রাম মন্দিরের রায় দিতে ঈশ্বরের শরণাপন্ন হয়েছিলেন প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়?

DY Chandrachud: প্রধান বিচারপতি যখন সংবিধানের পরিবর্তে ব্যক্তিগত বিশ্বাসের কথা, ব্যক্তিগত ধর্ম এবং ঈশ্বরের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন তখন সেই বিচারপতি এবং বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে প্রশ্ন উঠতে বাধ্য।

suman sengupta
৪ মিনিট
রাম মন্দিরের রায় দিতে ঈশ্বরের শরণাপন্ন হয়েছিলেন প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়?

ভারতীয় গণতন্ত্রের অন্যতম স্তম্ভ ভারতীয় বিচারব্যবস্থা। সেই বিচারব্যবস্থার যিনি মাথা অর্থাৎ দেশের সর্বোচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতি, তাঁর প্রতিটি বক্তব্য, প্রতিটি রায়, তাঁর সমস্ত আচরণ দিয়েই ভারতীয় বিচারব্যবস্থা এবং গণতন্ত্রের উন্নতি বা অবনতির মূল্যায়ন করা হয় সাধারণত। ২০১৯ সালের ৯ নভেম্বর দেশের সর্বোচ্চ আদালতের পাঁচ সদস্যের একটি সাংবিধানিক বেঞ্চ, শতাব্দী প্রাচীন অযোধ্যা মামলার রায় দেয়। ওই রায়ের পরেই অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু হয়। সেই বেঞ্চের অন্যতম একজন সদস্য ছিলেন, বর্তমান প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়। আগামী ১০ নভেম্বর তিনি অবসর গ্রহণ করবেন। তার প্রাক্কালে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিচারপতি চন্দ্রচূড় বলেছেন, যে সময়ে অযোধ্যা মামলা চলছিল, সেই সময় তিনি রোজ ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করতেন, যাতে ঈশ্বর অযোধ্যা মামলার রায়ের ক্ষেত্রে তাঁর পথপ্রদর্শক হন। এই বক্তব্য কি ভারতীয় বিচারব্যবস্থাকে আরও একবার ভুলুণ্ঠিত করার শামিল নয়?

ভারতীয় বিচারব্যবস্থা দাঁড়িয়ে রয়েছে ভারতীয় সংবিধানের উপর। সেই সংবিধানে কোথাও বলা নেই যে কোনও মানুষ ব্যক্তিগত ধর্মাচারণ করতে পারবেন না। কিন্তু একজন প্রধান বিচারপতি যখন কোনও রায়ের ক্ষেত্রে সংবিধানের পরিবর্তে ব্যক্তিগত বিশ্বাসের কথা, ব্যক্তিগত ধর্ম এবং ঈশ্বরের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন তখন সেই বিচারপতি এবং বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে প্রশ্ন উঠতে বাধ্য। বিচারপতি চন্দ্রচূড় ঠিক কী বলেছেন যা নিয়ে এই বিতর্ক? অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়েছিল তাঁর সম্বর্ধনা উপলক্ষ্যেই, আর সেখানেই তিনি বলেন, জীবনে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যখন কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে ঈশ্বরই একমাত্র পথপ্রদর্শক হতে পারেন। তিনি আরও জানান যে তিনি রোজই ঈশ্বরের সামনে বসেন কিন্তু অযোধ্যা মামলা চলাকালীন তিনি রাস্তা খোঁজার জন্যই প্রার্থনা করেছিলেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, যদি ঈশ্বরে বিশ্বাস থাকে, তাহলে যে কোনও সমস্যা থেকে পরিত্রাণের রাস্তা পাওয়া সম্ভব।

চন্দ্রচূড়ের এই কথার প্রেক্ষিতে বেশ কিছু প্রশ্ন ওঠে। তিনি ব্যক্তিগত বিশ্বাস থেকে তাঁর ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেছিলেন কিন্তু তিনি যদি হিন্দু না হয়ে অন্য কোনও ধর্মে বিশ্বাস করতেন, তাহলে কি তাঁর আরাধ্য দেবতা তাঁকে একইরকম রায় দিতে উৎসাহ দিতেন? সম্ভবত বিচারপতি চন্দ্রচূড় বিস্মৃত হয়েছেন তাঁর শপথ বাক্যের কথা। তিনি ঈশ্বরের নামে শপথ নেননি এবং সম্ভবত কোনও বিচারপতিই তা করতে পারেন না। বিচারপতিকে শপথ নিতে হয় যে, সত্য ও ন্যায়নিষ্ঠার সঙ্গে তিনি সংবিধানের মর্যাদা রক্ষা করবেন। কোনও ভয় বা আনুকূল্যের জন্য তিনি তাঁর দায়িত্ব পালন থেকে বিরত থাকবেন না। সেই সংবিধান কখনই একটি বিশেষ ধর্ম অনুশীলনের কথা বলে না। সংবিধান বলে, প্রতিটি ব্যক্তির ব্যক্তিগত ধর্মাচারণের অধিকার থাকলেও, রাষ্ট্রের কোনও ধর্ম নেই। সেই অর্থে বলতে গেলে, দেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি যখন সর্বসমক্ষে ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনার কথা বলেছেন, তখন তিনি ভুলই করেছেন। আগেও অবশ্য এইরকম ‘ভুল’ তিনি করেছেন এবং যত তাঁর অবসর এগিয়ে আসছে এই ভুলের প্রবণতাও যেন বাড়ছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের গণেশপুজোয় মোদি! ভারতের প্রধান বিচারপতি আদৌ নিরপেক্ষ?

Modi Chandrachud: প্রধানমন্ত্রী এবং প্রধান বিচারপতির 'একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় অনুষ্ঠান প্রকাশ্যে প্রদর্শন করা'-ও ভুল কারণ সুপ্রিম কোর্টের দায়িত্ব ধর্মনিরপেক্ষ মূল্যবোধগুলিকে বজায় রাখা।

যে রামমন্দিরের রায় নিয়ে তিনি এত উদ্বেল ছিলেন, সেই রামমন্দিরের উদ্বোধনের দিনে তিনি নিজে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বহুবার তাঁর ব্যক্তিগত বিশ্বাসের বিষয়টিকে সবার সামনে নিয়ে এসেছেন। কখনও গুজরাতের সোমনাথ মন্দির দর্শন করতে গেছেন, কখনও তাঁর বাড়িতে গণেশ পুজোর আরতিতে খোদ প্রধানমন্ত্রীর পাশে তাঁকে দেখা গেছে। তাঁর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বারংবার।

অবশ্য শুধু বিচারপতি চন্দ্রচূড়কে দোষ দিয়েই বা কী লাভ? ওই মামলায় যাঁরা রামমন্দির নির্মাণের পক্ষে রায় দিয়েছিলেন, তাঁদের প্রত্যেকের ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ওই রায়ের পরে একটা ছবি সামাজিক মাধ্যমে এবং গণমাধ্যমে ছেয়ে গিয়েছিল। সমস্ত বিচারপতিরা হাতে হাত রেখে ছবি তুলেছিলেন। দেখাতে চেয়েছিলেন, তাঁরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে রায় দিয়েছেন। সেই ঐক্যবদ্ধ ছবি থেকে পরবর্তীতে আমরা কী পেয়েছি মনে করতে পারলেই ছবির আসল অর্থ বোঝা যাবে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
অবসরের মুখে ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়, কে হতে পারেন দেশের পরবর্তী প্রধান বিচারপতি?

CJI DY Chandrachud: সুপ্রিম কোর্টের কলোজিয়ামের নিয়ম অনুযায়ী, প্রত্য়েক প্রধান বিচারপতি অবসর গ্রহণের আগে নিজের উত্তরসূরীর নাম সুপারিশ করে যান। আর তেমনটাই করলেন এবার প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়।

ওই মামলার পাঁচজন বিচারপতির একজন পরে রাজ্যপাল হয়েছিলেন। আরেকজন সরাসরি রাজ্যসভার সদস্য হন। তৃতীয়জনকে আইন সংক্রান্ত একটি সংস্থার প্রধান করা হয় আর সর্বশেষতম, যিনি এখন প্রধান বিচারপতি তিনি অপেক্ষা করছেন, কখন তাঁকে পুরস্কার পদ দেওয়া হবে। সমস্যা এখানেই! একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার রায় দিয়ে যদি এইরকম পুরস্কার পাওয়া যায়, তখন কেই বা বিরোধিতা করার সাহস দেখিয়ে বিচারপতি লোয়া হতে চাইবেন? অন্যান্য বহু মামলায় কোনও কোনও বিচারপতি কখনও সখনও বিরোধী মতামত রাখেন কিন্তু অযোধ্যা মামলার ক্ষেত্রে কোনও বিরোধী মতামত দেওয়ার সাহসটুকুও কেউ দেখাননি। কোনও বিচারপতি যখন নিজে মুখে স্বীকার

করেন যে, আইনি সমস্যা সমাধানের জন্য তিনি সংবিধানের পরিবর্তে ঈশ্বরের শরণাপন্ন হয়েছেন, তখন কি ভারতীয় গণতন্ত্রের থেকে কোনও আশা অবশিষ্ট থাকে?

আশা থাকে কিনা, তা বড় কথা নয়। বড় কথা এটাই যে, প্রধান বিচারপতি নিজে হয়ে উঠতে পারতেন ভারতীয় গণতন্ত্রের রক্ষার অন্যতম কাণ্ডারী। তিনি নিজেই যখন আশাভঙ্গ করেন তখন অনেক প্রশ্ন সামনে আসে। প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় কিন্তু আধারের রায়ের সময়ে বিরোধী রায় দিয়েছিলেন। এই বিচারপতিই কিন্তু নির্বাচনী বন্ড বাতিলের ঐতিহাসিক রায় দিয়েছেন। যদিও সেই রায়ের পরে, কে বা কারা

নির্বাচনী বন্ড নিয়ে লাভবান হয়েছে, সেই মামলা খারিজ করে দিয়েছেন তিনি কিন্তু নির্বাচনী বন্ডের মতো একটি অস্বচ্ছ টাকা তোলার পদ্ধতি বাতিল হয়েছে অবশেষে। আসলে সমস্যা অন্যত্র। সরকারের তরফ থেকে যে কোনও বিচারপতিকে তাঁর নিজস্বতা, স্বাধীনতা খর্ব করার জন্য কখনও হয় চাপ দেওয়া হয়, কখনও আবার বন্ধুত্বের বার্তা দেওয়া হয়। সেই চাপের কাছে নতিস্বীকার না করলে বিচারপতি লোয়া হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি জগমোহনলাল সিনহার মতো মেরুদণ্ড ক'জনেরই বা থাকে! ১৯৭৫ সালের ১২ জুন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধিকে নির্বাচনী অস্বচ্ছতার জন্য কারাগারে নিক্ষেপ করতে পেরেছিলেন তো তিনিই।

লিখেছেন
suman sengupta
suman sengupta
2 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।