অধিবেশন। সেখানেও কি থাকবেন না অভিষেক? তাঁকে ছাড়া কতটা সমস্যায় পড়তে চলেছে তৃণমূল, এই সমস্ত প্রশ্নই ঘুরে বেড়াচ্ছে দলের অন্দরে। ঠিক কতদিনের জন্য বিরতি নিচ্ছেন অভিষেক, তা তিনি এখনও পরিষ্কার করেননি। শরীরের ঠিক কী অসুবিধার জন্য চিকিৎসা করাতে যাচ্ছেন তিনি? তা-ও স্পষ্ট নয়। এর নেপথ্যে অন্য কোনও সমীকরণ রয়েছে কিনা, তা নিয়েও উঠে গিয়েছে প্রশ্ন।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।