Aditya-L1: আর কিছুক্ষণের অপেক্ষা! সূর্য ছুঁয়ে ফের ইতিহাস গড়ার পথে ISRO

ISRO Aditya L1: ইসরোর তরফে জানানো হয়েছে, শনিবার মোটামুটি বিকেল চারটে নাগাদ তার গন্তব্য কক্ষপথে পৌঁছবে আদিত্য এল ওয়ান।

Sohini Das
৩ মিনিট
Aditya-L1: আর কিছুক্ষণের অপেক্ষা! সূর্য ছুঁয়ে ফের ইতিহাস গড়ার পথে ISRO

২০২৩ যদি চাঁদের হয়, তাহলে ২০২৪ সালটা হতে চলেছে সূর্যের। কারণ গত বছরের শেষের ইসরোর তরফে ঘোষণা করা হয়েছিল, নতুন বছরের শুরুতেই সূর্যের এক্কেবারে কাছাকাছি পৌঁছতে চলেছে ইসরোর সৌরযান আদিত্য এল ওয়ান। আর সেই ল্যাগারেঞ্জ পয়েন্টের থেকে মাত্র কয়েক মুহূর্ত দূরে রয়েছে আদিত্য এল ওয়ান।

৬ জানুয়ারি, শনিবার সূর্যের ল্যাগারেঞ্জ পয়েন্টে পা দেওয়ার কথা আদিত্য এলওয়ানের। সূর্য আর পৃথিবীর মাঝখানে যে অংশটিতে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি সবচেয়ে নিরপেক্ষ, সেই ল্য়াগারেঞ্জ পয়েন্টেই শনিবার গিয়ে পাঁচ বছরের জন্য ঘর বাঁধতে চলেছে আদিত্য এল ওয়ান। ঠিকই পড়ছেন। পাক্কা পাঁচ বছর ধরে ওটাই ঘরবাড়ি হতে চলেছে সৌরযানটির।

ইসরোর তরফে জানানো হয়েছে, শনিবার মোটামুটি বিকেল চারটে নাগাদ তার গন্তব্য কক্ষপথে পৌঁছবে আদিত্য এল ওয়ান। গত ২ সেপ্টেম্বর যাত্রা শুরু করেছিল সৌরযানটি। প্রথম পনেরো-ষোলো দিন পৃথিবীর চারধারে ঘুরপাক খাওয়ার পর গতি বাড়িয়ে আসল যাত্রা শুরু হয় তার। মোটামুটি গন্তব্যের একেবারে কাছাকাছি পৌঁছতে ১২৬ দিন মতো সময় লেগেছে তার। এই ক'দিনে প্রায় ৩.৭ মিলিয়ন কিলোমিটার রাস্তা অতিক্রম করতে হয়েছে তাকে। আর এই রাস্তা কিন্তু মোটেও সরলরৈখিক ছিল না। বরং বৃত্তাকার পথ অতিক্রম করে করে গন্তব্যের কাছাকাছি পৌঁছতে হয়েছে তাকে। ইসরোর বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সৌরযানটির স্বাস্থ্য একেবারে ঠিক রয়েছে। ইতিমধ্যেই নানা চিত্র, খবরাখবর বিজ্ঞানীদের কাছে পৌঁছে দিয়েছে সে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ল্যাগারেঞ্জ পয়েন্টের একেবারে কাছে আদিত্য এল-১, নতুন বছরেই কি তবে সূর্যজয়?

Aditya L1: ইসরোর প্রধান এস সোমনাথ জানিয়েছেন,আগামী ৬ জানুয়ারি বিকেল চারটে নাগাদ সূর্যের ল্যাগারেঞ্জ পয়েন্টে পৌঁছনোর কথা আদিত্য এল ওয়ানের।

আদিত্য এলওয়ানের গন্তব্যটি ছিস মোটামুটি পৃথিবী থেকে দেড় মিলিয়ন কিলোমিটার দূরে। কিন্তু বিভিন্ন বৃত্তাকার পথ অতিক্রম করা জন্য যাত্রাপথের দূরত্ব বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণের চেয়েও বেশি। আপাতত যে ল্যাগারেঞ্জ পয়েন্টটিকে নিজের ঘরবাড়ি বানাতে চলেছে আদিত্য় এলওয়ান, সেদি আদতে একটি হলো আকারের কক্ষপথ। সেখানে চুপচাপ বসেই ১,৪৭৫ কিলোগ্রাম ওজনের কৃত্রিম উপগ্রহটি সূর্যের উপর কড়া নজর রাখবে। আমাদের সৌরজগতের প্রধান নক্ষত্রকে সূর্যকে আরও ভালোভাবে বোঝার চেষ্টা করবে আদিত্য এল ওয়ান। আর সেই সমস্ত তথ্য পাঠাতে থাকবে ইসরোর বিজ্ঞানীদের কাছে।

ল্যাগারেঞ্জ পয়েন্টে পৌঁছনোর যে চূড়ান্ত প্রক্রিয়া, তার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে ইসরো। আর এই ধাপটিই সবচেয়ে কঠিন। ইসরোর চেয়ারম্যান এস সোমনাথ জানিয়েছেন, আদিত্য-এল ওয়ানের যাত্রার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং সূক্ষ্ম ধাপ অপেক্ষা করে আছে ল্যাগারেঞ্জ পয়েন্টে। সেখানে পৌঁছলে ইসরোকে ‘ফায়ার’ করতে হবে। অর্থাৎ সৌরযানটিকে ধাক্কা দিতে হবে। তবে তা অত্যন্ত সাবধানে এবং মেপে মেপে। পরিমাপে এক চুল গোলমাল হলেই বিজ্ঞানীদের নিয়ন্ত্রণ ছাড়িয়ে বেরিয়ে যেতে পারে আদিত্য-এল ওয়ান। সে ক্ষেত্রে সূর্যের দিকে আরও এগিয়ে যাবে সৌরযানটি। একসময় তা ধ্বংস হয়ে যাবে। ইসরোর আর কিছুই করার থাকবে না। শনিবার বিকেল ৪টে নাগাদ ওই শেষ মুহূর্তের চূড়ান্ত ‘ফায়ার’ করবে ইসরো। সেটাই এখন তাদের ‘অগ্নিপরীক্ষা’। মাপ অনুযায়ী সঠিক ধাক্কা দিয়ে সৌরযানটিকে নির্দিষ্ট কক্ষপথে বসিয়ে দেবেন বিজ্ঞানীরা। তার পর শুরু হবে তার পেলোডগুলির কাজ।

ভারতের প্রথম সৌরঅভিযান এটি। গত বছরই প্রথম বার চাঁদে পা রেখেছে ভারত। চাঁদে পা রাখা দেশ হিসেবে চতুর্থ স্থানে থাকলেও, চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পা রাখা দেশ হিসেবে ভারতই প্রথম। সেই সাফল্যের পরে একটুও না জিরিয়ে একের পর এক নতুন অভিযানের কথা ঘোষণা করে দিয়েছিল ইসরো। সেপ্টেম্বর মাসেই সূর্যের উদ্দেশে রওনা হয় আদিত্য এল ওয়ান। এর পরে লাইনে রয়েছে ইসরোর গগনযান মিশন। যেখানে প্রথম বার মহাকাশে মানুষ পাঠাতে চলেছে ইসরো।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
আজ সূর্যের নাকের ডগায় পৃথিবী! কী ঘটতে চলেছে জানেন?

Perihelion Day 2024: ৩ জানুয়ারি, বুধবার সেই বিশেষ দিন। যাকে বলা হয় পেরিহেলিয়ন ডে। যেদিন অন্যান্য দিনের তুলনায় প্রায় তিন মিলিয়ন মাইল সূর্যের কাছে পৌঁছে যায় নীল গ্রহ।

আদিত্য এলওয়ানের এই পাঁচ বছরের সূর্যমিশন, ভারতীয় মহাকাশ গবেষণার ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ঘটনা হতে চলেছে মনে করা হচ্ছে। কোনও রকম বাধাবিঘ্নহীন ভাবে সূর্যের সমস্ত খুঁটিনাটি পর্যবেক্ষণ করতে চলেছে আদিত্য এলওয়ান, তা-ও আবার পাঁচ বছর ধরে। এমনকী সৌরঝড়ের মতো ঘটনা সম্পর্কে আগেভাগেই দেশ জানতে পারবে বলে আশাবাদী ইসরো। আর এ সবই হবে আদিত্য এল ওয়ানের সৌজন্যে। তেমনটাই জানিয়েছেন ইউ আর রাও স্যাটেলাইট সেন্টার বেঙ্গালুরুতে আদিত্য এল ওয়ান মিশনের প্রজেক্ট ডিরেক্টর নিগর শাজি।

সৌরঝড় আসলে সূর্যের উপরে এক একটি বড় আকারের চৌম্বকীয় বিস্ফোরণ, যা সমগ্র সৌরজগতের উপর গুরুতর প্রভাব ফেলে। ইসরো জানিয়েছে, যেহেতু আদিত্য এলওয়ান বিরতিহীন ভাবে নজর রাখবে সূর্যের দিকে, তার ফলে পৃথিবীতে আসন্ন ইলেক্ট্রো-চৌম্বকীয় প্রভাবগুলি সম্পর্কেও আগেভাগেই আমাদের সতর্ক করতে পারবে সেটি। যার ফলে আগে থেকেই আমাদের অন্যান্য় উপগ্রহ ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক ও যোগাযোগ নেটওয়ার্কগুলিকে নষ্ট হওয়ার হাত থেকে বাঁচানো সম্ভব হবে।

ইসরোর চেয়ারম্যান এস সোমনাথ জানিয়েছেন, ভারতের মহাকাশে অন্তত ৫০ হাজার কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে ইসরোর। যার মধ্যে রয়েছে ৫০টিরও বেশি কৃত্রিম উপগ্রহ। যারা সৌরঝড়ের মতো সমস্যায় নষ্ট হয়ে যায় বহু সময়েই। আদিত্য এলওয়ানের সৌজন্যে সেই ক্ষয়ক্ষতি অনেকটাই কমানো যাবে বলে আশা করছেন ইসরোপ্রধান। কারণ আগে থেকে জানা থাকলে প্রয়োজন মতো সেগুলিকে নিরাপদ মোডে পাঠিয়ে ক্ষয়ক্ষতি ঠেকানো যাবে।

আপাতত ল্যাগারেঞ্জ পয়েন্টে পৌঁছনোর যে চূড়ান্ত প্রক্রিয়া, তার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে ইসরো। সকলেই এখন রুদ্ধশ্বাসে অপেক্ষা করছেন, কতক্ষণে নিজের গন্তব্যে পৌঁছে পাঁচ বছরের জন্য পাকাপোক্ত ব্যবস্থা করে নিতে পারে আদিত্য এলওয়ান। আর সেই সাফল্যের জন্যই এখন প্রার্থনা করছে গোটা দেশ। আর তার পরেই আরও একবার ইতিহাস রচনা করবে ইসরো।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

AI-এর যুগে মানুষ কি নিজের বুদ্ধিটাই মেশিনের হাতে তুলে দিচ্ছে?

Artificial Intelligence: ছোটবেলায় অনেকেই ভাবত রোবট এসে মানুষের কায়িক শ্রমের কাজগুলি করে দেবে। মানুষ অবসর পেয়ে গান শুনবে, কবিতা লিখবে কিংবা বারান্দায় বসে কফি খাবে। বাস্তবে দেখা গেল ঠিক তার উল্টো চিত্র। রোবট এখন কবিতা লিখছে, ছবি আঁকছে আর কোড তৈরি করছে। অন্যদিকে মানুষ সকাল থেকে রাত ল্যাপটপের সামনে বসে শিখছে প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং।

মহাকাশে রওনা নাসার টেলিস্কোপের, বদলে দিতে পারে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি?

NASA’s Roman Space Telescope: নাসার নতুন ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ বদলে দেবে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি? হাবল ও জেমস ওয়েবের পর কেন প্রয়োজন হলো এই নতুন মহাকাশ-চোখের? ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি, গ্যালাক্সি ও এক্সোপ্ল্যানেট সম্পর্কে কি নতুন তথ্য দেবে রোমান? মহাবিশ্বের প্রসারণের ইতিহাস বুঝতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে এই অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ?

সৌরপৃষ্ঠ আসলে কেমন? ৩৩ বছর পর মিলল উত্তর

Sun’s surface mystery: সূর্যের পৃষ্ঠকে এতদিন দূর থেকে তুলোর মতো নরম ও শান্ত দেখালেও, তা কি সত্যিই এমন? বিশ্বের বৃহত্তম সৌর টেলিস্কোপ ড্যানিয়েল কে ইনোয়ের তোলা সর্বোচ্চ-রেজোলিউশনের ছবিতে দেখা গেল ছোট ছোট হিংস্র প্লাজমার ঘূর্ণি। ৩৩ বছর আগে করা জোয়ান কার্পেনের সেই ভবিষ্যদ্বাণী কি অবশেষে সত্যি প্রমাণিত হলো? এই আবিষ্কার কি বদলে দেবে সৌরপৃষ্ঠ সম্পর্কে ধারণা?

৩ অগাস্ট থেকে বদলে যাচ্ছে শেয়ার বাজারের নিয়ম!

Stock Market India: নতুন ব্যবস্থার অধীনে শেয়ার বাজার বন্ধের সময়কে তিনটি আলাদা অংশে ভাগ করা হয়েছে। তবে নন-এফএন্ডও (Non-F&O) স্টকগুলির ক্ষেত্রে আগের মতোই বিকেল ৩:৩০টা পর্যন্ত স্বাভাবিক লেনদেন চালু থাকবে, এতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। কিন্তু এফএন্ডও স্টকগুলির ক্যাশ মার্কেটে প্রতিদিন একটানা লেনদেন চলবে বিকেল ৩:১৫ মিনিট পর্যন্ত।

আইআইটি-র দুই প্রাক্তনীর বৈদ্যুতিক কৃষিযন্ত্রে একরপ্রতি খরচ মাত্র ৪০ টাকা

Electric Power Tiller: বাজারে যেসব ট্র্যাক্টর পাওয়া যায়, তা হয় বিশাল বড় জমির উপযোগী, না হয় কেনা ও চালানো দুটোই খুব ব্যয়বহুল। ভারতে ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ কৃষকের জমিই ছোট ও খণ্ড-বিখণ্ড, যেখানে বড় যন্ত্র ঢোকানোই সম্ভব নয়। আবার চিন থেকে আমদানি করা ছোট ছোট সস্তা মেশিনগুলিতে যন্ত্রাংশ ও সার্ভিসিংয়ের চূড়ান্ত সমস্যা তৈরি হয়। তাই বিদেশ থেকে আমদানির কথা না ভেবে, আইআইটি বোম্বের দুই প্রাক্তনী ঐশ্বর্য রামকৃষ্ণন ও কেদার গোখলে সিদ্ধান্ত নেন খাঁটি দেশীয় প্রযুক্তিতে ভারতের মাটির উপযোগী সমাধান তৈরি করার।

মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও উষ্ণ থাকে সোনাম ওয়াংচুকের বাড়ি

Sonam Wangchuk House: সোনম ওয়াংচুক মানেই পাহাড়ঘেরা লাদাখের ছবি, বরফে ঢাকা জীবন আর নতুন এক ভাবনার আলো। পেশায় তিনি একজন প্রকৌশলী, শিক্ষাবিদ এবং উদ্ভাবক। কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে তিনি যেন রূপকথার সেই মানুষটি, যিনি পাহাড়ের রুক্ষ জীবনের কঠিন সমস্যাগুলিকে বিজ্ঞানের সহজ ছোঁয়ায় অত্যন্ত সহজ করে তুলেছেন।

মহাকাশে মিলল চিনির সন্ধান, কেন গুরুত্বপূর্ণ এই আবিষ্কার?

natural sugar in space: ছায়াপথের কেন্দ্রের একটি আণবিক মেঘে প্রথমবারের মতো প্রকৃত মনোস্যাকারাইড ‘এরিথ্রুলোজ’-এর সন্ধান পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এই আবিষ্কার জানাচ্ছে, নক্ষত্র ও গ্রহ তৈরির আগেই মহাকাশে জটিল জৈব অণু তৈরি হতে পারে। ফলে পৃথিবীতে প্রাণের উৎপত্তি এবং মহাবিশ্বে জীবনের সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে গবেষণার আগ্রহ বেড়েছে।

কর্মদক্ষতা মাপল এআই, চাকরি হারালেন কর্মীরা? মেটার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মামলা

Meta mass layoffs: কর্মীদের ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নেবে? মেটার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় অভিযোগ, এআই-নির্ভর মূল্যায়নের কারণে মাতৃত্বকালীন ও চিকিৎসাজনিত ছুটিতে থাকা কর্মীরা অন্যায্যভাবে চাকরি হারিয়েছেন।